শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

(বাঁদিকে) শিকারের অপেক্ষায় শিকরে বাজ। ছবি: লেখক। (ডান দিকে) বাসায় শিকরে বাজ। ছবি: সংগৃহীত।

সে প্রায় আজ থেকে তিন-চার দশক আগেকার কথা। আমাদের সুন্দরবন অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে সেই সময় মুরগি পোষার চল ছিল। অবশ্যই দেশি মুরগি। মোরগও থাকত। তবে মুরগির তুলনায় সংখ্যায় কম। আসলে প্রজননের জন্য একটা-দুটো মোরগ রেখে বাদবাকি মোরগ মানুষের উদরস্থ হত। মোরগ-মুরগিগুলো সারাদিন খামারে, বাগানে বা মাঠে ঘুরে ঘুরে খেত। আর সন্ধ্যে হলে বাঁশের বাখারি দিয়ে তৈরি বাড়ির লাগোয়া আস্তানায় ফিরে আসত। অবশ্য মাঝে মাঝেই দু’একটা মোরগ-মুরগি শেয়াল ও খাটাশের পেটেও যেত। তখন সামান্য হা-হুতাশ করা ছাড়া আর বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার উপায় ছিল না। সাধারণত শীতকাল এলে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তোলা হত। মুরগি নড়াচড়া বন্ধ করে তার খাঁচায় বসে পালক ফুলিয়ে কোঁক কোঁক আওয়াজ করতে থাকলে বোঝা যেত সে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটাতে প্রস্তুত। তারপর একটা ঝুড়িতে দশ-বারোটা ডিম খড়ের উপর রেখে মুরগিটাকে বসিয়ে দিলেই হল। একুশ-বাইশ দিন পর ডিম ফুটে বেরিয়ে আসত তুলতুলে বাচ্চা।
মা মুরগি লাল-কালো নরম লোমের মতো পালকে ঢাকা বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরে ঘুরে খাবার খেত। বাচ্চাগুলোও মায়ের পিছনে পিছনে কিচ-মিচ শব্দ করতে করতে ঘুরে ঘুরে খাবার খাওয়া শিখত। এই সময় আমাদের, মানে বাড়ির ছোটোদের, কাজ ছিল বাচ্চাকে পাহারা দেওয়া। কিন্তু তার মাঝেও কোথায় যে বাজপাখি বা চিল কোনও গাছের পাতার আড়ালে ঘাপটি মেরে বসে আছে বাচ্চাদের তাক করে তা বোঝা যেত না। বুঝতাম, যখন বিদ্যুতের ক্ষিপ্রতায় ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে যেত একটা বাচ্চা। আর তারপর মৃত্যুপথযাত্রী বাচ্চাটার আর্ত চিৎকার আকাশে মিলিয়ে যেতে বেশি সময় লাগত না। তবে সেদিন আর নেই। এখন দেশি মুরগি বাড়িতে পোষে এমন গৃহস্থ প্রায় নেই বললেই চলে। নীল আকাশের বুকে বাজ-চিলদের প্রসারিত ডানা স্থিরভাবে মেলে রেখে উড়তেও আর দেখি না।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১০৫: গাঙচিল

মুভি রিভিউ: সত্যিই তো, সবার নিজের নিজের মতো করে সবটাই নর্মাল

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২১: মহারাজ অফ শান্তিনিকেতন

শিকারি পাখিদের মধ্যে বুদ্ধিতে ও দক্ষতায় বাজপাখি সবার সেরা। আমাদের সুন্দরবনে দুই ধরণের বাজপাখি দেখা যায়। এদের মধ্যে একটির বিজ্ঞানসম্মত নাম হল ‘Falco peregrinus peregrinator’। হিন্দিভাষীরা বলেন শাহী। বাংলাতে কেউ কেউ এদের বলেন শাবাজ। আর অপরটি হল শিকরে বাজ, বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Accipiter badius’।

