শুরু থেকে অমলেন্দুর মৃত্যু পর্যন্ত কাহিনি যেভাবে এগিয়েছে তার সবটুকুই মৃত অমলেন্দু ডায়েরি থেকে নেওয়া। শেষ পাতায় লেখা আছে কতকগুলো আপাত সম্পর্কহীন গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। সেগুলি আবার লিখে পেন দিয়ে গোল সার্কেল করা হয়েছে।
শুরু থেকে অমলেন্দুর মৃত্যু পর্যন্ত কাহিনি যেভাবে এগিয়েছে তার সবটুকুই মৃত অমলেন্দু ডায়েরি থেকে নেওয়া। শেষ পাতায় লেখা আছে কতকগুলো আপাত সম্পর্কহীন গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। সেগুলি আবার লিখে পেন দিয়ে গোল সার্কেল করা হয়েছে।
‘মহাভারত’ এই নামের সঙ্গে যাঁর নাম জড়িত তিনি হলেন রাজা ভরত। রাজা ঈলিনের ঔরসে পত্নী রথন্তরীর পুত্র দুষ্মন্ত। দুষ্মন্ত, বিশ্বামিত্রমুনির কন্যা শকুন্তলাকে বিবাহ করেন। শকুন্তলার গর্ভজাত সন্তান ভরত। ভরতরাজার নামানুসারে ভরতবংশীয় রাজারা এবং এই বংশোদ্ভূত পূর্ববর্তী রাজারাও ‘ভারত’ নামে খ্যাত হয়েছিলেন।
শ্রীমার অসুখের সংবাদ শুনে দূরদেশ থেকে শ্রীমার সন্তান সারদেশানন্দ এসেছেন। তিনি সকলের পরিচিত বলে শ্রীমার ঘরে গিয়ে কুশল জিজ্ঞাসা করে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এলেন। কখনও যদি শ্রীমা ডাকেন তো দুটো কথা হয়। ভয়ে ভয়ে তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেন, যাতে শ্রীমার কষ্ট না হয়।
নিম্নচাপের জেরে সোমবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। আপাতত নিম্নচাপ শক্তি খুইয়ে নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে বুধবার থেকে নিম্নচাপের প্রভাব কমবে। তবে বৃষ্টির কিছুটা কমলেও এখনই ঝড়বৃষ্টি থামছে না! উলটে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বুধবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গেও।
দিগম্বরী দেবীকে আশপাশের মানুষজন বলতেন ‘রত্নগর্ভা’। তাঁর কোনও কন্যা সন্তান ছিল না। সকলেই পুত্র। সব মিলিয়ে পাঁচ পুত্র। জ্যেষ্ঠ পুত্র মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ। একজন অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলেন। ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই তথ্য দিলেও খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের তাঁর ‘রবীন্দ্র কথা’য় জানিয়েছেন, দিগম্বরীর প্রথম সন্তানটি ছিল কন্যা, অকালে অসময়ে শৈশবে মারা গিয়েছিল।
"তিন টান একত্র হলে তবে তিনি দেখা দেন। বিষয়ের বিষয়ের উপর, মায়ের সন্তানের উপর, আর সতীর পতির উপর টান। এই তিন টান যদি কারও একসঙ্গে হয়, সেই টানের জোরে ঈশ্বরকে লাভ করতে পারে।" [কথামৃত পৃঃ ২১] ঈশ্বরীয় প্রেম সর্বদাই কথা ও শব্দের আড়ালে মানুষ লৌকিক ভালোবাসার সামঞ্জস্য খুঁজে। কিন্তু লোকত্ত্বর সে ভালোবাসার সামঞ্জস্য ও গভীরতা বোধগম্যের পারে। মানবের সহজ প্রবৃত্তি হল তুলনামূলক বিচারের দ্বারা ধারণা উৎপাদন করা। বাস্তবিক, মানব মন বুদ্ধির পারে চিরকালীন অব্যক্ত প্রেম রয়েছে তাকে গ্রহণ করতে পারে না। 'আমি' কে না হারিয়ে যা পাওয়া...
