রবিবার ৮ মার্চ, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত।

রুমে গিয়ে পূষণ বলল, “আর্যবাবু, আপনি আগে চেঞ্জ করে নিন।”
“হ্যাঁ, অন্তত নিচে কিছু পরে নে। যেটা পরেছিলি সেটা নিশ্চয়ই এখানেই কোথাও পড়ে আছে। সেটা পরে নে এখন।”
আর্য বলল, “সেটা পরা যাবে না। ঘামে ভিজে গিয়েছিল বলেই খুলে ফেলেছিলাম। তারপরেই তো ওই কাণ্ড!” বলে কাবার্ড থেকে প্যান্ট আর হাফ-স্লিভ টিজ্ নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে গেল।
অরণ্য পূষণকে জিজ্ঞাসা করল, “পূষণবাবু, আপনার কী মনে হয়, আর্য ঠিক কথা বলছে?”
“ঠিক বেঠিক জানি না,” পূষণ জবাব দিল, “কিছু তো একটা ঘটনা ঘটেছে, তাতে আমি ড্যাম সিওর। তা-না-হলে নিছক স্বপ্ন দেখে মানুষ এভাবে ন্যুড হয়ে দৌড়ায় না। যত্যই হোক, অপ্রাপ্তবয়স্ক তো আর নয় যে, লজ্জাশরম থাকবে না। যে-অবস্থায় করিডোরে ওকে পাওয়া গেছে, পরে জানতে পারলে, পারলে কেন বলছি, নিশ্চয়ই পারবে, তখন ও লজ্জায়-সংকোচে এক-ধরণের ট্রমার মধ্যে চলে যাবে, দেখবেন। আমি তো ওকে জানি, ও মুখে যতই ফরফরাক না কেন, আসলে ও মোটেই রাফ অ্যাণ্ড টাফ্ নয়। ললিতলবঙ্গলতিকা। কিন্তু সে-সব কথা থাক। এখন আমার প্রশ্ন যে এসেছিল, সে-যদি সত্যই এসে থাকে, তাহলে কে? আমি আগেভাগেই বলে দিচ্ছি অরণ্য, আমি কিন্তু কালাদেওর বুজরুকিতে বিশ্বাস করি না!”
“আমিও করতাম না। কিন্তু যা ঘটে চলেছে তারপর আর…”
“কালাদেও তাহলে আপনার বিশ্বাস-অবিশ্বাসের সীমানায় ঢুকে পড়েছে? শহুরে শিক্ষিত লোক হয়েও যেভাবে দিনের-পর-দিন আপনারা এইসমস্ত অন্ধ-বিশ্বাসকে প্রাধান্য দিয়ে চলেছেন, তাতে একসময় আপনিও মেনে নেবেন যে…” বলতে-বলতে থেমে গেল সে। কারণ আর্যকে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল। সে বারমুডা আর টিজ্ পরে এসেছে। সম্ভবত গায়ে-মাথায় জলও ঢেলেছে। কেমন একটা ক্লান্ত দেখাচ্ছিল তাকে।
অবশ্য ক্লান্ত হওয়াই স্বাভাবিক। মধ্যরাতে এমন ঘটনা ঘটলে তা সত্যিই মাথার উপর বিপুল চাপ সৃষ্টি করে। এখন যদি তাকে ব্র্যাণ্ডি দেওয়া যেতো, নিদেনপক্ষে কফি। কিন্তু কাকে ডাকবে? এই রিসর্টের নাইটসার্ভিস তেমন ভালো নয়। এখন রিশেপশনে ঘুমিয়ে থাকা ছেলেটিকে ডেকে যদি পূষণ বা অরণ্য যদি কড়া কফির অর্ডার করে, তাহলে লোকটি মনে-মনে বাপ-বাপান্ত করে ছাড়বে। তারপর ব্যাজার মুখে কফির ব্যবস্থা করবে, কিন্তু সেই কফি কতটা গলা দিয়ে নামবে, তাতে সন্দেহ আছে। অতএব কফির কথা ভেবেও পূষণ নীরব রইল।
অরণ্য বিছানার এক প্রান্তে বসেছিল, পূষণ বসেছিল রুমের একমাত্র চেয়ারে, আর্য এসে বিছানার আর-এক প্রান্তে পা ঝুলিয়ে বসল। তার হাত তিরতির করে কাঁপছিলো। বোঝা যাচ্ছিল যে, এখন সে মানসিক উত্তেজনার প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারেনি।
পূষণ বলল, “আর্য, আপনি কি ভয় পাচ্ছেন এখনও?”
“না, না, কই না-তো!” আর্য যেন অন্য দুনিয়া থেকে ফিরে এসে বলল, “আমি ঠিক আছি, বলুন!”
“না, তুই ঠিক নেই। ঠিক থাকলে বার-বার অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছিস কেন? এমন অবস্থা দুটি কারণে হয়, এক) প্রেমে পড়লে, আর দুই) ভয় পেলে। প্রথমটা হয়নি, তা তুই যেমন জানিস, আমিও জানি। তাহলে হাতে রইল…”
অরণ্যর কথা শেষ হতে-না-হতেই আর্য ইয়ার্কি করে বলল, “পেনসিল্ !” তারপর আবার অন্যমনস্ক হয়ে গেল।
পূষণ বলল, ‘আর্য, আপনি তখন বলেছিলেন যে, কোন উল্টোপাল্টা স্বপ্ন দেখে আপনার ঘুম ভেঙে যায় এবং আপনি উঠে বসেন। তারপরেই ঘটনাটি ঘটে। তাই তো?”
“হ্যাঁ!”
“আপনি কী-জাতীয় স্বপ্ন দেখেছেন, মনে আছে?”
“স্বপ্ন? কেন, স্বপ্ন দিয়ে কী হবে?” আর্য যেন একটু বিরক্ত হল পূষণের কথা শুনে।
কিন্তু সে-বিরক্তি গায়ে না-মেখে পূষণ বলল, “আসলে স্বপ্নের মধ্যে আমাদের অবচেতন মিশে থাকে। আমি আসলে এইকারণে জানতে চাইছিলাম যে, স্বপ্নের বিবরণ শুনে যদি আপনার মাইন্ড রিড করা যায়, তাহলে হয়তো বোঝা যাবে যে, অবচেতনের কোন আতঙ্ক থেকে রহস্যময় কালাদেওকে দেখেছিলন কি-না, যে চুপি চুপি আসে। যদিও আমি স্বীকার করছি যে, স্বপ্নের কথা জাগর অবস্থায় সম্পূর্ণ মনে থাকে না। তাও যতটা আছে!”
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২৯: পথিমধ্যে অতর্কিতে

