সেরা পাঁচ

পর্ব-১৪৮: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৮

পর্ব-১৪৮: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৮

হঠাৎ কী হল? বিরূপাক্ষ তড়িঘড়ি ফোনটা ছেড়ে দিল কেন? পুলকের সঙ্গে কথা হয়েছে শুনে বিরূপাক্ষ ঘাবড়ে গেল কেন? বিরূপাক্ষ অন্যদিন যতটা আত্মবিশ্বাসী থাকে আজ তেমন লাগলো না কেন? মনে হল আজকের ফোনটার জন্য বিরূপাক্ষ যেন তৈরি ছিল না! কেন? পুলককে ফোনে না পেলে ঈপ্সিতা তো বিরূপাক্ষকেই ফোন করে? আজ পুলক কোথায় আছে সেটা কি বিরূপাক্ষ জানে না?

read more
পর্ব-৮৩ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮৩ : আকাশ এখনও মেঘলা

অতনু জানেই না যে তার অজান্তে সিকিউরিটি এজেন্সির বিতান ঘোষ তার সম্বন্ধে খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রয়োজনটা তার নয়। প্রয়োজন অতনু সেনের রেকমেন্ডেশনে রবীন চ্যাটার্জির কোম্পানি অ্যাথেনা ইনফোটেকের কর্মরতা দিয়া সাহার। তবে দিয়ার কেন অতনুকে জানার প্রয়োজন সেটা সে বোধহয় নিজেও জানে না।

read more
স্বাধীনতার অর্থ: পতাকার ঊর্ধ্বে এক নৈতিক অঙ্গীকার

স্বাধীনতার অর্থ: পতাকার ঊর্ধ্বে এক নৈতিক অঙ্গীকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কালজয়ী প্রার্থনায় লিখেছিলেন— “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির।” এই পঙ্ক্তিটি কেবলমাত্র একটি কবিতার অংশ নয়, এটি স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ। যেখানে মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে উদাত্ত কণ্ঠে সত্য উচ্চারণ করতে পারে, যেখানে জ্ঞান সংকীর্ণতার বেড়াজালে আবদ্ধ নয়, সেখানেই স্বাধীনতার পূর্ণ বিকাশ।

read more
পর্ব-১৮০: যাত্রাপথে

পর্ব-১৮০: যাত্রাপথে

ড্রাইভারের বেশ অল্পবয়স। আগে কখনও দেখেনি শাক্য। থানায় অবশ্য বেশ কয়েকটি গাড়ি। সব ড্রাইভারকে চেনাতার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে তাকে যতটা সম্ভব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুনে সে বেশ উত্তেজিতও হয়ে উঠেছিল। আজকালকার ওয়েব-সিরিজ দেখে সম্ভবত খুব। পাকা হাত অবশ্য। বেশ জোরেই গাড়ি চালাচ্ছিল। সুদীপ্ত খরচোখে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে।

read more
মানুষকে দেখি গণদেবতার বেশে…

মানুষকে দেখি গণদেবতার বেশে…

আজ ভারতবর্ষের আশিতম স্বাধীনতা দিবস। আটটি দশক ধরে স্বাধীন দেশ নিজের ভাবনায় চলছে। এই স্বাধীনতা কিংবা স্বাতন্ত্র্য নানারূপে কখনও ‘ফ্রিডম’, ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স’, ‘লিবার্টি’ কিংবা ‘লিবারেশন’, ‘ইম্যানসিপেশন” অথবা আরও কিছু। সব কিছুর মূলেই বন্ধন-মুক্তির প্রসঙ্গ আছে। এই বাঁধা-পড়া কখনও স্বেচ্ছায় কখনও অনিচ্ছায়। তাই মুক্তির আকাঙ্ক্ষাতেও ইচ্ছা বা অনিচ্ছার প্রসঙ্গ থাকে। ওই পায়রাগুলো কায়মনোবাক্যে উড়তে চেয়েছিল।

