বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য সমূহের মধ্যে সীমা বিরোধ নতুন কোনও বিষয় নয়। মাঝে মাঝে এই সীমা বিরোধ ঘিরে বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্ত এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠে।এমন কি ঘটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও। যদিও সাম্প্রতিককালে কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সমূহের নানা উদ্যোগের ফলে অনেকাংশে এই সীমা বিবাদের অবসান হয়েছে। তবুও এখনও এই সমস্যার পুরোপুরি অবসান হয়নি। এখনও পূর্বোত্তরে কিছু কিছু আন্তরাজ্য সীমান্ত এলাকায় অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। সম্প্রতি ত্রিপুরা-মিজোরাম সীমান্তে ত্রিপুরার অংশে এমন অশান্তির ঘটনায় একদিকে যেমন উদ্বেগের সঞ্চার হয়েছে তেমনই এলাকার নিরাপত্তার বিষয়টিকেও তা প্রশ্ন চিহ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে অসমের সীমানা বিবাদ ঘিরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই অঞ্চলের মানুষের। অসমের সঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যের রয়েছে দীর্ঘ সীমানা। অরুণাচলপ্রদেশের সঙ্গে অসমের রয়েছে ৮০০ কিমি সীমানা, মেঘালয়ের সঙ্গে ৮৮৫ কিমি, নাগাল্যান্ডের সঙ্গে ৫১২ কিমি, মিজোরামের সঙ্গে ১৬৪ কি.মি এবং ত্রিপুরার সঙ্গে রয়েছে অসমের ৫৩ কিমি সীমান্ত এলাকা। কাজেই রাজ্য সমূহের মধ্যে দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় স্হানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিবাদ, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা তেমন অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু সীমানা বিবাদ ঘিরে যখন রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনা ঘটে তখন দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষেরও দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় সেদিকে।
এখানে উল্লেখ করা যায় যে, অসমের অঙ্গ ছেদ করে অরুণাচলপ্রদেশ,নাগাল্যান্ড,মেঘালয় ও মিজোরাম গঠনের পর থেকেই সীমানা বিবাদ ঘিরে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর সঙ্গে অসমের সীমান্ত এলাকা মাঝে মাঝে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এতে রক্তও ঝরছে। অনেকের এমনও অভিমত যে, রাজ্যসমূহ পুনর্গঠনের সময় সীমানা নির্ধারণে ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে পরবর্তীকালের মানুষকেও! কেউ বলেছেন, তখন প্রশাসনিক সুবিধার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিলেও সীমান্ত এলাকার স্হানীয় মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে ব্রিটিশ আমলেই সমস্যার বীজ বপন হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। যাইহোক, এই সমস্যা সমাধানে কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সমূহের তৎপরতা অব্যাহত আছে।রাজ্য সমূহের মধ্যে বৈঠক, সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে যৌথ উদ্যোগ,নিরাপত্তা বাহিনীর টহল সবই হচ্ছে।অনেক সীমা সমস্যা ইতিমধ্যে মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হলেও এখনও বেশ কিছু অংশে সমস্যা রয়ে গিয়েছে।

১৯৬৩ সালে পৃথক নাগাল্যান্ড গঠনের পর থেকেই অসমের সঙ্গে তার সীমানা বিবাদে বহু রক্ত ঝরেছে। পুলিশ সহ বহুসংখ্যক সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। অরুণাচলপ্রদেশের সঙ্গেও অসমের সীমা বিবাদ বহু পুরনো। বর্তমানে অবশ্য দুই রাজ্যের তৎপরতায় তার অনেকটাই অবসান হয়েছে। ১৯৭০ সালে অসম থেকে বিচ্ছিন্ন করে মেঘালয়কে একটি স্বশাসিত রাজ্য করা হয়। ১৯৭২ সালে হয় পূর্ণ রাজ্য। দীর্ঘদিন যাবৎ দুই রাজ্যের মধ্যে সীমা বিবাদ চলছে। বিবাদ মিটিয়ে ফেলতে উদ্যোগ যেমন অব্যাহত আছে, তেমনই মাঝে মাঝে আবার ঘটে যায় অনভিপ্রেত ঘটনাও।
আরও পড়ুন:

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৪: ‘শিলালিপি সংগ্ৰহ’ গ্রন্থ অতীতের ত্রিপুরা নিয়ে গবেষণার দিশারী

