দেহ মর্গে যাওয়ার পর ধৃতিমান ওই ফ্ল্যাটবাড়ির সাততলায় ছাদে গেল। আনন্দ পাল থাকতেন পাঁচতলায়। ছাদের ভূগোলটা দেখাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে জিওগ্রাফির বদলে ফিজিক্সের খোঁজ পেল একটা ফোল্ডিং সিঁড়ি। দুর্গাপুজোয় যত্রতত্র সিঁড়ি পড়ে থাকাটা আশ্চর্য নয়। কিন্তু এ বাড়ির ছাদে কেন ফোল্ডিং সিঁড়ি? কোনও বিল্ডিঙের ছাদে তো কোনও আলো লাগানো নেই, এ বাড়িতেও নেই।






















