শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ছবি কাঞ্চনজঙ্ঘা।

হিমালয়ের কোলে কুয়াশা ঘেরা বিপন্নতার মাঝে মাঝেও সরে যাওয়া মেঘ, নেমে আসা আলোর পথের পাকদণ্ডী বেয়ে চলা জীবনের নীরব সাক্ষী কাঞ্চনজঙ্ঘা মর্ত্যের সীমার মধ্যে কি ধরতে চেয়েছে অমর্ত্য অমরাবতী অসীম রহস্যকে? কাঞ্চনজঙ্ঘার একটি নির্বাচিত দৃশ্য আমরা তুলে ধরেছি গত পর্বে। আজকের পর্বে আমরা প্রবেশ করব আরেক রহস্যলোকে, অরণ্যের অসীম বিস্ময়, বিষাদ ও বিপন্নতা এখানে হাত ধরে চলে। আজ যে নির্বাচিত অংশটি আমাদের আলোচ্য, সেখানে কথা বলতে দেখা যাবে অসীম আর অপর্ণাকে। নদীজপমালাধৃতপ্রান্তর পার হয়ে ধ্যানগম্ভীর ভূধর ছাড়িয়ে চিরভাস্বর উন্নতশির কাঞ্চনজঙ্ঘা অমৃতের পুত্রকন্যাদের অহংসর্বস্ব সংঘাত-বিপর্যয়ের ক্ষুদ্রস্বার্থের বাইরে জেগে থাকা মৌনমুখর এক অজ্ঞেয় মহাবিস্ময়, যার সান্নিধ্যে নিষ্কলুষ হতে চায় সত্তা-অন্তর্লোক। টুকরো টুকরো বিপন্নতা পার হতে হতে মাটির পৃথিবীর মানুষের মুখে আয়না ধরে কাঞ্চনজঙ্ঘা, অবচেতনে লালিত, কাঙ্ক্ষিত অসীম বিপন্নতা নাকি অনন্ত বিস্ময় কোনটি হয়ে উঠতে পারে তার একান্ত ব্যক্তিগত থেকে বিশ্বজনীন— কাঞ্চনজঙ্ঘায় মনীষা কিংবা অশোকদের সঙ্গে পথ চলে চলে প্রস্তুত হতে থাকে একটি স্বতন্ত্র পাঠ, দর্শকের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস, বোধ ও বেদনায় জারিত হয়ে।
পার্বত্য রহস্যঘেরা মায়ালোকের আরেকপ্রান্তে জেগে থাকে আরণ্যক আদিম ছায়ালোক। উদার মুক্ত আদিম বাঁধনহারা প্রকৃতির হিসেবহীন বন্য শোভার মাঝে সে আরেক রহস্যপুরী, যেখানে সভ্যতার প্রাথমিক শর্তগুলো ক্রমে ক্রমে লঘু হতে হতে পথ হারায়। বাঁধাগতে আটকে পড়া জীবন থেকে সাময়িক ছিটকে বেরিয়ে এসে নিয়মভাঙা কয়েকটি যুবকের নাগরিক-সত্তাবিমুক্ত যাপন একে একে নানা প্রশ্ন জাগাবে। সভ্যতা, জীবন, ব্যক্তিপরিসর, গোপনীয়তা, সঙ্কট, বিষাদ, প্রেম, প্রকৃতি, যৌবন, জরা, সত্য, মিথ্যা, শ্রেণি নানারূপে ছুঁয়ে যাবে। আদিম অরণ্য, যৌন আকাঙ্ক্ষা, মৌলিক চাহিদা, সভ্যতার সঙ্কট, সামাজিক বাধা কিংবা বিপন্ন বিস্ময়ের নানা ক্ষেত্র পার হতে হতে নতুন আবিষ্কার, অ্যাডভেঞ্চারের তাগিদের মাঝেও অনন্ত জীবনের রূপটিকে স্মরণ করায় জনৈক আপাত ভদ্র, শিষ্ট, উদ্দাম যুবক অসীম। সাতের দশকের প্রারম্ভের যৌবন স্বাধীনতার পর দুটি দশক পার করে কী ভাবে, কী চায়, কী চায় না, পায় না, ভাবে না তার খতিয়ান তৈরি হতে থাকে ক্রমে ক্রমে। আরেকটি সমান্তরাল পাঠ প্রস্তুত হয় দর্শকের জীবন জিজ্ঞাসায় জারিত হয়। হয়তো আকস্মিক, কিংবা অনিবার্যভাবেই অসীম জীবনপথের চিরবিস্মিত পথিক অপূর্বকুমার রায়, অপুর স্মৃতি নিয়ে অসীম নামের চরিত্রটির বিপরীতে জেগে থাকে অপর্ণা, অপুর সহধর্মিনীর ব্যঞ্জনা নিয়ে, মদনভস্মের পরে তপঃক্লিষ্ট গিরিরাজদুহিতা পার্বতীর নিরাসক্ত বৈরাগ্যের অনুষঙ্গ নিয়ে।
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৬ : কাঞ্চনজঙ্ঘা: ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী?

