সোমবার ১৫ জুন, ২০২৬

সেরা পাঁচ

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৬১: অসমের লোকনৃত্য

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৬১: অসমের লোকনৃত্য

আসলে গান বাজনা মানুষের জীবনে সভ্যতার সেই শুরুর সময় থেকেই অঙ্গ হয়ে রয়েছে। মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের বিভিন্ন উৎসবে পার্বনে গান নাচ করে মানুষ। অসমের মতো বহুল জন জাতির মানুষের রাজ্যে তাই দেখতে পাওয়া যায় এক বর্ণময় সাংস্কৃতিক পরিবেশ।

read more
মঞ্চস্থ হল বেলঘরিয়া থিয়েটার অ্যাকাডেমির নাটক রবীন্দ্র জয়ন্তী

মঞ্চস্থ হল বেলঘরিয়া থিয়েটার অ্যাকাডেমির নাটক রবীন্দ্র জয়ন্তী

সম্প্রতি বেলঘরিয়া থিয়েটার অ্যাকাডেমি গোবরডাঙাতে গোবরডাঙা শিল্পায়ন স্টুডিয়ো থিয়েটারে মঞ্চস্থ করলেন তাদের জনপ্রিয় নাটক রবীন্দ্র জয়ন্তী। গোবরডাঙা স্টেশন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে, থানার ঠিক পাশেই তৈরি হয়েছে এই স্টুডিয়ো থিয়েটার মঞ্চ। প্রায় ৬০ জন দর্শক এই এসি হলে নাটক উপভোগ করতে পারেন। আলো, সাউন্ড সিস্টেম, মঞ্চ ব্যবস্থা একেবারে আধুনিক। শিল্পায়নের পক্ষ থেকে পরিচালক আশিস চট্টোপাধ্যায় বেলঘরিয়া থিয়েটার অ্যাকাডেমি পরিচালক চিকিৎসক এবং লেখক ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্যকে সম্বর্ধনা জানালেন তার অভিনয় জীবনের ৫০ বছর পূর্তি...

read more
ধর্মেন্দ্র স্থিতিশীল, ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন বীরু! অভিনেতার মৃত্যুর গুঞ্জন ওড়ালেন হেমা ও ঈশা

ধর্মেন্দ্র স্থিতিশীল, ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন বীরু! অভিনেতার মৃত্যুর গুঞ্জন ওড়ালেন হেমা ও ঈশা

লড়াই শেষ। প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তিনি ভেন্টিলেশনে ছিলেন। যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে তখনও অভিনেতাকে নিয়ে কোনও কিছু জানানো হয়নি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

read more
বন্দে মাতরম্

বন্দে মাতরম্

বাল্মীকি বেদব্যাসের রামায়ণ ও মহাভারত ভারতবর্ষের বুকে চির প্রেরণাস্রোত। এই দুটি মহাকাব্য দেখিয়েছে কবি হবেন ক্রান্তদর্শী, তাঁর বাণী হবে অভ্রান্ত, অজেয়। সকলেই কবি হন না, কেউ কেউ কবি। বন্দে মাতরম্ মহাসঙ্গীত আধুনিক ভারতবর্ষে চিরন্তন ভারতাত্মার সেই অন্তর্লীন মহাযাত্রার সার্থক উত্তরসূরী।

read more
পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

উত্তম কুমার যে সময়ের ফসল হিসাবে পরবর্তী কালে নিজেকে উপস্থাপন করবেন এ ধরণের ছবিগুলো ছিল তারই প্রস্তুতি পর্ব। কেন জানি না, জেনে হোক বুঝে হোক ছবিটির নামকরণ ছিল অত্যন্ত ইঙ্গিতবাহী। উত্তম কুমারের সমস্ত ফিল্মোগ্রাফ সেই সময় থেকেই ‘গলি থেকে রাজপথে’-ই যাত্রা শুরু করেছিল।

read more
পর্ব-১৩৯: মধ্যরাতে শিশুর কান্না শুনে রবীন্দ্রনাথ ওষুধ হাতে হাজির হয়েছিলেন

