বিচিত্রের বৈচিত্র

আনন্দশঙ্করের অনুষ্ঠানের জন্য রুদালীর রেকর্ডিংয়ে বম্বে যেতে পারিনি: সরোজ বড়ুয়া

আনন্দশঙ্করের অনুষ্ঠানের জন্য রুদালীর রেকর্ডিংয়ে বম্বে যেতে পারিনি: সরোজ বড়ুয়া

ভূপেনদা আমি আর আমাদের সেই সময়কার তবলিয়া চঞ্চল খান! দাদার ডিরেকশনে আমরা অ্যারেঞ্জমেন্ট সাজিয়ে দিতাম। ভূপেনদা সেটা রেকর্ড করে নিয়ে মুম্বই যেতেন। ভূপেনদার সুরে লতা মঙ্গেশকর কিন্তু অনেক অসমীয়া গান গেয়েছেন। আনন্দশংকরের প্রোগ্রামের জন্য রুদালীর রেকর্ডিংয়ে মুম্বই যেতে পারিনি।

read more
ভি বালসারা আমাকে প্রথম হিন্দুস্থান রেকর্ডসে নিয়ে গিয়েছিলেন : সরোজ বড়ুয়া

ভি বালসারা আমাকে প্রথম হিন্দুস্থান রেকর্ডসে নিয়ে গিয়েছিলেন : সরোজ বড়ুয়া

প্রাককথন: আমাদের আশেপাশে কত মানুষ, কত তাঁদের গুণ, কত তাঁদের অধ্যাবসায়, মনের মধ্যে কত জমে থাকা কথা। সে মানুষকে জানা হয় না, চেনা হয় না। কারণ আমরা সাফল্যের পোস্টার দেখে মানুষের গুণের বিচার করি। অসংখ্য প্রতিভা নানা কারণে যাঁদের জীবন সেভাবে আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠেনি। মুখ্য আলোকবৃত্তের বাইরে গৌণ থেকে গিয়েছে যাঁদের অধ্যাবসায়, গুণ, কৃতিত্ব আমার খুব ঘনিষ্ঠ তেমন দু’জন অত্যন্ত গুণীজনের সঙ্গে আমার এবারের পুজোর আড্ডা। দুজনেই কলকাতার বাসিন্দা। একজন মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার, অন্যজন দক্ষিণে বেহালার আর্কেডিয়া এলাকার।...

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪০: মঙ্গলজাতক : ভালোমন্দের হিসেব

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪০: মঙ্গলজাতক : ভালোমন্দের হিসেব

বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে মগধের রাজগৃহ নগরের একটি রাজোদ্যানে অবস্থান করছিলেন। পূর্বাশ্রমে তিনি উদীচ্য ব্রাহ্মণকুলে জন্ম নিয়ে প্রব্রজ্যা আশ্রয় করে হিমালয়ে অবস্থান করছিলেন। পরে হিমালয় থেকে অবতরণ করে এই রাজোদ্যানে প্রথম দিনটি অতিবাহিত করে দ্বিতীয় দিনে নগরে ভিক্ষার্থে প্রবেশ করলেন।

read more
মহালয়া এবং…

মহালয়া এবং…

আমাদের সমস্যাগুলোকে ঠেলেঠুলে দুর্গতিহারিণী শরণ্যা ত্র্যম্বকজায়া গৌরীর আগমনী সুর, তাঁর নুপূরনিক্বণ বাজে তাঁর পিত্রালয়ে। আনন্দময়ী চিন্ময়ী মহামায়ার মৃন্ময়ীরূপে আবাহন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। মহালয়ার “আরব্ধ আগমনী”র ভোরে প্রজন্মবাহিত সংশয় আর শারদ অশ্রুজলটুকু পাশে রেখেই কুমোরটুলি থেকে সার সার লরিগুলোতে একে একে উঠে আসেন সবাহন দুর্গা, মহিষাসুর, লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ, কার্ত্তিক। রেডি, স্টেডি, অন ইওর মার্ক! গো… গাড়ি ছেড়ে দেয়।

read more
বিশ্বকর্মা

বিশ্বকর্মা

বিশ্বকর্মা এলিট নন। এই নন-এলিট দেবতা স্বয়ং যেন সাব-অল্টার্ণ থিওরি হয়ে মণ্ডপে দাঁড়িয়ে থাকেন, হাতির গায়ে হেলান দিয়ে। হাতে হাতুড়ি, ছেনি, ঘুড়ি। যাবতীয় যন্ত্রপাতির মধ্যে তাঁর বাস। সে বাস হোক, কিংবা লরি, বৃহত্ শিল্প অথবা ক্ষুদ্র শিল্প, সাইকেল, অটো, বাইক, রিক্সা, টোটো, ভ্যান, ভ্যানো সর্বত্র আলো জ্বালেন দেব বিশ্বকর্মা।

