সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

রাতের অন্ধকারে সুন্দরবনে খাটাস। ছবি : সংগৃহীত।

আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পশ্চিম প্রান্তিক সুন্দরবনের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। সেই সময় আমাদের বাড়ির কাছে-পিঠে জঙ্গল না থাকলেও ঝোপঝাড় আর বিস্তীর্ণ প্রান্তর কম ছিল না। তখন ঘরবাড়ি ছিল বর্তমান সময়ের তুলনায় খুবই কম। একফসলি নিচু জমিতে মানুষ ধান এবং পাট চাষ করত। একটু উঁচু জমিতে পানের বরোজ। বিদ্যুৎ ছিল না। কেরোসিনের কুপিই ছিল ভরসা, আঁধারে আলোর উৎস। প্রায় প্রত্যেক গৃহস্থ বাড়িতে হাঁস-মুরগি পুষত। পোষ্যরা দিনভর চরে বেড়াত খামারে, মাঠে-ঘাটে। কোনওদিন গৃহস্থ সন্ধ্যেবেলা হাঁস-মুরগিদের নির্ধারিত খাঁচায় বা বাক্সে ঢোকাতে গিয়ে দেখত একটা পোষ্য হাঁস বা মুরগি নেই। খোঁজ খোঁজ, ডাকাডাকি। সন্ধের অন্ধকার গাঢ় হয়ে এলে খোঁজে বিরতি হত। দূরে ঝোপ বা পাটের ক্ষেত বা পানের বরোজ থেকে জোরালো আওয়াজ কানে আসত—ভউস ভউস ভউস। ভয়ে আমাদের মতো ছোটদের লোম খাড়া হয়ে যেত। বড়রা বলত, “এই ব্যাটা মুরগিটাকে সাবাড় করেছে!”
কখনও মাঝরাত্তিরে হাঁস-মুরগিরা তারস্বরে চিৎকার ও ডানা ঝাপটানি শুরু করত। টর্চলাইট বা হ্যারিকেন নিয়ে দরজা খুলে মুখে “হ্যাট হ্যাট” শব্দ করে গৃহস্থ তাড়া করত। আমাদের বাড়িতেও প্রায়শই এমনটা হত। কখনও দেখা যেত খাঁচা বা বাক্সের মধ্যে রক্তাক্ত মুরগি বা হাঁস ছটফট করছে কিংবা একটা আস্ত হাঁস বা মুরগি ভ্যানিশ! পড়ে আছে কিছু পালক আর রক্তের ফোঁটা। পরদিন হয়তো ঝোপে বা পাটের ক্ষেতের ভিতর বা পানের বরোজে প্রচুর পালক আর রক্তের দাগ দেখে কেবল ভোজনস্থানটাই বোঝা যেত, পোষ্যটিকে আর পাওয়া যেত না। শিকারি এই প্রাণীটিকে ঘুটঘুটে অন্ধকারে “চোখ জ্বেলে” ঘুরতে দেখেছি। এদের চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা খুব সৌভাগ্যের ব্যাপার। বাংলায় এই প্রাণীটির নাম খাটাস। মাত্র একবারই ওদের স্বচক্ষে দেখার সুযোগ হয়েছিল। সে কথাই এবার বলব।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী— গন্ধগোকুল

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৮: অসম-মিজোরাম সীমান্তে ঘাড়মুড়ার নব আবিষ্কৃত ভাস্কর্যও সুপ্রাচীন