আকারে শাবাজ একটা দাঁড়কাকের সমান। কাঁধ বেশ চওড়া, শরীর গাঁট্টাগোট্টা, আর তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি। অন্য পাখিদের তুলনায় এদের অক্ষিগোলক মনে হয় এজন্যই বেশ বড়ো। এদের পিঠের দিকের রং শ্লেটের মতো। মাথা আর মুখের দু’পাশের রং কালো। শরীরের নীচের দিকের রং লালচে-বাদামি এবং তার উপর খুব সরু কালো ডোরা। গলার রং সাদা। ডানাদুটো বেশ লম্বা আর ছুঁচালো। ডানার প্রান্ত কালো, আর তলার রং লালচে-বাদামি। সরু ও লম্বা লেজের প্রান্তে আছে সাদা রঙের ব্যান্ড। পায়ে আছে সুতীক্ষ্ণ নখর। পায়ের রং হলুদ হলেও নখর কালো। কালো রঙের চঞ্চুও খুব তীক্ষ্ণ ও উপরের চঞ্চু নীচের দিকে বাঁকা।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২০: একেজি কলিং

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১০৪: মা সারদার নিত্যলীলা

শাবাজ দেখা যায় পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব মায়ানমার ও দক্ষিণ-পূর্ব চিনে। সুন্দরবন-সহ উপকূলীয় অঞ্চলে এরা স্থায়ী বাসিন্দা। এমনকি জনবহুল অঞ্চলেও থাকে। এরা কোনও উঁচু জায়গায় একা বা জোড়ায় জোড়ায় বসে শিকারের সন্ধানে চারপাশে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখে। ছোট ছোট পাখিরাই প্রধাণত এদের খাবার। তবে টিকটিকি, গিরগিটি, সাপ, ইঁদুর, খরগোশ, পতঙ্গ ইত্যাদিও খায়। খুব দ্রুত গতিতে, ২০০ মাইল প্রতি ঘণ্টায় উড়তে পারে এরা। লম্বা ডানা দুটো দ্রুত কয়েকবার ঝাপটে তারপর দু’ডানা প্রসারিত করে অনেকক্ষণ বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।

শাবাজ শিকার দেখলেই তীব্রবেগে ঝাঁপিয়ে পড়ে তীক্ষ্ণ নখর দিয়ে শিকারকে গেঁথে ফেলে। তারপর কোনও উঁচু গাছের ডালে বা পাহাড়চূড়ায় বসে পালক ছাড়িয়ে খাওয়াদাওয়ার পর্ব সাঙ্গ করে। শিকার করে ফিরে এসে বসার পর যদি দেখে যে শিকার তখনও জীবিত তাহলে সূচালো চঞ্চু তার ঘাড়ের কাছে গেঁথে দিয়ে সুষুম্নাকাণ্ড ছিঁড়ে দেয়। এভাবেই শিকারের মৃত্যু নিশ্চিত করে তবেই সে আহারে বসে। এরা হাঁস-মুরগির বাচ্চা শিকার করতে ওস্তাদ। শাবাজের ডাক খুব জোরালো—‘ক্যাঁ-ক্যাঁ-ক্যাঁ’ করে ডাকে। এই ডাক অনেক দূর থেকে শোনা যায়।
কলকাতায় বৃষ্টি

(বাঁদিকে) সুন্দরবনের সংরক্ষিত অরণ্যে শাবাজ। (ডান দিকে) সুন্দরবনে শাবাজ। ছবি: সংগৃহীত।

শাবাজদের প্রজনন হয় ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে। সাধারণত স্ত্রী-পুরুষ জুটি স্থায়ী হয় আজীবন। এরা বাসা বাঁধে না। পাহাড়ের গায়ে কোনও ফাটল বা গাছের কোটর বেছে নেয় প্রজননস্থল হিসেবে। সাম্প্রতিককালে উঁচু বাড়ি বা মোবাইলের টাওয়ারকেও প্রজননস্থল হিসেবে বেছে নিচ্ছে। প্রজনন ঋতুতে স্ত্রী-পুরুষ বাজ বাসার কাছে আকাশে ডিগবাজি দিতে দিতে নানারকম কসরৎ দেখায়। কখনও একে অন্যকে তাড়া করে ঘাড়ের উপর লাফায়।

