শুক্রবার ৫ জুন, ২০২৬

সেরা পাঁচ

পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

“ডক্টরের সাক্ষ্য খুব জরুরি স্যার। এই কেসে প্রত্যক্ষ সাক্ষী, আই মিন আই-উইটনেস খুব কম। তাঁদের মধ্যে ডক্টর সত্যব্রত একজন। ওঁকে আমাদের যেভাবেই হোক সুস্থ করে তুলতে হবে। এই কেসে যাঁরা-যাঁরা এইরকম আই-উইটনেস, তাঁদের প্রত্যেকের সুরক্ষার ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। তা না হলে, কেস কেঁচে গণ্ডুষ হয়ে যাবে!”

read more
পর্ব-৯: শো-কেস শহর, উপসাগরীয় শিস এবং গোরার দিনরাত্রি

পর্ব-৯: শো-কেস শহর, উপসাগরীয় শিস এবং গোরার দিনরাত্রি

গোরা মানে গোরাচাঁদ নয়। গৌরাঙ্গ নয়। এ পরিবার শিবমন্ত্রে দীক্ষিত। গোরা হল গৌরিতোষ। সুনীতির সব ছেলেই মহাদেবের দোরধরা। শঙ্কর গৌরিতোষ আশুতোষ আর পিনাকী। আগের পক্ষের দেবতোষ শিবতোষও তাই। তার ওপর আর এক চমৎকার। বছর চারেক বয়সে সুনীতি সপরিবার বারাণসী গিয়েছিলেন। বাবা কিনে দিয়েছিলেন ছোট একখানি শ্বেতপাথরের শিব। লিঙ্গ নয়। পদ্মাসনে বসে থাকা সুস্মিত দেবাদিদেব।

read more
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৩: ত্রিপুরা : ঊনকোটির বহু মূর্তি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৩: ত্রিপুরা : ঊনকোটির বহু মূর্তি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে

ত্রিপুরার মাণিক্য রাজবংশের প্রতিষ্ঠা পঞ্চদশ শতকে। আর প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, ঊনকোটির বিগ্রহ সমূহের সৃষ্টি শুরু হয় অষ্টম-নবম শতাব্দীতে। অর্থাৎ মাণিক্য রাজবংশের অনেক অনেক আগের সৃষ্টি ঊনকোটি।কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতা যাদেরই থাক না কেন বিগ্রহ নির্মাণ সহ পীঠভূমি সৃষ্টিতো হয়েছিল এই ভূখণ্ডেই!তাই ঊনকোটির আবৃত ইতিহাস উন্মোচন খুবই প্রয়োজন। কারণ এই ভূখণ্ডের ইতিহাসের সঙ্গে ঊনকোটি অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত।

read more
পর্ব-১০৯: ডেসডিমোনার রুমাল/৮

পর্ব-১০৯: ডেসডিমোনার রুমাল/৮

যদি মনে এমন সন্দেহ হয়, যে তদন্তের মধ্যে গলদ ছিল বা ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু তথ্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা একটা মৃত্যুকে নিছক দুর্ঘটনার চেহারা দেওয়া হয়েছে, তাহলে কেস রি-ওপেন হতে পারে! যদি এটা দেখানো যায় যে, সঙ্গের যে মানুষটি ছিলেন তাকে সে-ভাবে কোনও জিজ্ঞাসাবাদ না করে বা শুধু অনুমানের ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাহলেও কোর্টের কাছে কেস রি-ওপেন করবার আপিল করা যায়। লোয়ার কোর্ট অ্যাপিল ডিসমিস করলে, হায়ার কোর্টে যাওয়া যায়।

read more
পর্ব-১৪০: বেচারা বড় কষ্টে আছে, মহর্ষি সাহায্য পাঠিয়েছিলেন সাত হাজার টাকা

পর্ব-১৪০: বেচারা বড় কষ্টে আছে, মহর্ষি সাহায্য পাঠিয়েছিলেন সাত হাজার টাকা

জ্যোতিরিন্দ্রনাথের লেখা থেকে জানা যায়, তাঁদের জন্য ‘উত্তম ঘর ও উত্তম আহারাদির ব্যবস্থা’ করতেন নিয়মিত। যাঁরা এইভাবে উপকৃত হয়েছিলেন, জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর মহর্ষির সঙ্গে শুধু নয়, পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা হলেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন এভাবে, ‘প্রায় দুই একজন মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রকে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় দিয়া তাহার শিক্ষার ব্যয়ভার তিনি বহন করিতেন। তন্মধ্যে একজন পরীক্ষোত্তীর্ণ ছাত্র—এখন ডাক্তার— আমাদের সহিত কখনও সাক্ষাৎ হইলেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিয়া থাকেন।’

