আজ থেকে প্রায় ২৪-২৫ বছর আগের কথা। তখন আমার স্কুল আজকের মতো এত বড় কলেবরে সেজে ওঠেনি। এখন চারটি বড় ভবন নিয়ে স্কুল তৈরি হলেও তখন স্কুলের মাত্র দুটো ভবন। দক্ষিণ দিকে যেখানে এখন বিবেকানন্দ ভবন সেখানে ছিল ঝাউবন। ঝাউবনের দক্ষিণে থাকা স্কুলের পুকুরটি আজও আছে। ওই পুকুরের দক্ষিণে তখন ছিল মাটির দেওয়ালের প্রাথমিক স্কুল। পুকুরের দক্ষিণ ও পূর্বপাড় জুড়ে ছিল নলখাগড়ার ঘন জঙ্গল। আবার ওই প্রাথমিক স্কুলের দক্ষিণ দিকেও ছিল নলখাগড়ার বিস্তীর্ণ জঙ্গল আর নিচু জমি যেখানে বছরের বেশিরভাগ সময়ই জল জমে থাকে, আর টোপাপানা, কচুরিপানা ও জলজ ঘাসে ভরা থাকে। সেই সময় খুব প্রয়োজন না হলে কেউ ঘাস জঙ্গল ভরা পুকুরের দিকে বা ওই নিচু জলা জমির গুলোর দিকে যেত না। ওই জলা জমি প্রাথমিক স্কুল পুকুর আর আমাদের স্কুলের চত্বরের পূর্ব সীমানা বরাবর রয়েছে বেশ প্রসারিত দীর্ঘ খাল। সুদূর অতীতে এটি ছিল ঘিয়াবতী নদীর শাখা খালের অংশ। তবে বর্তমানে গিয়াবতী নদী প্রায় লুপ্ত হওয়ার সাথে সাথে এর সাথে যুক্ত খালগুলিও মরে গিয়েছে বা বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। স্কুল সংলগ্ন এই খালটি তেমনি একটি বদ্ধ জলাশয়।
এই খালের কথা একাধিক লেখাতে আমি আগেও বলেছি। এখানে নানা ধরনের জলচর পাখির উপস্থিতি বছর ভর দেখা যায়। আর মাছ তো থাকে বিস্তর। ওই খালের পূর্ব দিকে আবার স্কুলের খেলার মাঠ। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে সারা বছর ওই মাঠে খেলতে যাওয়া সম্ভব হয় না কারণ খালে জল থাকে। একসময় স্কুল থেকে সরাসরি মাঠে পৌঁছানোর জন্য খালের ওপর একটি বাঁ ধ তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁধটির উচ্চতা বেশি না হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় জলের তলায় থাকে। একমাত্র শীতকালেই খালে জল কমে গেলে বাঁধটি জেগে ওঠে। সেই সময় অবশ্য ছাত্র-ছাত্রীরা ওই বাঁধের উপর দিয়ে খাল পেরিয়ে খুব সহজে মাঠে যেতে পারে। সাধারণত জানুয়ারি মাসে স্কুলের বার্ষিক খেলাধুলার আয়োজন হয়। আর তখন ওই বাঁধ জেগে থাকে বলেই ছাত্র-ছাত্রী সহ শিক্ষক-শিক্ষিকারাও বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে খাল পেরিয়ে সহজেই মাঠে পৌঁছুতে পারে। কিন্তু সেই সময়ে এক বছর খালে জল না কমায় বাঁধটি তখনও জলের তলায় ছিল। ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনেকটা পথ ঘুরে তবে ওই মাঠে পৌঁছতে হচ্ছিল।
আমি ও এক সহকর্মী কয়েকজন ছাত্রকে নিয়ে ঠিক করলাম ওই প্রাথমিক স্কুলের পশ্চিম দিকে যে আলপথ রয়েছে সেখানে দিয়ে ঘুরপথে মাঠে যাব। এতে নাকি সময় কম লাগবে। ওই পথে আমি কখনো মাঠে যাইনি। বুদ্ধিটা অবশ্য কয়েকটি ছাত্রের কাছ থেকেই পেয়েছিলাম। ওরা স্থানীয় ছেলে সুতরাং ওদের কথাকে গুরুত্ব দিতেই হয়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। ইঁদুরের গর্ত আর চোর কাঁটা ভরা আলপথ ধরে এগিয়ে চললাম