মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১৩৭: মহর্ষি নারদের বৈচিত্র্যময় বক্তব্য বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা

পর্ব-১৩৭: মহর্ষি নারদের বৈচিত্র্যময় বক্তব্য বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা

মহর্ষির প্রশ্নে রাজকীয়পরিমণ্ডলে রাজকর্মচারীদের সততাবিষয়টির গুরুত্ব যে অপরিসীম,সেটি পরিস্ফুট হয়েছে। তাঁদের পরিচ্ছন্ন নির্লোভ ভাবমূর্তি আবশ্যক। অর্থ দিয়ে যেন রাজকর্মচারীদের কোনভাবেই প্রভাবিত করা না যায়।
রাজার চোদ্দটি দোষ পরিহার করেন কি না, সেই দোষগুলি বোধ হয় সব যুগেই প্রশাসকদের বর্জনীয় দোষ বলে চিহ্নিত। আধুনিক যুগে প্রশাসকগণ সেগুলি বর্জনে, উদ্যোগী হবেন কবে? এই প্রশ্নে হয়তো সকল সুধী পাঠকবৃন্দ, নৈরাশ্যজনক দীর্ঘশ্বাস বুকে চেপে নীরব হবেন।

read more
পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

মহর্ষিদের আশীর্বাদধন্য রামের বনবাসজীবন। এমন ক্লেদমুক্ত হয় না কেন জীবন? যেখানে সজ্জনের সংসর্গ মানুষকে নতুন কোন পথনির্দেশ দেয়, যে পথচলায় রয়েছে সদুদ্দেশ্যসাধনের বার্তা। প্রাত্যহিকতার গ্লানি, দৈনন্দিন নৈরাশ্যের অন্ধকারাচ্ছন্ন গুহাপথের শেষ সীমায় নতুন কোনও আলোর দিশা?

read more
পর্ব-১৩৫: মহর্ষি নারদের প্রশ্নচ্ছলে উপদেশগুলি যেন রাজনীতির পাঠ

পর্ব-১৩৫: মহর্ষি নারদের প্রশ্নচ্ছলে উপদেশগুলি যেন রাজনীতির পাঠ

মহর্ষি নারদ রাজার যুধিষ্ঠিরের উত্তরের অপেক্ষা করেননি, একের পর এক, রাজার স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা, যুদ্ধাভিযান, রাজনীতির উপায়গুলি, চারিত্রিক গুণাবলীর উন্নতিবিষয়ে যে প্রশ্নগুলি উত্থাপন করেছেন, সেগুলি প্রশ্ন নয়, রাজনীতির বৃহত্তর মার্গদর্শন। একজন সফল পথপ্রদর্শক রাজার, রাজপদে ক্রমোত্তরণের লক্ষ্যে কোন কোন বিষয়ে সদাসতর্ক থাকা প্রয়োজন তার পথনির্দেশ দিয়েছেন মহর্ষি নারদ। যুধিষ্ঠিরের প্রতি তাঁর প্রশ্নচ্ছলে উপদেশাত্মক এই রাজনীতির পাঠ, চিরন্তন ও শাশ্বত এবং নিঃসন্দেহে আধুনিক গণতান্ত্রিক প্রশাসনিক পরিকাঠামোয় অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়।

read more
পর্ব-১৩৪: রামের অমল মহিমা, অরণ্যবাসের সাধুসঙ্গ

পর্ব-১৩৪: রামের অমল মহিমা, অরণ্যবাসের সাধুসঙ্গ

রামের অমল মহিমা বহু মুনি ঋষিদের আশীর্বাদধন্য তাঁর জীবন। রামের অরণ্যবাস আরও মধুর ও সার্থক হয়ে উঠেছে, কারণ ধার্মিক, প্রাজ্ঞ ও মননশীল সাধুসঙ্গ তাঁর বনবাস জীবনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। মননশীল ঋষিদের আন্তরিক সস্নেহ প্রীতিডোরে বাঁধা যেন রামের জীবন। তাঁরা রামের জীবনের সমস্ত আসন্ন প্রতিকূলতার ইঙ্গিত দিয়েছেন, দান করেছেন সাদর আশ্রয়, তাঁদের সস্নেহ সঙ্গসুখে ধন্য হয়েছেন রাম। অযোধ্যার রাজনন্দন রামের বনবাস জীবনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা শরভঙ্গমুনির সঙ্গে সাক্ষাৎকার। দেবরাজ ইন্দ্র রামকে দেখা দেননি, দেবেন্দ্রর সাক্ষাতে অনিচ্ছা প্রকাশের কারণটি মহৎ।

read more
পর্ব-১৩৩: যুধিষ্ঠিরের সভায় উপস্থিত মহর্ষি নারদের প্রশ্নগুলি যেন রাজনীতির সার্বিক দিগদর্শন