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৯: শীলমীমাংসা-জাতক চরিত্রবল

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৯: শীলমীমাংসা-জাতক চরিত্রবল

বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে বারাণসীরাজ ব্রহ্মদত্তের রাজপুরোহিত। তিনি দানধ্যানে অতুলনীয়, পঞ্চশীলের পালনে একাগ্রচিত্ত। তাঁর গুণমুগ্ধ রাজা অন্যান্য ব্রাহ্মণদের তুলনায় তাঁকে অধিক সম্মান, মর্যাদা প্রদর্শন দেখাতেন।

read more
রজনীর রবি

রজনীর রবি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে রজনীকান্ত সেনের পরিচয়, আলাপ, পত্র-বিনিময়, সাহিত্যকেন্দ্রিক ও সাঙ্গীতিক আলোচনা বহু চর্চিত। কিন্তু চর্চার আড়ালে রয়ে গেছে তাঁদের গানে একে-অপরের সুরের আনুগত্যর কথা, যে আনুগত্যের ছায়া পড়েছে তাঁদের সঙ্গীত ভাবনাতে, এমনকি তাঁদের গানে কথার মালা গাঁথাতেও!

read more
টিচার্স ডে

টিচার্স ডে

দেখেই চিনেছি। হাতে নোটবুক আর পেন্সিল। একমনে কী যেন লিখছেন দাঁড়িয়ে, আমাদের পটলডাঙার মোড়ে।

শুধোলাম, “হ্যাল্লো! বস! আপনিই সেই তিনি না? সুকুবাবুর পদ্যে… আচ্ছা, মশাই, ফড়িংয়ের কটা ঠ্যাং, আর আরশোলা কী কী খায় এসব জেনে আর জানিয়ে লাভ কিছু পেয়েছেন?”

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৮: বৃক্ষধর্ম-জাতক: সঙ্ঘে শক্তিঃ কলৌ যুগে

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৮: বৃক্ষধর্ম-জাতক: সঙ্ঘে শক্তিঃ কলৌ যুগে

ব্যক্তিমানুষের সমাজজীবন কিংবা রাষ্ট্রজীবনে যে কর্তব্য সমীচীন, যা উত্তীর্ণ করে, সার্থক করে সেই কর্তব্যের ইঙ্গিত থাকে গল্পগুলিতে। মানুষের জন্য রচিত গল্পের কেন্দ্রে থাকে মানবচরিত্রগুলিই। সেই এক বৃ্দ্ধ পিতা তার পুত্রদের শিক্ষা দেবেন বলে অনেক লাঠি একসঙ্গে ভাঙতে দিলেন, লাঠি তো ভাঙলো না, কিন্তু একটা লাঠি অনায়াসেই ভেঙে গেল। জাতকমালার আজকের কাহিনির কেন্দ্রে আছেন দেবতারা, শিক্ষাটা মানুষের জন্যই, এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকে না।

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৭: বানরেন্দ্র-জাতক: শক্তি না বুদ্ধি?

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৭: বানরেন্দ্র-জাতক: শক্তি না বুদ্ধি?

বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে বানররূপী, গায়ে তাঁর হাতির বল। প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে আকারে-প্রকারে ও শক্তিতে তিনি অসাধারণ হলেন। তখন তিনি বাস করতেন এক নদীর তীরে। সেই নদীর মধ্যস্থলে একটি আম-কাঁঠালের গাছে ঘেরা একটি দ্বীপ ছিল, আর সেই নদীতীর এবং দ্বীপের ঠিক মধ্যস্থ ছিল নদীগর্ভস্থ এক পর্বত। বোধিসত্ত্ব প্রতিদিন নদীতীর থেকে একলাফে পর্বতে, সেখান থেকে আরেক লাফে দ্বীপে এসে নামতেন। সেখানে সারাদিন পেটভরে ফলাদি খেয়ে সন্ধ্যায় একই পদ্ধতিতে নদীতীরে ফিরে যেতেন।

