পরশপাথর কিংবা শাখাপ্রশাখার প্রসঙ্গে নৈতিকতার প্রশ্ন উঠল যখন, তখন আরেকটি দৃশ্য দেখা যাক। দেখা যেতে পারতো জন-অরণ্য, দ্য মিডলম্যান, অথবা ঘরেবাইরে কিংবা নির্বাক ছবি ‘টু’, অথবা ‘সদগতি’ কিংবা অন্য কিছু। কিন্তু আজ আমরা বেছে নিলাম ‘মহাপুরুষ’।
পরশপাথর কিংবা শাখাপ্রশাখার প্রসঙ্গে নৈতিকতার প্রশ্ন উঠল যখন, তখন আরেকটি দৃশ্য দেখা যাক। দেখা যেতে পারতো জন-অরণ্য, দ্য মিডলম্যান, অথবা ঘরেবাইরে কিংবা নির্বাক ছবি ‘টু’, অথবা ‘সদগতি’ কিংবা অন্য কিছু। কিন্তু আজ আমরা বেছে নিলাম ‘মহাপুরুষ’।
আজকাল কথায় কথায় বডিশেমিং নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া শশব্যস্ত। সেকালে এসবের বালাই ছিল না তাই কালো, বেঁটে, মোটা, কানা, অন্ধ, খোঁড়া, ল্যাংড়া এসব প্রায়শই বলা হতো। কিন্তু সেটা সামাজিক অন্যায় ছিল। গায়ের রং, চেহারার গড়ন বা অঙ্গহানি তো কারো স্ব-ইচ্ছায় হয় না! কিন্তু বদভ্যেস! বিশ্রিভাবে হাসা, চিৎকার করে কথা বলা, কথার সময় থুতু ছিটকে পড়া, নাক-কান খোঁটা এগুলোতে সহবৎ শিক্ষার অভাব। দেরিতে হলেও শুধরানো যায়, ভালো অভ্যাস রপ্ত করা যায়!
গাঙচিলদের প্রিয় খাদ্য হল মাছ, চিংড়ি ও মাছের পরিত্যক্ত অংশ। অবশ্য এগুলো হল ওদের শীতকালের খাবার। প্রজনন ঋতুতে ওরা এসব খাবার ছাড়াও পোকামাকড়, শুয়োপোকা, ইঁদুর, শামুক, ঝিনুক, কেঁচো ইত্যাদি খায়। সমুদ্রের বেলাভূমি ও নদীর মোহনা ছাড়াও এদের কৃষিজমিতেও দেখা যায় জানা গেছে। চাষের সময় মাঠে উঠে আসা নানা পোকামাকড় বা কৃষিজমিতে জমা জলে মাছ, চিংড়ি ইত্যাদিও খায়। অবশ্য কৃষিজমিতে গাঙচিলদের আমি কখনও দেখিনি।
শাক্য চুপচাপ বাইরের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসেছিল। তার চোখে রোদচশমা, বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই সে জেগে না ঘুমিয়ে, কোন্দিকে বা কার দিকে তাকিয়ে আছে—তাও বোঝার উপায় নেই। সুদীপ্ত মোবাইলে বউকে মেসেজ পাঠাচ্ছিলো। ক্রমেই দাম্পত্যটা গোলমেলে জায়গায় চলে যাচ্ছে। কবে যে তারা দুজনে একটু একত্রে থাকতে পারবে, সেটাই এই মুহূর্তে বিলিয়ন ডলার প্রশ্ন।
ইতিমধ্যে নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। আর এর প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় লাগাতার বৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। মাঝে দু’দিন বৃষ্টি হয়নি। তবে রবিবার থেকে আবার দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হবে কলকাতাও। আগামী সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের মোট ৯টি জেলায় ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
নানা কারণে কম বয়সেই, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যেতে পারে। কোন তিন উপায় মেনে চললে ত্বক হবে জেল্লাদার? শুনুন কী বলছেন পুষ্টিবিদ।
রাজ্য সরকারের চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বা কলকাতা হাই কোর্ট যতদিন না পরবর্তী নির্দেশ দিচ্ছে ততদিন পর্যন্ত ভাতা দিতে পারবে না রাজ্য। এমনটাই জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। আবার মামলাকারীরা তার ১৫ দিনের মধ্যে পাল্টা হলফনামা জমা দেবেন।কলকাতা হাই কোর্টের এই রায়ে রাজ্য সরকার ধাক্কা খেল বলেই মনে করছেন । অন্য আর একটি অংশের অবশ্য...
