মহাকাব্যের কথকতা

পর্ব-১২২: রামের পাদুকাগ্রহণের মাহাত্ম্য, ভরত কী রামের ছায়াশ্রিত প্রশাসক?

পর্ব-১২২: রামের পাদুকাগ্রহণের মাহাত্ম্য, ভরত কী রামের ছায়াশ্রিত প্রশাসক?

অতুলনীয় তেজস্বী দুই ভাই, রাম ও ভরত। চিত্রকূটপর্বতে তাঁদের রোমহর্ষক মহামিলনের সাক্ষ্য রইলেন উপস্থিত মহর্ষিবৃন্দ। অন্তরালে অদৃশ্য অবস্থায় মুনিবৃন্দ ও সিদ্ধপুরুষ ঋষিশ্রেষ্ঠগণ কুকুৎস্থকুলোদ্ভব মহৎ দুই ভাইয়ের প্রশংসা করতে লাগলেন — ধন্য রাজা দশরথ। ধর্মবিদ, ধর্ম যাঁদের শক্তিপ্রকাশের স্থান, এমন দুই পুত্রের তিনি পিতা। ঋষিগণ জানালেন, দু’জনের পারস্পরিক আলাপচারিতা শুনে তাঁরা পরম পরিতৃপ্ত হয়েছেন।

read more
পর্ব-১২১: পরিবেশ শুধু প্রাকৃতিক বাতাবরণ নয়, এর প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও সম্পৃক্ত

পর্ব-১২১: পরিবেশ শুধু প্রাকৃতিক বাতাবরণ নয়, এর প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও সম্পৃক্ত

কুরুবংশীয়রা পৌরব নামেও পরিচিত ছিলেন। ভরতবংশীয়দের পূর্বপুরুষ পুরুরাজার নামানুসারে এমন নামকরণ। রাজা পুরুর উত্তরপুরুষ দুষ্যন্তের ঔরসে, পত্নী শকুন্তলার গর্ভে জন্ম নিলেন ভরত, যিনি ভরতবংশীয়দের অপরিসীম যশ বিস্তারের কারণ হয়েছিলেন। রাজা পুরুর বংশধারার রক্ষক, শৌর্যবান, ভরতের পিতা, রাজা দুষ্মন্ত তাঁর রাজত্বকে সমগ্র পৃথিবীজুড়ে প্রসারিত করেছিলেন। তাঁর রাজত্বে ছিল না কোন বর্ণসঙ্কর, কৃষি ও খনিজ আবিষ্কারক মানুষের অভাব ছিল না, কেউ পাপকাজে লিপ্ত হতেন না।

read more
পর্ব-১২০: সত্য ও ন্যায় পরস্পরের সম্পূর্ণ বিরোধী নয়, তবে? ঔজ্জ্বল্য বেশি কার?

পর্ব-১২০: সত্য ও ন্যায় পরস্পরের সম্পূর্ণ বিরোধী নয়, তবে? ঔজ্জ্বল্য বেশি কার?

মুনিবর জাবালি, নাস্তিক্যবাদের সমর্থনে পিতার কাছে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, সত্যবদ্ধ রামচন্দ্রকে অযোধ্যায় ফিরে যেতে অনুরোধ জানালেন। দ্বিজশ্রেষ্ঠ জাবালির বক্তব্য—প্রয়াত পিতা এখন প্রত্যক্ষগোচর নন, তাঁর কাছে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি মূল্যহীন। তাই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, বনবাসজীবন পরিত্যাগপূর্বক রাম, অযোধ্যার রাজসিংহাসনে অভিষিক্ত হন। সত্যপরায়ণ রাম তাঁর সিদ্ধান্তে অটল রইলেন। তাঁর মূলবক্তব্য অনুসারে, সত্যের বিকল্প কিছু হতে পারে না। অবশেষে রণে ভঙ্গ দিলেন, দ্বিজশ্রেষ্ঠ জাবালি। তিনি অকপটে স্বীকার করলেন, তিনি গভীরভাবে...

read more
পর্ব-১১৯: খাণ্ডবদহনের প্রেক্ষিতে জরিতা,লপিতা ও ঋষি মন্দপালের উপাখ্যানের আজ প্রাসঙ্গিকতা কোথায়?

পর্ব-১১৯: খাণ্ডবদহনের প্রেক্ষিতে জরিতা,লপিতা ও ঋষি মন্দপালের উপাখ্যানের আজ প্রাসঙ্গিকতা কোথায়?

