বুধবার ১০ জুন, ২০২৬

এই দেশ এই মাটি

পর্ব-৮০: শক্তিপীঠ উদয়পুরে দিওয়ালি

পর্ব-৮০: শক্তিপীঠ উদয়পুরে দিওয়ালি

ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের দেওয়ালি মেলা ত্রিপুরার সবচেয়ে বড় মেলা। ত্রিপুরা ও দেশের অন্যান্য অংশ থেকে বহুসংখ্যক পুণ্যার্থী মানুষ দিওয়ালি মেলা উপলক্ষ্যে এসময় উদয়পুরের মাতাবাড়ি অর্থাৎ ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে আসেন। মেলা উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে মন্ডপ খোলা হয়। রাতভর নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন হয়।

read more
পর্ব-১২২: সুন্দরবনের পাখি: ডোরা-লেজ জৌরালি

পর্ব-১২২: সুন্দরবনের পাখি: ডোরা-লেজ জৌরালি

২০২২ সালে জানুয়ারি মাসে অর্থাৎ করোনাকালের শেষ দিকে সপরিবারে বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জ ভ্রমণে গিয়েছিলাম। বাড়ি থেকে মাত্র ৩৯ কিলোমিটার। সুতরাং সকালবেলায় গিয়ে সারাদিন ঘুরে সন্ধেবেলা চলে আসা যায়। বকখালি পৌঁছে পূর্বদিকে যেদিকে এক সময় অসংখ্য ঝাউ গাছ ছিল কিন্তু আমফান ঝড়ের পর প্রায় পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সেই দিকে বেশ কিছুটা হাঁটতে নজরে এল ৫-৬টি পাখি সমুদ্র সৈকতে প্রায় হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে খাবার খুঁজছে। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হল এই পাখিগুলোকেই ২০০৯ সালে ফ্রেজারগঞ্জে দেখেছিলাম। কিন্তু একটু এগিয়ে ভালোভাবে লক্ষ্য করে...

read more
পর্ব-৭৯: ‘বেতারে দু-খানা গান গাইলাম, পারিশ্রমিক পেলাম দশ টাকা’

পর্ব-৭৯: ‘বেতারে দু-খানা গান গাইলাম, পারিশ্রমিক পেলাম দশ টাকা’

একদিন রেকর্ড বের হল শচীনকর্তার। প্রথম রেকর্ড বের হয় হিন্দুস্থান রেকর্ড কোম্পানি থেকে। এক পিঠে ছিল রাগপ্রধান গান ‘এ পথে আজ এসো প্রিয়া’। রেকর্ডের অপর পিঠে ছিল লোকগীতি ‘ডাকলে কোকিল রোজ বিহানে’। রেকর্ডটি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি শচীনকর্তাকে।

read more
পর্ব-১২১: সুন্দরবনের পাখি: ছোট গুলিন্দা

পর্ব-১২১: সুন্দরবনের পাখি: ছোট গুলিন্দা

সম্ভবত ২০০৯ সাল। কলকাতা থেকে বাড়িতে কয়েকজন আত্মীয় এসেছেন ডিসেম্বরের শেষে। এই সময় আত্মীয় বন্ধু-বান্ধবরা এলে সাধারণত একদিন বরাদ্দ থাকে বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জ বেড়ানোর জন্য। সকাল সকাল রওনা দিয়ে বকখালির সৈকতে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে একটা হোটেলে লাঞ্চ সেরে নিলাম। তারপর গন্তব্য ফ্রেজারগঞ্জ সৈকত। ফ্রেজারগঞ্জ সৈকতে পৌঁছে আপন খেয়ালে উত্তর দিকে কিছুটা এগিয়ে যেতেই বেশ কিছুটা দূরে দেখি সমুদ্র সৈকতে আগে কখনও না-দেখা সাত-আটটি পাখি। অনেকটা দূরে বলে ভালো বুঝতে পারছিলাম না। কিছুটা এগিয়ে যেতেই চেহারাটা মোটামুটি নজরে এল।...