পৃথিবীর সর্বোচ্চ একক আর্চ ব্রিজের নির্মাণে বিনয়ী এক অধ্যাপিকা

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৪: তালবাতাসি

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২৮: স্ত্রী সীতার ব্যক্তিত্বের প্রভায় রামচন্দ্রের আলোকিত উত্তরণ সম্ভব হয়েছে কি?

অরণ্য বলল, “হ্যাঁ বলে ফেল। যতটুকু মনে আছে বলে ফেল। অ্যাডাল্ট-মার্কা স্বপ্ন হলেও বলে ফেল। অনেকদিন ভুখা-পেয়াসা আছিস, তার জন্য ডোপেমিনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলেই উল্টোপাল্টা স্বপ্ন দেখছিস হয় তো !”
আর্য তুম্বো মুখ করে বলল, “তর যত সব ডার্টি জোকস্! বন্ধ কর্ তো! আমি মরছি নিজের জ্বালায় আর উনি ইয়ে মারাতে এসেছেন!”
পূষণ আবার বলল, “ওঁর কথা বাদ দিন। বন্ধু মানুষ। ইয়ার্কি করছেন, যাতে আপনি রিল্যাক্স ফিল করেন। আপনি ওত গুরুত্ব দিয়ে ধরবেন না ও-সব কথা। আপনি এখন আমাদের বলুন, আপনার হাবিজাবি স্বপ্নে আপনি কী দেখেছেন?”
“মনে নেই !”
“অ্যাই শালা, যা মনে আছে বল্!”
“কিচ্ছু মনে নেই, কিচ্ছু না! বললাম তো আগেই!” অসহিষ্ণু গলায় বলল আর্য। আর বলে মুখখানা ঘুরিয়ে নিল অন্যদিকে।
পূষণের কেন যেন মনে হচ্ছিল, আর্যর মনে আছে, স্বপ্নে সে কী দেখেছিল, কিন্তু বলতে চাইছে না কোন কারণে। সেই কারণতা কি অরণ্য যেতা মেনশন করতে চাইছে মজার ছলে, সেই জাতীয় ইরাটিক কিছু? যে-কারণে আর্য লজ্জা পাচ্ছে? কিন্তু এরাটিক কিছু এই বয়সে স্বপ্নে দেখা ত সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ, তাতে লজ্জা পাওয়ার কি-আছে? তাছাড়া তার মনে হচ্ছিল, আর্য যে স্বপ্নের বিবরণ দাখিল করা থেকে বিরত থাকছে, তা বিশেষ কোন কারণে এবং সচেতনভাবেই করছে।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৯: ক্ষুদ্র শক্তি সংগঠিত হলে বড় শত্রুও হার মানে