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৮: অপারেশন হেলথ সেন্টার

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৬: কবির টুপি, কবির জোব্বা

তখন আমার বয়স ১০-১১ বছর। গত শতকের সত্তরের দশকের শেষের দিক। সময়টা বৈশাখ মাসের এক বিকেল। পশ্চিম দিকের বাঁশবনের আড়ালে সূর্য সবে ঢাকা পড়েছে। হঠাৎই বাঁশ বাগানের ওপারে হৈ হৈ আওয়াজ। বেরিয়ে দেখি পাড়ারই কয়েকজন লোক বল্লম আর লাঠি নিয়ে বাঁশ বাগানের ভেতর দিয়ে আমাদের বাড়ির দিকে তেড়ে আসছে, আর বলছে, “ওই দিকে গিয়েছে… ওই দিকে গিয়েছে”। আমার মাকে দেখতে পেয়ে ধেয়ে আসা লোকগুলোর মধ্যে থেকে একজন বলে উঠল, ‘বৌদি একটা খাটাস আমাদের একটা মুরগিকে ধরেছিল। তাড়া করতে তোমাদের বাড়ির এদিকে এসেছে।’

ব্যাপারটা এতক্ষণে আমার বোধগম্য হল। আমারও দারুণ কৌতুহল। সত্যিই কি দেখতে পাব এবার! একজন বলল, “বৌদি তোমাদের গোয়ালঘরটা খুঁজব? খাটাসটা তোমাদের গোয়ালঘরের দিকেই এসেছে।” মা সম্মতি দিতেই ৪/৫ জন লোক ঢুকল গোয়ালঘরে। ওরা একটা টর্চ লাইট চাইল। আমি দৌড়ে গিয়ে বাড়ির ভেতর থেকে এনে দিলাম। আমিও গোয়ালঘরে ওদের সাথে ঢুকতে চাইলাম। মা ধমক লাগাল, “খাটাস কোথায় আঁচড়ে-কামড়ে দেবে, খবরদার না! বাইরে দাঁড়িয়ে দেখ্।” অগত্যা গোয়ালঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে উঁকিঝুঁকি মারতে লাগলাম।
কলকাতায় বৃষ্টি

খাটাস। ছবি : সংগৃহীত।

আমাদের গোয়ালঘরে ঘুঁটে রাখার একটা মাচা ছিল। তখনও মাঠ থেকে গোরু গোয়াল ঘরে আনা হয়নি বলে গোয়াল ঘর ফাঁকা। একজনকে বলতে শুনলাম, “মাচায় ওঠ”। কয়েক সেকেন্ডের নীরবতা। তারপর নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ‘মার, মার’ আওয়াজ। সাথে সাথে দমাদ্দম আওয়াজ ও যন্ত্রণাকাতর পশুর বিকট চিৎকার। কয়েক সেকেন্ডে সেই চিৎকার বন্ধ। উত্তেজনায় আমারও দম প্রায় বন্ধ হবার জোগাড়। দু’জন লোক বল্লম গাঁথা অবস্থায় খাটাসটাকে টেনে গোয়ালঘরের বাইরে নিয়ে এল। ততক্ষণে সে নিঃসাড়। রক্তে ভাসছে ধূসররাঙা শরীর, মাটিও।

রক্ত, হত্যা ইত্যাদি দেখে আমি বিচলিত হয়ে উঠেছিলাম। আবার ভাবছিলাম, এই পশুটাই তাহলে আমাদের মুরগির লোভে রাতে খাঁচার তারজালি আঁচড়াত। সাধারণ দেখতে এই পশুটার ডাক শুনেই রাতে চমকে উঠে মা কিংবা বাবার গায়ের কাছে সরে যেতাম। ভাবছিলাম এসব কথা। তার মধ্যেই আবার দমাদ্দম আওয়াজ। মনে হল গোয়ালঘরের মাচা থেকেই শব্দটা হল। সমবেত গুঞ্জন কানে আসতে বুঝলাম খাটাসটার কয়েকটা বাচ্চা ছিল। ততক্ষণে সশস্ত্র জনতার হাতে তাদেরও পঞ্চত্বপ্রাপ্তি হয়েছে।
আরও পড়ুন:

পর্দার আড়ালে, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৭ : কাঞ্চনজঙ্ঘা: দেখা হবে চন্দনের বনে

