রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ২৯.২ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাত পারদ ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা প্রায় স্বাভাবিক।
রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ২৯.২ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাত পারদ ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা প্রায় স্বাভাবিক।
দুলাল ইউনিয়নের কাজ থাকে তাই সে এক ঘণ্টা আগে অফিসে যায় আর এক-দেড়ঘণ্টা পরে অফিস থেকে বের হয়। আগে বাজারহাটের চাপ থাকতো তাই অসুবিধে হত। কিন্তু তৃপ্তি আসার পর বাড়ির বাজার-দোকানের সব ঝামেলা সেই সামলায়। আর সেটাতেই খুব সুবিধে হল স্নিগ্ধার। বিকেলের দিকটা এসে পার্লারে এসেছিল। হঠাৎ তৃপ্তিকে দেখে স্নিগ্ধার মন আনন্দে নেচে উঠল।
কবি জীবনানন্দ দাশের এ স্বপ্ন মনে হয় আজ বাংলার সমস্ত প্রকৃতিপ্রেমিক, সমস্ত পক্ষিপ্রেমিকের স্বপ্ন। কারণ এই শস্যশ্যামলা বঙ্গভূমির সুনীল আকাশ থেকে শঙ্খচিলেরা মনে হয় সত্যিই হারিয়ে গিয়েছে। তাই পরজন্মে শঙ্খচিল হয়ে ফিরতে পারলে কী ভালোই না হত! আমাদের সুন্দরবন অঞ্চলে খুব ছোটো বেলা এদের দেখেছি। আজকাল আর দেখতে পাই না। ‘Chill’ হয়ে গিয়েছে চিলেদের আকাশ! তাই ওরা এখন আমার কাছে মন খারাপ করা কিছু স্মৃতি ছাড়া আর কিছু নয়।
সকাল থেকেই পিশাচপাহাড় হেলথ-সেন্টারে আজ অস্বাভাবিক রকম ভিড়। এমনিতে হেলথ্-সেন্টারটি মাছি তাড়ালেও, বছরে মাঝেমধ্যে এইরকম দিন আসে। কারণটিও জানা গেল, চার্চের হাসপাতালের দু’জন ডাক্তার হঠাৎ করে ছুটি নেওয়ায় সেখানে আজ খুব চাপ। অনেককে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দু’দিন পরে আসতে বলে। গরিব-গুর্বো মানুষ সব। অনেক কষ্টে কাজটাজে না গিয়ে একদিন নষ্ট করে এসেছে ডাক্তার দেখাবে বলে, এখন চার্চের হাসপাতাল হাত গুটিয়ে নিলে তারাই বা যায় কোথায়? সে-কারণেই তারা হেলথ্-সেন্টারে এসে ভিড় জমিয়েছে। আশেপাশে জটলা করে বসে আছে সব। গোবিন্দ সকলকে এক-একটা টোকেন...
আমাদের মুখে প্রায় ৪৩ রকমের পেশি রয়েছে। শরীরের মেদ ঝরাতে জিমে গিয়ে যেমন শরীরচর্চা করেন অনেকে, তেমন মুখের জন্যও অত্যন্ত দরকার ব্যায়ামের। মুখের অবাঞ্ছিত দাগ, বলিরেখা দূর করতে অনেকেই বোটক্সের মতো সার্জিক্যাল বিউটি ট্রিটমেন্ট পড়ে থাকেন পার্লারে গিয়ে। অথচ তার বদলে প্রতিদিন যদি দিনে দু’বার করে মিনিট দশেকের ব্যায়াম আমরা বাড়িতে করতে পারি তাহলে এর সুদূরপ্রসারী ফল পাওয়া যাবে হাতেনাতে।
এসি বা এয়ার কুলার দীর্ঘ সময় না চালিয়েও ঘর ঠান্ডা রাখা যায়। বিশেষ করে দুপুরে যখন তাপমাত্রার পারদ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে, সেই সময়ে কোন কোন কৌশলে ঘর ঠান্ডা রাখবেন জেনে নিন।
ত্রিপুরার রাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য তাঁর পূর্বপুরুষদের মতোই ছিলেন শিক্ষা ও সংস্কৃতির গভীর অনুরাগী। রাজ্যে শিক্ষা বিস্তারে তিনি যেমন বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তেমনই সাহিত্য সংস্কৃতিরও উদার পৃষ্ঠপোষকতা করে গিয়েছেন এই রাজা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘ভারত ভাস্কর’ উপাধি দিয়েছিলেন তিনি। কলকাতায় রবীন্দ্র মেলার উদ্বোধন করেছেন বীরবিক্রম। কবির অনুরোধে শান্তিনিকেতন সফরও করেছেন তিনি।
পাথরের সিঁড়ি বেয়ে খানিকটা উঠতে হবে। কটেজের পাশে সবুজ ঘাসের লন। নানারকম ফুলে ভরা। তাদের বেশ কিছুরই নাম জানা নেই। দরজার পাশেও ফুলের গাছ। সবাই যেন এসো এসো বলে ডাকছে। পুরোনো আমলের দরজা। ভিতরে ঢুকে তো অবাক। কে যেন যত্নে আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে সবকিছু। পুরোনো আমলের ফার্নিচার, দেওয়ালে পুরোনো মাদ্রাজের পেনসিল স্কেচ ছবি ফ্রেম করে বাঁধানো, পুরোনো আমলের ল্যাম্প। ফায়ারপ্লেসও রয়েছে।
এই বিষয়ে বলতে গিয়ে ভিজিল্যান্স-এর এক পরিচিত সহৃদয় অফিসারের কাছে ধমক খেয়েছে অমলেন্দু! —দেখুন মিঃ পাল, এর আগে টিকিট কাউন্টারের কেসে রুলস অনুযায়ী আপনার বিরুদ্ধে স্টেপ নেওয়া হয়েছিল, ইনক্রিমেন্ট প্রমোশন বন্ধ হয়েছিল, ডিপার্টর্মেন্ট বদলে দেওয়া হয়েছিল! কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে জানি, আপনি নিজে এই টাকা তছরুপ করেননি। দোষের মধ্যে কাজে ফাঁকি দিয়ে আগে পালাতেন পরের দিন এসে ব্যাকডেটে সই করে ফেঁসে গিয়েছিলেন! যে জন্য ইউনিয়ন আপনাকে সাপোর্ট করেছিল এবং আপনার পানিশমেন্ট কিছুটা কমানো হয়েছিল। এবারেও কিন্তু আপনি সেই একই ভুল করতে...