ডানদিকে নলখাগড়া কচুরিপানা টোপাপানা জলজ ঘাস ভরা নিচু জলা জমি আর বামদিকে স্কুলের ওই খাল রেখে। সেই সময় নজরে পড়ল জলা জমিতে টোপাপানা ও কচুরিপানার ভেতর দিয়ে হাঁসের মতো দুটো পাখি সাঁতার কাটতে কাটতে খাবার খুঁজছে। সাঁতার কাটার ধরনটা একেবারে হাঁসদের মতো। তবে আকারে হাঁসের থেকে ছোট আর দেখতে মোটেই হাঁসের মতো নয়। বরং ডাহুকদের সঙ্গে মিল যেন বেশি। একটু থমকে গেলাম। কিন্তু ওরা আমাদের তখনই দেখতে পেল। তারপর খুব দ্রুত সেঁধিয়ে গেল নলখাগড়া ও ঘাসের জঙ্গলে। খুব বেশি হলে কুড়ি থেকে ত্রিশ সেকেন্ড দেখেছিলাম। সেই সময় আমার মনে হয়েছিল একটু দূরে থাকা গৃহস্থ বাড়ির পোষা হাঁসের বাচ্চা নয় তো? হয়তো অন্য কোনও জাতের হাঁস। দ্রুত খেলার মাঠে চলে যাওয়ায় এ নিয়ে আর অনেকদিন ভাবিনি। এর বেশ কয়েক বছর পর হঠাৎই স্কুলের দক্ষিণ দিকের পুকুরটাতে দেখি একই রকম দেখতে একটা পাখি সাঁতার কাটছে। পুকুরে কচুরিপানা ভরে থাকলেও মাঝে মাঝে সামান্য জায়গা ফাঁকা ছিল। পাখিটা সেই জায়গাগুলো দিয়েই সাঁতার কাটছিল। সময়টা সম্ভবত ডিসেম্বর মাস ছিল। স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা হয়ে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের আনাগোনা নেই সেই সময়। ফলে স্কুল চত্বর খুব নিরিবিলি, নির্জন। এই নির্জনতাই যে পাখিগুলোকে ওই পুকুরে আসতে উৎসাহ দিয়েছে বুঝতে পারছিলাম। এবার বেশ ভালো করে পাখিটাকে দেখলাম। অনেকদিন আগে দেখা জলা জমির সেই পাখির দুটোর সঙ্গে এই পাখিটার কোনো পার্থক্য নেই। মাথা ঘাড় পিঠ গলা লেজ সবই কালো। কিন্তু লেজের তলা ডাহুকদের মতো সাদা। আর সবচেয়ে নজর কারা বৈশিষ্ট্য হলো কপালের সামনে আর উপরের চঞ্চুর গোড়ায় টকটকে লাল ছোপ।
এ পাখি আমার পরিচিত নয়। আর আমার স্বভাবই হল যতক্ষণ না পরিচয় জানতে পারছি ততক্ষণ মনের মধ্যে একটা অস্বস্তি খোঁচা দিতে থাকে। বাড়ি ফিরে সালিম আলির লেখা বার্ডস অফ ইন্ডিয়া খুঁজলাম কিন্তু পরিচয় পেলাম না। সুতরাং ভরসা টি সি জর্ডনের “Birds of India” এবং ডব্লু টি ব্ল্যানফোর্ডের “The Fauna of British India” বই দুটি। অল্প আয়াসেই পরিচয় পেয়ে গেলাম। ইংরেজিতে এই পাখির নাম হল Indian Moorhen, Common Moorhen বা Eurasian Moorhen। বিজ্ঞানসম্মত নাম Gallinula chloropus। বাংলা নাম হল জলমুরগি। মুরগি কথাটা কেন এল তা আমার মাথায় আজও ঢোকেনি। এদের সাথে মুরগি তো নয়ই, বরং হাঁসের সঙ্গে কিছুটা মিল আছে, বিশেষ করে আকার ও সাঁতার কাটার ধরণে।
