
নাট্যোৎসবে বিশেষ অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য, সাহিত্যিক সাধন চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ অপূর্ব দে, গৌতম দাস, ব্যারাকপুর তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের সুস্মিতা হাতি, ডাঃ গৌতম মুখোপাধ্যায়-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
খড়দহ আহিরি উত্তর শহরতলির একটি সুপরিচিত নাট্য সংস্থা। গত দশ বছর ধরে খড়দহ রবীন্দ্রভবনে একটি বিরাট নাট্যোৎসবের আয়োজন করে চলেছেন তারা। এবার এই উৎসব দশম বর্ষে পা দিল।
কনক রায়ের স্মৃতিতে আয়োজিত এই নাট্যোৎসবের গত শুক্রবার উদ্বোধন করলেন প্রখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব প্রবীর গুহ। প্রধান অতিথি ছিলেন নাট্যকার শুভাশিস খামারু। বিশেষ অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য, সাহিত্যিক সাধন চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ অপূর্ব দে, গৌতম দাস, ব্যারাকপুর তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের সুস্মিতা হাতি, ডাঃ গৌতম মুখোপাধ্যায়-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১০৮: লক্ষ্মী প্যাঁচা

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২৪: সে-যে কেবলই যাতনাময়

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬২: আলাস্কা ঘুরে দেখার জন্য গাড়ি ভাড়া পাওয়া দুষ্কর
সকলেই বক্তব্যে সহমত পোষণ করেন যে আহিরি-র এই নাট্যোৎসব এই মুহূর্তে উত্তর ২৪ পরগনার সর্ব বৃহৎ নাট্যোৎসব। দশ দিনব্যাপী এই নাট্যোৎসবে এবার যোগ দিয়েছেন ৩৯টি দল। অভিনীত হবে চাকদহ নাট্য জনের জগাখিচুড়ি, অশোকনগর নাট্যমুখের ভেমুলার রামায়ন, বেলঘরিয়া নাট্যকল্পের অবিশ্বাস্য, খড়দহ আহিরির শর্ত, বারাসাত অনুশীলনীর ধর্মনগর, আগরপাড়া কালপুরুষের ডলস হাউস, ক্রান্তিকাল সোদপুরের মায়াপুরের পাখি সহ প্রায় ৪০টি নাটক। শুধু এই নাট্যোৎসব নয়, খড়দহ আহিরি সারা বছর ধরেই বিভিন্ন নাট্য সংক্রান্ত কাজকর্মের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত রাখেন।


