স্ত্রী শাবাজ লালচে-বাদামি ছোপযুক্ত হালকা ইঁটরঙা ৩-৪টে ডিম পাড়ে। স্ত্রী ও পুরুষ শাবাজ পালা করে তা দেয়। এই সময় এরা খুব সাহসী হয়ে ওঠে। বাসার কাছে অন্য কোনও পাখি দেখলে তেড়ে যায়। মা শাবাজ ডিমে তা দেওয়া শুরু করার ৩২ থেকে ৩৪ দিন পর বাচ্চা বেরিয়ে আসে। বাবা শাবাজও মাঝে মাঝে ডিমে তা দেয়। বাচ্চা জন্মানোর পর প্রথম ৬-৭ দিন মা শাবাজ বাচ্চাকে পাহারা দেয়, আর বাবা শাবাজ খাবার শিকার করে আনে। তারপর মা শাবাজ সেই খাবার বাচ্চাদের খাওয়ায়।
আরও পড়ুন:

পর্দার আড়ালে, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-৪: রিলেটিভিটি ও বিরিঞ্চিবাবা

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬০: পাহাড়ের চূড়ায় বসে দেখলাম হিমবাহের সেই অপরূপ শোভা

শিকরে বাজ এবার বলি দ্বিতীয় বাজের কথা। এদের আকার আগে বলা শাবাজের চেয়ে ছোট হলে কি হবে, শিকারের বেলা ওদের চেয়ে বেশি দক্ষ। সেজন্য বাংলায় বলে শিকরে বাজ, আর হিন্দিতে শিকরা। শাবাজ আর আমুর বাজের জ্ঞাতি নয় শিকরে বাজ। আর এদের অপেক্ষাকৃত বেশিই পাওয়া যায় ভারতীয় উপমহাদেশে। ছোটবেলা থেকে সুন্দরবন এলাকায় এদের যথেষ্ট দেখে আসছি। তাই ‘IUCN’-এর লালতালিকায় এরা তেমন বিপন্ন নয় (Least concern) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদের সাইজ পায়রার মতো, ২৫-৪৫ সেমি লম্বা। ওজন হয় ১০০-২৫০ গ্রাম। স্ত্রী শিকরে বাজের আকার অন্য দু’প্রকার বাজের মতোই পুরুষের থেকে সামান্য বড়। এদের ডানা ছোট ও গোল, কিন্তু লেজ সরু ও লম্বা। এদের পিঠের রং ছাই রঙা নীলচে ধূসর। পেটের নিচের দিকে সাদার উপর লালচে বাদামি ডোরা দাগ আছে। ডানার প্রান্ত কালো, আর লেজের উপর আছে চওড়া কালো দাগ। শিকরে বাজের ঊরুর রঙ সাদা। চোখ দেখে এদের স্ত্রী-পুরুষ চেনা যায়। স্ত্রী শিকরে বাজের চোখের কণীনিকার (Iris) রঙ হলুদ, আর পুরুষদের লাল। গাছের পাতার আড়াল থেকে এদের দু’রকম ডাক শোনা যায়। হালকা স্বরে যখন ডাকে তখন ‘পি-উই পি-উই’, আর জোরে জোরে যখন ডাকে তখন ‘কিক-কি কিক-কি’ শব্দে ডাকে। লোকালয়ে বা কাছাকাছি জঙ্গলে গাছপালার মধ্যে এদের সাধারণত জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮২: যে রাজাকে দেখলে প্রজারা ভয় পান, সেই রাজা ভালো প্রশাসক হতে পারেন না

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২০: সত্য ও ন্যায় পরস্পরের সম্পূর্ণ বিরোধী নয়, তবে? ঔজ্জ্বল্য বেশি কার?

