
উত্তরায়ণ ছবির একটি দৃশ্য।
একঝলকে
ছবি : উত্তরায়ণ
ছবির নায়িকা: সাবিত্রী ও সুপ্রিয়া
দ্বৈত ভূমিকায় উত্তম কুমার অভিনীত চরিত্রের নাম : প্রবীর ও রতন
পরিচালনা : অগ্রদূত
প্রেক্ষাগৃহ : উত্তরা, পূরবী ও উজ্জ্বলা
মুক্তির তারিখ : ২৬.০৪.১৯৬৩
১৯৬৩ সালে বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমার এমন এক শিল্পী, যিনি কেবল জনপ্রিয় নায়কই নন, একজন অসাধারণ চরিত্রাভিনেতারূপেও নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। তাঁর অভিনীত বহু চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘উত্তরায়ণ’ একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। এই চলচ্চিত্রে বাণিজ্যিক বিনোদনের পাশাপাশি মানুষের জীবনদর্শন, সম্পর্কের টানাপোড়েন, কর্তব্যবোধ, আত্মসম্মান এবং সময়ের পরিবর্তনের প্রভাব অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটি শুধু একটি পারিবারিক কাহিনি নয়; এটি মানুষের জীবনের এক গভীর দার্শনিক উপলব্ধিরও প্রতিফলন।
‘উত্তরায়ণ’ নামটির মধ্যেই একটি প্রতীকী অর্থ নিহিত রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতিতে ‘উত্তরায়ণ’ মানে সূর্যের উত্তরগমন, যা নতুন আলোর, নতুন আশার এবং আত্মোন্নয়নের প্রতীক। ‘অগ্রদূত’ পরিচালিত এ ছবিতেও এই ভাবনাটি বিভিন্ন চরিত্রের জীবনসংগ্রাম ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
‘উত্তরায়ণ’ নামটির মধ্যেই একটি প্রতীকী অর্থ নিহিত রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতিতে ‘উত্তরায়ণ’ মানে সূর্যের উত্তরগমন, যা নতুন আলোর, নতুন আশার এবং আত্মোন্নয়নের প্রতীক। ‘অগ্রদূত’ পরিচালিত এ ছবিতেও এই ভাবনাটি বিভিন্ন চরিত্রের জীবনসংগ্রাম ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
চলচ্চিত্রের কাহিনি একটি মধ্যবিত্ত শিক্ষিত পরিবারের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। পারিবারিক দায়িত্ব, সামাজিক মূল্যবোধ, ব্যক্তিগত আবেগ এবং আত্মত্যাগ—এই চারটি বিষয় কাহিনির মূল ভিত্তি। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রধান চরিত্র নিজের নৈতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হন না। জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে তিনি উপলব্ধি করেন যে প্রকৃত সাফল্য অর্থ বা প্রতিষ্ঠায় নয়, মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার মধ্যেই নিহিত।
চলচ্চিত্রটি ধীরে ধীরে এগোয় এবং প্রতিটি ঘটনাই চরিত্রগুলির মানসিক বিকাশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। ফলে দর্শক কেবল গল্প দেখেন না, চরিত্রগুলির সুখ-দুঃখও অনুভব করতে পারেন। উত্তম কুমারের অভিনয়, এ ছবির প্রধান আকর্ষণ। তিনি সংযত, স্বাভাবিক এবং বাস্তবধর্মী অভিনয়ের মাধ্যমে চরিত্রটিকে জীবন্ত করে তুলেছেন। তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি, চোখের অভিব্যক্তি এবং নীরবতার ব্যবহার বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।
চলচ্চিত্রটি ধীরে ধীরে এগোয় এবং প্রতিটি ঘটনাই চরিত্রগুলির মানসিক বিকাশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। ফলে দর্শক কেবল গল্প দেখেন না, চরিত্রগুলির সুখ-দুঃখও অনুভব করতে পারেন। উত্তম কুমারের অভিনয়, এ ছবির প্রধান আকর্ষণ। তিনি সংযত, স্বাভাবিক এবং বাস্তবধর্মী অভিনয়ের মাধ্যমে চরিত্রটিকে জীবন্ত করে তুলেছেন। তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি, চোখের অভিব্যক্তি এবং নীরবতার ব্যবহার বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯৫ : নিশীথে

