
ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত।
শিয়ালদহ স্টেশনে ভিড়টা স্বাভাবিক ঠেকছে না।
প্রবল মারপিট হাতাহাতি চলছে দুটো দলে। শঙ্কর জানে এ হররোজের ঘটনা। তার চেয়ে টিকিট লাইনে দাঁড়িয়ে পড়া ভালো। কী ভেবে চম্পারণের দুটো টিকিট কাটল। মন্মথ আসতে পারে বলেছিল। এমনিতে একা গেলেই ভালো হয়। পুরো ব্যাপারটা একদম নিজের মতো করে বুঝে আসা যায়। কিন্তু চারপাশে যা গরম হাওয়া, যুদ্ধ যুদ্ধ হুংকার, তাতে সম্পূর্ণ একলা গেলে সমস্যা হতে পারে।
ইতিমধ্যে ভিড় উপচে পড়েছে। পূর্ববঙ্গহারা উদ্বাস্তু দল অনেকেই এখন শিয়ালদহ স্টেশনে ত্রিপল খাটিয়ে থাকে। শোরগোলের ছোট বৃত্তটা ওদিকেই। এখন যেটা মস্ত মেলার রূপ নিয়েছে। ট্রেন ঢোকেনি। হাতে সময় আছে। ভাসমান কোলাহলের একজন হয়ে গেল শঙ্কর।
—কী হইসে দাদা, ও ভাইডি গোল কীসের?
উত্তর দেবার সময় নেই কারোর। তাই ঠেলে ঠুলে…
প্রবল মারপিট হাতাহাতি চলছে দুটো দলে। শঙ্কর জানে এ হররোজের ঘটনা। তার চেয়ে টিকিট লাইনে দাঁড়িয়ে পড়া ভালো। কী ভেবে চম্পারণের দুটো টিকিট কাটল। মন্মথ আসতে পারে বলেছিল। এমনিতে একা গেলেই ভালো হয়। পুরো ব্যাপারটা একদম নিজের মতো করে বুঝে আসা যায়। কিন্তু চারপাশে যা গরম হাওয়া, যুদ্ধ যুদ্ধ হুংকার, তাতে সম্পূর্ণ একলা গেলে সমস্যা হতে পারে।
ইতিমধ্যে ভিড় উপচে পড়েছে। পূর্ববঙ্গহারা উদ্বাস্তু দল অনেকেই এখন শিয়ালদহ স্টেশনে ত্রিপল খাটিয়ে থাকে। শোরগোলের ছোট বৃত্তটা ওদিকেই। এখন যেটা মস্ত মেলার রূপ নিয়েছে। ট্রেন ঢোকেনি। হাতে সময় আছে। ভাসমান কোলাহলের একজন হয়ে গেল শঙ্কর।
—কী হইসে দাদা, ও ভাইডি গোল কীসের?
উত্তর দেবার সময় নেই কারোর। তাই ঠেলে ঠুলে…
বিশৃঙ্খলার কেন্দ্রে ঢুকে গেল শঙ্কর। আর ঢুকতে না ঢুকতেই কানে এল চার ছ’টা বাক্য। খানিক জড়ানো আর বড্ড চেনা কণ্ঠস্বর। কাঁপা গলাটা কাতর হয়ে বলছে—
—তাতে হইছে কী? আন্ধার জমাট, ঠাওর পাই নাই। তাই তোমাগো মশারির মইধ্যে ঢুইক্যা পড়ি…
আঁতকে উঠেছে হৃদপিন্ড। মুখটুকু দেখা না গেলে কী, আজন্মের চেনা মানুষ কখনও অধরা থাকে নাকি! নিঃশ্বাস চেপে ভিড় ঠেলছে শঙ্কর। একটু দূরেই ঝন ঝন বাজছে মেয়েলি উচ্চকণ্ঠ। কদর্য, লাগাম ছাড়া। শঙ্করের চেনা কণ্ঠস্বরটাকে দাগী অপরাধী বানিয়ে দেবে বলে। তারপর আবার সেই কম্পিত কণ্ঠ। এবার জনতাকে লক্ষ্য করে।
—আরে দাদা শোনেন, একটিবার আমার কথাডা শুইনা দ্যাহেন। কী করি কন, বুড়া মানুষ, হেই পরথম রাইতে মল চাপসে, খালাস কইরা আইব, মইধ্যরাতের ইস্টিশন, অব্যবস্থার চরম, আমার ম্যাজাজ চইড়া আগুন, আইধঘন্টা বাদ ফিরসি, ইদিকে রাতে আলো টিমটিমা, পাশপাশি হাওরের মশারি, ভুল কইরা কুনডার বদলে কুনডায় ঢুকসি, বিশ্বাস করেন আমারে, নাগাল পাই নাই.. আমার লগে এমনি কইরতেন না যদি জানত্যান আমি কেডা…
—তাতে হইছে কী? আন্ধার জমাট, ঠাওর পাই নাই। তাই তোমাগো মশারির মইধ্যে ঢুইক্যা পড়ি…