পর্ব-১৩৯: মধ্যরাতে শিশুর কান্না শুনে রবীন্দ্রনাথ ওষুধ হাতে হাজির হয়েছিলেন

রানি চন্দকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন অবনীন্দ্রনাথ। মুখে মুখে কত গল্প শোনাতেন তাঁকে। শোনা গল্প নিখুঁত- নির্ভুলভাবে ঠিক অবনীন্দ্রনাথের ভাষাতে লিখে ফেলতেন তিনি। এভাবেই লেখা হয়েছিল দুটি বই, ‘ঘরোয়া’ ও ‘জোড়াসাঁকোর ধারে’। রবীন্দ্রনাথও রানি চন্দকে খুব স্নেহ করতেন। রবীন্দ্রনাথের বলে যাওয়া লেখারও অনুলিখন করেছিলেন রানি। রোগশয্যায় কবি মৃদুুস্বরে বলেছেন কবিতা, সে কবিতা দ্রুত কাগজে লিখে নিয়েছেন রানি চন্দ। অবনীন্দ্রনাথের তো বটেই, রবীন্দ্রনাথের অনুলিখনও যথাযথভাবে করতে পেরেছিলেন তিনি। কবির সঙ্গে তিনি ভ্রমণেও গিয়েছিলেন।...

read more
পর্ব-৪৩: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৪৩: আকাশ এখনও মেঘলা

প্রিন্সিপাল ম্যাডাম রাইটিং ক্লিপে লাগিয়ে ফুলস্কেপ কাগজ দিয়েছিলেন। পাশে একটা খাম। স্টেপলার এবং সেলোটেপ। উনি জানেন খোলা চিঠি রেখে যেতে কেউ চাইবেন না। তাই বলার আগেই সব গুছিয়ে দিয়েছেন। লম্বা সাদাপাতাটার দিকে তাকিয়ে স্নিগ্ধা ভাবছিল কী লিখবে? কী লেখা উচিত? স্কুলে খুব ইচ্ছে ছিল, কিন্তু চিঠি লিখে প্রেম করা হয়নি।

read more
পর্ব-১২৫: সুন্দরবনের পাখি: বিলের বালুবাটান

পর্ব-১২৫: সুন্দরবনের পাখি: বিলের বালুবাটান

বিলের বালুবাটান পাখিটি সুন্দরবন অঞ্চলে নদীর ধারে বা খাঁড়ির মুখে কিংবা নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে যেখানে জোয়ারের সময় জল পৌঁছে যায় সেখানে দেখা যায়। অনেকসময় প্লাবিত ধানজমিতেও ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। এরাও গোত্রার মতো পরিযায়ী পাখি। অজয়বাবু লিখেছেন, এরা নোনা জলের থেকে মিষ্টি জল বেশি পছন্দ করে। আর তাই মিষ্টি জলের জলাভূমিগুলিতে এদের প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। কিন্তু সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ অঞ্চলও যে ওদের পছন্দের জায়গা তা ওদের উপস্থিতি প্রমাণ করে দেয়।

read more
পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

উল্লাস যখন দ্রুত এগোচ্ছিল, তখন তার ফেলে আসা জায়গায় এক অন্য নাটক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। উল্লাস তা জানতেও পারল না। সন্ধাআর অন্ধকারে আর-একটি শ্বাসরুদ্ধকর ঘটনা সন্ধ্যার সেই মাদকতাকে মুহূর্তের জন্য যেন ছিন্নভিন্ন করে দিল। পরের দিন খবরটা শুনে উল্লাস স্তম্ভিত হয়ে যাবে। বলবে, “হা ঈশ্বর! এর নাম জীবন?”

read more
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৪ : প্রতিদ্বন্দ্বী-গণশত্রু: অন্তর্লোকের অ্যানাটমি

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৪ : প্রতিদ্বন্দ্বী-গণশত্রু: অন্তর্লোকের অ্যানাটমি

১৯৭০ সালের ছবি প্রতিদ্বন্দ্বী। এই দৃশ্যটিতে মহানগরের বুকে ঘনিয়ে ওঠা দৃপ্ত যৌবনের প্রবল বিদ্রোহের মাঝে প্রেমের চকিত নবোদ্ভাস দেখেছেন দর্শক। আবেগবর্জিত ঠিক না হলেও, মাপা বৌদ্ধিক, চাপা ব্যঞ্জনাদীপ্ত এই চিনে নেওয়ার জেনে ওঠার দৃশ্য, যেগুলো পরিণতি কোনোদিন পেয়েছিল কীনা জানা যায় না, জানা যায় না বিপ্লব শেষ পর্যন্ত রেভোলিউশন আনে কীনা মানুষের মস্তিষ্কে, অ্যানাটমির পথে চিনে নেওয়া দেহে, মনে, দেহাতীত কিংবা জাগতিক ব্যথার পূজার উদযাপনে অথবা সমাপনে। জানা যায় না অনেককিছুই।

read more
পর্ব-৭: কেমন আছেন সুনীতি, নদীর নরম ছেড়ে সমুদ্রের নুনে!

