
শস্য বড়ই প্রিয় খাদ্য কালো ইঁদুরের। ছবি : সংগৃহীত।
সুন্দরবন অঞ্চলের স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বিরক্তিকর আর অনিষ্টকারী প্রাণীর নাম যদি কাউকে বলতে বলা হয় তাহলে এক বাক্যে সবাই বলবে, ইঁদুর। অবশ্যই ইঁদুর বললে নানা জাতের ইঁদুরকেই বোঝায়। তবে এক্ষেত্রে যে ইঁদুরের কথা সাধারণ সুন্দরবনবাসী বোঝাতে চাইবেন তা হল কালো ইঁদুর। ইংরেজিতে ‘ব্ল্যাক র্যা ট’। বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Rattus rattus’। শুধু সুন্দরবন বলি কেন, ভারতবর্ষের প্রায় সর্বত্রই মানুষ এদের জ্বালায় অতিষ্ট। ধানের গোলায় বস্তায় ধান, চাল, গম ইত্যাদি রাখার জো নেই। খাবে, ছড়াবে, বস্তা কাটবে, সেই সঙ্গে মলমূত্রও ত্যাগ করবে। জমিতে ধান কেটে রাখলে সেখান থেকে শীষ কেটে নিয়ে পালায়। আখের খেতে আখ খেয়ে নেয়। বাগান থেকে আলু, পেঁয়াজ, গাজর, বিট— এসব সবজিও কেটে খেয়ে নেয়।
ইঁদুর খাবারের জিনিস বাঁচার জন্য খাবে —সে না হয় মানা গেল। কিন্তু তা বলে ওদের অখাদ্য কিন্তু আমাদের দরকারি জিনিসও নষ্ট করবে? ক’দিন আগেই ছাদে রাখা আমাদের দুটি হাওয়াই চপ্পলের ফিতে আর চপ্পলের একাংশ কেটে পরার অনুপযুক্ত করে দিল। বাড়ি লাগোয়া আমার আমগাছে মুকুল এলে ওই মুকুল আর পাতা প্রচুর পরিমাণে প্রতিবছর কেটে দেয়। এরা ভালো বুদ্ধিও ধরে। ইঁদুর ধরা কল ব্যবহার করে আজ পর্যন্ত এদের একটাও পাকড়াও করতে পারিনি। আর এদের সংখ্যা নিয়ে যদিও কোনও গবেষণা হয়েছে কিনা জানি না তবে এদের সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে বলেই আমার বিশ্বাস। কারণ এদের উপদ্রব দিন দিন বেড়েই চলেছে।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫৭: ধেড়ে ইঁদুর

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৭৪ :কালাদেও নয়?

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৫: পদ বা ক্ষমতা পেলেই কি ভিতরের স্বভাব বদলে যায়? পঞ্চতন্ত্রের অমোঘ শিক্ষা

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯৫ : নিশীথে
যদিও এদের নাম কালো ইঁদুর তবে সবার রং কালো নয়। কারও রং কালো, কারও কারও বাদামি, কারও হালকা বাদামি। পিঠের দিকের রং অপেক্ষাকৃত গাঢ় কিন্তু পেটের দিকে রং অনেকটা হালকা। এরা হল সুন্দরবনের মাঝারি আকারের ইঁদুর। এরা লেজ বাদে ১৬ থেকে ২২ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। আর ওজন হয় ৭০ গ্রাম থেকে ৩০০ গ্রাম। পুরুষদের আকার ও ওজন অবশ্য স্ত্রী কালো ইঁদুরের তুলনায় বেশি। এদের লেজটা বেশ লম্বা, প্রায় ১৯ সেন্টিমিটার বা তার চেয়েও বেশি, আর রঙ কালো। লেজের ওপরে আঁশ থাকে। এরা যখন গাছের উপর দিয়ে দ্রুত বেগে বেয়ে যায় তখন লেজ ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এদের কান দুটো বেশ বড় এবং লোমহীন। অনেকটা কাগজের মতো পাতলা হয় দুটো কান। এদের পিছনের পা দুটো বেশ সরু ও নরম হয় যাতে সহজে ম্যানগ্রোভ গাছের উপর উঠতে পারে।
প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই কালো ইঁদুরেরা গাছে উঠতে বেজায় পটু। এজন্য এদের চমৎকার অভিযোজন হয়েছে। যেমন শিরদাঁড়া খুবই নমনীয় ও চারটে পা খুব শক্তিশালী। এর ফলে এদের জঙ্গলের মধ্যে এ-গাছে ও-গাছে ঘুরে খাবার সংগ্রহের পাশাপাশি বাসা তৈরি করা এবং সেই বাসায় বাচ্চাদের লালন পালন করা খুব সুবিধাজনক হয়।
প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই কালো ইঁদুরেরা গাছে উঠতে বেজায় পটু। এজন্য এদের চমৎকার অভিযোজন হয়েছে। যেমন শিরদাঁড়া খুবই নমনীয় ও চারটে পা খুব শক্তিশালী। এর ফলে এদের জঙ্গলের মধ্যে এ-গাছে ও-গাছে ঘুরে খাবার সংগ্রহের পাশাপাশি বাসা তৈরি করা এবং সেই বাসায় বাচ্চাদের লালন পালন করা খুব সুবিধাজনক হয়।