আঁতকে উঠেছে হৃদপিন্ড। মুখটুকু দেখা না গেলে কী, আজন্মের চেনা মানুষ কখনও অধরা থাকে নাকি! নিঃশ্বাস চেপে ভিড় ঠেলছে শঙ্কর। একটু দূরেই ঝন ঝন বাজছে মেয়েলি উচ্চকণ্ঠ। কদর্য, লাগাম ছাড়া। শঙ্করের চেনা কণ্ঠস্বরটাকে দাগী অপরাধী বানিয়ে দেবে বলে। তারপর আবার সেই কম্পিত কণ্ঠ। এবার জনতাকে লক্ষ্য করে।
—আরে দাদা শোনেন, একটিবার আমার কথাডা শুইনা দ্যাহেন। কী করি কন, বুড়া মানুষ, হেই পরথম রাইতে মল চাপসে, খালাস কইরা আইব, মইধ্যরাতের ইস্টিশন, অব্যবস্থার চরম, আমার ম্যাজাজ চইড়া আগুন, আইধঘন্টা বাদ ফিরসি, ইদিকে রাতে আলো টিমটিমা, পাশপাশি হাওরের মশারি, ভুল কইরা কুনডার বদলে কুনডায় ঢুকসি, বিশ্বাস করেন আমারে, নাগাল পাই নাই.. আমার লগে এমনি কইরতেন না যদি জানত্যান আমি কেডা…
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১১: স্বপ্নভূমি তিলজলা

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৯: রাজসূয় মহাযজ্ঞের মাহাত্ম্য ও আধুনিকতা

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৩: গর্গজাতক: হাঁচি

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৬: বক্সনগরে আবিষ্কৃত হয়েছে বৌদ্ধ স্তুপ, চৈত্যগৃহ ও একটি মঠ
কিন্তু ভিড় অবিশ্বাসী। গর্জন করছে উন্মত্ত। দু’হাতের কব্জিতে সবটুকু শক্তি জড়ো করে শঙ্কর প্রাণপণে ভিতরে ঢুকে হতবাক দাঁড়িয়েছে আর্ত আক্রান্ত লোকটার সামনে। সেই লোকটার উদলা শরীর। ছেঁড়া লুঙ্গি। ফাটা চামড়া। বুকের জীর্ণ পাঁজরগুলো লুপ্ত তেজ, লজ্জা আর কান্নার সম্মিলিত উত্তেজনায় থরথর কাঁপছে। লোকটার সামনে এক ঝটকায় বসে পড়েছে শঙ্কর। রুদ্ধশ্বাস গোঙানির মতো বিকৃত গলায় বলছে, —সার, সার, আপনি এহেনে! কী অবস্থা আপনের!
দৈত্যের নাসিকা গর্জনের মতো চারপাশে যে মরু ঝড় উঠেছিল আকস্মিক একটা মায়া বর্ষণের সিক্ততায় প্রজাপতির পাখার হাওয়ায় ঠান্ডা হয়ে গেল। সবকিছু মিটমাট হয়ে গেল মুহূর্তে। শঙ্কর দু’হাতে জাপটে ধরেছে কতকালের অপরিচ্ছন নোংরা নখের ধূলিমলিন পদতল। আর আকুল কাঁদতে লাগলেন স্যার। শঙ্করের আলিঙ্গনের মধ্যে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে শিশুর মতো কাঁদছেন গোপালগঞ্জ হাই স্কুলের জাঁদরেল সেকেন্ড মাস্টার।
দৈত্যের নাসিকা গর্জনের মতো চারপাশে যে মরু ঝড় উঠেছিল আকস্মিক একটা মায়া বর্ষণের সিক্ততায় প্রজাপতির পাখার হাওয়ায় ঠান্ডা হয়ে গেল। সবকিছু মিটমাট হয়ে গেল মুহূর্তে। শঙ্কর দু’হাতে জাপটে ধরেছে কতকালের অপরিচ্ছন নোংরা নখের ধূলিমলিন পদতল। আর আকুল কাঁদতে লাগলেন স্যার। শঙ্করের আলিঙ্গনের মধ্যে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে শিশুর মতো কাঁদছেন গোপালগঞ্জ হাই স্কুলের জাঁদরেল সেকেন্ড মাস্টার।
আরও পড়ুন:

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১১১: ডেসডিমোনার রুমাল/১০

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৬ : মায়ামৃগ
মণীন্দ্র শেখর বাড়ুজ্জ্যে। ডুকরে ডুকরে বলছেন,
— হায়রে বিধাতা হায় উপরয়ালা একি করলা। ক্যান দিলা এমুন শাস্তি…আমার পোলাপান ছাত্রের সুমুখে ক্যান আমারে এমুন যন্ত্রণা দিলা..!