“এইটা তো আমার বাসা! এখানে তুই এলি কী করে? তৎ শীঘ্রং নিষ্ক্রম্যতাম্ — এখনই ওখান থেকে বেরিয়ে আয়।” — ধমকে উঠল কপিঞ্জল। তার স্বর কাঁপছিল রাগে, আর গলায় ফুটে উঠছিল মালিকানা হারানোর যন্ত্রণা।
একটি নিম্নচাপ যেতে না যেতে আবার নতুন করে নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়ে গেল। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপের যার প্রভাবে আরও কিছু দিন বৃষ্টি চলবে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কোনও কোনও এলাকায় অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে (আইএসএস) প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরকদমে। সোমবার শুভাংশু শুক্ল এবং তাঁর তিন সঙ্গী মহাকাশ কেন্দ্রে থেকে পৃথিবীর উদ্দেশে রওনা দেবেন। দ্রুত ড্রাগন মহাকাশযানের আনডক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। সব কিছু পরিকল্পনা মতো এগলে আগামীকাল মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে সেই মহাকাশযান নামবে।
এখানে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকার রেললাইন তৈরি করে বেসরকারি সংস্থাদের ইজারা (লিজ) দিয়ে দেয়। তারা এবার নিজের মতো ভাড়া নিয়ে রেলগাড়ি চালায়। সব রেলগাড়িই মূলত ভ্রমণের উদ্দেশ্যেই বানানো। কাজেই সেই সব রেলগাড়ির কামরা বেশ বিলাসবহুল। তাদের ভাড়াও প্রচুর। এটা শুধু আলাস্কা বলে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্রই একই ব্যাপার। সেই কারণে, এই দেশে লোকজন কোথাও ঘুরতে গেলে আগেই একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে নেয়।
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত আপাতত উত্তর ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের উপর অবস্থান করছে। এর জেরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের উপর আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হতে পারে। সঙ্গে মৌসুমি অক্ষরেখাও বেশ সক্রিয় রয়েছে। এ সবের প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঝড়বৃষ্টি চলবে। উত্তরবঙ্গেও ভারী বর্ষণ চলবে।
টানা বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। দেখা মিলেছে রোদ। কলকাতায় রবিবার বৃষ্টির তেমন সতর্কতা নেই। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। এই মুহূর্তে বাংলায় বর্ষা সক্রিয় রয়েছে। রয়েছে ঘূর্ণাবর্তও। আপাতত নিম্নচাপ অঞ্চল দুর্বল হয়েছে।
তৃপ্তি চুপ করে ছিল, ভাবছিল যে ব্যাপারটা কী? বৌভাতের রাতে মণি ছবি তোলার সময় তার দাদার পাশে স্নিগ্ধাকে ঘেঁষতে দেয়নি। স্নিগ্ধা বলেছে যে দুলালের মা তাদের পছন্দ করেন না। আজ মণিকে দেখে স্নিগ্ধা পালালো! কেন?
অন্যান্য পাখিদের মতো লক্ষ্মী প্যাঁচার নির্দিষ্ট কোনও ডাক নেই। শিকারের সময় এক রকম, প্রজননের সময় এক রকম, শিকার সেরে বাসায় ফিরে এক রকম, আবার ভয় পেলে আর একরকম শব্দ করে। কখনও তীক্ষ্ণ চ্যাঁ-চ্যাঁ, কখনও সাঁ-সাঁ, কখনও বা হিসহিস শব্দ শোনা যায়। সম্ভবতঃ জিভ সঞ্চালন করেই ওরা শব্দের এই বৈচিত্র্য আনে। তবে শব্দ যেমনই হোক না কেন রাতের আঁধারে ওই শব্দ শুনলে গা ছমছম করতে পারে।
“স্যার, যে ইনফোগুলি জোগাড় করতে বলেছিলাম, সেগুলি পেলে হয়তো কিছুটা এগোনো সম্ভব হবে। যদিও সেটা এখনই জোরের সঙ্গে বলা যাচ্ছে না। হয়তো দেখলাম, ওই ইনফোর মধ্যে এমন কিছুই নেই, যা আমাদের ইনভেস্টিগেশনের কাজে লাগতে পারে। তখন অন্য রাস্তা ভাবতে হবে!”