পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

ভাগ্য আজ সহায় মনে হল সাইকেলের। বামাপদ যখন ফিরে এসে বলল, “মোটামুটি যা বোঝা যাচ্ছে, লাইন-ক্লিয়ার। বুঝলে সাইকেল দা!” “আমাদের এই শেষ রাতে দেখে কেউ যদি প্রশ্ন করে এত রাতে এখানে কী করছি?” সাইকেল কিছুটা চিন্তিত স্বরে জিজ্ঞাসা করল। “বলবে, পেশেন্টের অবস্থা সিরিয়াস। হাসপাতাল...
পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

গোবিন্দ সামনের দরজায় তালা লাগিয়েই ছুটল শেফালিকা দিদিমণির কোয়াটার্সের দিকে। যে ভাবেই হোক নুনিয়াকে বাঁচানই এখন তার লক্ষ্য। লোক দুটি এরপর যখন বুঝতে পারবে, তখন বেরোতে চাইলেও সহজে বেরোতে পারবে না। পিছনের হোক বা বাইরের দুটি দরজাই শালকাঠের এবং বেশ শক্তপোক্ত। সে দৌড়াচ্ছিল।...
পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ঢুকে ডাক্তার এবং তার অ্যাটেনডেন্ট যেদিকে যাওয়ার কথা, সেদিকে গেল না। উল্টোদিকে যেদিকে গোডাউন এবং ওয়াশরুম আছে পেশেন্টপার্টির জন্য, সেদিকে গেল। পিছন-পিছন পল্টু, সাইকেল আর ট্রলিতে শায়িত অবস্থায় চেতন। সে বুঝতে পারছিল না ট্রলি থেকে নেমে পড়বে না-কি পড়বে...
পর্ব-১৫৫ : অতর্কিতে হামলা

পর্ব-১৫৫ : অতর্কিতে হামলা

রোজ যেমন রাত্রি নামে, আজকেও তেমনই নেমেছিল। ন্যাথানিয়েল গোবিন্দ সোরেন মেইন গেট বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে তালা মারেনি। সেটা মারা যায়ও না। অনেক সময় এমার্জেন্সি কেস থাকে। ডাক্তার না থাকলেও নার্স দিদিরা রয়েছেন, তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা অন্তত করতে পারেন। হয়তো অপারেশন ইত্যাদি করতে...
পর্ব-১৫৪ : গরুর পালে বাঘ

পর্ব-১৫৪ : গরুর পালে বাঘ

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। ডিএম, এসডিপিও, সিএমওএইচ চলে গেলেন একে-একে। কলকাতা থেকে আসা সেই ছ’ ফুটিয়া গোয়েন্দাও এসডিপিও-র গাড়িতে বেরিয়ে গেলেন দেখল সবাই। অবশ্য যাওয়ার আগে তাঁরা সকলেই উপস্থিত প্রহরারত পুলিশদের সতর্ক থাকার কথা বলে গেলেন। পেশেন্ট ছাড়া আর কেউ যেন ঢুকতে না পারে...

Skip to content