শিকরে বাজ সাধারণত টিকটিকি, ব্যাঙ, ইঁদুর, কাঠবিড়ালি, পঙ্গপাল, ছোটো পাখি, চামচিকে ইত্যাদি শিকার করে। কখনও কখনও ছাতারে, ঘুঘু, চড়ুই ইত্যাদি পাখিকেও হঠাৎ আক্রমণ করে। শিকার আত্মরক্ষার একটুও সুযোগ পায় না। মুরগির বাচ্চা ছোঁ মেরে শিকার করতে এরা ওস্তাদ। নিজের বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য মুরগির বাচ্চা বা অন্য পাখির বাচ্চা এদের প্রথম পছন্দ। এরা ঝাঁকড়া পাতাওয়ালা গাছের আড়ালে শিকারের অপেক্ষায় ওৎ পেতে থাকে। তারপর শিকার দেখলেই আচমকা বিদ্যুৎবেগে ঝাঁপিয়ে পড়ে শিকারের উপর। খাওয়ার আগে ধারালো চঞ্চু দিয়ে শিকরে বাজ তার শিকারকে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে দেয়।

প্রজনন ঋতুতে স্ত্রী ও পুরুষ শিকরে বাজ খুব ডাকাডাকি করে। মাঝে মাঝে একে অন্যকে তাড়া করতেও দেখা যায়। এরা পাতাবহুল গাছের মাথায় শুকনো কাঠি দিয়ে কাকদের মতো বাসা বানায়। বাসার উপরে দেয় ঘাসের আস্তরণ। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ে মিলেই বাসা বানায়। মার্চ থেকে এপ্রিল হল এদের প্রজনন ঋতু। স্ত্রী শিকরে বাজ বাসায় ৩-৪ টি নীলচে-সাদা রঙের ডিম পাড়ে। ১৮-২০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোয়।

বাজপাখি কিন্তু পোষ মানে। পোষা বাজপাখিকে ঠিকমত ট্রেনিং দিয়ে অন্য পাখি শিকারের কাজে লাগানো যায় বা খেলা দেখানো যায়। ভারত আর মধ্যপ্রাচ্যে এই বাজপাখি পোষ মানানো শুরু হয় বহুকাল আগে। পরে তা অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে।
কলকাতায় বৃষ্টি

(বাঁদিকে) শিকরে বাজের শিকার। (ডান দিকে) উড়ন্ত শাবাজ। ছবি: সংগৃহীত।

বাজপাখি নিয়ে পুরাণে নানা কাহিনি আছে। স্বর্গের দেবতারা বাজপাখির রূপ ধরে যুদ্ধ করত বা রাজাদের সততা পরীক্ষা করত। খ্রিস্টের জন্মের ২২০০ বছর আগে চিনের হিয়াং রাজত্বে বাজপাখিকে রাজ-উপহারের মর্যাদা দেওয়া হত। অ্যারিস্টটলের লেখাতেও জানা যায় যে ইউরোপেও বাজপাখির খেলা খুব জনপ্রিয় ছিল। চতুর্দশ শতকে অষ্টম এডওয়ার্ডের রাজত্বকালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোনও বাজপাখি চুরির শাস্তি ছিল মৃত্যুদন্ড। কোনও কোনও দেশে বাজপাখিকে সূর্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়।

বাজপাখির সংখ্যা ভারতসহ সব দেশেই এখন খুব কমে গেছে। আমাদের সুন্দরবন এলাকায় শিকরে বাজ এখনও দেখা গেলেও শাবাজ কদাচিৎ দেখা যায়। এদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাওয়ার কারণ কৃষিজমিতে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার। এরা কীটনাশকে মৃত মাছ বা আর্সেনিকযুক্ত বিষ প্রয়োগে মৃত ইঁদুর খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে বা বন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে। শিকরে বাজের সংখ্যাও আগের চেয়ে যথেষ্ট কমেছে।

বাজেরা কিন্তু পাখি হিসেবে মোটেই বাজে নয়। বাস্তুতন্ত্রে সর্বোচ্চ খাদকদের গুরুত্ব সবসময় সর্বাধিক। আর বাজেরা হল বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যশৃংখলের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি। সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খলে তাই বাজপাখিদের গুরুত্ব অপরিসীম। আর তাই এদের বিলুপ্তি মানেই সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের অপূরণীয় ক্ষতি। আমাদের এখনই সচেতন না হলে কিছুদিনের মধ্যেই কিন্তু বাজদের ঠাঁই হবে কেবল বইয়ের পাতায়। —চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content