শিয়ালদাহ স্টেশনের লোহা ছাদের ওপারে আজ বোধহয় সূর্য নিভে গিয়েছে, নাকি নেভেনি! নেভে না। উদয়ের মাধুরী আর অস্তের বিধুরতা নিয়ে এক একদিন সে কেবল এক এক ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। আজ আকাশ ফুঁড়ে নির্ঘাত দুপুরের খরা। মাথার উপর আগুনের বৃষ্টি। কিন্তু এমন দিনও তো আসবে, আসবেই। শীতে শরতে সকালে বিকালে আকাশের গায়ে খামচা খামচা কত রঙিন মেঘ ভেসে বেড়াবে, নোনা হাওয়া আর সূর্যের তাপে বিকল দিনের শেষে ঝমঝমিয়ে নামবে বৃষ্টি, বুক ভরে নেওয়া যাবে তার ঘ্রাণ। আর তারপর রাঙানো গোধূলির সময়ে আকাশ জুড়ে দিগন্তের এপার ওপার ছুঁয়ে দেখা দেবে বাঁকানো লম্বা রামধনু। মোটা তুলি দিয়ে আঁকা সাত রঙের সাতটা পোচ আলপনা কাটবে দিগন্তে। দিদিমা যেমন বলেন,
—চাঁদ সুরুজের দ্যাশ এইডি, তারা নিত্যি উঠে নিত্যি অস্ত যায়। সুখ দুখের খেলা অনন্ত।
— হায়রে বিধাতা হায় উপরয়ালা একি করলা। ক্যান দিলা এমুন শাস্তি…আমার পোলাপান ছাত্রের সুমুখে ক্যান আমারে এমুন যন্ত্রণা দিলা..!
শিয়ালদাহ স্টেশনের লোহা ছাদের ওপারে আজ বোধহয় সূর্য নিভে গিয়েছে, নাকি নেভেনি! নেভে না। উদয়ের মাধুরী আর অস্তের বিধুরতা নিয়ে এক একদিন সে কেবল এক এক ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। আজ আকাশ ফুঁড়ে নির্ঘাত দুপুরের খরা। মাথার উপর আগুনের বৃষ্টি। কিন্তু এমন দিনও তো আসবে, আসবেই। শীতে শরতে সকালে বিকালে আকাশের গায়ে খামচা খামচা কত রঙিন মেঘ ভেসে বেড়াবে, নোনা হাওয়া আর সূর্যের তাপে বিকল দিনের শেষে ঝমঝমিয়ে নামবে বৃষ্টি, বুক ভরে নেওয়া যাবে তার ঘ্রাণ। আর তারপর রাঙানো গোধূলির সময়ে আকাশ জুড়ে দিগন্তের এপার ওপার ছুঁয়ে দেখা দেবে বাঁকানো লম্বা রামধনু। মোটা তুলি দিয়ে আঁকা সাত রঙের সাতটা পোচ আলপনা কাটবে দিগন্তে। দিদিমা যেমন বলেন,
—চাঁদ সুরুজের দ্যাশ এইডি, তারা নিত্যি উঠে নিত্যি অস্ত যায়। সুখ দুখের খেলা অনন্ত।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৯: জলমুরগি

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৬ : কাঞ্চনজঙ্ঘা: ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী?
