সেরা পাঁচ
প্রকাশ্যে এল গোবর্ধনের সম্পত্তির পরিমাণ! অভিনয়, বিজ্ঞাপন থেকে কত টাকা রেখে গেলেন আসরানী?
অভিনেতার স্ত্রী হলেন মঞ্জু আসরানী। একসঙ্গেই থাকতেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। মঞ্জুও ছিলেন বলিউডে অভিনেতা। একসময় ‘কবিলা’, ‘তপস্যা’, ‘চাঁদি’র মতো বেশ কিছু ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। স্বামী-স্ত্রীর প্রথম দেখা হয়েছিল ‘আজ কি তাজ়া খবর’, ‘নমক হারাম’ ছবিতে।
বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল! সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি, ভিজবে উত্তরবঙ্গও
বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে সুষ্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চল। ক্রমে শক্তি বৃদ্ধি করে তা নিম্নচাপে পরিণত হবে। সেই নিম্নচাপের অভিমুখ তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল এলাকা। সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জেলার সব জায়গায় বৃষ্টি হবে না। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী পাঁচ দিন উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা হেরফের হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে সুষ্পষ্ট...
প্রাণের প্রদীপ জ্বালিয়ে
আলো নিয়ে মানুষের মনে নানা যুক্তি-তর্ক। গরমের দিনে কাঠফাটা রোদ, ঘন বর্ষার শেষে মেঘের ফাঁক থেকে রোদের লুকোচুরি, ভোরের আলো, গোধূলির আলো, পড়ন্ত বেলার আলো, পূর্ণিমার আলো, অমাবস্যার আলো ইত্যাদি প্রভৃতির পাশাপাশি জোনাকির আলো থেকে হ্যাজাক বা হারিকেনের আলো, মশালের আলো থেকে দীঘির ধারে ওই যে কীসের আলো, কনে দেখা আলো থেকে জ্ঞানের আলো, চোখের আলো থেকে মাথায় জ্বলে ওঠা আলো, পাড়ার পুজোর আলো থেকে লোডশেডিংয়ে চলে যাওয়া আলো…নানারকম।
পর্ব-৮০: শক্তিপীঠ উদয়পুরে দিওয়ালি
ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের দেওয়ালি মেলা ত্রিপুরার সবচেয়ে বড় মেলা। ত্রিপুরা ও দেশের অন্যান্য অংশ থেকে বহুসংখ্যক পুণ্যার্থী মানুষ দিওয়ালি মেলা উপলক্ষ্যে এসময় উদয়পুরের মাতাবাড়ি অর্থাৎ ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে আসেন। মেলা উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে মন্ডপ খোলা হয়। রাতভর নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন হয়।
পর্ব-১৩৬: রবীন্দ্রনাথ ছাত্রদের মশারিও গুঁজে দিতেন
ছাত্রদের প্রতি রবীন্দ্রনাথের এই ভালোবাসার সত্যিই তুলনা হয় না। ভিতর থেকে উঠে আসা অকৃত্রিম ভালোবাসা। ছাত্রদের সঙ্গে তাঁর ছিল মধুর ভালবাসার নিবিড় বন্ধন। নির্মলকুমারী মহলানবিশকে এক চিঠিতে কবি লিখেছিলেন, ‘আমার ক্লাসে ওরা মনে করে খেলা— এ তো পড়া নয়— আমি যেন ওদের খেলার সর্দার। সত্যিই আমি তাই— মনের ভিতর দিকে আমার আর বয়স হল না…।’
পর্ব-৪০: আকাশ এখনও মেঘলা
পাল্টাপাল্টি করে নবকাকুর সিটে গিয়ে বসল ছোট্ট স্নিগ্ধা। আর নবকাকু এসে বসল তাঁর মায়ের পাশে স্নিগ্ধার সিটে। নিষিদ্ধ শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সেই শুরু! দীর্ঘদিন দাম্পত্যসুখ বঞ্চিত ছন্দা পারিবারিক সম্পর্কের আগল ক্রমশ ভেঙে যেন ভেসে গেল। ন্যায়-অন্যায়ের বিচার চুলোয় দিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেল কমবয়েসী যুবক নবকুমারকে! আড়াল-আবডালের এই শরীরী অনাচার নিয়ম হয়ে গেল!
পর্ব-১২২: সুন্দরবনের পাখি: ডোরা-লেজ জৌরালি
২০২২ সালে জানুয়ারি মাসে অর্থাৎ করোনাকালের শেষ দিকে সপরিবারে বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জ ভ্রমণে গিয়েছিলাম। বাড়ি থেকে মাত্র ৩৯ কিলোমিটার। সুতরাং সকালবেলায় গিয়ে সারাদিন ঘুরে সন্ধেবেলা চলে আসা যায়। বকখালি পৌঁছে পূর্বদিকে যেদিকে এক সময় অসংখ্য ঝাউ গাছ ছিল কিন্তু আমফান ঝড়ের পর প্রায় পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সেই দিকে বেশ কিছুটা হাঁটতে নজরে এল ৫-৬টি পাখি সমুদ্র সৈকতে প্রায় হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে খাবার খুঁজছে। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হল এই পাখিগুলোকেই ২০০৯ সালে ফ্রেজারগঞ্জে দেখেছিলাম। কিন্তু একটু এগিয়ে ভালোভাবে লক্ষ্য করে...