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩১: যে পালিয়ে বেড়ায়

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৩৩: আকাশ এখনও মেঘলা

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২৯: শকুন্তলারা আজও আছেন

অসম-মিজোরাম সীমানাও মাঝে মাঝে উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ঘটে রক্তক্ষয়ী ঘটনাও।ক’বছর আগে এই দুই রাজ্যের সীমানা বিবাদ ঘিরে গুলিতে অসম পুলিশের ছয় জন নিহত হয়েছিল। ঘটনায় চমকে উঠেছিল সবাই। এমএনএফ’র সঙ্গে কেন্দ্রের শান্তিচুক্তির সূত্রে ১৯৮৭ সালে মিজোরাম হয় পূর্ণ রাজ্য। মিজোরামের তিনটে জেলা কলাশিব, মামিত ও আইজলের সঙ্গে অসমের কাছাড়, হাইলাকান্দি ও করিমগঞ্জ জেলার সীমানা বিবাদ রয়েছে। দুই রাজ্যের সীমান্তের বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকা, বনাঞ্চল নিয়ে পারস্পরিক দাবি রয়েছে। দশকের পর দশক ধরে এই সমস্যা চলছে। তবে সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ত্রিপুরা-মিজোরামের সীমান্ত এলাকাতেও উত্তেজনা দেখা দেয় মাঝে মাঝে। এই দুই রাজ্যের মধ্যে ১০৯ কি.মি দীর্ঘ সীমানা রয়েছে।

জম্পুই পাহাড় হচ্ছে ত্রিপুরার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। ত্রিপুরা ও মিজোরাম সীমান্তে এই পাহাড়টির অবস্থান। জম্পুই পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বেথ্লিনচিপ’র উচ্চতা ৩ হাজার ৫০ ফুট। সারা বছর নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া পাহাড়টিকে চিরবসন্তের তকমা এঁটে দিয়েছে। শুধু ত্রিপুরাই নয়,অন্যান্য রাজ্যের পর্যটকরাও ঘুরতে আসেন জম্পুই পাহাড়ে। ত্রিপুরার এই একমাত্র হিল স্টেশনটি দিন দিন পড়শি রাজ্যের পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। পর্যটকদের সুযোগ সুবিধা সহ পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নে এই পাহাড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়িত হচ্ছে এখন। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে এই জম্পুই পাহাড়টি সম্পূর্ণ অন্য কারণে সংবাদ শিরোনামে এসেছে।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১০ : নায়ক ও মহাপুরুষ

সম্প্রতি মিজোরাম থেকে এসে কিছু দুষ্কৃতী বেথ্লিনচিপ এলাকায় নির্মীয়মাণ ইকো ট্যুরিজম অফিস ও একটি কাফেটরিয়া ভেঙে দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রবল উত্তেজনার সঞ্চার হয়েছিল। আগরতলা থেকে পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সেখানে ছুটে গিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী ও অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মিজোরাম থেকে আসা দুষ্কৃতীদের এই কাণ্ডের তীব্র নিন্দা করে মন্ত্রী চৌধুরী বলেছেন, এ ধরণের ঘটনা উন্নয়নের পথে বাঁধা। তবে আমরা একচুলও পিছু হটছি না। তিনি বলেছেন, জম্পুই পাহাড়কে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।মন্ত্রী বলেন, বেথ্লিনচিপ ইকো ট্যুরিজম প্রকল্পে বন দপ্তর ও পর্যটন দপ্তর যৌথ ভাবে কাজ করছে। প্রকল্পটিতে স্হানীয় মানুষকে সক্রিয় ভাবে যুক্ত করা হয়েছে যাতে তাদের জীবন জীবিকার নতুন দিশা আসতে পারে। অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত অফিস ও কাফেটারিয়া পুনর্নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখতে তিনি স্হানীয় মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জম্পুইবাসীরাও একযোগে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বেথ্লিনচিপ’র ভাঙচুরের ঘটনা সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায় যে, গভীর রাতে ট্রাক ও জিপে করে এসে একদল লোক নির্মীয়মাণ ইকো ট্যুরিজম অফিস ও কাফেটেরিয়ার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ঘণ্টাখানেকের মধ্যে কাঠামো দু’টি সম্পূর্ণ গুড়িয়ে দিয়েছিল। হামলার আগে সেখানে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছিল। ঘটনার পর জম্পুই পাহাড়ের সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রবল উত্তেজনা দেখা দেয়।স্হানীয় গ্রামবাসীরা এই ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হন।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩০: ঠাকুরবাড়ির জামাই রমণীমোহনকে মন্ত্রী করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৬: তালচোঁচ