রাজস্থানের একটি মন্দিরে কালো ইঁদুরদের দুধপান। ছবি : সংগৃহীত।
কালো ইঁদুর সুন্দরবনের জনবসতি এলাকায় যেমন থাকতে পারে তেমনি বসতি সংলগ্ন জঙ্গলেও থাকতে পারে। অবশ্য খুব গভীর জঙ্গলে এরা থাকে কিনা আমার কাছে কোনও তথ্য নেই। জনবসতি এলাকায় ফসলের মাঠ সংলগ্ন বাঁধ ও আল, খড়ের গাদা, আবর্জনার স্তুপ আর মাটির দেয়ালে করা গর্তের মধ্যে বসবাস করে। জঙ্গল এলাকায় মাটির ওপরে থাকা ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের মূলের ঘন জালের মধ্যে কিংবা গাছের ওপরে পাতার ঘন ঝোপে এদের বাস। এরা পছন্দ করে সুন্দরী গোলপাতা হেতাল ইত্যাদি গাছের পাতার ঝোপে থাকতে। গাছের উপর শুকনো ডাল ও পাতা দিয়ে এরা গোলাকার বাসা বানায়। এই যে এরা গাছের ওপরে থাকতে পারে এতে এদের সুবিধা হল সুন্দরবন অঞ্চলে যখন জলোচ্ছ্বাস কিংবা ভরা কটাল এর সময় নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে তখন এরা দিব্যি বেঁচে থাকতে পারে। তাছাড়া লবণাক্ত জল খেতেও এদের কোনও সমস্যা নেই। আবার যেখানে বড় ম্যানগ্রোভ গাছ নেই সেখানে খাঁড়ি বা খালের ধারে সর্বোচ্চ জলসীমার ১-২ মিটার উপরে গর্ত বানিয়ে সেখানে থাকে। আর যে সব কালো ইঁদুর জঙ্গল ও জনবসতি সংলগ্ন এলাকায় থাকে তারা প্রয়োজনমতো উভয় জায়গাতেই হানা দিতে পারে।
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৯ : জলসাঘর—অস্তশিখর