পর্ব-১৩৭: জীবনখাতার প্রতি পাতায়
আজও তেমন একটা দিন। আজ ঘুমাবার রাত নয় জেনেই কাপাডিয়া একরাশ কাজ নিয়ে বসেছিলেন। যত বেশি কাজ করে মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করতে পারবেন, তত তাড়াতাড়ি হয়তো ঘুম আসবে। যদিও নিজেই জানেন, ধন্য আশা কুহকিনী! যদি তেমনটাই হত, তাহলে ভিতরে-ভিতরে ক্লান্ত-বিধ্বস্ত কাপাডিয়া কবেই যে চিরঘুমের দেশে চলে যেতেন, তার নেই ঠিক! আর এখন? পিশাচপাহাড়…পিশাচপাহাড় রিসর্ট কি তাঁকে আর ঘুমাতে দেবে?
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১২ : স্বপ্নের নায়ক, নায়কের স্বপ্ন
এ এক মৃগয়াক্ষেত্র যেন। তবে কি মেঘনাদবধ আসন্ন? প্রমীলাকে অনুসরণ করে, তাড়া করেই যেন অরিন্দম ঘোরলাগা দুষ্যন্তের মতো প্রবেশ করেন এক হল ঘরে। এখন তিনি ব্রজেশ্বর, প্রমীলা যেন দেবী চৌধুরাণী, তাঁকে লুটে নিয়েছে এই অব্যক্ত সম্পর্কের আভাস, তিনি এখন এক ডাকাতের জঙ্গলে যেন।
পর্ব-৪: কথা বলা অতীত
তখন প্রায় মধ্যরাত। মেঘাবৃত আকাশ গর্জন করছিল থেমে থেমে। ঝোড়ো হাওয়ার দাপট কমেছে অনেকক্ষণ। জোলো বাতাস বইছে নিজের মতো করে। দক্ষিণ পুবের জানলা টেনে বন্ধ। পায়ের কাছে মেঝে সমান পশ্চিমের জানলার পাল্লাখানা শুধু খোলা। বিছানা থেকে দেখা যাচ্ছিল, গাঢ় অন্ধকার চিরে চিরে রুপোলি অলোর ইচ্ছেখুশি ছুটোছুটি। ঝড়টা উঠেছিল শেষ বিকেলে। গোধূলির মুখ নিকষ কালো হয়ে থমথম করল কিছুক্ষণ। তারপরেই আছড়ে পড়া কাকে বলে। প্রবল সাইক্লোন। সঙ্গে তুফান বর্ষণ। একঘন্টার মধ্যে সামনের রাস্তায় গোড়ালি ডুবল। সুনীতি ভাগ্যিস মেয়েকে নিয়ে তখনও এ বাড়িতেই।...
পর্ব-১৩৪: রামের অমল মহিমা, অরণ্যবাসের সাধুসঙ্গ
রামের অমল মহিমা বহু মুনি ঋষিদের আশীর্বাদধন্য তাঁর জীবন। রামের অরণ্যবাস আরও মধুর ও সার্থক হয়ে উঠেছে, কারণ ধার্মিক, প্রাজ্ঞ ও মননশীল সাধুসঙ্গ তাঁর বনবাস জীবনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। মননশীল ঋষিদের আন্তরিক সস্নেহ প্রীতিডোরে বাঁধা যেন রামের জীবন। তাঁরা রামের জীবনের সমস্ত আসন্ন প্রতিকূলতার ইঙ্গিত দিয়েছেন, দান করেছেন সাদর আশ্রয়, তাঁদের সস্নেহ সঙ্গসুখে ধন্য হয়েছেন রাম। অযোধ্যার রাজনন্দন রামের বনবাস জীবনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা শরভঙ্গমুনির সঙ্গে সাক্ষাৎকার। দেবরাজ ইন্দ্র রামকে দেখা দেননি, দেবেন্দ্রর সাক্ষাতে অনিচ্ছা প্রকাশের কারণটি মহৎ।
পর্ব-৭৯: ‘বেতারে দু-খানা গান গাইলাম, পারিশ্রমিক পেলাম দশ টাকা’
একদিন রেকর্ড বের হল শচীনকর্তার। প্রথম রেকর্ড বের হয় হিন্দুস্থান রেকর্ড কোম্পানি থেকে। এক পিঠে ছিল রাগপ্রধান গান ‘এ পথে আজ এসো প্রিয়া’। রেকর্ডের অপর পিঠে ছিল লোকগীতি ‘ডাকলে কোকিল রোজ বিহানে’। রেকর্ডটি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি শচীনকর্তাকে।
ডেসডিমোনার রুমাল/৩
দেহ মর্গে যাওয়ার পর ধৃতিমান ওই ফ্ল্যাটবাড়ির সাততলায় ছাদে গেল। আনন্দ পাল থাকতেন পাঁচতলায়। ছাদের ভূগোলটা দেখাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে জিওগ্রাফির বদলে ফিজিক্সের খোঁজ পেল একটা ফোল্ডিং সিঁড়ি। দুর্গাপুজোয় যত্রতত্র সিঁড়ি পড়ে থাকাটা আশ্চর্য নয়। কিন্তু এ বাড়ির ছাদে কেন ফোল্ডিং সিঁড়ি? কোনও বিল্ডিঙের ছাদে তো কোনও আলো লাগানো নেই, এ বাড়িতেও নেই।
পর্ব-১৩৫: সুস্থ থাকলে কেউ কি কবিতা লেখে?
সরসসতায় ভরপুর। কথায় কথায় এমন মজা ক’জন আর করতে পারে। রবীন্দ্রনাথের গাম্ভীর্যের ছদ্ম-মুখোশ ছিল না। মানুষের সঙ্গে মিশতেন, মানুষকে ভালোবাসতেন। কোনও বানানো দূরত্ব ছিল না। খুব সহজেই মিশে যেতেন। হাসিতে খুশিতে, আনন্দে মজায় ভরিয়ে তুলতেন। কবির সরস-সান্নিধ্যে চারপাশের মানুষজনও ভালো থাকতেন।