পর্ব-১৩৩: যুধিষ্ঠিরের সভায় উপস্থিত মহর্ষি নারদের প্রশ্নগুলি যেন রাজনীতির সার্বিক দিগদর্শন

মহর্ষি নারদ, রাষ্ট্রনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজার অনুসৃত উপায়গুলিসম্বন্ধে যে প্রশ্নগুলি উত্থাপন করেছেন সেগুলি বর্তমান প্রশাসনেও তাৎপর্যপূর্ণ। পারিপার্শ্বিকের রাজসহায়কদের বিশ্বাসযোগ্যতা, মন্ত্রগুপ্তি, প্রশাসকের কর্তব্যবিষয়ে সচেতনতা, প্রভৃতি বিষয়ে প্রশ্নগুলি যুগান্তরেও অনুসৃত হয়, তবে অন্যভাবে,অন্য কোন নামে। এগুলির আধুনিকতা চিরন্তন বললেও অত্যুক্তি হয় না। যে কোনও প্রশাসনিক অধিকর্তার ক্ষেত্রেই নারদমুনির রাজোচিত আচরণবিধি বিষয়ক প্রশ্নগুলি কৌতূহলোদ্দীপক ও প্রাসঙ্গিক। তবে বাস্তবজীবনে কী প্রশাসকরা সেগুলি মনে রাখেন?

read more
পর্ব-১৩২: লৌকিকও অলৌকিকের টানাপোড়েনের বিনির্মাণ—ঋষিকবির মহাকাব্য রামায়ণ

পর্ব-১৩২: লৌকিকও অলৌকিকের টানাপোড়েনের বিনির্মাণ—ঋষিকবির মহাকাব্য রামায়ণ

দণ্ডকারণ্যের শ্বাপদসঙ্কুল,রাক্ষসদের অধ্যুষিত, গভীরে, রাক্ষস বিরাধের মুখোমুখি হলেন রাম। বিরাধ হিংস্র আস্ফালন করে, সীতাকে ছিনিয়ে নিল। তাঁর শারীরিক অভিব্যক্তি ছিল ভয়ঙ্কর। স রামং লক্ষ্মণঞ্চৈব সীতাং দৃষ্ট্বা চ মৈথিলীম্। অভ্যধাবৎ সুসংক্রুদ্ধঃ প্রজাঃ কাল ইবান্তকঃ।। যমের মতো ধেয়ে এল সেই ক্রুদ্ধ রাক্ষস।

read more
মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩১: শ্রেষ্ঠ স্থপতি ও প্রকৌশলী ময়দানবের কৃতজ্ঞতার ঋণশোধ

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩১: শ্রেষ্ঠ স্থপতি ও প্রকৌশলী ময়দানবের কৃতজ্ঞতার ঋণশোধ

সদ্য খাণ্ডবদহন শেষ হয়েছে। পরিতৃপ্ত অগ্নিদেবের অনুমতি নিয়ে খাণ্ডবদহনের দুই হোতা, কৃষ্ণ ও তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুন স্বেচ্ছায় এক মনোহর নদীকূলে গিয়ে বসলেন। তাঁদের সঙ্গী হলেন ময়দানব। খাণ্ডবদহনের অভিঘাত হতে রক্ষা পেয়েছিলেন, খাণ্ডববনবাসী নাগরাজ তক্ষকের আশ্রিত ময়দানব। খাণ্ডবদহনের সময়ে তক্ষকের আশ্রয় থেকে পলায়নরত ময়দানবকে, অগ্নিদেব গ্রাস করতে উদ্যত হলেন।

read more
পর্ব-১৩০: অলৌকিকতার আবরণে লৌকিক-অনুভবের পরশ

পর্ব-১৩০: অলৌকিকতার আবরণে লৌকিক-অনুভবের পরশ

আশ্রমশোভা ছিলেন নিয়ত পরিমিত ভোজ্যগ্রহণে অভ্যস্ত মাননীয় পূত ব্রহ্মর্ষিগণ। তাঁদের উচ্চারিত বেদধ্বনিতে নিনাদিত আশ্রম যেন ব্রহ্মলোক বলে প্রতিভাত হচ্ছে। এই শ্রদ্ধেয় তাপসগণের শোভা দর্শন করে, লক্ষ্মীমন্ত, মহাতেজস্বী রাম, তাঁর মহাধনুকটি জ্যামুক্ত করে অগ্রসর হলেন। সেই মহান, অলৌকিক দিব্যজ্ঞানাধিকারী ঋষিগণ, রাম ও যশস্বিনী বৈদেহী সীতার দর্শনে প্রীত হয়ে, অগ্রসর হলেন।