read more
পুরুষ-দিবস

পুরুষ-দিবস

উগ্রশ্রবা কর্কশস্বরে বললেন, কিন্তু আজ অমাবস্যা যে… বৈশম্পায়ন বললেন, যথার্থ। কলিকালে আজকের দিনটি ওই নামেই বিবেচিত হবে। মাননীয় দুর্বাসা মুনি ইদানীং ভাবীকালে নিমগ্ন আছেন, তাই তাঁর কাছে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সমান ঠেকছে। তবে নভেম্বর মাসের ঊনিশ তারিখে মনুষ্যপ্রজাতির পুরুষ-দিবস বটে। আন্তর্জাতিক হলেও, মনুষ্যভিন্ন অন্যদের ক্ষেত্রে এসব প্রযোজ্য হবে না, তারাও এ নিয়ে কিছুমাত্র ভাবিত হবে না।

read more
সলিল চৌধুরী’র কথায়, তাঁর প্রথম কেনা গাড়ি

সলিল চৌধুরী’র কথায়, তাঁর প্রথম কেনা গাড়ি

সলিল চৌধুরী গাড়ি নিয়ে অনেক মজার কথা লিখেছেন। লিখেছেন তার অদ্ভুত ঘড়ঘড়ে হর্নের কথা। সেই হর্ন শুনে নাকি রাস্তার লোকজন ভাবতো পিছনে এসে কেউ নাক ঝাড়ছেন। একবার এক বন্ধু নাকি তাঁর বিয়ের জন্য গাড়িটা ধার চেয়েছিলেন। সলিল চৌধুরী বহুবার নানাভাবে বোঝাতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু কোনও লাভ হলো না। এদিকে সেই গাড়ির চক্করে পড়ে বন্ধুর বিয়েটাই হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। গাড়ি ফেরত দিতে এসে বন্ধু দু-চার কথা শুনিয়ে গেল।

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪২: শূকরজাতক: কাপুরুষ? মহাপুরুষ?

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪২: শূকরজাতক: কাপুরুষ? মহাপুরুষ?

রাষ্ট্রশক্তির বলা বলের দৃষ্টিকোণেও এই প্রতিটি পর্যায় প্রাসঙ্গিক। যুদ্ধের প্রয়াস, সামর্থ্যের অনুধাবন, অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত ও পরাজয়ের আশঙ্কা, কপটতার আশ্রয়ে নিন্দিত অনৈতিক জয়লাভ, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পশ্চাদপসরণ ও ভাবী অনিষ্টের বীজন্যাস – সবকটি ক্ষেত্র নৈতিক জয়-পরাজয়, বলাবল, আদর্শ ও বাস্তবের দ্বন্দ্বটিকে তুলে ধরে। শূকরটি জয়ী না হয়েও জয়ী।

read more
পর্ব-৭৩ : ‘খেলাঘর’

পর্ব-৭৩ : ‘খেলাঘর’

‘খেলাঘর’ ছবির প্রধান শর্ত ছিল মানুষের জৈবিক তাড়নাকে গৌণ করে মননের সমুদ্রমন্থনে অমৃত খুঁজে পাওয়া। আসলে সেসময়ে উত্তম কুমার ছাড়াও অন্যান্য ছবিতে যে প্রেম দেখানো হতো সেখানে শরীরের কলকব্জা খুব বেশি থাকতো না। মা-বাবা পরষ্পরকে কতটা ভালোবাসেন সেটা একটা গবেষণার বিষয় ছিল। ওঁদের প্রেমটা মাইক্রোস্কোপিক নকশার মতো। শরীর নেই। কেবল কিছু নম্র ছুঁয়ে যাওয়া। ওটুকুই সবটুকু।

read more
পর্ব-৪৪: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৪৪: আকাশ এখনও মেঘলা

দুলালের চরিত্রকে খুন করার জঘন্য ষড়যন্ত্রে হাত মেলালো স্নিগ্ধা! দুলাল, দুলালের সংসার বৌ তৃপ্তিকে একেবারে দুমড়ে মুচড়ে শেষ করে দিয়েছে স্নিগ্ধা! তৃপ্তির সিঁথিতে দেওয়া সিঁদূর,দুলালের হাতে পরানো এটা ভাবলেই শরীরের মধ্যে একটা অদ্ভুত জ্বালা শুরু হয়। এখন সে জ্বালাটা কমবে, ওদের দূর্দশা যত বাড়বে তত শান্তি হবে মনে। এবার স্নিগ্ধা নিজেকে ইন্দ্রিয়সুখে ভাসিয়ে দেবে। আর কোথাও ফেরার নেই। এবার ধ্বংসের খেলায় মাতবে স্নিগ্ধা।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা পর্ব-১২৬: সুন্দরবনের পাখি: গুলিন্দা বাটান