জলমুরগিদের চেনা খুব সহজ কারণ এদের চঞ্চুর গোড়ায় লাল রঙের ঢালের মতো একটা অংশ রয়েছে। কামপাখির সঙ্গে এদের এই জায়গায় কিছুটা মিল থাকলেও কামপাখির ক্ষেত্রে চামড়ার রঙ লাল আর তা কপালের অনেকটা উপর পর্যন্ত বিস্তৃত। জলমুরগির ক্ষেত্রে লাল রঙের ঢাল বা শিল্ড চঞ্চুর গোড়ায় রয়েছে। তাছাড়া জলমুরগির উপরের ও নিচের চঞ্চু লাল হলেও আগার দিকের রঙ হলুদ। কামপাখির চঞ্চুর আগাও লাল। কামপাখির গায়ের রং বেগুনি বা নীলাভ কিন্তু জলমুরগির রং কালো বা গাঢ় বাদামি। আর জলমুরগির ক্ষেত্রে দেহের দুপাশে ডানার ঠিক নিচে রয়েছে লম্বালম্বি একটা সাদা পটি। কামপাখির এই সাদা পটি নেই। আর চেহারায় কামপাখি অনেকটা স্লিম, কিন্তু জলমুরগি হাঁসের মতো নাদুস নুদুস। পায়ের রঙেও রয়েছে পার্থক্য। জলমুরগির পায়ের রং সবজে হলুদ। আর ঊরু ও গাঁটের রং লালচে। কামপাখির পায়ের রং লাল, আর তুলনায় পা বেশি লম্বা। সুতরাং কামপাখির সাথে জলমুরগি গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। আমার ক্ষেত্রে অন্তত এই সমস্যা হয়নি।
জলমুরগিরা হল জলাভূমির পাখি। এরা লম্বায় হয় প্রায় ১২ থেকে ১৫ ইঞ্চি, আর ওজন ১৯২ থেকে ৫০০ গ্রাম। চেহারার বিবরণ তো আগেই দিয়েছি। যদিও এরা জলে হাঁসের মতো সাঁতার কাটতে পারে তবে এদের পায়ে আঙুলের ফাঁকে হাঁসদের মতো পাতলা চামড়া নেই। হাঁসের মতো সাঁতার কাটার ভঙ্গিমায় পানা ঠেলে জলে সাঁতার কাটতে পারলেও ডাহুক পাখিদের মতো মাটির উপর কিংবা পানা, শালুকপাতা, পদ্মপাতা ইত্যাদির ওপর লম্বা লম্বা পা ফেলে হাঁটতে পারে ।জলমুরগির বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অবশ্য চঞ্চুর গোড়ায় লাল রঙের বর্ম অনুপস্থিত। আগেই বলেছি এদের চেহারা একটু স্থূলকায় আর তাই ওড়ার থেকে এরা সাঁতার কাটতে বা হাঁটতে বেশি পছন্দ করে।
আমি যেরকম পরিবেশে প্রথম জল মুরগি দেখেছি সেটাই এদের উপযুক্ত বাসস্থান। তবে বড় পুকুর ও হ্রদেও এদের দেখা যায়।। যেসব নদীতে স্রোত খুব কম সেখানেও এদের দেখা যায়। কৃষিজমিতে বন্যা হয়ে যাওয়ার পর খাবারের সন্ধানে অনেক সময় এরা হাজির হয়। আমার স্কুলের লাগোয়া খালের পূর্ব দিকে থাকা স্কুলের মাঠ কখনও কখনও নিকাশি ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে শীতের শুরুতেও জলে ডুবে থাকলে সেখানে এবং আশেপাশে শালুকে ভরা কয়েকটি পুকুরে পরবর্তীকালে একাধিকবার জলমুরগিদের দেখেছি। সাঁতার কাটতে কাটতে এদের “ক্রুউউ কুক কুক কুক” করে ডাকতে দেখেছি। জলাভূমির কাছাকাছি নলখাগড়ার জঙ্গল বা ঘাসের ঘন জঙ্গল থাকা ওরা খুব পছন্দ করে। কারণ কোনও বিপদ বুঝলে দ্রুত সেখানে ওরা লুকিয়ে যেতে পারে। স্বভাবগতভাবে এরা খুবই ভীতু পাখি। এরা সব ধরনের খাবার খেতেই পটু। উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে জলে ভাসমান শ্যাওলা, জলজ উদ্ভিদ, বীজ, ফল, ঘাস, শস্যদানা যেমন খায় তেমনই জলজ বিভিন্ন পোকা ও তার লার্ভা, ছোট মাছ, ব্যাঙাচি, শামুক ইত্যাদি প্রাণীজ খাদ্যও খায়। আমি দেখেছি জলে সাঁতার কাটতে কাটতে ওরা ঠিক হাঁসের মতো চঞ্চুটা জলে ডুবিয়ে দ্রুত খাবার সংগ্রহ করে। কখনো কখনো হাঁসেদের মতো জলের মধ্যে মাথা ডুবিয়েও খাবার খোঁজে। আবার স্থলভাগের উপর খুঁটে খুঁটেও খাবার খেতে পারে। কয়েকবার এদের নলখাগড়ার জঙ্গলে নলখাগড়ার উপর বসে পালক শুকোতে দেখেছি। এরা নাকি খুব ভোরে বা সন্ধ্যাতেও খাবারের সন্ধান করে। এদের নাকি সামান্য নিশাচর বৈশিষ্ট্যও দেখা যায়। অবশ্য এমন বৈশিষ্ট্য আমার নজরে আসেনি।