read more
পর্ব-৭৮: শচীন দেববর্মণ ও ত্রিপুরার রাজপরিবার

পর্ব-৭৮: শচীন দেববর্মণ ও ত্রিপুরার রাজপরিবার

রাজার পর সাধারণত রাজপুত্রই সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন। কিন্তু মাঝে মাঝে এর ব্যতিক্রমও ঘটে। আর এই ব্যতিক্রমী ঘটনার সূত্রেই একদিন ত্রিপুরা যাকে হারিয়েছিল পরবর্তী সময়ে তিনিই হয়ে উঠেছেন দেশবন্দিত সুরকার।

read more
পর্ব-১২০: কামপাখি

পর্ব-১২০: কামপাখি

সুন্দরবনের যেখানেই জলজ আগাছা, কলমি, হিংচে, কচুরিপানা ইত্যাদি ভরা জলাশয় রয়েছে আর আশেপাশে প্রচুর ঝোপঝাড় রয়েছে সেখানে কাম পাখিদের থাকার সম্ভাবনা বেশি। তীরে ঝোপঝাড় রয়েছে এমন নদীর তীরেও দেখা যায়। অবশ্য সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামে শৈশব থেকে ৩০ বছর অতিক্রান্ত করলেও কখনও কোনও কামপাখি নজরে পড়েনি। এইরকম জায়গায় এরা অনর্গল ছোট্ট লেজটাকে ওঠানামা করিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে খাবার-দাবার খুঁজে বেড়ায়। অনেক সময় ধানক্ষেতের মধ্যেও এদের দেখা যায়। স্বভাবে কিন্তু এরা ভীষণ ভীতু।

read more
অন্য পুজো: ইতিহাসের আলোকে ত্রিপুরায় দুর্গাপূজা

অন্য পুজো: ইতিহাসের আলোকে ত্রিপুরায় দুর্গাপূজা

দুর্গের অধিষ্ঠাত্রী দেবী দুর্গা। তাই দুর্গাপূজার সঙ্গে যেন একটা যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ তৈরি হয়ে আছে সূচনা লগ্ন থেকেই। পুরাণ, কিংবদন্তী কিংবা ইতিহাসও তারই স্বাক্ষ্য দেয়। রাজ্যভ্রষ্ট রাজা সুরথ দেবীর পূজা করেছিলেন তাঁর রাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য। আবার সীতাকে ফিরে পাবার জন্য রামচন্দ্র করেছিলেন দেবীর অকাল বোধন। সুদূর অতীতে রাজা-মহারাজা আর সম্পন্ন জমিদাররাই দুর্গাপূজা করতেন। কখনও যুদ্ধ জয়ের জন্য, কখনও রাজ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য কিংবা জমিদারী পরিচালনা নিষ্কন্টক রাখার জন্য দেবী দুর্গার আরাধনা হতো। কালক্রমে সাধারণ মানুষের মধ্যেও...

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৯: হাট্টিমা

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৯: হাট্টিমা

হাট্টিমা মাঠেই বাসা বানায় ও সেখানে ডিম পাড়ে। পড়ে দেখলাম। কিন্তু শিং তো নেই। মনে হয় চোখের দু’পাশ থেকে সাদা রঙের যে দুটো ডোরা দাগ রয়েছে ওটাকেই হয়তো সুকুমার রায় শিং-এর সাথে তুলনা করেছেন কিংবা পাখিটার মাথায় কল্পনার শিং গজিয়ে ছড়াটি লিখেছেন। এই তাহলে সুকুমার রায়ের হাট্টিমা পাখি। কিন্তু মনে হল “Birds of India”-র অনুবাদ “সাধারণ পাখি” বইয়ের সূচিপত্রে অন্য এক জায়গায় হাট্টিমা নামটা নজরে পড়েছে। সন্দেহ নিরসন করার জন্য “সাধারণ পাখি” বইটির সূচিপত্রে গেলাম।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৮: ছোট বাবুইবাটান

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৮: ছোট বাবুইবাটান

ছোট বাবুইবাটান স্ত্রী ও পুরুষ দেখতে একই রকম। প্রজনন ঋতুতে এদের চঞ্চুর গোড়া উভয়েরই কমলা বা লাল হয়ে যায়। প্রজননের সময় পুরুষ পাখি স্ত্রীকে সামান্য ঠোক্কর দিয়ে বা খাবার দিয়ে তার মন জয় করতে চেষ্টা করে। মন দেয়া-নেয়া হয়ে গেলে খুব কম সময়ের মধ্যে তাদের মিলন হয়। তারপর ডিম পাড়ার পালা।

read more
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৬: এক উপেক্ষিতা রাজকন্যার কথা

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৬: এক উপেক্ষিতা রাজকন্যার কথা

মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেব এবং তাঁর অবিশ্বাসী, কূটিল চরিত্রের কথা আমরা কে না জানি! কিন্তু ঔরঙ্গজেব কন্যা জেবউন্নিসা বেগমের কথা? কেউ কেউ জানলেও বেশিরভাগই জানেন না, এই জেবউন্নিসা ছিলেন তদানীন্তন মোগল ভারতের এক বিশিষ্ট কবি। একদিন এই কবির জীবনে নীরবে এসেছিল প্রেম। হতভাগ্য লাহোরের শাসনকর্তা আকিল খাঁ! সম্রাট দুহিতার সঙ্গে গোপন প্রণয়ের পরিণতিতে নির্মম ভাবে মৃত্যু ঘটেছিল তার।

read more
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৫৮: অসমের বিশেষ ধরনের ধান