অগ্নির দহনজ্বালায় খাণ্ডবারণ্য জ্বলছে। সেই মরণগ্রাস থেকে বাঁচতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে এক খঞ্জনপক্ষিনী ও তার চারটি শাবক। সন্তানদের জীবনরক্ষায় মায়ের আত্যন্তিক চেষ্টা, সন্তানদের জননীর সাহায্য প্রত্যাখ্যান, এই দুয়ের টানাপোড়েনে মা অগত্যা সন্তানদের পীড়াপীড়িতে প্রস্থান করলেন। প্রজ্বলিত অগ্নি তাঁর আগ্রাসী শিখা বিস্তার করে, খঞ্জনপাখির শাবকদের আশ্রয়স্থানে উপস্থিত হলেন। শাবকরা ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে উঠল।

read more
পর্ব-১১৮: সত্যনিষ্ঠতার মাপকাঠি কী নাস্তিকতার নিরিখে বিচার্য?

পর্ব-১১৮: সত্যনিষ্ঠতার মাপকাঠি কী নাস্তিকতার নিরিখে বিচার্য?

ভরতের প্রস্তাবিত অযোধ্যার রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকার স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিলেন রাম। পিতৃসত্য রক্ষাই এখন তাঁর বিবেচনায় প্রথম ও প্রধান কাজ, তুলনায় অযোধ্যার রাজসিংহাসন তুচ্ছ। তাঁর মতে, ভরতের উচিত কাজ, অযোধ্যায় ফিরে গিয়ে পিতৃদত্ত রাজ্যের প্রজানুরঞ্জন। দণ্ডকারণ্যে অরণ্যবাসে রামের কোনও খেদ নেই, ভরতের মাথার ওপরে থাক রাজছত্র। তুলনায় বিজন অরণ্যের নিবিড় বনের ছায়ার আশ্রয়, এখন রামের প্রিয়।

read more
পর্ব-১১৭: মহাভারতের বিচিত্র সব গল্পকথায় রয়েছে মানবজীবনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতির প্রকাশ ও দ্বন্দ্বময় বিশ্লেষণের গভীরতা

পর্ব-১১৭: মহাভারতের বিচিত্র সব গল্পকথায় রয়েছে মানবজীবনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতির প্রকাশ ও দ্বন্দ্বময় বিশ্লেষণের গভীরতা

প্রসঙ্গ হল খাণ্ডববনদহনের সময়ে যে কটি প্রাণী অগ্নির করাল গ্রাস হতে রক্ষা পেয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম মন্দপাল ঋষির ঔরসজাত চারটি শার্ঙ্গকপক্ষিশাবক। খাণ্ডববনদহনের সময়ে, মহর্ষি মন্দপাল নিজের বিপন্ন সন্তানদের রক্ষার্থে, স্তুতিযোগে অগ্নিদেবকে তুষ্ট করলেন। আনন্দিত অগ্নিদেব, মহর্ষির অভীপ্সিত প্রার্থনা পূরণ করলেন। প্রতিশ্রুতি দিলেন, তিনি মহর্ষির পুত্রদের নিষ্কৃতি দেবেন।

read more
পর্ব-১১৬: রাম যৌথ পরিবারের আদর্শনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ, তাঁর যেন এক ঘরোয়া ভাবমূর্তি

পর্ব-১১৬: রাম যৌথ পরিবারের আদর্শনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ, তাঁর যেন এক ঘরোয়া ভাবমূর্তি

অযোধ্যার সিংহাসনের সুযোগ্য উত্তরাধিকারী দশরথপুত্র রামকে, রাজ্যে অধিষ্ঠিত করবার লক্ষ্যে ভরত এসেছেন অরণ্যে। রাম, ভরতের প্রস্তাব দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করলেন। যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির অবতারণা করলেন দুই ভাই। মৃত পিতার কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাম, সত্যপ্রতিজ্ঞারক্ষায় অটল। জীবনের অনিত্যতা, মৃত্যুর অবশ্যম্ভাবিতা অনুভব করে, পিতার আজ্ঞানুবর্তী রাম ভরতের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। ভরতেরও প্রচেষ্টার শেষ নেই। সেই মন্দাকিনীতীরে ধার্মিক ভরত, প্রজানুরঞ্জক ধর্মজ্ঞ রামকে অর্থপূর্ণ চিত্তাকর্ষক নানা কথা বলতে লাগলেন।

read more
পর্ব-১১৫: অগ্নির কি শুধুই দহনজ্বলা? মহর্ষি মন্দপালের অগ্নিস্তুতিতে অগ্নির কোন সদর্থকতার ইঙ্গিত?

পর্ব-১১৫: অগ্নির কি শুধুই দহনজ্বলা? মহর্ষি মন্দপালের অগ্নিস্তুতিতে অগ্নির কোন সদর্থকতার ইঙ্গিত?