read more
পর্ব-১০৯ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ২

পর্ব-১০৯ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ২

বীরচন্দ্র একজন চিত্রকর এবং এক অভিজ্ঞ ফটোগ্রাফারও ছিলেন। এমনকি ভারতবর্ষে ফটোগ্রাফি চর্চার সূচনাপর্বের ইতিহাসে বীরচন্দ্রের নাম আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে। সব মিলিয়ে একজন মানুষের মধ্যে এত গুণের সমাহার সত্যিই বিরল। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সম্পর্কও বীরচন্দ্রকে ঔজ্জ্বল্য দান করেছে।

read more
পর্ব-১৪৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৭

পর্ব-১৪৭: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৭

সরকারি চাকরি দিতে অনেক হ্যাপা। পরে এ নিয়ে খোঁচাখুঁচি হলে ঝঞ্ঝাট অনেক। কিন্তু এতও হিসেবী এতো বুদ্ধিমান হয়েও ইপ্সিতার কাছে পুলকের পরকীয়া ধরা পড়ে গেল। মা কেন, ইপ্সিতা ছাড়া সারা পৃথিবীর আর কেউ জানে না। পুলক হাঁটুর বয়সী টেলিনায়িকা উত্তরা মুখার্জির সঙ্গে ডুবে ডুবে বিষপান করছে।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭২: কামোদ্দীপক প্ররোচনা ও রাবণের পরস্ত্রী-অপহরণের লোলুপতা আজও অব্যাহত

বর্তমান রাজনৈতিক পরিসরে একজন নারীকে কেন্দ্র করে দুই শক্তির বিরোধ হয়তো সহজ নয়। শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নারীকেন্দ্রিক নৈতিক চরিত্রের স্খলন, বিচ্যুতি বিরল নয়। সেটি হয়তো দেশের ঘরোয়া পরিসরে বা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিতে সংবাদপত্রের রসাল আলোচনার বিষয়। তবে কি পরস্ত্রী অপহরণ, ধর্ষণ এই অপরাধ নেই? একেবারেই তা নয়। এই দুষ্প্রবৃত্তির প্রবণতায় এই অপরাধ নিত্য ঘটে চলেছে এই ভোগবাদী দুনিয়ায়।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬২: ছুঁচো

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬২: ছুঁচো

রাত্রিবেলায় এদের ঘরের মধ্যে ঢুকতে দেখলেও এদের বাসা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘরের বাইরে বর্জ্য বা আবর্জনার স্তুপের ভিতরে, পরিত্যক্ত বাড়ি বা কক্ষের ভেতরে, কিংবা বাড়ির ফাটলের মধ্যে যেখানে সরাসরি দিনের আলো পৌঁছোয় না। অন্ধকার এদের খুব প্রিয়। তাই এরা খাবারের খোঁজে বেরোয় রাতে আর দিনের বেলায় বাসায় বিশ্রাম নেয়। সুন্দরবন অঞ্চলে এদের জঙ্গল এলাকায় পাওয়া যায় না। দেখা যায় কেবল জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে কারণ ভেজা কাদামাটি এদের একেবারেই না-পসন্দ।

read more
পর্ব-৮২ : আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৮২ : আকাশ এখনও মেঘলা

রাতে দিয়া ঘুমোতে পারে না! অতনু সেনের জন্যে খুব খারাপ লাগছিল। এতদিন দিয়া ভাবতো তার মতো কষ্ট কেউ পায়নি। তাকে পড়াশোনা করাতে এতকষ্ট করেছেন তার মা-বাবা। কিন্তু তার সাফল্য দেখার আগেই মারণ রোগে বাবা চলে গেলেন। মা এখনও গ্যাস এজেন্সিতে কাজ করেন। পরিশ্রম হয়। অসুস্থ হন। তবু কাজে যেতে হয়। গ্যাস এজেন্সিতে ছুটি নেই।

read more
বাইশে শ্রাবণ

বাইশে শ্রাবণ

সাল ১৯০১। রবীন্দ্রনাথের জীবনতরণী তখন ঠিক মাঝদরিয়ায়। আশি বছরের জীবনে চল্লিশ তখন তাঁর। উপলব্ধি করলেন—
“মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুর রূপ, দুঃখ হয় হে দুঃখের কূপ/ তোমা হতে যবে স্বতন্ত্র হয়ে আপনার পানে চাই// হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে যাহা-কিছু সব আছে আছে আছে–নাই নাই ভয়, সে শুধু আমারই/ নিশিদিন কাঁদি তাই/ অন্তরগ্লানি সংসারভার পলক ফেলিতে কোথা একাকার/ জীবনের মাঝে স্বরূপ তোমার রাখিবারে যদি পাই।।”