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১২: এ দিন যাবে, রবে না

পিতার ঔজ্জ্বল্য কখনও ম্লান হয়নি পুত্রের খ্যাতিতে

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৬: বক্সনগরে আবিষ্কৃত হয়েছে বৌদ্ধ স্তুপ, চৈত্যগৃহ ও একটি মঠ

কাঞ্চনজঙ্ঘার স্বর্ণশিখরে জেগে থাকা অমলিন ভাস্বর দ্যুতি যে স্বর্ণের ঔজ্জ্বল্য সঞ্চারিত করে, ‘পরশপাথরে’ সেই নিষ্কলুষ সোনার মালিন্য ও সঙ্কট চিত্রিত হয়েছে। ক্ষুদ্র সংকীর্ণতাকে অতিক্রম করে অনাদিকালের অভীপ্সিত পূর্ণ মহাজীবনের “মহাপুরুষে” শূন্যগর্ভ নিদারুণ হাস্যাস্পদ হয়ে ওঠা দেখেছেন দর্শক। এই বৈপরীত্যের পথেই দানা বাঁধা বিতর্ক আবার একটি সমান্তরাল পাঠ হয়ে ওঠে দর্শকের অভিজ্ঞতা, জানা, চেনা, অজানা, অচেনা জাগতিক স্মৃতি ও বোধ নিয়ে। আদিম মানবসত্তা, মানবেতিহাসের মহা যাত্রাপথের সঙ্কট, বিস্ময়, জিজ্ঞাসা কিংবা শঙ্কা থেকে নাগরিক উত্কণ্ঠা, বিপর্যয়, প্রতারণা কিংবা ক্লেদের মাঝে জমে থাকা ফুল, মালা, কাঁটা ও পাথরে গড়ে ওঠা জনঅরণ্য, প্রতিদ্বন্দ্বী, সীমাবদ্ধ পার হতে হতে এই ‘ডিসকোর্স’ পৌঁছে যাবে গণশত্রু, শাখাপ্রশাখা পার হয়ে আগন্তুকে। সভ্যতার মূল ভিত্তি এই যাত্রাপথে বিপন্ন হবে, তার রঙ্গমঞ্চের আলোয় মাখা বর্ণিল রাজসজ্জা ক্রমশ বিবর্ণ, পঙ্কিল হবে। কোনটা ঠিক? ভুলটাই ঠিক নাকি ঠিকটাই ভুল ছিল এই অনিবার্য সংশয়দগ্ধ জিজ্ঞাসাটুকু অরণ্যের দিনরাত্রির দিনরাত জুড়ে নীরব প্রশ্ন ছুড়ে দেবে এই আপেক্ষিকতাগ্রস্ত দিন-দুনিয়ায়।

যখন অরণ্যের বুকে জেগে উঠছে রাত্রির পদপাত, সন্ধ্যা মন্দমন্থরে এগিয়ে যাচ্ছে আরেকটি রাত্রির গভীরে, যখন মানবচরিত্রগুলি নানা আকস্মিকতা, বন্য প্রকৃতির উদ্দাম আকর্ষণে ভেসে যাচ্ছে, ডুবছে, জেগে উঠছে আবার তখন অসীম ও অপর্ণা বনের বিজন পথে।
অসীম জানতে চায়, তোমার কোনও বন্ধু নেই?
কেন থাকবে না!
ছেলেমানুষী করো না, তুমি কাউকে ভালবাসো না?
কাঞ্চনজঙ্ঘার অশোক ও মনীষার ক্রমনৈকট্য মনে আসে এদের এই পথ চলার অনুষঙ্গে, আপনি থেকে তুমিতে পৌঁছে যাওয়ার অনিবার্যতায়।
আরও পড়ুন:

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১১১: ডেসডিমোনার রুমাল/১০

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৬ : মায়ামৃগ

ক্যামেরা অপর্ণার মুখের দিকে এগিয়ে আসে আরও গাঢ় হয়ে, নৈকট্যের বার্তাটুকু নিয়ে। অপর্ণা উত্তর করে, এখনও না। অসীম জানতে চায়, কলকাতার কোথায় তোমার দেখা পাব? নেপথ্যে হাতির বৃংহণ, মাদলের তালে নাচ গান যুগপৎ আকর্ষণ-আশঙ্কা ও দিব্য নিস্পৃহ নিরাসক্তির ব্যঞ্জনা নিয়ে জেগে ওঠে। অপর্ণা জানায়, আমি পার্টিতে যাই না, আমার ভালো লাগে না। উচ্চপদে চাকুরিরত অসীম ব্যাকুল হয়ে অপর্ণার হাত চেপে ধরে বলে ঠিক আছে, কিন্তু কোথায় দেখা পাব? অরণ্যের রাতদিনের মুক্তজীবন শেষ হয়ে আসে, ছবিও শেষের উপকণ্ঠে। অপর্ণা বলে হাতটা ছাড়ুন। তারপর ব্যাগ থেকে কিছু বের করতে থাকে যেন। নেপথ্যে বন্য পশুর ডাক, মাদলের তান, যূথবদ্ধ গানের ছন্দ। ব্যাগ থেকে বেরোয় পেন, নাগরিক শিক্ষার প্রতীক, নেপথ্যে অন্ধকার রাত্রি ও জঙ্গলের প্রেক্ষাপটে এই কলম, শিক্ষা, নাগরিক শৌখিন ঠাটবাট কেমন বিপরীত খাপছাড়া যেন। অপর্ণা বলে, লাইটটা জ্বালাবেন? অসীম লাইটার জ্বালায়। সেই আগুনের আলোয় অপর্ণা কিছু লেখে, তারপর অপূর্ব হাসি ঠোঁটে টেনে বলে, আর কোনো কাগজ পেলাম না।

অসীমের হাতে দেয় একটা পাঁচ টাকার নোট, তাতে লেখা থাকে অভিজ্ঞান, কয়েকটি সংখ্যা। ফোন নাম্বার, ৪৪-১৪৯১। ক্যামেরা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে তার দিকে। অসীমের হাতে জ্বলতে থাকা লাইটারের আলোয় কয়েক মুহূর্তের নীরব দৃষ্টি বিনিময়, ভালো লাগা, জেগে ওঠা মুগ্ধতার সংকেত নিয়ে স্থির থাকে।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৯: জলমুরগি

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪০: রামের সত্যরক্ষা, প্রবাদপ্রতিম রামরাজ্যের স্রষ্টার বৈরাগ্যের রূপ