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৫: অকৃতজ্ঞ-জাতক : কৃতঘ্ন

একটু বাদেই তিনটি মৃত খাটাস শাবককে গোয়ালঘর থেকে বাইরে টেনে আনা হল। শোয়ানো হল তাদের মায়ের পাশে। লেজ বাদে এক ফুটের মতো লম্বা হবে। বাচ্চাগুলোর জন্য সেই ছোট্ট আমার মনের কোণে যেন একটা কান্না মোচড় দিয়ে উঠেছিল। মায়ের আঁচলটা জাপটে ধরেছিলাম। মায়ের মুখ দিয়েও বেরিয়ে এসেছিল অস্ফুট স্বগতোক্তি, ‘আহা রে!’

রাত্তিরের নিস্তব্ধতা খান খান করা সেই ‘ভউস ভউস’ ডাক ধীরে ধীরে কমতে কমতে কবে যে হারিয়েই গেল খেয়াল করিনি। শুধু সুন্দরবন নয়, একসময় দুই চব্বিশ পরগনা, মেদিনীপুর ও হাওড়া জেলার গ্রাম ও মফস্বলে প্রচুর খাটাস ছিল। এখন বিচ্ছিন্নভাবে দু’এক জায়গায় খাটাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিললেও অধিকাংশ এলাকা থেকেই এরা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আজকের প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের বেশিরভাগের কাছেই খাটাস অপরিচিত প্রাণী। তাই ওদের সম্বন্ধে এবার একটু জেনে নেওয়া যাক।
কলকাতায় বৃষ্টি

বাচ্চাদের সঙ্গে মা খাটাস। ছবি : সংগৃহীত।

খাটাস বিড়ালের এক জাতভাই, বাঘ পরিবারের সদস্য। বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Felis chaus kutas’ (Pearson, 1832)। এরা জংলি বিড়াল বা জাঙ্গল ক্যাটদের একটি উপপ্রজাতি। গুজরাটের কচ্ছ থেকে মালাবার ও করমন্ডল উপকূল বরাবর এলাকা এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকা অর্থাৎ সুন্দরবন ছিল এদের প্রধান বিচরণভূমি। খাটাসের অস্তিত্ব প্রথম বিজ্ঞানীদের গোচরে আনেন জনৈক ব্রিটিশ বন্যপ্রেমী পিয়ারসন। তিনি মেদিনীপুরের জঙ্গল এলাকা থেকে ধরা খাটাসের একটা স্টাফড স্পেসিমেন (Stuffed specimen) ১৮৩২ সালে কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল-এর এক সভায় হাজির করেন। পিয়ারসন বলেন যে এই প্রাণীটির রঙ জংলি বিড়ালের চেয়ে আলাদা। স্বভাবেও পার্থক্য আছে। তিনি সভায় নতুন প্রজাতি হিসেবে এর বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Felis kutas’ করার প্রস্তাব করেন। পরে অবশ্য বিজ্ঞানীরা ‘Felis chaus’ -এর উপ-প্রজাতি হিসেবেই খাটাসকে গণ্য করেছেন।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৩: জরাসন্ধের ঔদ্ধত্য ও কৃষ্ণের ভূমিকা যুধিষ্ঠিরকৃত রাজসূয় যজ্ঞের প্রাসঙ্গিক সূচনা