খাণ্ডববনদহনকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণ ও অর্জুনের সঙ্গে, দেবরাজ ইন্দ্রের মহাযুদ্ধ শুরু হল। দুই পক্ষই শক্তিশালী। এ যেন সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলি। অগ্নিদেবের পক্ষ নিয়ে, কৃষ্ণ ও অর্জুনের লড়াই। অগ্নিদেবের কাছে তাঁদের দু’জনের প্রতিশ্রুতিরক্ষার অঙ্গীকার। প্রতিপক্ষ দেবরাজ ইন্দ্র। কারণ ইন্দ্র ছিলেন খাণ্ডববনদহনের বিপক্ষে। তিনি, বিপন্ন প্রাণীকুলকে বাঁচাতে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন। মহর্ষি বেদব্যাস সেই যুদ্ধের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।

read more
পর্ব-১১৪: জীবনের নশ্বরতা ও আত্মানুসন্ধান বিষয়ে রামের উপলব্ধি যেন এক চিরন্তন সত্যের উন্মোচন

পর্ব-১১৪: জীবনের নশ্বরতা ও আত্মানুসন্ধান বিষয়ে রামের উপলব্ধি যেন এক চিরন্তন সত্যের উন্মোচন

রামের দর্শনাভিলাষী রাজপুরোহিত বশিষ্ঠ রাজা দশরথের পত্নীদের সম্মুখে নিয়ে রামের বাসস্থানের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হলেন। রানিরা মন্দাকিনীর দিকে ধীরে যেতে যেতে রামলক্ষ্মণের বিচরণভূমি, নদীতীর্থ দেখতে পেলেন। দেবী কৌশল্যা বিশীর্ণ অশ্রুপূর্ণ বদনে দুঃখিনী সুমিত্রা ও অন্যান্য রাজ্ঞীদের কাছে হয়তো দুঃখভার লাঘবের চেষ্টা করলেন, অরণ্যের পূর্বদিকের এই তীর্থে বিচরণ করত, প্রভুত্বহীন, অসহায়, দুর্ভাগারা যাঁদের কোনও দেশ নেই।

read more
পর্ব-১১৩: একটি হিংসা অনেক প্রতিহিংসা, জিঘাংসা, হত্যা এবং মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে সর্বত্র

পর্ব-১১৩: একটি হিংসা অনেক প্রতিহিংসা, জিঘাংসা, হত্যা এবং মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে সর্বত্র

খাণ্ডববনদহনের উদ্যোগী হয়েছেন অগ্নিদেব। তাঁর পাশে আছেন দুই আপ্ত সহায়ক কৃষ্ণ ও অর্জুন। দেবরাজ ইন্দ্র, অগ্নিদেবের প্রতিপক্ষ। দেবরাজ, অগ্নির দহনকার্যে বাদ সাধলেন। দেবরাজ বার বার জল বর্ষণ করতে লাগলেন। অর্জুন তাঁর অস্ত্রপ্রয়োগকৌশলে সেই জলবর্ষণে প্রতিরোধ সৃষ্টি করলেন। কুয়াশাবৃত চন্দ্রের মতো অর্জুনের বাণে আচ্ছাদিত হল খাণ্ডববন। শরাচ্ছন্ন খাণ্ডববন হতে কোনও প্রাণী নির্গত হতে পারল না।

read more
পর্ব-১১২: প্রশাসক রামচন্দ্রের সাফল্য কী আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে সফল প্রশাসকদের আলোর দিশা হতে পারে?

পর্ব-১১২: প্রশাসক রামচন্দ্রের সাফল্য কী আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে সফল প্রশাসকদের আলোর দিশা হতে পারে?

দীর্ঘ বিচ্ছেদের পরে সুদূর চিত্রকূট পর্বতে বনবাসী রামের সঙ্গে কৈকেয়ীপুত্র ভরতের সাক্ষাৎ হল। প্রাথমিক কুশল সংবাদ বিনিময়ের পরে, বিবর্ণ মুখ, শীর্ণকায়, চীরবসনধারী ভরতকে দেখে, রাম, পিতার সম্বন্ধে চিন্তান্বিত হলেন। পরবর্তী পর্যায়ে, রামের প্রতিক্রিয়া ছিল,রাজ্যসম্বন্ধে উদ্বেগবোধের প্রকাশ। ভরতের শাসনাধীন অযোধ্যায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা যথাযথভাবে রক্ষিত হচ্ছে তো?

