কারখানার গেট থেকে খবর পেয়ে শ্রমিক ইউনিয়নের লোকজন ছুটে গিয়েছিল থানায়! সেখানে কোনও সুবিধা করতে না পেরে তাদের ক’জন পার্টির এক নেতার বাড়িতে ছুটল আর জনাকয়েক গেল দুলালের বাড়িতে। তখন অনেক রাত। সদর দরজা বন্ধ। খানিকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পর কেউ দরজা খুলল না!
কারখানার গেট থেকে খবর পেয়ে শ্রমিক ইউনিয়নের লোকজন ছুটে গিয়েছিল থানায়! সেখানে কোনও সুবিধা করতে না পেরে তাদের ক’জন পার্টির এক নেতার বাড়িতে ছুটল আর জনাকয়েক গেল দুলালের বাড়িতে। তখন অনেক রাত। সদর দরজা বন্ধ। খানিকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পর কেউ দরজা খুলল না!
অরিন্দম তার প্রগলভতায় বিস্মিত হন, হয়তো খানিক আকৃষ্ট-ও। তবে নায়কসুলভ তথাকথিত দুর্বলতার বিপরীতে তিনি তখন সংযত, ভদ্র, শিষ্ট। স্তব্ধ রাত, একাকী এক নারী ও রূপোলী দুনিয়ার হার্টথ্রব নায়ক, মুচমুচে গল্পের জন্য এর চেয়ে আকর্ষণীয় আর কী হতে পারে? মেয়েটি কি বিবাহিতা? এই প্রশ্নের উত্তরে মেয়েটি ডুকরে কেঁদে ওঠে, বিচলিত অরিন্দম দু’ পা “এগোতেই” মেয়েটি খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে।
ছোট বাবুইবাটান স্ত্রী ও পুরুষ দেখতে একই রকম। প্রজনন ঋতুতে এদের চঞ্চুর গোড়া উভয়েরই কমলা বা লাল হয়ে যায়। প্রজননের সময় পুরুষ পাখি স্ত্রীকে সামান্য ঠোক্কর দিয়ে বা খাবার দিয়ে তার মন জয় করতে চেষ্টা করে। মন দেয়া-নেয়া হয়ে গেলে খুব কম সময়ের মধ্যে তাদের মিলন হয়। তারপর ডিম পাড়ার পালা।
জীবনবাবু হঠাৎ করে ব্রেক কষায় গাড়ির মধ্যে সবাই সামনের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়ল। সুদীপ্তর মাথা ঠুকে গেল ড্যাশবোর্ডে। গাড়িটা বিচ্ছিরি শব্দ করে থেমে যেতেই সামনের উইণ্ডস্ক্রিনে প্রায় ঝাঁপ দিয়ে আছড়ে পড়ল একজন। ঘটনার আকস্মিকতায় শাক্য, সুদীপ্ত তো বটেই, জীবনবাবুর মতো অভিজ্ঞ, পোড় খাওয়া ড্রাইভারও হকচকিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মুখ দিয়ে প্রায় আর্তনাদের মতো বেরিয়ে এল, “এ কী? এ কে? এ কে গো?”
মাত্র ৫২ বছরে প্রয়াত গায়ক জুবিন গার্গ। সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। ২০০৬ সালের ‘ইয়া আলি’ গান জুবিনকে খ্যাতি এনে দিয়েছিল। প্রায় দুই দশক পরে, আজও সমান জনপ্রিয় সেই গান। জুবিনের এই মর্মান্তিক পরিণতি মেনে নিতে পারছে না অনুরাগীরা। সারাজীবন অন্তরালেই থেকে এসেছেন জুবিনের স্ত্রী গরিমা। স্বামী জুবিনের মৃত্যুতে কী অবস্থা গরিমা শইকীয়ার?
ষষ্ঠীর দু’দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। এই নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও। ফলে দুর্গাপুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সেই সঙ্গে মহালয়া থেকে দশমী পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া কেমন থাকবে, বিশেষ বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে।এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বাতাসের উপরিভাগে একটি নিম্নচাপরেখা সক্রিয় আছে। এর প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে বলে হাওয়া দফতর জানিয়েছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি...
সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ প্রয়াত। সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গায়ককে সমুদ্র থেকে সিঙ্গাপুর পুলিশ। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সঙ্গীতশিল্পীকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেব এবং তাঁর অবিশ্বাসী, কূটিল চরিত্রের কথা আমরা কে না জানি! কিন্তু ঔরঙ্গজেব কন্যা জেবউন্নিসা বেগমের কথা? কেউ কেউ জানলেও বেশিরভাগই জানেন না, এই জেবউন্নিসা ছিলেন তদানীন্তন মোগল ভারতের এক বিশিষ্ট কবি। একদিন এই কবির জীবনে নীরবে এসেছিল প্রেম। হতভাগ্য লাহোরের শাসনকর্তা আকিল খাঁ! সম্রাট দুহিতার সঙ্গে গোপন প্রণয়ের পরিণতিতে নির্মম ভাবে মৃত্যু ঘটেছিল তার।
পুলিশের তদন্তে এমন তথ্য অনুসন্ধান সম্ভব যেটা ধৃতিমান বা তাদের মতো গোয়েন্দার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। যেমন ফোনের ভিতরে হোয়াটসঅ্যাপের ডিফল্ট টাইমারের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া বা স্বেচ্ছায় ডিলিট করা চ্যাট পুনরুদ্ধার করা চ্যাটের অপরপ্রান্তের মানুষটির সব তথ্য তালাশ সংগ্রহ করা। পুলিশ প্রশাসনের সক্রিয় অনুমোদন ছাড়া মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডাররা কোনও অবস্থাতেই প্রকাশ করে না। কল রেকর্ড এমন কি প্রয়োজনে কল মনিটারিং করানো পুলিশের অনুমোদন সাপেক্ষ। তিনজনের ক্ষেত্রেই ফোনের সূত্র ধরে একজন কমন বন্ধুর খোঁজ পাওয়া গেল।
সদ্য খাণ্ডবদহন শেষ হয়েছে। পরিতৃপ্ত অগ্নিদেবের অনুমতি নিয়ে খাণ্ডবদহনের দুই হোতা, কৃষ্ণ ও তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুন স্বেচ্ছায় এক মনোহর নদীকূলে গিয়ে বসলেন। তাঁদের সঙ্গী হলেন ময়দানব। খাণ্ডবদহনের অভিঘাত হতে রক্ষা পেয়েছিলেন, খাণ্ডববনবাসী নাগরাজ তক্ষকের আশ্রিত ময়দানব। খাণ্ডবদহনের সময়ে তক্ষকের আশ্রয় থেকে পলায়নরত ময়দানবকে, অগ্নিদেব গ্রাস করতে উদ্যত হলেন।
বিশ্বকর্মা এলিট নন। এই নন-এলিট দেবতা স্বয়ং যেন সাব-অল্টার্ণ থিওরি হয়ে মণ্ডপে দাঁড়িয়ে থাকেন, হাতির গায়ে হেলান দিয়ে। হাতে হাতুড়ি, ছেনি, ঘুড়ি। যাবতীয় যন্ত্রপাতির মধ্যে তাঁর বাস। সে বাস হোক, কিংবা লরি, বৃহত্ শিল্প অথবা ক্ষুদ্র শিল্প, সাইকেল, অটো, বাইক, রিক্সা, টোটো, ভ্যান, ভ্যানো সর্বত্র আলো জ্বালেন দেব বিশ্বকর্মা।
দোরগোড়ায় পুজো। হাতে আর সপ্তাহ দুয়েক বাকি। সর্বত্র পুরোদমে তোড়জোড় চলছে। এদিকে এখনও বাংলায় বৃষ্টি থামার নাম নেই। কয়েক দিন বিরতির পর আবার ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। পুজোর কেনাকাটাতেও ভাটা পড়েছে। এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে, এখনই দুর্যোগ থামছে না। বুধবারও কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও কোনও এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে বারাণসীরাজ ব্রহ্মদত্তের রাজপুরোহিত। তিনি দানধ্যানে অতুলনীয়, পঞ্চশীলের পালনে একাগ্রচিত্ত। তাঁর গুণমুগ্ধ রাজা অন্যান্য ব্রাহ্মণদের তুলনায় তাঁকে অধিক সম্মান, মর্যাদা প্রদর্শন দেখাতেন।
অসমে মূলত চার ধরনের ধান চাষ করা হতো। আহু বা আউশ ধান, বাও ধান, লহি এবং সালি। এছাড়াও আরও কয়েক ধরনের ধান চাষ করা হত, সেগুলি এখন খুব একটা চাষ হয় না। চাকুয়া, বোরা এবং জোহা এই বিশেষ ধরনের ধান অল্প-সল্প চাষ হয়ে থাকে। চাকুয়া এবং বোরা এই দুই ধরনের ধানকে ম্যাজিক ধানও বলা যেতে পারে।
শ্রীশ্রীচণ্ডীর মূল গ্রন্থ অর্থাৎ দুর্গা সপ্তশতী পাঠের পূর্বে সকলেই দেবীকবচ পাঠ করেন। শ্রীশ্রীচণ্ডীকা দেবীর প্রীতির জন্য পাঠ করা হয়। যেখানে ঋষি মার্কণ্ডেয় সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মাকে জগতের পরম গোপনীয় অথচ মঙ্গলকারক আদি শক্তি, সর্বজীবের রক্ষাকর্তী মহামায়ার কীর্তি, জয়গাথা শোনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। কবচ শব্দের অর্থ বর্ম; যা পরিধানে শত্রুর হাত থেকে আত্মরক্ষা করা যায়।