দশভুজা, অন্য লড়াই: এই স্বাধীনতার জন্য আমরা লড়াই করিনি

একটা পূর্ণবয়স্ক খাটাস লম্বায় প্রায় ২১ থেকে ২৫ ইঞ্চি। লেজও বেশ লম্বা, ৯-১১ ইঞ্চি। ছাইরঙা গা। ফলে এরা সহজেই ঝোপেঝাড়ে, ঘুঁটের মাচায় নিজেদের লুকোতে পারে। এদের পিঠের দিকের লোমের রং গাঢ় ছাইরঙা, কিন্তু পেটের দিকের রং লালচে হলুদ, আর গলার সামনের দিক, বগল ও কুঁচকির রং ফ্যাকাসে সাদা। প্রায় ৩ ইঞ্চি লম্বা দুটো খাড়া কান, রং লালচে হলুদ। লেজ বিড়ালের মতো সরু ও কালো ডোরা দাগযুক্ত। সামনের ও পিছনের পায়ে কয়েকটা কালো ডোরা দাগ দেখা যায়। সব মিলিয়ে বিড়ালের ‘বড়দা’ মনে হলেও মুখটা কিন্তু ছুঁচালো। একটা পুরনো বয়স্ক খাটাস সাধারণত ৮-১০ কেজি ওজনের হয়। খাটাস মূলত নিশাচর। তবে পেটের জ্বালায় দিনের বেলাতেও খাবারের সন্ধানে বের হয়, বিশেষত বিকেলের দিকে। এদের শক্তি, গতি ও সাহসের প্রশংসা করতেই হবে। গৃহস্থের হাঁস-মুরগির প্রতি ওদের ভয়ানক লোভ। খাঁচার তার ছিঁড়ে কিংবা খাঁচা ভেঙে হাঁস বা মুরগি নিয়ে পালাতে ওরা ওস্তাদ। অসম্ভব ক্ষিপ্রগতি এদের। তাড়া করে ধরা অসম্ভব। তবে হাঁস-মুরগি না পেলে পাখি, পাখির ডিম, ইঁদুর, ময়ূর, খরগোশ বা অন্যান্য ছোট প্রাণী ওরা শিকার করে।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৯ : উত্তরমেঘ

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৫: পরবাস প্রস্তুতি (এক)

স্ত্রী খাটাস সাধারণত বছরে দু’বার বাচ্চার জন্ম দেয়। জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এবং আগস্ট-নভেম্বরের মাঝে। এক একবারে ৩-৫টি বাচ্চার জন্ম দেয়। পুরুষ খাটাস অনেক সময় পুরুষ খাটাস বাচ্চাকে মেরে ফেলে পাছে তার প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা বেড়ে যায়! মা খাটাসই বাচ্চার দেখভাল করে। নিজে শিকার করে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়। এই সময় মা খাটাসদের সাহস খুব বেড়ে যায়। দিনদুপুরেও শিকারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দেয়।

খাটাসরা সুন্দরবনে আজ খুবই বিপন্ন প্রজাতি। আইইউসিএন (IUCN) ওদের লাল তালিকাভুক্ত করেছে। ভারতের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনে ওরা শিডিউল-১ এর অধীন অর্থাৎ অতি বিপন্ন। খাটাস হত্যা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু আজও মানুষের হাতে খাটাস নিধন চলছে। সম্প্রতি শুনেছি, কোনও কোনও এলাকায় খাটাসকে মেরে তার মাংসও খাচ্ছে মানুষ। খাটাসের মাংস নাকি সুস্বাদু। ভাবা যায়!
কলকাতায় বৃষ্টি

ঘুমন্ত খাটাস। ছবি : সংগৃহীত।

তবে খাটাসদের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার অন্যতম কারণ হল জনসংখ্যার ব্যাপক বৃদ্ধি। সুন্দরবনের ঝোপ-জঙ্গল ধংস করে মানুষ গড়েছে বসতবাড়ি। সুন্দরবনের বসতি এলাকায় গ্রামাঞ্চলে আজকাল গোয়ালঘর এবং মাচাও প্রায় বিলুপ্ত। ফলে খাটাসরা তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান হারিয়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে খাদ্যসংকট। এখন গ্রামের গৃহস্থ হাঁস-মুরগি কম পোষে। সুরক্ষিত পোল্ট্রির সংখ্যাই বেশি। আর এসবের জন্যই খাটাসরা সুন্দরবন থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। হয়তো সেদিন খুব দূরে নয় যখন সুন্দরবনের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম খাটাসদের অস্তিত্ব খুঁজে পাবে কেবল বইয়ের পাতায় আর ইন্টারনেটে।—চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content