সন্দেহটা জোরদার হল আনন্দ পালের মৃতদেহ নামানোর পর লাইগেশন মার্ক দেখে। কিন্তু আনন্দপালকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি আনন্দ ফ্যানে মোটা নাইলনের দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সেটা শুধু লাইগেশন মাপ দেখেই বলে দেওয়া সম্ভব নয়।
সন্দেহটা জোরদার হল আনন্দ পালের মৃতদেহ নামানোর পর লাইগেশন মার্ক দেখে। কিন্তু আনন্দপালকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি আনন্দ ফ্যানে মোটা নাইলনের দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সেটা শুধু লাইগেশন মাপ দেখেই বলে দেওয়া সম্ভব নয়।
মহর্ষি নারদ, রাষ্ট্রনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজার অনুসৃত উপায়গুলিসম্বন্ধে যে প্রশ্নগুলি উত্থাপন করেছেন সেগুলি বর্তমান প্রশাসনেও তাৎপর্যপূর্ণ। পারিপার্শ্বিকের রাজসহায়কদের বিশ্বাসযোগ্যতা, মন্ত্রগুপ্তি, প্রশাসকের কর্তব্যবিষয়ে সচেতনতা, প্রভৃতি বিষয়ে প্রশ্নগুলি যুগান্তরেও অনুসৃত হয়, তবে অন্যভাবে,অন্য কোন নামে। এগুলির আধুনিকতা চিরন্তন বললেও অত্যুক্তি হয় না। যে কোনও প্রশাসনিক অধিকর্তার ক্ষেত্রেই নারদমুনির রাজোচিত আচরণবিধি বিষয়ক প্রশ্নগুলি কৌতূহলোদ্দীপক ও প্রাসঙ্গিক। তবে বাস্তবজীবনে কী প্রশাসকরা সেগুলি মনে রাখেন?
প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। শনিবার থেকে টানা বৃষ্টিতে সেখানে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কোথাও সেতু ভেঙে পড়েছে, কোথাও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়ি-রাস্তাঘাট। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মিরিক এবং সুখিয়াপোখরিতে। মিরিকেই সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে সোমবার সকাল থেকে চিত্রটা খানিক বদলেছে। সোমবার থেকে পাহাড়ে সে ভাবে বৃষ্টিও হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরও জানিয়েছে, আপাতত উত্তরবঙ্গে আর নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনও কিছু দিন বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে। সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের সব...
দুর্গাপুজোর ঠিক পরেই বাংলার ঘরে ঘরে পুজো পান ধনদেবী। এমনকী যে যে মণ্ডপে দুর্গাপুজো হয় সেখানেও পূজিত হন লক্ষ্মী। দুর্গাপুজোর ঠিক পরের পূর্ণিমাকে বলা হয় কোজাগরী। কিন্তু কেন এমন নাম? কেনই বা এই দিন রাত জাগতে হয়? ‘কোজাগরী’ কথাটি এসেছে ‘কে জাগতী’ থেকে। অর্থাৎ কে জেগে আছ? জনশ্রুতি অনুযায়ী, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনই দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন। বাড়ির দরজা খোলা থাকলে, প্রদীপের আলোয় ভরা থাকলে ধনদেবী সেখানে প্রবেশ করেন। ‘কোজাগরী’ কথাটি এসেছে ‘কে জাগতী’ থেকে। অর্থাৎ কে জেগে আছ? জনশ্রুতি অনুযায়ী, কোজাগরী...
