বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৭১ : গুহার বাইরে তখন

পর্ব-১৭১ : গুহার বাইরে তখন

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। লোকটা প্রাণপণে দৌড়াচ্ছিল। হাতটা তার জখম হয়েছে, রক্ত পড়ছে দরদর করে। একটু দাঁড়িয়ে কোনও কিছু দিয়ে বেঁধে রক্তপাত যে বন্ধ করবে সে সময় নেই। পিস্তলটাও ছিটকে পড়েছে গুলি লাগার সময়। তুলতে গেলেই লোকটা দ্বিতীয়বার গুলি চালাত। আর তাহলে এতক্ষণে এই দৌড়ানোর মতো...
পর্ব-১৭০ : চার্চ হাসপাতালের সেই সকাল

পর্ব-১৭০ : চার্চ হাসপাতালের সেই সকাল

চার্চ হাসপাতালে আজ সকাল থেকেই ভারি ব্যস্ততা। সকাল না বলে অবশ্য ভোররাত বলাই সঙ্গত। মাঝে-মাঝে ফাদারকে কলকাতা যেতে হয়, সদরে তো হামেশাই যান, পাশের রাজ্যে হাসপাতালের যে বড় ব্রাঞ্চ আছে, সেখানেও কমবেশি ছুটতে হয় তাঁকে। তবে এবার ফাদার লম্বা ছুটিতে যাচ্ছেন। অনেকদিন পর। অনেকদিন...
পর্ব-১৬৯ : আড়ালে আছে আততায়ী

পর্ব-১৬৯ : আড়ালে আছে আততায়ী

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। পিনাকীবাবু সত্যিই এ-ব্যাপারে স্কিলড্‌। একটু কসরৎ করতেই খুলে গেল একে-একে দুটি তালাই। সঠিক চাবি কোন দুটি, সেটি ঠিক করতে কিছুটা সময় লেগেছে, এই যা। দ্বিতীয় তালাটি খুলে আত্মপ্রসাদের হাসি হেসে বললেন, “বুঝলেন কি-না, পাঁচ বছরের সাধনা। স্ত্রী চলে গিয়ে...
পর্ব-১৬৮ : পথের শেষ কোথায়?

পর্ব-১৬৮ : পথের শেষ কোথায়?

ছবি : প্রতীকী। শাক্য চাবি নিয়ে এগিয়ে গেল ফাটকের দিকে। এমনসময় বাইরে থেকে সুধীভূষণ বাবুর গলা শোনা গেল। তিনি ওপাশ থেকে বললেন, “আরে ভিতরে কী দেখলেন, কেউ তো জানালেন না। এদিকে আমি যে আটকে গেলাম এদিকে। তাহলে আমাকে নিয়ে আসারই বা কী মানে হল? এইসব গুহার গোপন কক্ষে অনেককিছু...
পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

পর্ব-১৬৭ : হাঙরের পেটে মুক্তো

শাক্য সম্পুর্ণ হতভম্ব হয়ে গেল ভিতরের দিকে তাকিয়ে। সে একবার কর্নেলের দিকে তাকাল। পিছনে খোদ এসপি কৌতূহলী মুখ নিয়ে তাকিয়ে আছেন। অন্যরাও আসছে একে-একে, তাদের গলার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। এই পথে আসতে গিয়ে একবারও তাদের শ্বাসকষ্ট হয়নি, গুহার হাওয়া যুগযুগান্তের বলেও মনে হচ্ছে না।...

Skip to content