শনিবার ৬ জুন, ২০২৬
পর্ব-১২৪: সে-যে কেবলই যাতনাময়

পর্ব-১২৪: সে-যে কেবলই যাতনাময়

কেউ যেন তার শিশ্ন ধরে খেলা করছিল। খেলা, কিন্তু ভয়ঙ্কর খেলা। মনে হচ্ছিল মাকড়শার মতো কতগুলি নখরযুক্ত আঙুল তার শিশ্নটিকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে। তারপর সূক্ষ্ম, মিহিন সূঁচফোটার মত করে ফুটিয়ে দিচ্ছে অজস্র শোষকযন্ত্র। তার শিশ্ন থেকে রক্ত বেরিয়ে যাচ্ছে শোষকনলের মাধ্যমে অন্য...
পর্ব-১২৩: তত্ত্বতালাশ

পর্ব-১২৩: তত্ত্বতালাশ

“হ্যাঁ বল। এখন নিশ্চয়ই তুমি একা এবং ফ্রি?” একেজি জিজ্ঞাসা করলেন। তাঁর গলায় কিন্তু রসিকতার সুর নেই। তিনি আদ্যন্ত সিরিয়াস। “হ্যাঁ স্যার। নিজের বাংলোয় আছি। সুদীপ্ত যদিও বলছিল, তার ওখানেই থেকে যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনার সঙ্গে কথা বলাটা জরুরি ছিল।” “সুদীপ্ত নামের অফিসারটি...
পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

কেউ একজন দরজা খুলছিল। আশা করা যায়, সাইকেল নয়। সে নিশ্চয়ই এইজাতীয় ছোট কাজ করবে না? এই ডেরায় সে সকলের মাথা, অতএব তার একটা প্রেস্টিজ আছে। তাছাড়া কিছু আগের কথাবার্তার পরে সাইকেল নিশ্চয়ই ছুটবে সত্যব্রতর বলা-কথার সত্যতা যাচাই করতে। অতএব অন্য কেউ। তার সঙ্গে কিছু আগে আসা...
পর্ব-১২১: খেলা শুরুর প্রস্তুতি

পর্ব-১২১: খেলা শুরুর প্রস্তুতি

শাক্য কোনওরকম ভণিতা না করে সরাসরি মূল কথায় এল। হাতে সময় নেই। প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত এখন মূল্যবান। যথেষ্ট দেরি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। সুদীপ্ত পাশে বসে আছে। সুদীপ্ত কোয়াটার্সে ফেরেনি। শাক্যকে তার বাংলোয় ড্রপ করে দিতে এসে সেখানেই আপাতত আছে এখন। কারণ, উল্লাস মেসেজের জবাবে...
পর্ব-১২০: একেজি কলিং

পর্ব-১২০: একেজি কলিং

জীবনবাবু স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তদন্ত শেষ করে এই শেষ বিকেলে ফিরছেন সাহেবরা। দুজনেই চুপচাপ। পিছনের সিটে বসে দুই কনষ্টেবলও চুপ করে বসে। সাহবরা আছেন, তারা কথা বলতে পারছে না সে-জন্য। তবে এখন লোকজন কথা বলার চেয়ে মোবাইল-ঘাঁটা বেশি পছন্দ করে। তারাও সেটাই করছিল।...

Skip to content