
ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।
আদিনাথের দ্বিপ্রাহরিক আহার শেষ হয়েছে। সুনীতি গোরাকে ডাকলেন ফিসফিস করে। বললেন, যাও গিয়া বাবার পাশে বও, বিবাহের কথা জানাও। গোরা মুখচোরা। এমনিতেই বাবার সঙ্গে কথা ওর নাম মাত্র। সেই কথোপকথনে নতজানু সমীহ ছাড়া আর কিছু কখনও প্রকাশ পায়নি। সেখানে একেবারে নিজের এই বিবাহ বার্তা! ভয়ে গলা কাঠ হয়ে যাচ্ছে গোরার।
বাবার নিজস্ব ঘরটি এ বাড়িতে সবচেয়ে মনোরম। আলো ঝলমলে পুব-দক্ষিণ খোলা একটি আয়ত কক্ষ। জানলার বাইরে ফুলের বাগান। বনস্পতি ওষধি বৃক্ষও কিছু আছে। তার মা বিখ্যাত কবিরাজের মেয়ে। গাছ পালা শিকড় বাকড় দিয়ে তাঁর কত রকম চিকিৎসা! ছেলেবেলা থেকে মা-ই তো তাদের শুশ্রূষা করেছেন।
বাবার নিজস্ব ঘরটি এ বাড়িতে সবচেয়ে মনোরম। আলো ঝলমলে পুব-দক্ষিণ খোলা একটি আয়ত কক্ষ। জানলার বাইরে ফুলের বাগান। বনস্পতি ওষধি বৃক্ষও কিছু আছে। তার মা বিখ্যাত কবিরাজের মেয়ে। গাছ পালা শিকড় বাকড় দিয়ে তাঁর কত রকম চিকিৎসা! ছেলেবেলা থেকে মা-ই তো তাদের শুশ্রূষা করেছেন।
পুষ্প সুরভিময় আদিনাথের শয়ন কক্ষ। চৌকিতে টানটান বিছানা পাতা। ধবধবে চাদর। জানলার ধারে টেবিল চেয়ার। নিখুঁত গোছানো খাতা বই লেখালেখির সরঞ্জাম। ওপাশে একটা কাঠের দেরাজ। খাটের পাশে ছোট্ট তেপায়ায় ফুলতোলা কাচের বাটি। জলে ভেজা দশ বারোটা টাটকা গন্ধরাজ। খুকুর হাতের পরিচর্যার ছাপ চারপাশে ছড়ানো।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২০: গোরা-সুনীতি: সম্পর্কের অন্য সুর

বিচিত্রের বৈচিত্র, গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৮: সুজাতজাতক—তবু অনন্ত জাগে

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৩: ক্যান ইউ হ্যান্ডেল ইট?

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৮: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বানর
আদিনাথ শুয়ে ছিলেন। চোখ বোজা। গোরা সম্ভ্রমে আস্তে ডাকে—
—বাবা।
সচেতন মানুষ আদিনাথ। দ্বিতীয়বার ডাকের সুযোগ না দিয়েই তিনি স্পষ্ট চোখে তাকান। উঠে বসেন, গোরাকেও বসতে বলেন। মৌমাছির গুনগুন ছাড়া চারপাশ শব্দহীন। এমন নিরুদ্বেগ শান্তির দর্পণে কেমন অসহায় আর একলা হয়ে গেল গোরা। ওদিকে আদিনাথ টানা তাকিয়ে আছেন গোরার দিকে। তাঁর শীতল ভারী চশমার কাঁচে গোরার চঞ্চল মনের বিম্বন। সুনীতি ঘরে নেই। বাবার সামনে নিজের বিবাহ প্রসঙ্গ আনার চেয়ে আপাতত সেটি কিছুকাল পিছিয়ে গেলেও যেন এখন আর আপত্তি নেই। এমন দুশ্চিন্তায় সন্ত্রস্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে সে সেই ভাবনার গরাদ ভেঙে বেরিয়ে এল। নম্র আর সহজ গলায় বলল,
—বাবা আপনার শরীর কেমন আছে?
—ভালোই তোমার অফিস ল্যাখাপড়া?
