হাট্টিমা মাঠেই বাসা বানায় ও সেখানে ডিম পাড়ে। পড়ে দেখলাম। কিন্তু শিং তো নেই। মনে হয় চোখের দু’পাশ থেকে সাদা রঙের যে দুটো ডোরা দাগ রয়েছে ওটাকেই হয়তো সুকুমার রায় শিং-এর সাথে তুলনা করেছেন কিংবা পাখিটার মাথায় কল্পনার শিং গজিয়ে ছড়াটি লিখেছেন। এই তাহলে সুকুমার রায়ের হাট্টিমা পাখি। কিন্তু মনে হল “Birds of India”-র অনুবাদ “সাধারণ পাখি” বইয়ের সূচিপত্রে অন্য এক জায়গায় হাট্টিমা নামটা নজরে পড়েছে। সন্দেহ নিরসন করার জন্য “সাধারণ পাখি” বইটির সূচিপত্রে গেলাম।






















