শুক্রবার ৫ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

বিশ্বজয়ের উল্লাস।

লরা উলভার্ট যত ক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, তত ক্ষণ হরমনপ্রীত কৌর স্বস্তি পাচ্ছিলেন না। উলভার্ট সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও শতরান করলেন। যদিও তিনি দলকে জেতাতে পারলেন না। অবশেষে তৃতীয় বারের চেষ্টায় ভারতের শাপমুক্তি। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতকন‍্যারা। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে দিল ভারত। ভারত প্রথমে ব্যাট করে। ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান তোলেন হরমনপ্রীতরা। জবাবে ৪৫.৩ ওভারে ২৪৬ রানেই দক্ষিণ আফ্রিকা অল আউট হয়ে যায়। ব্যাটে-বলে নজর কাড়েন শেফালি বর্মা ও দীপ্তি শর্মা। শেফালি এবং দীপ্তির দাপটে ট্রফি তুললেন হরমনপ্রীতেরা।
রবিবার ফাইনাল শুরুর আগে বৃষ্টি হচ্ছিল। তাই দু’ঘণ্টা দেরিতে খেলা শুরু হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক উলভার্ট টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। পুরো প্রতিযোগিতায় শুধু বাংলাদেশ ছাড়া কোনও ম্যাচেই হরমনপ্রীত টস জিততে পারলেন না। তাতে অবশ্য ভারতের লার ভাগ্য বদলাল না। এতে অবশ্য হরমনপ্রীতদের খেলার ভাগ্য বদলাল না।
আরও পড়ুন:

আকাশ এখনও মেঘলা/৪১

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩৯: শেফালিকার বিপদ

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৭: বিলেতে হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের অস্ত্রোপচার

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৬: বিষণ্ণ সকাল, নিঃসঙ্গ আদিনাথ

ভারতের দুই ওপেনার শতরানের জুটি করেন। ওভার প্রতি ৬ রান করে উঠছিল। শেফালি অর্ধশতরান করেন ৪৯ বলে। শেফালি ২১ বছর ২৭৮ দিন বয়সে বিশ্বকাপ ফাইনালে অর্ধশতরান করলেন। পুরুষ ও মহিলাদের ক্রিকেট মিলিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বকনিষ্ঠ ওপেনার হিসাবে শেফালি শতরান করলেন। পুরুষদের ক্রিকেটে এত দিন বীরেন্দ্র সহবাগের দখলে ছিল এই রেকর্ড। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে ২৪ বছর ১৫৪ দিন বয়সে সহবাগ অর্ধশতরান করেছিলেন।
আরও পড়ুন:

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৪: সুন্দরবনের পাখি: গোত্রা

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৯: ‘বেতারে দু-খানা গান গাইলাম, পারিশ্রমিক পেলাম দশ টাকা’

দক্ষিণ আফ্রিকাকে বড় ধাক্কা দেন শেফালি। মারিযানকে আউট করেন তিনি। রান তাড়া করার ক্ষেত্রে কাপের বড় ভূমিকা ছিল। ফলে কাপকে ফিরিয়ে খেলার নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে এনে দেন শেফালি। বল হাতে শেফালির সঙ্গে জুটি বাঁধেন দীপ্তি। শেফালি ও দীপ্তি দু’জনে মিলে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল অর্ডারকে চাপে রাখেন। ভারতের আর এক স্পিনার শ্রী চরণীও ভাল বল করলেন।

জেমাইমা রদ্রিগেজ ও অধিনায়ক হরমনপ্রীত এই ম্যাচে রান পাননি। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনারদের সামনে তাঁরা সুবিধা করতে পারছিলেন না। জেমাইমা ২৪ এবং হরমনপ্রীত ২০ রান করে আউট হয়ে যান। এর পর ইনিংস সামলান দীপ্তি ও রিচা ঘোষ। ভারতের রান রেট মাঝে একটা সময় কমে গিয়েছিল। রিচা রান রেট আবার বাড়িয়ে দেন। ২৪ বলে ৩৪ রান করেন তিনি। ৫৮ রান করেন দীপ্তি। ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ভারত ২৯৮ রান করে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৩ : জনঅরণ্য: সরস্বতী না লক্ষ্মী?

উলভার্ট জুটি বেঁধেছিলেন আনেরি ডের্কসেনের সঙ্গে। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক শতরান করেন। যদিও রান রেট ক্রমশ বাড়ছিল। তাই ঝুকি নেওয়া ছাড়া কোনও উপায় ছিল না। দীপ্তি ৩৫ রানে ডের্কসেনকে আউট করেন। তার পরেই ১০১ রানের মাথায় ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হলেন উলভার্ট। ক্যাচ ধরতে গিয়ে আমনজ্যোতের হাত থেকে বল ছিটকে গিয়েছিল। শরীরের ভারসাম্য হারালেও বল তালুবন্দি করেন আমনজ্যোত।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৬৬: জীবন নিয়ে কৌতুক আর ‘যৌতুক’

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!

উলভার্ট আউট হওয়ার পরেও দক্ষিণ আফ্রিকার জেতার আশা ছিল। এর আগে ম্যাচে ক্লোয়ি ট্রিয়ন ও নাদিন ডি ক্লার্কের জুটি ভারতকে হারিয়েছিল। তবে এই ম্যাচে তা আর হয়নি। ক্লোয়ি ট্রিয়ন ও নাদিন ডি ক্লার্ক দু’জনকেই ফেরালেন দীপ্তি। বিশ্বকাপ ফাইনালে অর্ধশতরানের সঙ্গে ৩৯ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ম্যাচের শেষ ক্যাচ ধরলেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত। আর তাঁর ক্যাচেই বিশ্বজয় করল ভারত।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content