—বাবা আপনার আশীর্বাদে এমকম পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। ভালো হয়েছে। আপাতত পড়াশোনার চাপ নাই। বর্তমানে কিছু পড়ানোর কাম করি। সঙ্গে অফিস।
—হ পড়ানোটা ছাইড়ো না। চর্চা বন্ধ হলে বিদ্যায় ভাটা পড়বে। চর্চা অর্থাৎ যোগাযোগ। নিয়মিত যোগাযোগে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে।
থমকে গিয়েছে গোরা। ঠিকই তো বলছেন। লজ্জায় নিশ্চুপ হয়ে মাথা নত হয়েছে অজান্তে। অফিস, পড়ানো, দাদাদের সংসারে টিকে থাকা, ওদিকে মীরা, তার সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ আজকাল কেমন যেন বাধ্যতা বলে মনে হয়। কলকাতার এত কিছু সামলে ডায়মন্ড হারবারের সঙ্গে তার নিজের পরিবারের সঙ্গে কতটুকুই বা কাটাতে পারে সে! এমনটা হতে থাকলে মায়ের স্নেহ বন্ধন ক্রমশ আলগা হয়ে যাবে। টুপ করে কোনদিন খসে যাবে ও মায়ের নিবিড় আশ্রয় থেকে। একটা বিষন্নতা ঘিরে ধরে গোরাকে।
—বাবা।
সচেতন মানুষ আদিনাথ। দ্বিতীয়বার ডাকের সুযোগ না দিয়েই তিনি স্পষ্ট চোখে তাকান। উঠে বসেন, গোরাকেও বসতে বলেন। মৌমাছির গুনগুন ছাড়া চারপাশ শব্দহীন। এমন নিরুদ্বেগ শান্তির দর্পণে কেমন অসহায় আর একলা হয়ে গেল গোরা। ওদিকে আদিনাথ টানা তাকিয়ে আছেন গোরার দিকে। তাঁর শীতল ভারী চশমার কাঁচে গোরার চঞ্চল মনের বিম্বন। সুনীতি ঘরে নেই। বাবার সামনে নিজের বিবাহ প্রসঙ্গ আনার চেয়ে আপাতত সেটি কিছুকাল পিছিয়ে গেলেও যেন এখন আর আপত্তি নেই। এমন দুশ্চিন্তায় সন্ত্রস্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে সে সেই ভাবনার গরাদ ভেঙে বেরিয়ে এল। নম্র আর সহজ গলায় বলল,
—বাবা আপনার শরীর কেমন আছে?
—ভালোই তোমার অফিস ল্যাখাপড়া?
—বাবা আপনার আশীর্বাদে এমকম পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। ভালো হয়েছে। আপাতত পড়াশোনার চাপ নাই। বর্তমানে কিছু পড়ানোর কাম করি। সঙ্গে অফিস।
—হ পড়ানোটা ছাইড়ো না। চর্চা বন্ধ হলে বিদ্যায় ভাটা পড়বে। চর্চা অর্থাৎ যোগাযোগ। নিয়মিত যোগাযোগে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে।
থমকে গিয়েছে গোরা। ঠিকই তো বলছেন। লজ্জায় নিশ্চুপ হয়ে মাথা নত হয়েছে অজান্তে। অফিস, পড়ানো, দাদাদের সংসারে টিকে থাকা, ওদিকে মীরা, তার সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ আজকাল কেমন যেন বাধ্যতা বলে মনে হয়। কলকাতার এত কিছু সামলে ডায়মন্ড হারবারের সঙ্গে তার নিজের পরিবারের সঙ্গে কতটুকুই বা কাটাতে পারে সে! এমনটা হতে থাকলে মায়ের স্নেহ বন্ধন ক্রমশ আলগা হয়ে যাবে। টুপ করে কোনদিন খসে যাবে ও মায়ের নিবিড় আশ্রয় থেকে। একটা বিষন্নতা ঘিরে ধরে গোরাকে।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৬: পঞ্চবটীর যাত্রাপথে প্রাপ্তি, পিতৃবন্ধু জটায়ু ও বনবাসজীবনে লক্ষ্মণের ভূমিকা
হঠাৎই কেমন যেন ক্লান্ত লাগে। সত্যিই কি এখন নিজের বিয়ে নিয়ে গোরা আর তীব্র আগ্রহ বোধ করে?