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৩: রাজা গোবিন্দমাণিক্য চেয়েছিলেন ঘরে ঘরে পুরাণ পুঁথির প্রচার হোক

পূষণ অন্য পথ ধরল। বলল, “আচ্ছা আর্য, একটা কথা বলুন তো, এই-যে কালাদেও বার-বার এই রিসর্টে আসছে এবং আপনাদের দলের কারুর-না-কারুর উপরে আক্রমণ করতে চেষ্টা করছে, অনিলবাবুকে তো মেরেই ফেলল, এটা কেন?”
“তা আমি কী-করে জানবো? হয়তো কোনও দোষত্রুটি হয়েছিল, সেটা এমনই যে, কালাদেও ক্রুদ্ধ হয়ে একের-পর-এক শাস্তি দিতে উদ্যত হয়েছেন!” আর্য ঝাঁঝ-মেশানো গলায় বলল।
“তাহলে তো আপনাদের টিমের সকলকেই নিজেদের অতীত আর বর্তমান জীবনের মধ্যে ডুব দিয়ে দেখতে হবে যে, এমন কোন ঘটনা সাম্প্রতিককালে ঘটিয়েছেন, কিংবে আগে ঘটিয়েছেন, যা পরবর্তীকালে দোষ বলে গণ্য হতে পারে। সেগুলিই মনে করার চেষ্টা করুন। তাহলেও হবে।”
“আমি কোন অন্যায় করিনি। না অতীতে, না বর্তমানে! অতএব আমার স্বপ্নে আমার অবচেতন মিশে নেই!” শেষের কথাটা বেশ জোরের সঙ্গে, কিঞ্চিৎ ব্যঙ্গ-মেশানো গলায় বলল আর্য।
“ওরে আমার ধ্মমপুত্তির যুধিষ্ঠির রে!” অরণ্য ব্যঙ্গমেশানো গলায় বলল, “শালা যুধিষ্ঠিরকেও একবার মিথ্যে বলতে হয়েছিল, তুই দেখছি তাঁর চেয়েও মহান। তোকে তো পূজা করা উচিত মাইরি!” বলে প্রণামের ভঙ্গি করতে যায় সে, আর্য বিরক্ত হয়ে দূরে সরে যায়।
পূষণ বলে, ‘আজ আপনি আমার উপরে বিরক্ত হচ্ছেন বুঝতে পারছি, কিন্তু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখলে বুঝতে পারতেন, কাল এই কথা রাষ্ট্র হয়ে গেলে লালবাজারের মিঃ সিংহ এবং তাঁর দলবল এসে ঠিক এই প্রশ্নগুলিই করবেন কিন্তু! আমরা কেবল সেই কথাগুলিই আগাম জানতে চাইছিলাম মাত্র। তবে আপনার যদি ভরসা না থাকে, তাহলে এখন থাক। আপনি পুলিশকেই বলবেন না-হয়। তবে একটা ব্যাপারে খটকা লাগছে!”
“কিসের খট্কা?” অরণ্য জিজ্ঞাসা করল।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩০: ঠাকুরবাড়ির জামাই রমণীমোহনকে মন্ত্রী করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৭: গ্রিন টি /৫

