ভোঁদড়ের মুখটা সামনের দিকে সামান্য সূচালো। উপরের চোয়ালের দুপাশে অর্থাৎ নাসারন্ধ্রের দুদিকে একটু নিচে শক্ত খোঁচা খোঁচা কিছু লোম থাকে। জলে ভিজলেও লোমগুলো নেতিয়ে পড়ে না। লোম গুলি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ফলে জলের গভীরে যখন ভোঁদড় দের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায় তখন ওই লোমগুলোর স্পর্শেই বুঝতে পারে কোথায় কোন গর্তে বা পাথরের আড়ালে মাছ, কাঁকড়া ইত্যাদি লুকিয়ে আছে। তারপর নখ বা দাঁতের সাহায্যে তুলে আনে তার শিকার। ভোঁদড়ের দাঁতগুলোর প্রান্ত খুব ধারালো ও তীক্ষ্ণ খাঁজযুক্ত। ফলে শিকার দাঁত ফসকে পিছলে বেরিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।






