হ্যাঁ এক সময় করতো কোনও ব্যাকুল আবেগঘন পরিস্থিতিতে সে বিবাহের কথাও দিয়েছে। প্রতিশ্রুতিতে বাঁধা পড়েছে। কিন্তু আজকাল গোরা দ্বিধান্বিত। নিজের পরিবারের কথা না ভেবে বোনেদের কথা না ভেবে পুরোপুরি মীরার পরিবারের নির্দেশে যেন বিয়ে করতেই হবে তাকে। এই বাধ্যতা কেমন যেন একটা শৃংখল হয়ে উঠছে। লাল পাড় মিলের শাড়ি পরা তার জগদ্ধাত্রী মা সংসার জুড়ে অফুরন্ত কাজ করে চলেছে। বড় বোন খুকু মায়ের ছায়াসহচর হয়ে সব সামলাচ্ছে। গৌরী পড়ছে। উঠোনের এক কোণে সুধার পুতুল খেলা। পিছনের বাগান থেকে সুবাসিত বাতাসে ভরে আছে উদ্বাস্তুর সংসার। অসম্পূর্ণতার মধ্যেও কি অপূর্ব লক্ষ্মীশ্রী এই সংসারকে যেন আলো করে রেখেছে। অনেক না, অনেক নেই-এর মধ্যেও অন্নপূর্ণার সুরক্ষা আঁচলের নিচে সবাই কেমন ছায়া পেয়েছে। এসব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার মুখে দাঁড়িয়ে গোরা এখন কর্মহীন পিতার সামনে এসে ঘোষনা করছে তার বিবাহ-সংবাদ।
হ্যাঁ এক সময় করতো কোনও ব্যাকুল আবেগঘন পরিস্থিতিতে সে বিবাহের কথাও দিয়েছে। প্রতিশ্রুতিতে বাঁধা পড়েছে। কিন্তু আজকাল গোরা দ্বিধান্বিত। নিজের পরিবারের কথা না ভেবে বোনেদের কথা না ভেবে পুরোপুরি মীরার পরিবারের নির্দেশে যেন বিয়ে করতেই হবে তাকে। এই বাধ্যতা কেমন যেন একটা শৃংখল হয়ে উঠছে। লাল পাড় মিলের শাড়ি পরা তার জগদ্ধাত্রী মা সংসার জুড়ে অফুরন্ত কাজ করে চলেছে। বড় বোন খুকু মায়ের ছায়াসহচর হয়ে সব সামলাচ্ছে। গৌরী পড়ছে। উঠোনের এক কোণে সুধার পুতুল খেলা। পিছনের বাগান থেকে সুবাসিত বাতাসে ভরে আছে উদ্বাস্তুর সংসার। অসম্পূর্ণতার মধ্যেও কি অপূর্ব লক্ষ্মীশ্রী এই সংসারকে যেন আলো করে রেখেছে। অনেক না, অনেক নেই-এর মধ্যেও অন্নপূর্ণার সুরক্ষা আঁচলের নিচে সবাই কেমন ছায়া পেয়েছে। এসব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার মুখে দাঁড়িয়ে গোরা এখন কর্মহীন পিতার সামনে এসে ঘোষনা করছে তার বিবাহ-সংবাদ।
আরও পড়ুন:

হ্যালো বাবু!, পর্ব-১২০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৩ : শহরের ইতিকথা
কিন্তু যা করবার তা তো করতেই হবে। একরকম উদাসীনতায় তাই বাবাকে বলে—
—বাবা একটা কথা আপনারে জানাই। পরামর্শ আর আশীর্বাদ যা দ্যান তাই লইয়াই আমি ধন্য হমু।
আবারও ভারি চশমার নিচ থেকে নতুন করে জাগ্রত হয় দীপ্ত সপ্রশ্ন দৃষ্টি। গোরা সামান্য মৌন থেকে জানায়—
—বাবা, বিবাহ করবার ব্যাপারে আপনার আশীর্বাদ চাই।
কথা শেষ হল না আদিনাথ কেমন সজোরে বলে উঠলেন—
—কার বিবাহ?
—আমার!
—তোমার? কও কি? কার লগে?
গোরা গলগল করে বলে চলে—
—বাবা, পাত্রীর নাম মীরা সেনগুপ্তা। ওরা এক ভাই এক বোন। পিতা মোহিনী রঞ্জন সেনগুপ্তা। আদি
নিবাস ঢাকার খিলপাড়া। বর্তমানে বেলিয়াঘাটা অঞ্চলে দ্বিতলবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করেন। আদিনাথ সটান প্রশ্ন করেন—
—পিতার পেশা?
সামান্য দমে গিয়েছে গোরা। ইতস্তত করে বলে—
—ওকালতি।
আদিনাথের অবিশ্বাসী চোখ। বলেন—
—ওকালতি! কিন্তু নামখান তো চেনা লাগে না! প্র্যাকটিস কোথায় করতেন?