শারীরিক ক্ষিপ্ততা হারালেও রবীন্দ্রনাথের মনের জোর ছিল অপরিসীম। দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ‘বিসর্জন’-এ। অভিনয়ে দিনেন্দ্রনাথও কম পারদর্শী ছিলেন না। অভিনয়কালে রঘুপতি সাজা দিনেন্দ্রনাথের গলার রুদ্রাক্ষমালা ছিঁড়ে গিয়েছিল। দর্শকদের দিকে রুদ্রাক্ষগুলো ছুঁড়ে দেওয়ার পরও কারও মনে হয়নি, এভাবে সামাল নিলেন দিনেন্দ্রনাথ। এমনই সাবলীল ভাবে সে কাজ করেছিলেন যে, মনে হয়েছিল, সবই অভিনয়েরই অঙ্গ।
টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। রবিবার আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলায় অতি প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। অতি বৃষ্টির ফলে বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রাণহানির ঘটনাও হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, এখনই উত্তরবঙ্গে থামছে না দুর্যোগ। সোমবারেও উত্তরবঙ্গের আট জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই আট জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
থানা থেকে ফিরতে গেলে, বড় রাস্তা থেকে স্নিগ্ধাদের বাড়ির সামনের দিয়ে আসা গলিটা দিয়েই ফিরতে হবে। যাওয়ার সময় যখন ওই রাস্তা দিয়ে গেছে তখন তাদের বাড়ির সামনে কিছু মানুষের গুঞ্জন দেখেছিল কিন্তু তখন আশপাশে কি ঘটছে সেদিকে তাকানোর মতো মনের অবস্থা ছিল না। এখন থানা থেকে ফেরবার সময় তৃপ্তি দূর থেকে দেখতে পেল স্নিগ্ধাদের বারান্দার আলো জ্বলছে সেখানে কেউ দাঁড়িয়ে আছেন।
সুন্দরবনের যেখানেই জলজ আগাছা, কলমি, হিংচে, কচুরিপানা ইত্যাদি ভরা জলাশয় রয়েছে আর আশেপাশে প্রচুর ঝোপঝাড় রয়েছে সেখানে কাম পাখিদের থাকার সম্ভাবনা বেশি। তীরে ঝোপঝাড় রয়েছে এমন নদীর তীরেও দেখা যায়। অবশ্য সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামে শৈশব থেকে ৩০ বছর অতিক্রান্ত করলেও কখনও কোনও কামপাখি নজরে পড়েনি। এইরকম জায়গায় এরা অনর্গল ছোট্ট লেজটাকে ওঠানামা করিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে খাবার-দাবার খুঁজে বেড়ায়। অনেক সময় ধানক্ষেতের মধ্যেও এদের দেখা যায়। স্বভাবে কিন্তু এরা ভীষণ ভীতু।
সতর্কতা বলতে পুলিশ-প্রোটেকশন বোঝায়। কিন্তু পিশাচপাহাড় আপাত শান্ত ছোট্ট একটা জনপদ, যার বাসিন্দার সংখ্যা মেরে-কেটে কয়েক হাজার, সেখানকার থানায় কতজন পুলিশ পোস্টেড হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। অতএব প্রোটেকশন চাইলেই দেওয়া খুব কঠিন। একে স্টাফ বাড়ন্ত, তার উপর কালাদেওর ঘটনাগুলি ঘটার পর থেকে পুলিশের মধ্যেও একটা চাপা আতঙ্ক কাজ করছে। ফলে রাত-পাহারায় অনেকেই রাজি নয়। পুলিশের রুটিন পেট্রলিং অবশ্য বজায় আছে।
সুধা সবে অভিমানে মুখ ফুলিয়ে কিনতে যাচ্ছিল মুড়কি তখনই হাত নেড়ে আহ্বান। ওদিকে পুজোর ঘরে হই হই করে গুরুদেবের বহুব্যঞ্জন ভোগের ব্যবস্থা হয়েছে। সুনীতি ও আছেন সেই দলে। গুরুদেব ডেকে নিলেন সুধাকে। শিষ্যদের বললেন, গিন্নি মুখে কিছু না দিলে আমি খাই কি কইরা? আমার পাশেই অর বসার পিঁড়িখান পাত। গুছায়ে খাইতে দাও।
বিজয়া দশমীতে আমন্ত্রণ হাউসিং সোসাইটিতে বড়সড় অনুষ্ঠান হয়। এটা প্রায় ১০ বছরে গিয়ে পা দেবে। ঠাকুরপুকুর টপকে ডায়মন্ড হারবার রোড দিয়ে এগোলে আইআইএম জোকার রাস্তায় প্রায় ডায়মন্ড হারবার রোড লাগোয়া বেশ বড়সড় কমপ্লেক্স আমন্ত্রণ হাউসিং। তখন ছিল জোকা ট্রাম ডিপো। আর ছিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট, জোকা। একসময় বেশ ফাঁকা ফাঁকা ছিল। কিন্তু মেট্রোরেল হবার সম্ভাবনা তৈরি হতেই পিলপিল করে ফ্ল্যাট তৈরি হতে শুরু হল। একসময় ঠাকুরপুকুর ছিল প্রান্তিক এলাকা। একদিকে বিবিরহাট বাখরাহাট রায়পুর হয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার...
