শনিবার ৬ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৪৯: সত্যব্রতের মুখোমুখি

পর্ব-১৪৯: সত্যব্রতের মুখোমুখি

একজন জুনিয়ার ডাক্তার এসে জানাল, “স্যার, পেশেন্টের জ্ঞান ফিরে এসেছে। দুর্বল আছেন যদিও। তবে কথা বলা যাবে। হেলথ সেন্টারের ডাক্তার সিডেটিভ দিয়েছিলেন। ঘুমিয়েছিলেন তাই এতক্ষণ। স্যালাইন চালু করে দিয়েছি। আপাতত কথা বলতে পারবেন!” শাক্য মোবাইলে মেসেজ করে কথা বলছিল উল্লাসের...
পর্ব-১৪৮: অপারেশন হেলথ সেন্টার

পর্ব-১৪৮: অপারেশন হেলথ সেন্টার

গাড়িটার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। বড় গাড়ি। পুলিশের টহল-ভ্যান কি? সুদীপ্ত রাস্তার ওপর থেকে সরে গিয়ে আশেপাশে যে বড় বড় গাছ আছে, তার একটির আড়ালে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকল। দুষ্কৃতিদের গাড়িও হতে পারে। শাক্যদা বলে দিয়েছে, যা করতে হবে ভাবনাচিন্তা করে। এরা সত্যিই বড় ফেরশাস গ্যাং।...
পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান

পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান

ফোন রেখে দিয়ে সুদীপ্ত একবার ভাবল। ঘড়তে বলছে, এখন রাত একটা। সুদূর মফস্সলে রাত একটা মানে গভীর রাত। তার উপর পিশাচপাহাড়ের যে-দিকটায় একটু শহুরে হাওয়া, সেদিকে দু’-একটি বাড়িতে রাতজাগার মানুষ থাকলেও, যেদিকে আধা গ্রাম, সে-সব অঞ্চলে সন্ধ্যে হতে-না-হতেই রাত নেমে আসে। রিসর্টগুলি...
পর্ব-১৪৬: সেফ শেলটার

পর্ব-১৪৬: সেফ শেলটার

অ্যাম্বুল্যান্সের আগে-পিছে পুলিশের গাড়ি, তার পিছনে ডিএমের গাড়ি যাচ্ছিল। এসপিকে বলা হয়েছে। তিনি সদর হাসপাতালে থাকবেন। আজ রাতেই যা-যা ব্যবস্থা করার করে ফেলতে হবে। ডিএম চেয়েছিলেন, নীরবে সমস্ত কাজটা সারতে। কিন্তু শাক্য আপত্তি জানিয়েছিল। তার মতে, যা করতে হবে এইরকম ভাবেই...
পর্ব-১৪৫: জরুরি একটি ফোন

পর্ব-১৪৫: জরুরি একটি ফোন

“স্যার?” “কে? উল্লাস?” “হ্যাঁ স্যার!” “এত অস্থির কেন? কিছু হয়েছে?” “শাক্য স্যার কোথায় স্যার?” “কেন?” “স্যারকে দরকার ছিল!” “তোমার সার্ভিসের জন্য না-কি? তাহলে অপেক্ষা করতে হবে। স্যার এখন পিশাচপাহাড়ে নেই। ফিরুন আগে। তারপর না-হয় ডাকবেন তোমায়!” “স্যার! সার্ভিসের জন্য নয়।...

Skip to content