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৬৬: রাক্ষস খরের নিধনের নিরিখে রামচন্দ্রের মূল্যায়ন
খাওয়ার ব্যাপারে কালো ইঁদুররা সর্বভুক। তবে এদের খাদ্য তালিকায় রদবদল ঘটে তাদের বাসস্থান অনুসারে। যেমন জনবসতি এলাকায় এরা খাদ্যশস্যের উপর বেশি নির্ভরশীল। তবে নারকেল গাছে উঠে কচি নারকেল ছিদ্র করে ভিতরের শাঁস খেতে এরা ওস্তাদ। তাছাড়া কন্দ জাতীয় সবজি যেমন আলু, গাজর, বিট ইত্যাদিও এদের প্রিয় খাদ্য। আখের বাগান যাদের আছে তারাও এদের জ্বালায় খুব বিব্রত। আবার যেখানে খাবারের অবশিষ্টাংশ ও এঁটো কাঁটা ফেলা হয় সেখানে এদের ব্যাপক আনাগোনা দেখা যায়। ওরা রেন-পাইপের মধ্যে দিয়ে এসে রাতে মাঝে মাঝেই আমার রান্নাঘরে হানা দেয়। এঁটো থালাবাসন থেকে শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে উঠে এসে আলো জ্বালালেই দে দৌড়! আবার নদী, খাঁড়ি, খাল ইত্যাদি সংলগ্ন অঞ্চলে যে কালো ইঁদুরদের আস্তানা সেখানে এরা কাঁকড়া, পোকামাকড়, সরীসৃপ প্রাণীর ডিম, মাটিতে বাসা তৈরি করে এমন পাখিদের ডিম ও পাখির বাচ্চা খেয়ে থাকে। আবার জঙ্গল অঞ্চলে ম্যানগ্রোভের কচি পাতা, বাকল, নরম কাণ্ড, গুচ্ছ মূল, ফল ও বীজ রয়েছে এদের খাদ্য তালিকায়। এরা সারাদিনে মোটামুটি ১৫ মিলিগ্রাম খাবার আর ১৫ মিলিলিটার জল খায়।

ম্যানগ্রোভের মাঝে কালো ইঁদুর। ছবি : সংগৃহীত।
স্ত্রী কালো ইঁদুরের গর্ভাবস্থা মাত্র ১২-২৯ দিন স্থায়ী হয়। আর প্রতিবারে ১-৮টি বাচ্চার জন্ম দেয়। এতেই বোঝা যায় কেন কালো ইঁদুরের সংখ্যা এত বেশি। বাচ্চা জন্মানোর এক সপ্তাহ পর বাচ্চারা কানে শুনতে পায় এবং দু’সপ্তাহ পর চোখে দেখতে পায়। তিন সপ্তাহ পর বাচ্চারা দুধপান বন্ধ করে এবং স্বাধীনভাবে খাবার সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করে। এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যে এদের প্রজনন হলেও সাধারণত গরমের সময় অর্থাৎ মে মাসে এদের প্রজনন হার হ্রাস পায়। আবহাওয়া যদি অনুকূল হয় এবং খাদ্যের জোগান যদি বেশি থাকে তবে ওদের প্রজননহারও বেড়ে যায়। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এরা মাটিতে গর্তের মধ্যে বাসা করলেও সুন্দরবন অঞ্চলে জঙ্গলের মধ্যে বা নদী ও খাঁড়ির তীরে কোনও বড় ম্যানগ্রোভ গাছের গুঁড়িতে গর্তের মধ্যে ওরা গোলাকার বাসা বানায়।
আরও পড়ুন:

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১০৩ : ত্রিপুরার রাজপরিবারে সতীদাহ প্রথা /২