পর্ব-৭: কেমন আছেন সুনীতি, নদীর নরম ছেড়ে সমুদ্রের নুনে!

সুনীতি রাতের শিশির আর ভেসে আসা শৈবালের তরঙ্গ দুহাতে সরিয়ে শীতল জলের গভীরে নিজেকে ডুবিয়ে রাখেন অনেকক্ষণ। সারাদিনের কাজের গন্ধ ধুয়ে ফেলেন শরীর থেকে। ওই প্রত্যেকটা ডুবের ভিতরে মিশে থাকে তাঁর আত্মশুদ্ধির রাত-আহ্নিক। শুচিতার গৌরব মনের মধ্যে জ্যোতির্ময়ী প্রদীপ হয়ে জ্বলে। মৃদুমন্দ বহতায় আরাম ছড়ায় হিমেল বাতাস। সে বাতাসের শরীর জুড়ে প্রকৃতির নিজস্ব শান্তি।

read more
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮১:  ত্রিপুরা : ইতিহাস পুনর্নির্মাণে প্রত্ন সম্পদ

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮১: ত্রিপুরা : ইতিহাস পুনর্নির্মাণে প্রত্ন সম্পদ

সঠিক ইতিহাস অনাবিষ্কৃত হলেও উনকোটি, পিলাক কিংবা দেবতামুড়ার ভাস্কর্যের সৃষ্টি ত্রিপুরার মাণিক্য রাজবংশ প্রতিষ্ঠার অনেক অনেক আগেই শুরু হয়েছিল বলে মনে করা হয়। তা হলে কোন রাজবংশের পৃষ্ঠপোষকতায় সৃষ্টি হয়েছিল এসব ভাস্কর্য? সব মিলিয়ে ত্রিপুরা ও নিকটবর্তী এলাকার প্রত্ন সম্পদের আলোকে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ যেন আজ সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

read more
পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

শান্তিকাকার সৌজন্যে মাসে মাসে পাওয়া একটা মোটা ব্যাঙ্ক ইন্টারেস্ট থেকেই বাবু-বুবুর সংসার, বাড়ি ভাড়া দিয়েও মোটামুটি ভালোভাবে সংসারটা চলে যায়। শান্তিকাকা আজ আর বেঁচে নেই। কিন্তু বাবুর প্রতিমাসে ব্যাঙ্কের ইন্টারেস্ট ঢোকার এসএমএস পেলেই শান্তিকাকার কথা মনে করে চোখে জল এসে যায়!

read more
পর্ব-১৩৭: মহর্ষি নারদের বৈচিত্র্যময় বক্তব্য বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা

পর্ব-১৩৭: মহর্ষি নারদের বৈচিত্র্যময় বক্তব্য বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা

মহর্ষির প্রশ্নে রাজকীয়পরিমণ্ডলে রাজকর্মচারীদের সততাবিষয়টির গুরুত্ব যে অপরিসীম,সেটি পরিস্ফুট হয়েছে। তাঁদের পরিচ্ছন্ন নির্লোভ ভাবমূর্তি আবশ্যক। অর্থ দিয়ে যেন রাজকর্মচারীদের কোনভাবেই প্রভাবিত করা না যায়।
রাজার চোদ্দটি দোষ পরিহার করেন কি না, সেই দোষগুলি বোধ হয় সব যুগেই প্রশাসকদের বর্জনীয় দোষ বলে চিহ্নিত। আধুনিক যুগে প্রশাসকগণ সেগুলি বর্জনে, উদ্যোগী হবেন কবে? এই প্রশ্নে হয়তো সকল সুধী পাঠকবৃন্দ, নৈরাশ্যজনক দীর্ঘশ্বাস বুকে চেপে নীরব হবেন।

read more
পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মহর্ষিদেবের মৃত্যু-সংবাদ। বহু মানুষ এসে ভিড় করে জোড়াসাঁকোয়। ফুল আর আবির ছড়িয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিমতলা শ্মশানঘাটে। শ্মশানের ভেতরে নয়, দ্বিপেন্দ্রনাথের কথায় চিতা সাজানো হয়েছিল শ্মশানঘাট ছাড়িয়ে গঙ্গার পাড়ে। ওপারে তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল। আকাশে সিঁদুরগোলা রং ছড়িয়ে পড়েছিল।

read more

 

 

Skip to content