আর মণীন্দ্র স্যার ওদেশে সিলেবাসের পড়া ছাড়িয়ে যখন আপনমনে শোনাতেন পাঠ্যক্রমের বাইরের সাহিত্য অনেক দূরে। ইস্কুলের লম্বা বারান্দার গড়াদওয়ালা জানলার ফোকর গলে ওদের থার্ড ক্লাসের মেঝেতে বেঞ্চে এসে বসত শ্যামল শান্ত বাংলাদেশ তখন সেই সব আশ্চর্য দিনে মধ্যে মধ্যেই স্যারের স্মৃতি থেকে উড়ে আসত। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস, মধুসূদনের কাব্য, শেক্সপিয়ারের ট্রাজেডি, আরও কত কিছু। দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের কয়েকটা লাইন তো ছাত্র শঙ্করদের প্রায় মুখস্ত ছিল।
—সেই যে দিন যায়, যেমন ইচ্ছে করো না কেন, দিন যাবে, রবে না। বড় দারুণ ঝড় হোক বর্ষণ হোক বজ্রপাত হোক ক্ষণিক ধৈর্য ধরো এদিন যাবে, রবে না।
সেই শিক্ষার ভরা দোয়াতে কলম ডুবিয়ে ব্যাকুল শঙ্কর আরতি জানায় স্যারের কাছে।
—ধৈর্য ধরেন সার, ক্ষণেক ধৈর্য ধরেন। এ দিন যাবে, রবে না।
শঙ্করের ব্যবস্থাপনায় বৃত্তাকার ভিড় একদম ফিকে। স্যার হঠাৎই নিঝুম হয়ে গিয়েছেন। শঙ্কর উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে স্যারকে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে অন্য কথা পারে। বলে—
—আমার হাতখান ধরেন স্যার, ওঠেন। ওই দিকে যাই, চলেন।
—নাহ্ থাউক, এহেনেই ঠিক আছি।
—চলেন না স্যার। সেই কুন ভোরে উইঠা বাইরাছি। ওঠেন আপনারে অ্যাদ্দিন পর পাইছি, যে কাজে বাইরাসি তার কিনারা আপনার কাছেই আছে।
—ক্যান কইছিস, আমারে কী প্রয়োজন?
—চলেন সার আগে, কইছি সব।
—সেই যে দিন যায়, যেমন ইচ্ছে করো না কেন, দিন যাবে, রবে না। বড় দারুণ ঝড় হোক বর্ষণ হোক বজ্রপাত হোক ক্ষণিক ধৈর্য ধরো এদিন যাবে, রবে না।
সেই শিক্ষার ভরা দোয়াতে কলম ডুবিয়ে ব্যাকুল শঙ্কর আরতি জানায় স্যারের কাছে।
—ধৈর্য ধরেন সার, ক্ষণেক ধৈর্য ধরেন। এ দিন যাবে, রবে না।
শঙ্করের ব্যবস্থাপনায় বৃত্তাকার ভিড় একদম ফিকে। স্যার হঠাৎই নিঝুম হয়ে গিয়েছেন। শঙ্কর উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে স্যারকে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে অন্য কথা পারে। বলে—
—আমার হাতখান ধরেন স্যার, ওঠেন। ওই দিকে যাই, চলেন।
—নাহ্ থাউক, এহেনেই ঠিক আছি।
—চলেন না স্যার। সেই কুন ভোরে উইঠা বাইরাছি। ওঠেন আপনারে অ্যাদ্দিন পর পাইছি, যে কাজে বাইরাসি তার কিনারা আপনার কাছেই আছে।
—ক্যান কইছিস, আমারে কী প্রয়োজন?
—চলেন সার আগে, কইছি সব।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৩: মাঝ-রাতে আশ্রমে একটি বালক কাঁদছিল কেন?
পোঁটলা খুলে একখানা পরিষ্কার ফতুয়া গায়ে দিয়েছেন মাস্টার মশাই। কথায় কথায় অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনায় মানুষটাকে ভুলিয়ে স্টেশন লাগোয়া ভাতের হোটেলে ঢুকিয়েছে শঙ্কর। আর আস্তে আস্তে বলেছে কমরেড বদ্যি বিশ্বাসের কথা। কমিউনিস্ট পার্টি নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা। ভাত খেতে খেতে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ছাত্রের সঙ্গে ভাগ করছেন মণীন্দ্র বাড়ুজ্জে। এই তো আবার ফিরে আসছে তাঁর স্ব মহিমা। অনিমেষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে শঙ্কর স্যারের দিকে। আঁকতে পারবে ও! এমন দু’খানা গভীর মসিমাখা চোখ! ভিতরে ঢোকা। ক্লান্ত অসহায়। আর এখন তাতে চিলতে স্বপ্নের ঘোর লাগা কী অপরূপ বিশ্বাসের আলো।—চলবে।
* ধারাবাহিক উপন্যাস (novel): দেওয়াল পারের দেশ (Dewal Parer Desh)। লিখছেন জয়িতা দত্ত (Dr. Jayita Dutta), বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, হুগলি মহসিন কলেজ।


