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫৯: মেঠো ইঁদুর

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৭৫ : শেষের খুব কাছে

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১০৪ : ত্রিপুরার রাজপরিবারে সতীদাহ প্রথা /৩
ছবির বিভিন্ন আবেগঘন মুহূর্তে উত্তম কুমার অত্যন্ত সূক্ষ্ম অভিনয়ের পরিচয় দিয়েছেন। কোথাও অতিনাটকীয়তা নেই; বরং সংযমই তাঁর অভিনয়ের প্রধান শক্তি। চরিত্রের অন্তর্দ্বন্দ্ব, হতাশা, আশা, ভালোবাসা এবং আত্মসম্মানের অনুভূতিগুলি তিনি এমনভাবে প্রকাশ করেছেন যে দর্শক সহজেই চরিত্রটির সঙ্গে একাত্ম হয়ে পড়েন।
এই ছবি প্রমাণ করে, উত্তম কুমার কেবল রোমান্টিক নায়ক নন; জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রেও তিনি সমান দক্ষ ছিলেন। অন্যান্য শিল্পীদের অভিনয় প্রসঙ্গে বলা যায়, চলচ্চিত্রের অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাঁদের চরিত্রগুলিকে ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রত্যেকের অভিনয় গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাভাবিক এবং বিশ্বাসযোগ্য।
এই ছবি প্রমাণ করে, উত্তম কুমার কেবল রোমান্টিক নায়ক নন; জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রেও তিনি সমান দক্ষ ছিলেন। অন্যান্য শিল্পীদের অভিনয় প্রসঙ্গে বলা যায়, চলচ্চিত্রের অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাঁদের চরিত্রগুলিকে ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রত্যেকের অভিনয় গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাভাবিক এবং বিশ্বাসযোগ্য।
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৯ : জলসাঘর—অস্তশিখর

আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৭৭: আকাশ এখনও মেঘলা
বিশেষত সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়। এ ছবিতে বাঁধিয়ে রাখার মতো। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় সে কত বড় ডায়নামিক অভিনেত্রী ছিলেন তার প্রতিটি অংশ এ ছবির পরতে পরতে ফুটে উঠেছে। মূল নায়িকার ভূমিকায় সুপ্রিয়া চৌধুরী থাকলেও সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে যেভাবে ছবির কর্তৃপক্ষ কাজে লাগিয়েছেন তা এক কথায় অনবদ্য। পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন কিংবা আবেগঘন মুহূর্তে তাঁদের অভিনয় ছবিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে।
ছবিটির পরিচালনা নিয়ে বলা যায়, পরিচালকের অন্যতম সাফল্য হল অত্যন্ত সাধারণ একটি গল্পকে গভীর মানবিক আবেগের মাধ্যমে অসাধারণ করে তোলা। কোথাও অপ্রয়োজনীয় নাটকীয়তা বা অতিরঞ্জন নেই। প্রতিটি দৃশ্য গল্পের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। চরিত্র নির্মাণ, দৃশ্য বিন্যাস এবং আবহ সৃষ্টিতে পরিচালকের দক্ষতা স্পষ্ট। বিশেষত নীরব দৃশ্যগুলিতে আবেগ প্রকাশের যে ক্ষমতা তিনি দেখিয়েছেন, তা ছবিটিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ছবিটির পরিচালনা নিয়ে বলা যায়, পরিচালকের অন্যতম সাফল্য হল অত্যন্ত সাধারণ একটি গল্পকে গভীর মানবিক আবেগের মাধ্যমে অসাধারণ করে তোলা। কোথাও অপ্রয়োজনীয় নাটকীয়তা বা অতিরঞ্জন নেই। প্রতিটি দৃশ্য গল্পের গতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। চরিত্র নির্মাণ, দৃশ্য বিন্যাস এবং আবহ সৃষ্টিতে পরিচালকের দক্ষতা স্পষ্ট। বিশেষত নীরব দৃশ্যগুলিতে আবেগ প্রকাশের যে ক্ষমতা তিনি দেখিয়েছেন, তা ছবিটিকে আরও শক্তিশালী করেছে।

ছবিটির চিত্রনাট্য, সুসংহত ও বাস্তবসম্মত। গল্পের প্রতিটি মোড় যুক্তিযুক্ত এবং চরিত্রের বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংলাপগুলি সাহিত্যিক হলেও কৃত্রিম নয়। প্রতিটি সংলাপ চরিত্রের মানসিক অবস্থাকে প্রকাশ করে এবং গল্পকে সমৃদ্ধ করে।
সংগীত ও আবহসংগীত হল ছবিটির প্রাণকেন্দ্র। চলচ্চিত্রের সংগীত ছবির আবেগকে আরও গভীর করেছে। গানগুলির ব্যবহার কাহিনির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কোথাও জোর করে সংযোজন করা হয়েছে বলে মনে হয় না। আবহসংগীতও দৃশ্যের আবেগকে যথাযথভাবে প্রকাশ করেছে।
সংগীত ও আবহসংগীত হল ছবিটির প্রাণকেন্দ্র। চলচ্চিত্রের সংগীত ছবির আবেগকে আরও গভীর করেছে। গানগুলির ব্যবহার কাহিনির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কোথাও জোর করে সংযোজন করা হয়েছে বলে মনে হয় না। আবহসংগীতও দৃশ্যের আবেগকে যথাযথভাবে প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৬৭: রাজসূয়যজ্ঞ কী শুধু একচ্ছত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী? না স্বতঃস্ফূর্ত গণসমর্থনলাভের উদ্যোগ?