read more
স্বাধীনতা

স্বাধীনতা

পড়ার ঘরটায় জানালার ওপাশে মাধবীলতার ঝাড় ঘন হয়ে আছে, জানলায় এখন খানিকটা রোদ জমাট বাঁধছে। চিরাগের এখন ক্লাস নাইন, অনুযোগের সুরে বলে, “স্যর, আজকেও পড়তে হবে, এগারোটা থেকে ম্যাচ ছিল।” তপনের হাসি পায়, সকলেই আজ মাঠে নামবে নাকি। গম্ভীর হয়ে চশমাটা সোজা করে নিয়ে বলে, “তুমি তো অল্টারনেটিভ ডেটের কথা জানাওনি আগে থেকে, জানালেও অবশ্য আমি সময় করতে পারতাম কীনা বলতে পারি না। আজ ছুটির দিন, বাড়িতে বসে পড়াশোনার অনেক সময় পাবে।”

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৬: বরুণজাতক: অলস মস্তিষ্কের গল্প

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৬: বরুণজাতক: অলস মস্তিষ্কের গল্প

সেবার গান্ধারদেশের তক্ষশিলায় বোধিসত্ত্ব এক প্রসিদ্ধ আচার্য হয়েছেন। পাঁচশত শিষ্য তাঁর আশ্রয়ে বিদ্যালাভ করতো। একদিন তিনি শিষ্যদের শুষ্ক কাঠ আনতে পাঠালেন অরণ্যে। সেই কাঠে আশ্রমের রন্ধনাদি কাজ হতো। সকলে বনে গিয়ে কাঠ সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। তাদের দলে একটি শিষ্য অত্যন্ত অলস ছিল।এই আলস্য নিয়ে শাস্ত্রে বহু উপদেশ দেওয়া হয়েছে। রাজা থেকে প্রজা, আলস্যে আক্রান্ত হলে তারা নিজেদের ক্ষতিই করে থাকে। তাই বলা হয়, উদ্যোগী মানুষ-ই জয়লাভ করে। অবশ্য, কচ্ছপ আর খরগোশের সেই বিশ্রুত গল্পটিতে কচ্ছপ শেষমেষ জয়ী হয়েছিল। কিন্তু,...

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৫: নলপানজাতক : বুদ্ধিবল

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৫: নলপানজাতক : বুদ্ধিবল

সেবার বোধিসত্ত্ব কপিজন্ম লাভ করেছেন। অরণ্যে আশি হাজার বানরের দলপতি হয়ে একটি গভীর ও বিস্তৃত অরণ্যে বসবাস করতেন। এই অরণ্যে এক সরোবরে একটি জলরাক্ষস বাস করতো।

read more
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৪: কচ্ছপজাতক: মোহ যারে এসে ধরে

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৩৪: কচ্ছপজাতক: মোহ যারে এসে ধরে

জাতকের গল্প গুলি আমাদের ক্ষুদ্র ও সংকীর্ণ জীবনাদর্শ থেকে উচ্চতর জীবনবোধে উত্তীর্ণ করে। দৈনন্দিন জীবনের সংগ্রাম, ব্যক্তিগত ধ্যান-ধারণায় জারিত আপাত সত্য, মিথ্যা, ভ্রান্তি, বিচ্যুতি, দ্বেষ কিংবা সংঘর্ষের পরেও যে শাশ্বত অনুভূতি ও উপলব্ধির ক্ষেত্রটি থাকে, জাতকমালার কাহিনীগুলি তার কাছেই পৌঁছে দিতে চায় তার পাঠক কিংবা শ্রোতাকে। জাতকের এই জগৎ তাত্ত্বিক নয়, প্রায়োগিক।

read more
স্মরণে বরণে উত্তম: ‘বিশ্রামের জন্য নয়, পরিশ্রমের জন্য টাকা দেন প্রযোজক’

স্মরণে বরণে উত্তম: ‘বিশ্রামের জন্য নয়, পরিশ্রমের জন্য টাকা দেন প্রযোজক’

বড়মামা সিগারেট খেতেন না। সেটের মধ্যে উত্তমকুমার তাঁর দামি ঘড়ি ৫৫৫-এর প্যাকেট বড়মামার হাতের ধরিয়ে দিতেন। অগ্নীশ্বর ছবিতে প্রথমদিকে যে বাংলো দেখানো হয়েছিল সেই বাড়ির খুব সুন্দর সাজানোবাগান, মানুষের ভিড়ের চাপে ছারখার হয়ে গিয়েছিল। উত্তমকুমার নিজে বাড়ির মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছিলেন। মালিক বলেছিলেন, এটাই তাঁর জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে।

read more

 

 

Skip to content