রবিবার ৭ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

অপরিণত খেঁকশিয়াল। ছবি : সংগৃহীত।

আমাদের গ্রামের বাড়ি ছিল গ্রামের দক্ষিণ দিকের শেষ প্রান্তে। বাড়ির উত্তরে আর উত্তর-পূর্ব কোণে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ছিল পরের পাড়া—দোলুই পাড়া। ওই বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ছিল ধানের জমি। সেই জমির মাঝে ছিল একটা অগভীর পুকুর আর একটা সরু নালা যাকে আমরা স্থানীয় ভাষায় বলতাম পয় না। এখন আর সেই পয়না নেই, আর নেই সেই পুকুরও। সবই মজে গিয়ে জমি হয়ে গিয়েছে। যাইহোক সন্ধে হলেই সেই বিস্তীর্ণ জমির মাঝখানে দেখতাম অনেকগুলো জোড়া চোখ ঘুরে বেড়াচ্ছে। রাত গভীর হলে যেন সেই জোড়া চোখের সংখ্যা আরও বাড়ত। আর প্রত্যহ সন্ধ্যে থেকেই শুরু হয়ে যেত সেই জোড়া চোখগুলো থেকে সমবেত বিকট আওয়াজ— খ্যাঁ খ্যাঁ খ্যাঁ খ্যাঁ। বুঝতে অসুবিধা হত না খ্যাঁকশেয়ালের দল খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছে। আর খাবারের তালিকায় গৃহস্থের পোষা হাঁস-মুরগি যে রয়েছে তা বলা বাহুল্য। ওদের ওই ডাক শুনে পাড়ার কুকুরের দলও সমবেত ঘেউ ঘেউ শব্দ করে ধমক দিত। তুলসীতলায় মা যখন প্রদীপ জ্বালিয়ে শঙ্খধ্বনি করত তখন খ্যাঁকশিয়াল আর কুকুরদের সমবেত চিৎকারে আমাদের গ্রামের সন্ধেটা বেশ মুখরিত হয়ে উঠত।
আমাদের বাড়ি দক্ষিণ সীমানায় যে বেশ প্রশস্ত একটা খাল ছিল তা বহু লেখাতেই আগে জানিয়েছি। সেই খালের ধার থেকেও ভেসে আসত ওই ডাক— খ্যাঁ খ্যাঁ খ্যাঁ খ্যাঁ। খালটা কাছাকাছি হওয়ায় খ্যাঁকশিয়ালের ডাক অনেক স্পষ্ট শুনতে পেতাম। ছোটবেলায় ওই ডাক শুনে খুব ভয় পেতাম। ওই খাল আর পয়নার পাড়ে ছিল কাঁকড়ার প্রচুর গর্ত। সব বড় বড় সমুদ্র কাঁকড়ার গর্ত। বাবা বলত, ওরা কাঁকড়া খেতে খুব ভালোবাসে।

একবার একটা কাণ্ড দেখেছিলাম। আমারই প্রায় সমবয়সী পাড়ার কিছু ছেলে খালের ধারে একটা গর্তের মুখ মাটি দিয়ে বুজিয়ে একটু দূরে আরেকটা গর্তের মুখে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। মাঠ থেকে ধান গাছের গোড়া অর্থাৎ নাড়া দিয়েই আগুন জ্বালিয়েছিল। কিছুক্ষণ পর দেখি একটু দূরে আর একটা গর্তের মুখ দিয়ে একটা খ্যাঁকশিয়াল বেরিয়ে দে দৌড়। ছেলেগুলো তাড়া করেছিল কিন্তু ওকে ধরা তাদের কম্মো নয়। ছুটতে ছুটতে শ্মশান পেরিয়ে আরও দক্ষিণে পাশের গ্রামে ছুটে পালাল। তবে সেদিনের ওই ঘটনার পর বুঝলাম যে খ্যাঁকশিয়ালের বাসায় একাধিক মুখ থাকে। আর বুঝতে পেরেছিলাম ওদের দৌড়ের গতিবেগ। বাপরে বাপ!
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৫: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বাঘরোল

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৮: পরবাস প্রস্তুতি (চার)

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫১: সাইকেল মাহাতো অ্যান্ড কোং

