
দুই মেয়েকে নিয়ে সুরমা ও ঋত্বিক ঘটক।

আকাশ এখনও মেঘলা/৪২

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩৯: শেফালিকার বিপদ

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৬: বিষণ্ণ সকাল, নিঃসঙ্গ আদিনাথ

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৪: সুন্দরবনের পাখি: গোত্রা

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৯: ‘বেতারে দু-খানা গান গাইলাম, পারিশ্রমিক পেলাম দশ টাকা’
—আচ্ছা টুনু, ঋত্বিক বাবু বাবা হিসেবে কেমন? মানে এরকম একজন ক্রিয়েটিভ মানুষ, ছেলেমেয়ে তাদের পড়াশোনা!
—দারুণ! মানে দুর্দান্ত! সংসারটাকে মা সামলেছেন দু’হাত দিয়ে। বাবার নিজের জগতের বাইরে কিছু খেয়াল থাকত না!
—কীরকম?
—তাহলে তোকে একটা ঘটনা বলতে হবে! আমার সঙ্গে ঘটেছিল। স্কুলে তখন নিচু ক্লাসে পড়ি। মায়ের একটা কিছু কাজ ছিল, বাবা সেদিন ফাঁকাই ছিলেন! মা বাবাকে বলেছিলেন, আমাকে স্কুল থেকে গিয়ে নিয়ে আসতে।

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৩ : জনঅরণ্য: সরস্বতী না লক্ষ্মী?
—নাম?
—হ্যাঁ, যাকে নিতে এসেছেন তার নাম কী?
—নাম বলতে আমি তো ওকে টয়নক্স ডাকি!
—দিদিমণি প্রায় আঁতকে উঠলেন, কী নাম?
—বললাম যে টয়নক্স!
—না না, স্কুলের খাতায় ওর কী নাম আছে?
—ভালো নামটা আমারই দেওয়া কিন্তু মনে পড়ছে না!
—বাড়িতে আর কোনও ডাকনাম!
—হ্যাঁ, সেটা বলেও ডাকি, কিন্তু এখন তো মনে পড়ছে না!

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৬৬: জীবন নিয়ে কৌতুক আর ‘যৌতুক’

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!
তখনকার দিনে পরিচালকদের ছবি এতও কাগজপত্রে ছাপা হতো না। বাবা যে ধরনের ছবি বানাতেন সেটা তৈরি হতেই আর্থিক টানাটানি থাকতো। প্রমোশন তো দূরের কথা! একজন অচেনা মানুষ অদ্ভুত একটা নাম বলে বাচ্চাকে নিতে এসেছেন, হেড মিস্ট্রেস ঝুঁকি নিতে পারছেন না! আবার মানুষটির ব্যক্তিত্ব দেখে তাঁকে অস্বীকার করাও যাচ্ছে না! এরই মধ্যে ছুটির ঘণ্টা বাজল!
—আচ্ছা আপনি দেখলে তো মেয়েকে ডাকতে পারবেন, সেও বাবাকে…
—এক মিনিট!
এই বলে বাবা হেড মিস্ট্রেসের ঘর থেকে বাইরে এসে করিডরে দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে ডাকলেন
—টয়নক্স!! টয়নক্স!! কোথায় তুমি?
—আমি বারান্দা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে বাবাকে দেখে লজ্জায় মরি। স্কুলশুদ্ধু বন্ধুরা আমার এই অদ্ভুত নামটা জেনে গেল! বাড়ি ফেরার পথে বাবাকে বলেছিলাম, তুমি আর কোনওদিন আমাকে স্কুলে নিতে এসো না তো!
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ । এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।


