১৩৩৯ সালের দোলপূর্ণিমায় আবির খেলার সময় কোনও ছেলের অসাবধানতার জন্য সুরমাদেবীর কানের ঠিক পিছনে রঙের ঘটির আঘাত লাগে। তিনি জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান। তাঁর কান দিয়ে দু’একদিন জল পড়ার পর পুঁজরক্ত পড়তে আরম্ভ করল। আর এর ঘা মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় রাতের মধ্যেই একটা কিছু হয়ে যাবে, ডাক্তার এরূপ নিশ্চিত অভিমত দিয়ে চলে গেলেন। সেই রাতে সুরমাদেবী ক্রমাগত ভুল বকতে লাগলেন। হঠাৎ বলে উঠলেন যে, তাঁর ঘাড়ের উপর কে বসল? ‘আমি কি এত ভার সইতে পারি? আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্চে, শিগ্গির আলো জ্বাল, দেখি’। তারপরই প্রকৃতিস্থ হয়ে...
ভরতের প্রস্তাবিত অযোধ্যার রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকার স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিলেন রাম। পিতৃসত্য রক্ষাই এখন তাঁর বিবেচনায় প্রথম ও প্রধান কাজ, তুলনায় অযোধ্যার রাজসিংহাসন তুচ্ছ। তাঁর মতে, ভরতের উচিত কাজ, অযোধ্যায় ফিরে গিয়ে পিতৃদত্ত রাজ্যের প্রজানুরঞ্জন। দণ্ডকারণ্যে অরণ্যবাসে রামের কোনও খেদ নেই, ভরতের মাথার ওপরে থাক রাজছত্র। তুলনায় বিজন অরণ্যের নিবিড় বনের ছায়ার আশ্রয়, এখন রামের প্রিয়।
যেভাবে একজন অভিজ্ঞলোক ঘাটে নেমে গভীর জলের মধ্যেও তল খুঁজে পান তেমনই ভাবে গুপ্তচরেরাও মন্ত্রী-প্রভৃতি আঠেরো প্রকার তীর্থদের মধ্যে নিজের একটা জায়গা করে নিয়ে সকলের সঙ্গে মিলেমিশে শত্রুরাজার কাজকর্ম সম্পর্কে খবর জোগাড় করে আনতে পারেন। বৃদ্ধমন্ত্রী স্থিরজীবীর কথা শুনে মেঘবর্ণ বললেন, হে তাত! দয়া করে বলবেন আমাদের এই কাক-সমাজের সঙ্গে উলূক-সমাজের এইরকম প্রাণঘাতী শত্রুতার কারণ কী?
সম্ভ্রান্ত পরিবারের নারী-পুরুষেরা থুরিয়া দুল কানে পরেন। কিংকিনি নামক হারে ফুলের নকশা দেখা যায়। অসমের এই নিজস্ব শৈলীর গয়নাগুলিতে উজ্জ্বল লাল, দামি পাথর, রুবি বা মিনা ব্যবহার করা হয়। সোনার গয়নার উপর সবুজ, লাল বা কালো পাথরের কারুকার্যের জন্য এই সব গয়না খুবই রঙিন এবং জীবন্ত হয়ে উঠে।
গল্পসাহিত্যে কাককে নিয়ে নানা বিচিত্র আখ্যান আছে। গল্পসাহিত্যের আঙ্গিকে কাক সেই সব মানুষের প্রতিনিধি যারা চতুর অথবা বোকাও বটে। কখনও কখনও কাক বুদ্ধিমান, জলের কলসি থেকে জল খেতে পারে। কখনও আত্মশ্লাঘায় ভরপুর, লেজে ময়ূরপুচ্ছ জুড়ে ময়ূর হতে চায়, কখনও নেহাত বোকা, শেয়ালের চালাকিতে ভুলে গান গাইতে গিয়ে মাংসের টুকরোটা হারায়। কখনও কোকিল তাকে ঠকিয়ে যায়।
এখনও দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢোকেনি। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস চলতি সপ্তাহেই আবার কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে অসহনীয় গরমও থাকবে। কলকাতায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। সোমবার এবং মঙ্গলবার কলকাতায় বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শুকনো আবহাওয়া থাকবে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়াতে। আবার বুধবার থেকে এই সব জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বুধবার...