read more
পর্ব-১৭৯ : নুনিয়ার টান

পর্ব-১৭৯ : নুনিয়ার টান

শেফালিকা আছেন বলে নুনিয়ার খাওয়া-দাওয়ার কোনও অসুবিধা নেই। বাইরের খাবার দেওয়ার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নুনিয়াকে রাজসাক্ষী করা হবে এটাই ঠিক আছে। এই অবস্থায় তার প্রাণের উপর আবার অ্যাটেম্পট হলে ওইটুকু বাচ্চার প্রাণ তো যাবেই, কেসের ভবিষ্যতও বিশ বাঁও জলে চলে যাবে।

read more
পর্ব-১০৮ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ১

পর্ব-১০৮ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ১

ত্রিপুরার মাণিক্য রাজাদের ইতিহাসে নানা বৈপরীত্যের মাঝেও উজ্জ্বল হয়ে আছেন বীরচন্দ্র। রাজ্যাধিকার থেকে রাজ্য পরিচালনা সর্ব ক্ষেত্রেই যেন বিতর্ক তাড়া করেছে তাঁকে। তারপরও বলতে হবে তিনি ছিলেন এক আশ্চর্য গুণসম্পন্ন নৃপতি। একাধারে বীরচন্দ্র কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, চিত্রকর, ফটোগ্রাফার, প্রশাসক এবং নিশ্চিত ভাবে বিরাট কূটনীতিকও ছিলেন। ভাবতে অবাক লাগে, যিনি রাজপরিবারের পরিচারিকা মহিলাদের ফটো তোলা কিম্বা বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন অর্থাৎ 'নিষিদ্ধ ছবি' নিয়ে সময় ব্যয় করেন, তিনিই কি না সম্পূর্ণ নিরাসক্ত ছিলেন মদিরা সেবনে! যে রাজা...

read more
পর্ব-১৪৬: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৬

পর্ব-১৪৬: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ২৬

বিনীতা বেশ অবাক। মাত্র গতকাল ভোরেই বুতাইয়ের জীবনের এতও বড়ো একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে। তারপর গোটা একটা দিনের ছোটাছুটি! হাসপাতাল শ্মশান! কিন্তু আজ বুতাইকে দেখে মনে হচ্ছে এক তার মনে কোনও কষ্ট নেই আর নাহলে ইচ্ছে করে পাগলের মতো বকবক করছে। জোর করে শোকের থেকে শকের থেকে নিজেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে আনতে চাইছে মেয়েটা।

read more
মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭১: কৃষ্ণের প্রতি ভীষ্মের শ্রদ্ধার্ঘ্য, শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে মানুষ ও দেবতার সমন্বয়

মহাকাব্যের কথকতা পর্ব-১৭১: কৃষ্ণের প্রতি ভীষ্মের শ্রদ্ধার্ঘ্য, শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে মানুষ ও দেবতার সমন্বয়

কৃষ্ণ পাণ্ডবদের পথপ্রদর্শক, পিতৃতুল্য শুভাকাঙ্খী, গুরুতুল্য ক্ষমাশীল, তাই তিনি সম্মানীয়। যজ্ঞের ব্যবস্থাপক, গুরুতুল্য সদুপদেশদাতা, আত্মিক সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ, স্নাতক গার্হস্থ্যজীবনের সঙ্গী, তিনি রাজার রাজা অর্থাৎ মনোজগতের অধীশ্বর, প্রিয় সখা, তিনি এই সব কিছু, তাই তিনি পূজ্য। যেন ভারতের অন্তরাত্মার কৃষ্ণপ্রীতির মর্মবাণী ঘোষণা করলেন ভীষ্ম। কৃষ্ণের মানবিক রূপ অতিক্রম করে অতিলৌকিক সত্তা বর্ণনা করে ভীষ্ম বললেন, তিনি বৃদ্ধতম, লোকবৃদ্ধতমে কৃষ্ণে যোঽর্হণাং নাভিমন্যতে।

read more

 

 

Skip to content