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে,ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়ে এ ধরণের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২০ সালে ফুলডুংসাই’র বেথ্লিনচিপে একটি মন্দির নির্মাণের কাজে মিজোরাম সরকার নিষেধ করে। সেখানে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে ত্রিপুরা সরকারকেও নিষেধ জানায় মিজোরাম। কয়েক দিন পর মিজোরাম সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ত্রিপুরা তখন এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলে এটি ত্রিপুরার এলাকা। মিজোরাম সরকার তখন তা প্রত্যাহার করে নেয়।বছর দুয়েক আগেও ফুলডুংসাইতে অবস্থিত ত্রিপুরার ফরেস্ট চেকপোস্ট ও বিট অফিস মিজোরাম থেকে এসে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।

জম্পুই পাহাড়ের ফুলডুংসাই গ্রাম নিয়ে এই বিবাদ নতুন নয়। এই গ্রামের একটি অংশ মিজোরাম নিজেদের বলে দাবি করছে। এমনকি একসময় ত্রিপুরার গ্রামের ১৩০ জন ভোটারের নাম মিজোরামের ভোটার তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সীমা বিবাদ ঘিরে সত্তর দশকেও ত্রিপুরা-মিজোরাম সীমান্তের জম্পুই পাহাড়ে অশান্তি দেখা দিয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনা ঘিরে সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় যৌথ জরিপের কথা শোনা গেলেও কিছুদিন পর পর ফের অশান্তি দেখা দেয়।
আরও পড়ুন:

টিচার্স ডে

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান

জম্পুই পাহাড়ের বাসিন্দাদের বেশিরভাগ মিজো সম্প্রদায়ের হলেও রিয়াং জনগোষ্ঠীর মানুষও রয়েছেন সেখানে। এক সময় সুমিস্ট কমলা উৎপাদনের জন্য খ্যাত ছিল পাহাড়টি। পাহাড় জুড়ে ছিল শুধু কমলা বাগান। এমন কি জাটিঙ্গার কমলার সঙ্গেও টেক্কা দিয়েছে জম্পুই। এখন অবশ্য সেই গৌরব অপসৃত। পাহাড়ে কমলা বাগান নেই বললেই চলে। বিকল্প হিসেবে অবশ্য আদা সহ অন্যান্য চাষে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। পর্যটন ক্ষেত্রেও পাহাড়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় পাহাড়ে পর্যটকদের সংখ্যাও বাড়ছে। এ রকম অবস্থায় পাহাড়ে কোনও অশান্তির ঘটনা কোনও ভাবেই কাম্য নয়।উল্লেখ অপ্রাসঙ্গিক হবে না যে,একদা গ্রেটার মিজোরামের যে দাবি উঠেছিল ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়টিকেও তার অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব ছিল। বলাই বাহুল্য যে, ত্রিপুরা এর প্রবল বিরোধী ছিল। তবে সত্তর দশকে পাহাড়টিতে তা নিয়ে বেশ উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল।

যাইহোক, উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে যে সীমানা বিবাদ ও তাকে ঘিরে সময়ে সময়ে অশান্তির ঘটনা ঘটছে অবিলম্বে তার অবসান প্রয়োজন। এতে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট দুই রাজ্যের সীমান্তে বসবাসরত শান্তিপ্রিয় নিরীহ মানুষ। আর পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। জম্পুই পাহাড়েও অশান্তির যাবতীয় আশঙ্কা নির্মূল করে দিতে হবে। পর্যটনের বিকাশে সর্বাগ্রে প্রয়োজন শান্তির পরিবেশ। অবশ্য আশার কথা জম্পুইবাসীরাও আজ এ জন্য এগিয়ে আসছেন।— চলবে
* ত্রিপুরা তথা উত্তর পূর্বাঞ্চলের বাংলা ভাষার পাঠকদের কাছে পান্নালাল রায় এক সুপরিচিত নাম। ১৯৫৪ সালে ত্রিপুরার কৈলাসহরে জন্ম। প্রায় চার দশক যাবত তিনি নিয়মিত লেখালেখি করছেন। আগরতলা ও কলকাতার বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে ইতিমধ্যে তার ৪০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ত্রিপুরা-সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের ইতিহাস ভিত্তিক তার বিভিন্ন গ্রন্থ মননশীল পাঠকদের সপ্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়ও সে-সব উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে। রাজন্য ত্রিপুরার ইতিহাস, রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে ত্রিপুরার রাজ পরিবারের সম্পর্ক, লোকসংস্কৃতি বিষয়ক রচনা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্জাত ব্যতিক্রমী রচনা আবার কখনও স্থানীয় রাজনৈতিক ইতিহাস ইত্যাদি তাঁর গ্রন্থ সমূহের বিষয়বস্তু। সহজ সরল গদ্যে জটিল বিষয়ের উপস্থাপনই তাঁর কলমের বৈশিষ্ট্য।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content