রবীন্দ্র জয়ন্তী: তথ্যচিত্র— রবীন্দ্রনাথ, সভ্যতার সঙ্কট
এরা অনেক সময় গাছের ওপরে ঘন পাতার ভিতরেও বাসা বানায়। বাসা বানানোর উপকরণ শুকনো কাঠি, পাতা, ঘাস ইত্যাদি। শৈশবে আমাদের গোয়ালঘরের মাচায় খেসারি কড়াইয়ের ভুষির মধ্যে বহুবার ওদের বাসা করতে দেখেছি। সম্প্রতি আমার বাড়ির ভেন্টিলেটরের মধ্যেও পাতা, নারকেল ছোবড়া, তুলো ইত্যাদি দিয়ে বাসা বানিয়েছিল। কালো ইঁদুরের একটি পরিবারে বাচ্চারা বড় হলে একটি কলোনি তৈরি হয় ঠিকই কিন্তু যখন তারা যৌনক্ষমতা অর্জন করে তখন কলোনি ছেড়ে বেরিয়ে যায়। এতে অবশ্য অন্তঃপ্রজনন ঘটার সুযোগ থাকে না। প্রাকৃতিক পরিবেশে কালো ইঁদুরদের আয়ু মোটামুটি এক বছর। যৌন ক্ষমতাসম্পন্ন পুরুষ কালো ইঁদুর সাধারণতঃ তার শিশ্নের (Penis) সামনে থাকা এক প্রকার গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক তার এলাকার বিভিন্ন গাছের গায়ে ঘসে দিয়ে এলাকা চিহ্নিত করে। ওই অঞ্চলে অন্য প্রজাতির কোনও ইঁদুর বা নিজের প্রজাতির অন্য কোনও পুরুষ ইঁদুরের প্রবেশ নিষেধ।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৭৭: আকাশ এখনও মেঘলা
কালো ইঁদুরদের উৎপত্তি ভারতে, আরও নির্দিষ্ট করে বললে দক্ষিণ ভারতে। কিন্তু এখন এরা ছড়িয়ে পড়েছে সারা পৃথিবীতে। কীভাবে ছড়াল? ইংরেজিতে এদের আরেকটা নাম রয়েছে ‘শিপ র্যা ট’। তার মানে এরা বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যের সময় প্রাচীনকালে জাহাজে করে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারপর কয়েক হাজার বছর ধরে এরা পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কী করে এটা সম্ভব হল? সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সব রহস্য নাকি লুকিয়ে রয়েছে ওদের খাদ্যনালীতে। ওদের খাদ্যনালীতে রয়েছে অসংখ্য মিথোজীবী জীবাণুর সমাবেশ। এরা যে শুধু তাদের পোষক কালো ইঁদুরের খাবার ভালোভাবে পরিপাক করে তার পুষ্টি উপাদানগুলিকে বার করে আনতে সাহায্য করে তাই নয়, কালো ইঁদুরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে তোলে। আর তার ফলে নাকি পৃথিবীর নানা প্রান্তে নানা পরিবেশের সাথে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়ে ওরা দিব্যি বংশবিস্তার করে চলেছে। এর সঙ্গে কালো ইঁদুরের অসাধারণ শ্রবণশক্তি এবং ঘ্রাণ শক্তির কথা উল্লেখ করতে হবে। তীব্র আলট্রাসোনিক শব্দও ওরা অনুভব করতে পারে। ফলে খাদকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে এরা দারুণ দক্ষ। আবার অসাধারণ ঘ্রাণশক্তির জন্য সহজেই খাদ্য সন্ধান করতে পারে, ফলে খাদ্যাভাবে এদের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। এইসব বৈশিষ্ট্য কালো ইঁদুরকে অপ্রতিরোধ্য গতিতে পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছে।

জঙ্গলে খাবারের খোঁজে কালো ইঁদুর। ছবি : সংগৃহীত।
কালো ইঁদুররা বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও এদের অনিয়ন্ত্রিত সংখ্যাধিক্যের কারণে সুন্দরবন অঞ্চলে মাটিতে বাসা তৈরি করে এমন বহু পাখির সমস্যা বেড়েছে। তাছাড়া এরা বহু ম্যানগ্রোভের মাটিতে পড়া বীজ খেয়ে নিয়ে ম্যানগ্রোভের বিস্তারেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই কালো ইঁদুরেরাই ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ সাল পর্যন্ত ইউরোপে ভয়াবহ প্লেগ অতিমারি ঘটিয়েছিল। ইতিহাসে এই ঘটনা ব্ল্যাক ডেথ নামে পরিচিত। প্রায় পাঁচ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল প্লেগে ভুগে। এছাড়াও এদের মাধ্যমেই ছড়ায় ব্রুসেলোসিস ও টাইফাস জ্বর রোগ। তবুও কুমাতা হলেও যেমন মাতা, কুপুত্র হলেও যেমন পুত্র তেমনই মানুষের কাছে চরম বিরক্তিকর এই প্রাণীটি সুন্দরবনের বাস্তুতান্ত্রিক দিক থেকে অন্তত কিছুটা গুরুত্ব দাবি করে। বিলুপ্তি নয়, নিয়ন্ত্রিত থাকুক এদের সংখ্যা। —চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।


