শেষে কিছু কথা। কাঞ্চনজঙ্ঘাতে মনীষা অশোকের সঙ্গে আবার দেখা হওয়ার জন্য ব্যাকুল আশা ব্যক্ত করে, তাদের বাড়িতে অশোক আসবে তো? আগ্রহ দেখায়। অরণ্যের দিনরাত্রিতে তার বিপরীত। অসীম নিতান্তই আগ্রহী অরণ্য পার হয়ে নাগরিক জীবনের প্রেক্ষাপটে অপর্ণাকে ফিরে পেতে। আরণ্যক মুগ্ধতা নাগরিক পরিসরেও অক্ষুণ্ন থাকবে তো? অপর্ণা আলো জ্বালাতে বললে অসীম লাইটারের আগুন জ্বালায়। বিচিত্র এই যে, আগুনের যাত্রা বহু পথ পার হয়ে আলোয় মিশেছিল। আরণ্যক প্রকৃতির প্রেক্ষাপটে এ আরেক নবপাঠ, যেখানে সভ্যতার বিপরীতে জেগে থাকা আদিম সত্তার নিরন্তর উপস্থিতি, তার ভীষণ রূপ থেকে কল্যাণরূপে উত্তরণের অনুষঙ্গ… পরপর জেগে উঠতে পারে দর্শকের মানসলোকে। টাকার মধ্যে ফোন নম্বর লিখে দেওয়ার ব্যঞ্জনাতেও আধুনিক পণ্যায়িত সমাজের মূল একক অর্থ বা টাকা, টাকার অঙ্কে সব কিনতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কিংবা মানুষের যোগাযোগ, সম্পর্কের মাঝে থাকা কিছু সংখ্যা, সে টাকার অঙ্ক হোক কিংবা ফোন নাম্বার, আধুনিক জীবনের আকাঙ্ক্ষা, বিপন্ন অনিবার্যতা নিয়ে আদিম অরণ্যলোকের পাশে জেগে থাকে। আর ওই সংখ্যাগুলি…৪৪-১৪৯১ এর মধ্যে ১৪৯১ সংখ্যা খ্রিস্টাব্দের হিসাবে তাৎপর্যপূর্ণ তো বটেই। তখন কলম্বাস এগিয়ে চলেছেন আমেরিকার দিকে, একবছর পরেই আমেরিকা আবিষ্কার। তখন ইউরোপ জুড়ে পরিবর্তন আসছে, কলম্বাসের পথ ধরে কিছু বছর পরে ভাস্কো ডা গামা পৌঁছবেন ভারতের উপকূলে।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৩: মাঝ-রাতে আশ্রমে একটি বালক কাঁদছিল কেন?

শেষে কিছু কথা। কাঞ্চনজঙ্ঘাতে মনীষা অশোকের সঙ্গে আবার দেখা হওয়ার জন্য ব্যাকুল আশা ব্যক্ত করে, তাদের বাড়িতে অশোক আসবে তো? আগ্রহ দেখায়। অরণ্যের দিনরাত্রিতে তার বিপরীত। অসীম নিতান্তই আগ্রহী অরণ্য পার হয়ে নাগরিক জীবনের প্রেক্ষাপটে অপর্ণাকে ফিরে পেতে। আরণ্যক মুগ্ধতা নাগরিক পরিসরেও অক্ষুণ্ন থাকবে তো? অপর্ণা আলো জ্বালাতে বললে অসীম লাইটারের আগুন জ্বালায়। বিচিত্র এই যে, আগুনের যাত্রা বহু পথ পার হয়ে আলোয় মিশেছিল। আরণ্যক প্রকৃতির প্রেক্ষাপটে এ আরেক নবপাঠ, যেখানে সভ্যতার বিপরীতে জেগে থাকা আদিম সত্তার নিরন্তর উপস্থিতি, তার ভীষণ রূপ থেকে কল্যাণরূপে উত্তরণের অনুষঙ্গ… পরপর জেগে উঠতে পারে দর্শকের মানসলোকে। টাকার মধ্যে ফোন নম্বর লিখে দেওয়ার ব্যঞ্জনাতেও আধুনিক পণ্যায়িত সমাজের মূল একক অর্থ বা টাকা, টাকার অঙ্কে সব কিনতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কিংবা মানুষের যোগাযোগ, সম্পর্কের মাঝে থাকা কিছু সংখ্যা, সে টাকার অঙ্ক হোক কিংবা ফোন নাম্বার, আধুনিক জীবনের আকাঙ্ক্ষা, বিপন্ন অনিবার্যতা নিয়ে আদিম অরণ্যলোকের পাশে জেগে থাকে। আর ওই সংখ্যাগুলি…৪৪-১৪৯১ এর মধ্যে ১৪৯১ সংখ্যা খ্রিস্টাব্দের হিসাবে তাৎপর্যপূর্ণ তো বটেই। তখন কলম্বাস এগিয়ে চলেছেন আমেরিকার দিকে, একবছর পরেই আমেরিকা আবিষ্কার। তখন ইউরোপ জুড়ে পরিবর্তন আসছে, কলম্বাসের পথ ধরে কিছু বছর পরে ভাস্কো ডা গামা পৌঁছবেন ভারতের উপকূলে। —চলবে।

* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content