read more
পর্ব-১২৯: শকুন্তলারা আজও আছেন

পর্ব-১২৯: শকুন্তলারা আজও আছেন

রাজা দুষ্মন্ত, পত্নীর স্বাধিকার ও বিবাহপূর্ব শর্তানুযায়ী পুত্রের উত্তরাধিকারের দাবি নিয়ে, সভায় উপস্থিত হলেন। রাজা দুষ্মন্ত, বিস্মরণের ভান করে ঘৃণাভরে আশ্রমকন্যার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন। শকুন্তলার পিতা বিশ্বামিত্র ও মাতা মেনকার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে, অপমানজনক মন্তব্য করে শকুন্তলাকে হেয় করতে তাঁর কণ্ঠ একটুও কেঁপে উঠল না। শকুন্তলার সমস্ত বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে তাঁকে হেয় করতে, এক মুহূর্তের জন্যেও তাঁর মনে কোন দ্বিধা নেই। এরপরেও দীর্ঘাকৃতি পুত্রের অতিকায় দেহসৌষ্ঠবের সৌন্দর্যসম্বন্ধে বিরূপ মন্তব্য করতেও...

read more
পর্ব-১২৮: স্ত্রী সীতার ব্যক্তিত্বের প্রভায় রামচন্দ্রের আলোকিত উত্তরণ সম্ভব হয়েছে কি?

পর্ব-১২৮: স্ত্রী সীতার ব্যক্তিত্বের প্রভায় রামচন্দ্রের আলোকিত উত্তরণ সম্ভব হয়েছে কি?

চিত্রকূটপর্বতে রামের নতুন আশ্রয়স্থল, মহর্ষি অত্রির আশ্রমে ঋষিপত্নী অনসূয়া ছিলেন সার্থকনামা প্রবীণা।কোন অসূয়া (গুণের মধ্যে দোষাবিষ্কারের প্রবণতা) তাঁর নেই। শ্রদ্ধেয়া অনসূয়া সীতার পাতিব্রাত্য, রামের প্রতি একান্ত অনুরাগ, পার্থিব সুখভোগে অনীহা, সর্বত্যাগিনী ভাবমূর্তির প্রশংসা ভূয়সী করলেন। সীতা যেন এইভাবেই স্বামীর সহধর্মচারিণী হয়ে যশস্বিনীর গৌরব লাভ করেন,এই মর্মে প্রার্থনা জানালেন।

read more
পর্ব-১২৭: আশ্রমকন্যা শকুন্তলার পুত্রের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চিরন্তন মাতৃত্বের প্রকাশ এবং দুষ্মন্তের লাম্পট্য ও প্রতারণা, সব যুগেই বিদ্যমান

পর্ব-১২৭: আশ্রমকন্যা শকুন্তলার পুত্রের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চিরন্তন মাতৃত্বের প্রকাশ এবং দুষ্মন্তের লাম্পট্য ও প্রতারণা, সব যুগেই বিদ্যমান

মহর্ষির নির্দেশানুসারে শিষ্যরা শকুন্তলাকে পৌঁছে দিলেন রাজগৃহে। বিবাহের শর্তানুযায়ী শকুন্তলা স্বপুত্রের জন্য, রাজা দুষ্মন্তের সিংহাসনের উত্তরাধিকার দাবি করলেন। রাজা সরাসরি শকুন্তলাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। শকুন্তলার স্মৃতি মনে জাজ্বল্যমান অথচ ভান করলেন এ বিষয়ে যেন তিনি কিছুই জানেন না। শকুন্তলা, লজ্জিতা চরম লাঞ্ছিতা মনে করলেও তপোবনের শিক্ষানুসারে অর্জিত ক্রোধ সংযত করলেন। এক মুহূর্ত বক্তব্যবিষয়ে চিন্তা করে, দুঃখে, রাগে স্বামীর প্রতি নিজের ক্ষোভ ব্যক্ত করলেন।

read more
পর্ব-১২৬: চিত্রকূটে রামচন্দ্রের প্রতি তপস্বীদের অনাস্থাপ্রকাশ এবং অত্রিপত্নী অনসূয়ার উপদেশের কোনও প্রাসঙ্গিকতা আছে?

পর্ব-১২৬: চিত্রকূটে রামচন্দ্রের প্রতি তপস্বীদের অনাস্থাপ্রকাশ এবং অত্রিপত্নী অনসূয়ার উপদেশের কোনও প্রাসঙ্গিকতা আছে?