সরস্বতীর লীলাকমল, পর্ব-৩৮: নন্দিতা কৃপালনি— বিশ শতকের বিদুষী
চিত্রগ্রহণ ব্যাপারেও একই কথা বলা যায়। চিত্রগ্রহণ ছবির অন্যতম শক্তিশালী দিক। আলোর ব্যবহার, ক্যামেরার কোণ এবং দৃশ্য বিন্যাস অত্যন্ত নান্দনিক। পারিবারিক পরিবেশ, প্রকৃতির দৃশ্য এবং চরিত্রগুলির মানসিক অবস্থাকে ক্যামেরা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। ছবিটির সম্পাদনা সংযত ও পরিমিত। অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘতা নেই। দৃশ্যান্তর স্বাভাবিক এবং গল্পের গতি বজায় রেখেছে। ফলে দর্শকের আগ্রহ শেষ পর্যন্ত অটুট থাকে।
এরপর আসা যাক সামাজিক তাৎপর্য প্রসঙ্গে। ‘উত্তরায়ণ’ কেবল একটি পারিবারিক চলচ্চিত্র নয়; এটি সমাজের পরিবর্তিত মূল্যবোধেরও প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখানো হয়েছে—
● পরিবারে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার গুরুত্ব।
● আত্মসম্মান ও সততার মূল্য।
● ব্যক্তিগত সুখের চেয়ে বৃহত্তর দায়িত্ববোধের প্রয়োজন।
● অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের ফলে মানুষের সম্পর্কের পরিবর্তন।
● মানবিক মূল্যবোধই জীবনের প্রকৃত সম্পদ।
এরপর আসা যাক সামাজিক তাৎপর্য প্রসঙ্গে। ‘উত্তরায়ণ’ কেবল একটি পারিবারিক চলচ্চিত্র নয়; এটি সমাজের পরিবর্তিত মূল্যবোধেরও প্রতিচ্ছবি। ছবিতে দেখানো হয়েছে—
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৫: পদ বা ক্ষমতা পেলেই কি ভিতরের স্বভাব বদলে যায়? পঞ্চতন্ত্রের অমোঘ শিক্ষা
এই বিষয়গুলি আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ছবিটির প্রতীকী তাৎপর্যও ভেবে দেখার মতো। ‘উত্তরায়ণ’ শব্দটি যেমন সূর্যের উত্তরগমনকে নির্দেশ করে, তেমনি ছবিতে এটি মানুষের মানসিক উন্নতি, আত্মশুদ্ধি এবং নতুন জীবনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। চরিত্রগুলির জীবনের সংকট শেষে যে আত্মউপলব্ধি আসে, সেটিই প্রকৃত ‘উত্তরায়ণ’।
এবার আসি চলচ্চিত্রটির সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে। বর্তমান সময়ের দর্শকের কাছে ছবির গতি কিছুটা ধীর বলে মনে হতে পারে। আধুনিক সিনেমার তুলনায় এর বর্ণনাভঙ্গি অনেক বেশি সংযত এবং সংলাপনির্ভর। তবে এই ধীরগতিই ছবির আবেগ ও গভীরতাকে সমৃদ্ধ করেছে।
এবার আসি চলচ্চিত্রটির সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে। বর্তমান সময়ের দর্শকের কাছে ছবির গতি কিছুটা ধীর বলে মনে হতে পারে। আধুনিক সিনেমার তুলনায় এর বর্ণনাভঙ্গি অনেক বেশি সংযত এবং সংলাপনির্ভর। তবে এই ধীরগতিই ছবির আবেগ ও গভীরতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

সুতরাং ‘উত্তরায়ণ’ বাংলা চলচ্চিত্রের এক মূল্যবান সম্পদ। এটি কেবল উত্তম কুমারের অভিনয়শৈলীর উজ্জ্বল নিদর্শন নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং জীবনদর্শনের এক গভীর শিল্পরূপ। সংযত অভিনয়, পরিমিত চিত্রনাট্য, দক্ষ পরিচালনা এবং অর্থবহ বিষয়বস্তুর জন্য ছবিটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
উত্তম কুমারের অভিনয় এই ছবিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তাঁর চরিত্রের মাধ্যমে দর্শক উপলব্ধি করেন যে জীবনের প্রকৃত জয় বাহ্যিক সাফল্যে নয়, সততা, দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা এবং আত্মসম্মান রক্ষার মধ্যেই নিহিত। তাই “উত্তরায়ণ” আজও কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং মানুষের জীবন ও মূল্যবোধের এক অনন্ত যাত্রার শিল্পসম্মত দলিল।—চলবে।
উত্তম কুমারের অভিনয় এই ছবিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তাঁর চরিত্রের মাধ্যমে দর্শক উপলব্ধি করেন যে জীবনের প্রকৃত জয় বাহ্যিক সাফল্যে নয়, সততা, দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা এবং আত্মসম্মান রক্ষার মধ্যেই নিহিত। তাই “উত্তরায়ণ” আজও কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং মানুষের জীবন ও মূল্যবোধের এক অনন্ত যাত্রার শিল্পসম্মত দলিল।—চলবে।
* উত্তম কথাচিত্র (Uttam Kumar–Mahanayak–Actor) : ড. সুশান্তকুমার বাগ (Sushanta Kumar Bag), অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, মহারানি কাশীশ্বরী কলেজ, কলকাতা।


















