মনুভ্যালিতে থাকার সময়ে দীনেশের বিপ্লবী তৎপরতা সম্পর্কে অবশ্য কিছু জানা যায়নি। এই চা বাগানটিতে তাঁর এক নিকট আত্মীয় কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রেই দীনেশ এখানে পালিয়ে এসেছিলেন। এমন হতে পারে যে, রাজা শাসিত ত্রিপুরায় ব্রিটিশ পুলিশের ভয় নেই, আবার অদূরেই ব্রিটিশ বাংলা, বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগেরও সুবিধা। সে জন্যই দীনেশ আত্মগোপনে চলে এসেছিলেন মনুভ্যালি চা বাগানে। শুধু মনুভ্যালি নয়, কৈলাসহরের আরও একটি চা বাগান কালীশাসনও বিপ্লবী তৎপরতার সাক্ষী হয়ে আছে।






