মা দুইগ্গা আইতাছেন চাঁদ। দশ হাতে তাঁর মন্ডা মেঠাই, নূতন শাড়ি, জামা, কাপড় রাশি রাশি। আমরা ক্ষ্যাতের মিট্টি চাপড়ে লিয়ে ঘর দুয়োর নিকোবো…গিরিমাটি দে পেত্তেক বারের মতো দাওয়ায় এত্ত ছবি আঁকবা তুমি… সোন্দর সোন্দর চিত্তির...। ঠাকমার নিদ্রা বিজড়িত অলস অবশ হাত। অভ্যাসবশে সন্তুর পিঠে ঢেঁকির মত আলতো করে উঠছে আর পড়ছে। সঙ্গে কানের পাশে একটানা কল্পিত পাঁচালি, বাহারি স্বপ্নের উড়োখই… পূজার দিন বামন কায়েতদের বাড়িত মনিব কুটুমজন ভিড় জমায়, অ্যাকব্যালা বানশি বাজনেই কত্তগুলা বকশিশ পাবে আমার সোনার চাঁদ… এহন খানিক ঘুম যাও...
প্রাককথন: আমাদের আশেপাশে কত মানুষ, কত তাঁদের গুণ, কত তাঁদের অধ্যাবসায়, মনের মধ্যে কত জমে থাকা কথা। সে মানুষকে জানা হয় না, চেনা হয় না। কারণ আমরা সাফল্যের পোস্টার দেখে মানুষের গুণের বিচার করি। অসংখ্য প্রতিভা নানা কারণে যাঁদের জীবন সেভাবে আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠেনি। মুখ্য আলোকবৃত্তের বাইরে গৌণ থেকে গিয়েছে যাঁদের অধ্যাবসায়, গুণ, কৃতিত্ব আমার খুব ঘনিষ্ঠ তেমন দু’জন অত্যন্ত গুণীজনের সঙ্গে আমার এবারের পুজোর আড্ডা। দু’জনেই কলকাতার বাসিন্দা। একজন মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার, অন্যজন দক্ষিণে বেহালার আর্কেডিয়া...
সামনে উল্টো দিকের এলিট বিরিয়ানিতে হঠাৎ করে ভিড়ে ভিড়, এপাশে বৌদির স্মার্ট বিরিয়ানির সবকটা টেবিল ফাঁকা। মোমোর দোকানে কিছু ভিড়, ও দিকের চাচার রোল, বাচ্চুর রোল হাউসে দু-চারজন বসে দাঁড়িয়ে। পলাশের হটস্পটের সামনে যেন ম্যাটিনি শোয়ের ভিড়। মাগো, মুখ তুলে চাও। একগুচ্ছ গোলাপ নিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে বাড়িয়ে ধরলে ওই স্নিগ্ধ হ্রদে ঢেউ উঠবে?
অষ্টমীর রাতে অল্প বৃষ্টি হয়েছে। তবে মহানবমীর বিকেল থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফকর। কলকাতায় দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেলের মধ্যে দমকা হাওয়া এবং বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা। হাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক বুলেটিন বলছে, বিকেল পর্যন্ত কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর ও হাওড়ার বিস্তীর্ণ অংশে বৃষ্টি হতে পারে।