

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৫ : Twoকি!

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১০: চাঁদের ওপিঠে কালো

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৪৫: আকাশ এখনও মেঘলা

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৭: জৌরালি

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪১: ঘটি চেয়ে বঁটি

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

উত্তম কথাচিত্র পর্ব-৭৩ : ‘খেলাঘর’
স্থানমাহাত্ম্য নবযৌবনকে কোন অবিনশ্বর স্বর্ণশিখরে মুহূর্তে পৌঁছে দেয়?
অশোককে জিজ্ঞাসা করে মনীষা, “কলকাতায় গেলে আসবেন তো আমাদের বাড়িতে?”
বিচিত্র হেসে অশোক জানায়, “না।” ফেলে দেয় হাতের ভুক্তাবশিষ্ট সিগারেট। তাত্পর্যপূর্ণ।
“কেন?”
“আমাকে ঢুকতেই দেবে না।”
কে বলেছে?”
“আপনার বাবা, বলেছেন যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে।”
“আমার বন্ধুদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগে না।”
(মনীষার মামা দূর থেকে ডাকেন, তারপর বায়নোকুলারে চোখ রেখে হেসে চলে যান)
“আপনার খোঁজ হচ্ছে, আপনি যাবেন না?”
(মনীষাকে খানিক বিহ্বল, তবুও আগের মতো নিরুচ্চারে চলে যায় না)
“আপনি আসবেন তো?”
“দেখি।”
“আমাদের বাড়ি কুকুর নেই কিন্তু।”
“ও তাহলে আসতে পারি।” অশোক খানিক ব্যঙ্গের সুরেই ব্রিটিশরাজের অন্ধ আনুগত্যপ্রবণ মনীষার বাবার মতো রায়বাহাদুরদের-ই লক্ষ্য করে যেন বলে ওঠে, “আমাকে একবার গড়ের মাঠে এক সাহেবের কুকুর কামড়ে দিয়েছিল। তারপর থেকেই…”
কথা শেষ হয়ে গেলেও যেন ফুরোয় না, মনীষা ফুরোতে দেয় না যেন।
“আমার নাম মণিকা নয় কিন্তু…”
“ তবে?”
“মণীষা।”
“ও, আচ্ছা, মনে থাকবে।”
“আচ্ছা, আসি তাহলে, নমস্কার।”
“আচ্ছা, নমস্কার।”

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৩: ত্রিপুরা : ঊনকোটির বহু মূর্তি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে

পিতার ঔজ্জ্বল্য কখনও ম্লান হয়নি পুত্রের খ্যাতিতে
এও আরেক ভারতবর্ষ, যেখানে নিঃসম্বল মানুষ-ও পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা ছুড়ে ফেলে নিজের চেষ্টায় উঠে দাঁড়ানোর কথাটুকু মুখ ফুটে বলতে পারে, স্থানমাহাত্ম্যে হলেও, বলতে পারে। এও এক নতুন ভারতবর্ষ যেখানে বৈবাহিক সম্পর্কে বিগত কয়েকশো বছরের নৈকট্য, প্রেম, নির্ভরশীলতার মাঝে মৈত্রী নামক একটি পরিসরের প্রস্তুতি চলে। সকল নৈকট্য ও মৈত্রীর নিশ্চিত সমাপ্তি পরিণয়-নামক ধারণার বাইরেও অন্যতর কোনও শুদ্ধ, ভোগাতীত কোনও আত্মবন্ধনের আহ্বান-ও কি থাকে সেখানে, সেই ছুড়ে ফেলা সিগারেটের দগ্ধাবশেষের ব্যঞ্জনায়? স্বাধীনতোত্তর ভারতবর্ষের যৌবনের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা, সম্পন্নতা, বিপন্নতা, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব যেন অন্যতর কোনও দুনিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, এর আট বছর পরের ছবি অরণ্যের দিনরাত্রির তরুণের স্বপ্ন, সেই “ইয়ুথ” কোথায় গিয়ে পৌঁছল? আমরা দেখব, পরবর্তী পর্বে। —চলবে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।


















