গুটিকয়েক ছাত্র নিয়ে যে আশ্রম-বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তা দিনে দিনে দৈর্ঘ্যে প্রস্থে শুধু বাড়েনি, মানুষেরও আস্থা অর্জন করেছে। কবির স্কুলের খ্যাতি বিস্তৃত হয়েছে। নিতান্তই প্রথানুসারী বিদ্যালয় নয়, একেবারে অন্যরকম। এই বিদ্যালয়ের সব ভাবনাই বেড়ে ওঠার দিনগুলিতে সহায়ক হয়ে ওঠে। পরবর্তী জীবনেরও পাথেয় সংগৃহীত হয়। রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন, প্রকৃতির মাঝখানে ছোটরা বড় হোক, শৈশব-বাল্যেই গড়ে উঠুক প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা।






