প্রফুল্ল রায়ের সাহিত্যজীবন তাঁর লেখার ঘরানা এসব নিয়ে আলোচনা করার ধৃষ্টতা আমার নেই। তার জন্যে সমাজের বহুগুণী মানুষজন আছেন তাঁরা কাগজেপত্রে নিশ্চয়ই লিখবেন! এ শুধু আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা—”আমাকে দেখুন”-এর অসাধারণ স্রষ্টাকে পরপর বেশ কিছুদিন ধরে কাছ থেকে দেখা, মানুষটির পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার বিরল সুযোগ।
পূর্বতন রাজাদের মতো বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্যও সাহিত্য সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁর উদ্যোগেই প্রকাশিত হয় ‘শ্রীরাজমালা’। তিনি পৃথক ভাবে ‘রাজমালা’ সংক্রান্ত গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যালয় স্হাপন করেছিলেন। ‘রবি’ সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশেও রাজা পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। বীরবিক্রম একজন কবি ও নাট্যকার ছিলেন। অবশ্য তাঁর সাহিত্য বিষয়ক তৎপরতা মূলত রাজপরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তিনি হোলি বিষয়ক একটি সঙ্গীত গ্রন্হ রচনা করেছিলেন।
‘কেয়া পাতার নৌকো’, ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’-এর স্রষ্টা তিনি। সেই কিংবদন্তি সাহিত্যিক প্রফুল্ল রায় প্রয়াত হলেন এক বৃষ্টিস্নাত আষাঢ়ের দুপুরে। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি।
মঙ্গলবার সরকারিভাবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ধুকেছে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবারও বৃষ্টি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবারও সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে অল্প বিস্তর বৃষ্টি হচ্ছে। বেলা বাড়লেও রোদের দেখা মেলেনি।
একটা অদ্ভুত অস্থিরতাকে যেন বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে অমলেন্দু। বাসে মিনিবাসে বা ডালহৌসির রাস্তায় আচমকা কেউ তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলে সে বিরক্ত হয়ে চোয়াল শক্ত করে মুখ ঘুরিয়ে নিত। কেউ হয়তো মুখ ফসকে জিজ্ঞেসই করে ফেলল——আচ্ছা আপনাকে কোথায় দেখেছি বলুন তো?
অগ্নির দহনজ্বালায় খাণ্ডবারণ্য জ্বলছে। সেই মরণগ্রাস থেকে বাঁচতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে এক খঞ্জনপক্ষিনী ও তার চারটি শাবক। সন্তানদের জীবনরক্ষায় মায়ের আত্যন্তিক চেষ্টা, সন্তানদের জননীর সাহায্য প্রত্যাখ্যান, এই দুয়ের টানাপোড়েনে মা অগত্যা সন্তানদের পীড়াপীড়িতে প্রস্থান করলেন। প্রজ্বলিত অগ্নি তাঁর আগ্রাসী শিখা বিস্তার করে, খঞ্জনপাখির শাবকদের আশ্রয়স্থানে উপস্থিত হলেন। শাবকরা ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে উঠল।
মা সারদা জয়রামবাটি থাকার সময় যোগীন মহারাজের দেওয়া কাঠের টেবিলের মাঝের কব্জা দিয়ে দুখণ্ডে জোড়া ভারি কাঠটা তাঁর পায়ের উপর পড়ে গেল। আঘাত লেগে চামড়া ছিঁড়ে রক্ত বেরিয়ে এল। ভীষণ ব্যথা হচ্ছে, শ্রীমা পা চেপে ধরে বসে আছেন, তাঁর চোখ দিয়ে জল ঝরতে লাগল। সকলে ছুটে এসে, ডাক্তারখানা থেকে ওষুধ এনে পায়ে বেঁধে দেওয়া হল।
মঙ্গলবারই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ধুকেছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়েছে । আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এবং নিম্নচাপের জেরে বাংলা জুড়ে সপ্তাহভর ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। বুধবারও সেই মতো বৃষ্টি চলছে।