read more
পর্ব-১১১: খাণ্ডববনদহন—মহাভারতের একটি কাহিনি, অনেক প্রশ্ন রেখে যায় মনে

পর্ব-১১১: খাণ্ডববনদহন—মহাভারতের একটি কাহিনি, অনেক প্রশ্ন রেখে যায় মনে

যমুনায় জলবিহারের উদ্দেশ্যে আগত কৃষ্ণ ও অর্জুন, যমুনাতীরবর্তী সন্নিহিত খাণ্ডববনে এসে উপস্থিত হয়েছেন। ঠিক সেই সময়ে এক তেজোদীপ্ত ব্রাহ্মণের সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হল। ব্রাহ্মণ পরিচয় দিলেন, পাবকং মাং নিবোধত আমায় অগ্নিদেব বলে চিনে নাও। অগ্নিদেব জানালেন, তিনি অপরিমিত ভোজনে অভ্যস্ত। বর্তমানে দেবরাজ ইন্দ্র যে খাণ্ডববন রক্ষা করছেন, সেই খাণ্ডববন তাঁর উদ্দিষ্ট ভোজ্য যা তিনি দগ্ধ করতে অসমর্থ হয়েছেন।

read more
পর্ব-১১০: বনবাসী রামের নিরাসক্ত ভাবমূর্তির অন্তরালে, ভাবি রামরাজ্যের স্রষ্টা দক্ষ প্রশাসক রাম

পর্ব-১১০: বনবাসী রামের নিরাসক্ত ভাবমূর্তির অন্তরালে, ভাবি রামরাজ্যের স্রষ্টা দক্ষ প্রশাসক রাম

রামচন্দ্রের প্রতি যা কিছু অবিচার হয়েছে, তাঁর প্রতিকারে বদ্ধপরিকর কৈকেয়ীপুত্র ভরত। তিনি রামচন্দ্রের প্রাপ্য রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকার ফিরিয়ে দেবেন। রামকে অযোধ্যায় নিয়ে যাবেন ভরত। অনেক দুরূহ পথ পার করে অবশেষে জ্যেষ্ঠ রামের সম্মুখীন হলেন ভরত। সুদীর্ঘ বিচ্ছিন্নতার অবসান হল। ভরত, চিত্রকূটের মহারণ্যে প্রাণপ্রিয় জ্যেষ্ঠর সন্ধান পেলেন।

read more
পর্ব-১০৯: আধুনিক যুগে দাবানলের ফলে বনদহনের সঙ্গে খাণ্ডব বনদহনের সাদৃশ্য আছে কী?

পর্ব-১০৯: আধুনিক যুগে দাবানলের ফলে বনদহনের সঙ্গে খাণ্ডব বনদহনের সাদৃশ্য আছে কী?

দাম্পত্যের শর্তভঙ্গকারী অর্জুন ফিরে এসেছেন ইন্দ্রপ্রস্থে। পাণ্ডবরা ইন্দ্রপ্রস্থে বাস করছেন। তাঁরা রাজা শান্তনুপুত্র ধৃতরাষ্ট্র ও পিতামহ ভীষ্মের আদেশানুসারে অন্যান্য রাজাদের জয় করলেন। পুণ্যকর্মকর্তা মানুষ যেমন নিজ দেহ ধারণ করে সুখে বাস করেন তেমনই সব জনসাধারণ ধার্মিক রাজা যুধিষ্ঠিরের আশ্রয়ে সুখে বাস করতে লাগলেন। নীতিবিদ যুধিষ্ঠির ধর্ম, অর্থ ও কামকে নিজের বন্ধুজ্ঞানে তাদের প্রতি সমভাবাপন্ন হয়ে সেবা করতে লাগলেন।

read more
পর্ব-১০৮: গার্হস্থ্যজীবনে জ্যেষ্ঠ রামচন্দ্রের ভাবমূর্তি, তাঁর দেববিগ্রহে উত্তরণের একটি অন্যতম কারণ?

পর্ব-১০৮: গার্হস্থ্যজীবনে জ্যেষ্ঠ রামচন্দ্রের ভাবমূর্তি, তাঁর দেববিগ্রহে উত্তরণের একটি অন্যতম কারণ?

রামকে তাঁর প্রাপ্য রাজ্যাধিকার ফিরিয়ে দিতে ভরত এসেছেন চিত্রকূট পর্বতে। ভরতের উদ্দেশ্যে রামকে সঙ্গে নিয়ে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে বিপুল সৈন্যবল। অনেক অনুসন্ধানের পরে শ্বাপদসঙ্কুল নিবিড় অরণ্যে রামের আশ্রম হতে নির্গত ধূমশিখা দেখে, ভরত, রামের আশ্রয় সম্বন্ধে নিশ্চিত হলেন। রামের দর্শনলাভের জন্য উৎসুক ভরত, শত্রুঘ্নকে রামের বাসস্থানটি দেখালেন।

read more

 

 

Skip to content