কৈকেয়ীপুত্র ভরত, জ্যেষ্ঠ রামচন্দ্রের রাজ্যাধিকার ফিরিয়ে দিতে চিত্রকূটপর্বতে অবস্থানরত অরণ্যবাসী রামচন্দ্রের কাছে সমন্ত্রী উপস্থিত হলেন। ভরত ব্যর্থমনোরথ হয়ে ফিরে গেলেন অযোধ্যায়। পিতৃশর্ত পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রাম চিত্রকূটপর্বতে অবস্থানকালীন লক্ষ্য করলেন, তপস্বীরা যেন উদ্বিগ্ন ও ত্রস্ত হয়ে আছেন। চিত্রকূটের নিকটস্থ আশ্রমের তাপসেরা যাঁরা রামকে আশ্রয় করে ব্যস্ত ছিলেন তাঁরা যেন উৎকণ্ঠিত বোধ করছেন। তাঁদের দৃষ্টি ও ভ্রূভঙ্গীতে ভয়ের চিহ্ন, তাঁরা যেন রামকে লক্ষ্য করে কোনও পারস্পরিক গোপন কথোপকথনে ব্যস্ত।

read more
পর্ব-১২৫: আজও আধুনিক সমাজ রাজা দুষ্মন্তের তঞ্চকতা এবং দ্বিচারিতার দূষণমুক্ত নয়

পর্ব-১২৫: আজও আধুনিক সমাজ রাজা দুষ্মন্তের তঞ্চকতা এবং দ্বিচারিতার দূষণমুক্ত নয়

মৃগয়া বিহারী রাজা দুষ্মন্ত মহর্ষি কণ্বের আশ্রমে ঋষি কণ্বের পালিতা কন্যা শকুন্তলাকে দেখে মুগ্ধ হলেন। রাজা দুষ্মন্ত,কণ্বাশ্রমে পালিতা শকুন্তলার জন্মবৃত্তান্ত অবগত হলেন। রাজা নিশ্চিন্ত হলেন রাজর্ষি বিশ্বামিত্রের ঔরসজাতা ও অপ্সরা মেনকার গর্ভজাতা কন্যা শকুন্তলা। ক্ষত্রিয়কন্যার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনে কোন শাস্ত্রীয় বাধা নেই। অতএব রাজা, তাঁর প্রণয় নিবেদন করলেন।

read more
পর্ব-১২৪: আনন্দমূর্তি রামের অভাবে অযোধ্যায় নৈরাশ্যের ছায়া, বাস্তব জীবনেও কি আনন্দহীনতা অবসাদ ডেকে আনে?

পর্ব-১২৪: আনন্দমূর্তি রামের অভাবে অযোধ্যায় নৈরাশ্যের ছায়া, বাস্তব জীবনেও কি আনন্দহীনতা অবসাদ ডেকে আনে?

স্নিগ্ধ মন্থরনির্ঘোষ সৃষ্টি করতে করতে মহাযশস্বী প্রভু ভরতের রথ দ্রুত অযোধ্যায় এসে পৌঁছল। অযোধ্যায় বিচরণ করছে বিড়াল ও পেঁচারা, মানুষ হোক বা হাতি কোথাও কারও অস্তিত্ব নেই যেন, তমসাবৃতা নিশার তুল্যা কালিমালিপ্ত অপ্রকাশিতা অযোধ্যা নগরী যেন চন্দ্রের প্রিয়া রোহিণীর মতো রাহুগ্রস্ত হয়েছে। এমন দশায় উপনীত হয়েছে বিখ্যাত নগরী। শীর্ণা পাহাড়ী নদী,যার স্বল্প জল উষ্ণ ও সংক্ষুব্ধ, মৎস্য ও জলচর প্রাণীরা যেখানে নিশ্চিহ্নপ্রায়, সেখানে পাখিরা রৌদ্রতাপদগ্ধ ঘর্মাক্ত, অযোধ্যা নগরীর যেন তেমনই অবস্থা।

read more
পর্ব-১২৩: বিশ্বামিত্রের তপশ্চর্যায় বিঘ্নসৃষ্টিকারী দেবরাজ ইন্দ্র ও মেনকার কাহিনি কি আধুনিক যুগের সঙ্গে সাযুজ্যময়?

পর্ব-১২৩: বিশ্বামিত্রের তপশ্চর্যায় বিঘ্নসৃষ্টিকারী দেবরাজ ইন্দ্র ও মেনকার কাহিনি কি আধুনিক যুগের সঙ্গে সাযুজ্যময়?

‘মহাভারত’ এই নামের সঙ্গে যাঁর নাম জড়িত তিনি হলেন রাজা ভরত। রাজা ঈলিনের ঔরসে পত্নী রথন্তরীর পুত্র দুষ্মন্ত। দুষ্মন্ত, বিশ্বামিত্রমুনির কন্যা শকুন্তলাকে বিবাহ করেন। শকুন্তলার গর্ভজাত সন্তান ভরত। ভরতরাজার নামানুসারে ভরতবংশীয় রাজারা এবং এই বংশোদ্ভূত পূর্ববর্তী রাজারাও ‘ভারত’ নামে খ্যাত হয়েছিলেন।

read more

 

 

Skip to content