পূষণ বলল, “এই যে, আর্যবাবু হঠাৎ মাঝরাতে দরজা খুলতে গেলেন কেন? এখানে রাতের বেলায় যা-সব ঘটে চলেছে, তা তো আমাদের অজানা নয়। তাহলে কোন সাহসে রাতের বেলা আর্য হুট করে দরজা খুলে দিলে?”
আর্য বলল, “ইচ্ছে করে খুলিনি তো! দরজায় নক্ হচ্ছিল তাই খুলেছি!”
“কিন্তু আপনি তো এর আগে করিডোরে বলছিলেন যে, ঘরের মধ্যে লোডশেডিং দেখে আপনার মনে হয়েছিল, কেউ ঘরের মধ্যে আছে। আপনার ক্ষতি হতে পারে ভেবে আপনি দরজা খুলে সেই ভয়েই আপনি দরজা খুলে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করতে গিয়ে দরজা খুলে দেখেন, মূর্তিমান বিভীষিকা দরজার ওপারে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু এখন বলছেন, দরজায় কেউ নক্ করছিল বলে আপনি দরজা খুলে দেন। কোনটা ঠিক?”
আর্য থতমত খেয়ে যায় পূষণের সওয়াল শুনে। সে কোনওক্রমে বলে, “আমার মনে পড়ছে না ঠিক। হয়তো দুটোই ঠিক!”
“বোকা…!” খিস্তি মেরে অরণ্য বলল, “তুই শালা নিশ্চয়ই কোন নেশা করেছিলি, তা-না-হলে কিছুক্ষণ আগের ঘটনা তোর মনে থাকে না? গাঁজা টেনেছিলি না-কি? শালা সকলের রাতের ঘুম চৌপাট করে এখন দিল্লাগি করছিস?”
আর্য বিরক্তিমিশ্রিত গলায় বলল, “আমি কি তোদের আমার সঙ্গে থাকতে বলেছি না-কি? যা ভাগ্, আমার যা হয় হোক, আমি বুঝে নেবো!”
“শালা একটু আগে তো অন্য গাওনা গাইছিলি, এমন ভাব করছিলি যেন ফেইন্ট হয়ে যাবি, এখন হঠাৎ ব্রেভারি দেখাচ্ছিস? কানা…!”
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১০ : নায়ক ও মহাপুরুষ

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান

অরণ্য গলা চড়াল। রাতের ঘুম নষ্ট হওয়ায় সে খুব বিরক্ত।
পূষণ দু-পক্ষকেই ঠান্ডা করার চেষ্টা করল, “আরে থামুন থামুন, নিজেদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি করে কোন লাভ নেই। বরং তাতে টেনশন বাড়বে। আর্য এখনও ট্রমা থেকে বেরুতে পারেননি বলেই মনে হয় তাঁর একটু আগের ঘটে যাওয়া ঘটনা সঠিক মনে পড়ছে না। ঠান্ডা মাথায় ভাবলে কাল সকালেই হয়তো দেখবেন সবকিছু গড়গড় করে মনে পড়ে যাবে। আমি কেবল আর একটা প্রশ্নই করবো আর্যকে। যদি এটার উত্তর মনে থাকে তবেই বলবেন, নচেৎ বলবেন না।”
“কী প্রশ্ন ?” আর্যর গলার স্বরে সতর্কতা।
“দরজার বাইরে যে দাঁড়িয়েছিল, সে কি অপার্থিব উচ্চতার কেউ যার গায়ে ভালুকের মতো বড়-বড় লোম, আগুনের ভাঁটার মতো ধক্ধক্ করে জ্বলতে থাকা চোখ আছে? না-কি জাস্ট আমার-আপনার মতো মানুষী অবয়বের কেউ?”
“অন্ধকারে আমি কী করে বুঝব সেটা?”
“উচ্চতা বুঝতে পারলেন না, কেমন দেখতে তাও ভালো করে বলতে পারলেন না, অথচ দেখুন, নিজে ইতিমধ্যেই একে কালাদেওর কাণ্ড হিসাবে নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছেন। কিছু তো দেখে ভয়টা পেয়েছিলেন, নাহলে এমনভাবে চেঁচিয়েই বা উঠবেন কেন?”
আর্য অসহায়ের মতো মাথা নাড়ল। সে কীভাবে এদের বোঝাবে যে, সত্যিই কেউ এসেছিল, তবে সে ক্ষতি করার জন্য এসেছিল, না-কি সাহায্য করতে, এটাই তো তার জানা নেই। সে কেবল মুহূর্তের ভীতি থেকে চেঁচিয়ে উঠেছিল, যাতে আত্মরক্ষা করতে পারে। তার যে কেন মনে হচ্ছিল যে, বিপদ ঘটানোর জন্যই এসেছিল সেই রহস্যময় আগন্তুক, তা সে এদের বোঝাতে পারবে না। কিছু জিনিস বোঝানো যায় না, ফিল্ করতে হয়, এটাও সেইরকম একটি ঘটনা!—চলবে।
* ধারাবাহিক রহস্য উপন্যাস (novel): পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক (Pishach paharer Aatanka) : কিশলয় জানা (Kisalaya Jana) বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content