—আপনি চিনবেন না বাবা, উনার তো ছিল ঢাকা শহরের আদালত আর আপনার বরিশাল। বর্তমানে শিয়ালদা কোর্টে আছেন।
—বাবা একটা কথা আপনারে জানাই। পরামর্শ আর আশীর্বাদ যা দ্যান তাই লইয়াই আমি ধন্য হমু।
আবারও ভারি চশমার নিচ থেকে নতুন করে জাগ্রত হয় দীপ্ত সপ্রশ্ন দৃষ্টি। গোরা সামান্য মৌন থেকে জানায়—
—বাবা, বিবাহ করবার ব্যাপারে আপনার আশীর্বাদ চাই।
কথা শেষ হল না আদিনাথ কেমন সজোরে বলে উঠলেন—
—কার বিবাহ?
—আমার!
—তোমার? কও কি? কার লগে?
গোরা গলগল করে বলে চলে—
—বাবা, পাত্রীর নাম মীরা সেনগুপ্তা। ওরা এক ভাই এক বোন। পিতা মোহিনী রঞ্জন সেনগুপ্তা। আদি
নিবাস ঢাকার খিলপাড়া। বর্তমানে বেলিয়াঘাটা অঞ্চলে দ্বিতলবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করেন। আদিনাথ সটান প্রশ্ন করেন—
—পিতার পেশা?
সামান্য দমে গিয়েছে গোরা। ইতস্তত করে বলে—
—ওকালতি।
আদিনাথের অবিশ্বাসী চোখ। বলেন—
—ওকালতি! কিন্তু নামখান তো চেনা লাগে না! প্র্যাকটিস কোথায় করতেন?
—আপনি চিনবেন না বাবা, উনার তো ছিল ঢাকা শহরের আদালত আর আপনার বরিশাল। বর্তমানে শিয়ালদা কোর্টে আছেন।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯২: কৈলাসচন্দ্র সিংহ ছিলেন সত্যনিষ্ঠ আপসহীন এক ঐতিহাসিক

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি
অসম্মত আদিনাথ অল্প অল্প মাথা নাড়ছেন। স্বগতোক্তি করছেন অস্ফুটে—
—না না সমকালের কম বেশি সকল উকিলের নামই আমার স্মরণে আছে, এই নামডা আমার অচেনা।
গোরা প্রত্যুৎপন্নমতিতায় অন্য প্রসঙ্গে আসে দ্রুত। বাবা বিবাহ করলেও যোগাযোগ তো কমবই না বরং বাড়ব।
—স্ত্রীকে কোথায় রাখব বলে মনস্থ করেছ?
—বড়দার বাড়িতে।
স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন আদিনাথ। ইতিমধ্যে বেলা গড়িয়েছে অনেকখানি। গোরা উঠে গেছে খানিকক্ষণ। সকলের খাওয়া-দাওয়া চুকিয়ে সুনীতি এই মাত্র প্রবেশ করেছেন স্বামীর ঘরে। ঘরের নৈঃশব্দ শেষ দুপুরের ক্লান্ত রোদের সঙ্গে বন্ধুতা পাতানোর অপেক্ষায়।—চলবে।
—না না সমকালের কম বেশি সকল উকিলের নামই আমার স্মরণে আছে, এই নামডা আমার অচেনা।
গোরা প্রত্যুৎপন্নমতিতায় অন্য প্রসঙ্গে আসে দ্রুত। বাবা বিবাহ করলেও যোগাযোগ তো কমবই না বরং বাড়ব।
—স্ত্রীকে কোথায় রাখব বলে মনস্থ করেছ?
—বড়দার বাড়িতে।
স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন আদিনাথ। ইতিমধ্যে বেলা গড়িয়েছে অনেকখানি। গোরা উঠে গেছে খানিকক্ষণ। সকলের খাওয়া-দাওয়া চুকিয়ে সুনীতি এই মাত্র প্রবেশ করেছেন স্বামীর ঘরে। ঘরের নৈঃশব্দ শেষ দুপুরের ক্লান্ত রোদের সঙ্গে বন্ধুতা পাতানোর অপেক্ষায়।—চলবে।
* ধারাবাহিক উপন্যাস (novel): দেওয়াল পারের দেশ (Dewal Parer Desh)। লিখছেন জয়িতা দত্ত (Dr. Jayita Dutta), বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, হুগলি মহসিন কলেজ।


