প্রায় সারা ভারতেই এদের পাওয়া যায়। ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, জাপান, দক্ষিণ তিব্বত, ফরমোজা দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি স্থানে জলমুরগিদের উপস্থিতি দেখা যায়। আর সুন্দরবন অঞ্চলে যে এরা যথেষ্ট পরিমাণে এখনো আছে তা আমার নিজের চোখেই দেখা। তবে অনেকের মতে, এরা সবাই স্থানীয় পাখি নয়। অনেকেই পরিযায়ী হয়ে সুন্দরবন বা ভারতের অন্যত্র শীতকালে পৌঁছে যায় বলে এই সময় এদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। তবে কোথা থেকে পরিযায়ী হয়ে আসে সে সংক্রান্ত তেমন নির্ভরযোগ্য তথ্য পেলাম না। মনে হয় খুব দূর থেকে নয়, হিমালয় ও হিন্দুকুশ পর্বতমালার কাছাকাছি থেকেই ওরা পরিযায়ী হয়।
সাধারণত এপ্রিল থেকে আগস্ট মাস হল জলমুরগিদের প্রজনন ঋতু। এই সময় একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী জলমুরগি জোড় বাঁধে, যদিও বাইরে থেকে দেখে কোনটি পুরুষ আর কোনটি স্ত্রী বোঝা মুশকিল। আর এদের জোড় সাধারণতঃ স্থায়ী হয়। এদের মধ্যে বহুগামীতা দেখা যায় না। তবে ক্রান্তীয় অঞ্চলে নাকি সারা বছর ধরে এদের প্রজনন করতে দেখা যায়। সাধারণতঃ নলখাগড়ার ঝোপের মধ্যে শুকনো কাঠি, পাতা ইত্যাদি দিয়ে বাসা বানায়। অবশ্য শুকনো লম্বা ঘাসের ঝোপের মধ্যে বা ভাসমান জলজ আগাছার মধ্যে বাসা বানাতে দেখা যায়। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ে মিলেই বাসা বাঁধে। স্ত্রী জলমুরগি বাসায় ৬-১০টি ডিম পাড়ে। তবে কখনো কখনো দু’তিনটি ডিম পাড়তেও দেখা যায়। ডিমের রঙ হালকা সবুজ বা হলুদ, আর তার ওপরে বাদামি বা ধূসর রঙের ছিট দেখা যায়। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ে মিলেই ডিমে তা দেয়। ২০ দিন পর ডিম ফুটে বাচ্চারা বেরিয়ে এলে বাবা-মা উভয়ে মিলেই তাদের লালন-পালন করে। প্রায় তিন সপ্তাহ পর বাচ্চারা বাবা-মার সাথে খাবারদাবার সংগ্রহ করতে বেরোয়, আর সাত সপ্তাহ পর উড়তে শেখে। তবে বাচ্চাদেরকে তার বাবা-মার সাথে অনেকদিন ধরে থাকতে দেখা যায়। বাবা মা যদি দেখে বাচ্চাদের সামনে অবাঞ্ছিত কোনও পাখি বা পশু হাজির হয়েছে এবং তা থেকে তার বাচ্চাদের বিপদ হতে পারে তখন ওরা ডানা ঝাপটে তাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে।
আইইউসিএন-এর লাল তালিকায় জলমুরগিদের ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখনও সুন্দরবন অঞ্চলে এদের যথেষ্ট দেখা যায়। কিন্তু যেভাবে শুধু সুন্দরবন নয়, সারা ভারতবর্ষ জুড়ে জলাভূমি ধ্বংস হচ্ছে তাতে জলাভূমির এই চমৎকার পাখিটি আর কতদিন তার স্বাভাবিক বাসস্থান খুঁজে পাবে তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।—চলবে।
● সব ছবি ছবি সংগৃহীত।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com