শনিবার ৬ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

কালাদেওর গুহার মুখটির সামনে একখানি প্রশস্ত চাতাল। ইট-সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো চাতালের মধ্যিখানে একখানা যূপকাষ্ঠ। বাৎসরিক পুজো কিংবা মানতের পুজোর দিন ওই যূপকাষ্ঠেই বলি দেওয়া হয়। সেদিন চাতালটি রক্তে লাল হয়ে যায়। ভক্ত থেকে যাঁর মানসিক থাকে তিনি সেই রক্ত দিয়ে কপালে তিলক...
পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

অন্ধকার ঘরের মধ্যে লোকটি অপেক্ষা করছিলেন। ঘরে আলো নেই এমন নয়, ইচ্ছে করেই জ্বালাননি তিনি। আসলে একঘেঁয়ে আলোর মধ্যে থাকতে থাকতে লোকটা অন্ধকারকে মন-প্রাণ দিয়ে চেয়েছিলেন, অন্ধকারকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন। সমস্তদিন আলোর মধ্যে থাকতে-থাকতে হাঁফ ধরে যায় তাঁর। তখন এই অন্ধকার ঘরের...
পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

ডিএম দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা-বলে তিনি স্বয়ং এত রাতে উপস্থিত হবেন, এতটাও আশা করেনি শাক্য। সে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছিল। এই অবস্থায় সত্যব্রতকে এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা আছে কি-না, সে-বিষয়ে। ডাক্তার বললেন, “দেখুন, এটা তো কোন ফ্যাটাল...
পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

মেজাজ ক্রমেই খিটখিটে হয়ে উঠছিল অরণ্যের। এখানে আর সে থাকতে পারছে না। আজ সে হাঁটতে-হাঁটতে থানায় যাবে। কথা বলবে লালবাজারের অফিসার হোক কিংবা লোকাল থানার ওসির সঙ্গে, দিন-দুয়েকের মধ্যে যদি তাদের যেতে না-দেওয়া হয়, তাহলে কলকাতায় ল’ইয়ারের সঙ্গে কথা বলে সে কোর্টে মুভ...
পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। উল্লাস ভাবতেই পারছিল না যে, পোঁটলার মধ্যে এ-সব থাকতে পারে। মঙ্গল মাহাতোকে সে যে ভালো চোখে দেখত, তা নয়; কিন্তু এতটাও ভাবেনি। এ যে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোলো! সে পোঁটলাটা সামান্য ফাঁক করে দেখতেই তার মধ্যে সাজিয়ে রাখা বেশ কয়েকটা পিস্তল দেখতে পেল।...

Skip to content