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৫৮: অসমের বিশেষ ধরনের ধান

অসমে মূলত চার ধরনের ধান চাষ করা হতো। আহু বা আউশ ধান, বাও ধান, লহি এবং সালি। এছাড়াও আরও কয়েক ধরনের ধান চাষ করা হত, সেগুলি এখন খুব একটা চাষ হয় না। চাকুয়া, বোরা এবং জোহা এই বিশেষ ধরনের ধান অল্প-সল্প চাষ হয়ে থাকে। চাকুয়া এবং বোরা এই দুই ধরনের ধানকে ম্যাজিক ধানও বলা যেতে পারে।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৭: আবাবিল

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৭: আবাবিল

পক্ষিবিদদের মতে, নিজেদের গোষ্ঠীর এলাকা রক্ষা করতে কিংবা স্ত্রী পাখিকে আকৃষ্ট করতে এরা গান ধরে। আর স্ত্রী আবাবিলও প্রজনন ঋতুর শুরুতে ছোট ছোট স্বরে কয়েকদিন গান ধরে। বাসা বানানোর কাজ শেষ হলে স্ত্রী আবাবিল একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি ডিম পাড়ে। সাদা রঙের ডিমের ওপর লালচে-বাদামি বা বেগুনি রঙের ছিট দেখা যায়। সাধারণত স্ত্রী আবাবিলকেই বেশি তা দিতে দেখা যায়। ১৪-১৯ দিন পর ডিম ফুটে বাচ্চারা বেরিয়ে আসে। তারপর বাবা-মা মিলে প্রায় এক সপ্তাহ বাচ্চাদের খাওয়ানোর দায়িত্ব সামলায়। তারপর বাচ্চারা বাসা ছেড়ে উড়তে শেখে।

read more
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৫: পূর্বোত্তরে আন্তরাজ্য সীমা বিবাদ

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৫: পূর্বোত্তরে আন্তরাজ্য সীমা বিবাদ

উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য সমূহের মধ্যে সীমা বিরোধ নতুন কোনও বিষয় নয়। মাঝে মাঝে এই সীমা বিরোধ ঘিরে বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্ত এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠে।এমন কি ঘটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও। যদিও সাম্প্রতিককালে কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সমূহের নানা উদ্যোগের ফলে অনেকাংশে এই সীমা বিবাদের অবসান হয়েছে। তবুও এখনও এই সমস্যার পুরোপুরি অবসান হয়নি।

read more
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৬: তালচোঁচ

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৬: তালচোঁচ

একনজরে মনে হল এরা তালবাতাসি পাখি। এদের আমি ছোট থেকেই দেখে এসেছি। খুব চেনা পাখি। তবুও আর একটু ভালো করে দেখব বলে কিছুদিন আগে কেনা বাইনোকুলারটা হাতে নিয়েই ছাদে উঠি। তো সেই বাইনোকুলারটা চোখে লাগালাম। নাঃ, খুব ভালো করে যে দেখতে পেলাম তা নয়। কারণ ওদের দ্রুতগতি। কিন্তু মনে হল এদের লেজটা তো তালবাতাসিদের মতো চেরা নয় মনে হচ্ছে। তালবাতাসি দের লেজ ইংরেজি ‘V’-এর মতো চেরা। স্পষ্ট বোঝা যায়।

read more
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৪: ‘শিলালিপি সংগ্ৰহ’ গ্রন্থ অতীতের ত্রিপুরা নিয়ে গবেষণার দিশারী

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৪: ‘শিলালিপি সংগ্ৰহ’ গ্রন্থ অতীতের ত্রিপুরা নিয়ে গবেষণার দিশারী

আজ থেকে প্রায় সোয়াশো বছর আগেই যে প্রত্নভূমি ঊনকোটিতে ব্যাপক ধ্বংস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তা বোঝা যায় চন্দ্রোদয়ের লেখা থেকে।তিনি লিখেছেন—’পর্ব্বত পার্শ্বে বহুসংখ্যক মূর্ত্তি খোদিত ছিল, কালক্রমে সমস্তই বিনষ্ট হইয়া গিয়াছে। এখন যাহা আছে,তাহাও আর বেশীদিন থাকিবে বলিয়া বোধ হয় না।কারণ প্রস্তর ক্রমে ধসিয়া পড়িতেছে।’ উনকোটিতে একটি প্রাচীন মন্দিরের অস্তিত্বের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

read more

Skip to content