সুন্দরবনের বারোমাস্যা পর্ব-১২৬: সুন্দরবনের পাখি: গুলিন্দা বাটান

গুলিন্দা বাটানরা নাকি সাইবেরিয়া অঞ্চলের পাখি। সুদূর উত্তরের তুন্দ্রা অঞ্চল এদের মূল বাসস্থান। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে এরা নাকি ভারতে পরিযায়ী হয়ে আসতে শুরু করে। অবশ্য শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশ পাকিস্তান মালদ্বীপ শ্রীলংকা ইত্যাদি দেশেও এরা আসে এবং সমুদ্র উপকূলে, খাঁড়িতে ও চড়ায় এদের সমগোত্রীয় অন্যান্য পাখিদের সাথে মিলেমিশে থাকতে দেখা যায়।

read more
পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

মেজাজ ক্রমেই খিটখিটে হয়ে উঠছিল অরণ্যের। এখানে আর সে থাকতে পারছে না। আজ সে হাঁটতে-হাঁটতে থানায় যাবে। কথা বলবে লালবাজারের অফিসার হোক কিংবা লোকাল থানার ওসির সঙ্গে, দিন-দুয়েকের মধ্যে যদি তাদের যেতে না-দেওয়া হয়, তাহলে কলকাতায় ল’ইয়ারের সঙ্গে কথা বলে সে কোর্টে মুভ করবে।

read more
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৫ : Twoকি!

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৫ : Twoকি!

সত্যজিতের ছবিতে সমাজের নানা শ্রেণির প্রতিনিধি শিশুরা আসে। তাদের কেউ সংখ্যাতত্ত্বের আজকের দিন-দুনিয়ার মাঠে নামতে প্রস্তুত। তারা মনে করে চিরাচরিত একনম্বর থাকা, খাঁটি নিষ্কলুষ থাকার ধারণার পরেও যদি দুনম্বর, তিন নম্বর বলে কিছু আসে তাহলে তারা জানে দুনম্বরি কী, তাদের মতো করে। আবার একদল জগতের ওই জটিল মাঠটায় ছোটে একটা স্বপ্নের ভাঙা-গড়া বুঝে নিতে, হীরকের মর্মর মূর্তির দিকে।

read more
পর্ব-৮: সুনীতির পথ জন্মান্তরে

পর্ব-৮: সুনীতির পথ জন্মান্তরে

সুনীতির শরীর ভেঙে আসছে। পা দুটো অসম্ভব ভারি। মনে পাষাণভার। কিচ্ছু ভালো না লাগার ক্লান্তি। নকুল যত্নে তাঁকে বসিয়ে দিয়েছে মহিলা সংরক্ষিত কামড়ায়। আশেপাশে ভিড় করে আরো অনেকে। নোংরা মেঝে। পানের পিক ফেলা দেওয়াল। ধুলোমাখা আরশোলা এখানে ওখানে হাঁটছে। প্রশস্ত জানলা ছাড়িয়ে চোখ যাচ্ছে বহুদূর অজানা দিগন্ত। অজানা জগৎ। অজানা ঠিকানা। বৃদ্ধ স্বামী। এতগুলো ছেলেমেয়ে। কি যে করবেন সুনীতি!

read more
বন্ধুত্বের হাতছানি

বন্ধুত্বের হাতছানি

মা-হারা মেয়েকে এর আগে এত খুশি হারাধন কখনও দেখেনি। কাজের দেরি হবে জেনেও মেয়ের আনন্দের জন্য বাবা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলো নদীর ধারে। তারপর দু’জনে মিলে মুড়ি-বাতাসা খেয়ে ফিরে এলো আবার জঙ্গলের মাঝে। তখন উঁচু উঁচু গাছগুলোর মাথা ভেদ করে সূর্যের আলো ঝিলিক দিচ্ছিল জঙ্গলের ভিতরে। এবার শুরু হল বাবার কাঠ কাটার আর কুসুমের শুকনো পাতা কুড়ানোর পালা। হঠাৎ একটা বাচ্চা হরিণ তাদের দিকে ছুটে আসতে আসতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। হরিণ ছানার এক পায়ে তীরবেঁধা।

read more

 

 

Skip to content