রোমহর্ষক গল্প : দেবী

আমাদের কয়েক বছর পাট চাষ করা হয়েছিল বাড়ির পাশেই একটা উঁচু জমিতে। তখন সেই পাটবাগানের মধ্যে থেকে নিয়মিত খ্যাঁকশিয়ালের ডাক শুনতাম। রীতিমতো ভরদুপুরে বেশ কয়েকবার দেখেওছি। একবার বিকেলবেলা খামার থেকে একটা মুরগিকে তুলে নিয়ে পাটবাগানের মধ্যে দে দৌড়! সবাই হই হই করে তাড়া করে গেলাম। কিন্তু সে পাটবাগানের মধ্যে কোথায় যে হারিয়ে গেল আর খুঁজে পেলাম না। তবে আমাদের তাড়া খেয়ে সে মুরগিটাকে ছেড়ে দিয়েছিল। পাটবাগানে মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা মুরগিটাকে খুঁজে পেলাম, কিন্তু একটু পরেই সে মারা যায়। আমাদের শৈশব এবং কৈশোরে অর্থাৎ ৫০-৬০ বছর আগে সুন্দরবনের বসতি এলাকায় খ্যাঁকশিয়ালের উপস্থিতি ছিল অতি সাধারণ ঘটনা।
কলকাতায় বৃষ্টি

ঘাসবনে খেঁকশিয়াল। ছবি : সংগৃহীত।

আমরা ছোট থেকে যে খ্যাঁকশিয়াল দেখে এসেছি সুন্দরবনের গ্রামাঞ্চলে তাদের ইংরেজিতে বলা হয় বেঙ্গল ফক্স (Bengal fox) বা ইন্ডিয়ান ফক্স (Indian fox)। বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Vulpes bengalensis’। এরা শুধু সুন্দরবন নয়, প্রায় সারা ভারতবর্ষেই দেখতে পাওয়া যায়। তবে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে এদের উপস্থিতির কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এরা বেশি পছন্দ করে খোলামেলা জায়গা যেখানে আশেপাশে জনবসতি রয়েছে। বিস্তৃত ধানজমির মধ্যবর্তী আল, নদী, খাল ইত্যাদির পাড়, ঘাস জমি বা সামান্য ঝোপঝাড়যুক্ত এলাকা এদের আদর্শ বাসস্থান। শুকনো এলাকাতেই এরা ঘোরাফেরা করতে ভালোবাসে বলে যেসব জায়গা ভেজা, কাদা অর্থাৎ যেখানে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা খেলে সেখানে এদের দেখা যায় না। এরা প্রধানত সান্ধ্যবিহারী প্রাণী। তবে গভীর রাতেও দূরে মাঠ থেকে বা খালের ধার থেকে এদের ডাক শুনেছি।

সাধারণত এরা জোড়ায় জোড়ায় থাকে অর্থাৎ একটা স্ত্রী ও একটা পুরুষের জোড় থাকে। এরা পরিবারতন্ত্রে বিশ্বাসী, আর তাই ছানাপোনা নিয়ে দল বেঁধে কখনও কখনও সান্ধেবিহারে বেরোতে দেখা যায়। এরা জমির আলে কিংবা নদী ও খালের পাড়ে গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে বাসা বানায়। এদের বাসায় যে একাধিক মুখ থাকে তা আগেই বলেছি। আত্মরক্ষার জন্য খ্যাঁকশিয়ালরা এরকম ব্যবস্থা করে। বিপদ বুঝলেই গর্ত থেকে বেরিয়ে দৌড় দেয়। কিছুটা দৌড়ে গিয়ে পেছনে ঘাড় ঘুরিয়ে পরিস্থিতি দেখে নেয়। পাড়ার কুকুররা খ্যাঁকশিয়ালদের একেবারেই সহ্য করতে পারে না। যদিও দৌড়ে ওদের সাথে পেরে ওঠে না কিন্তু তাড়া করতে ছাড়ে না।
আরও পড়ুন:

ডাক দিয়েছ কোন সকালে?

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯০: ত্রিপুরার রাজপরিবারকে রবীন্দ্রনাথের প্রথম পত্র

খ্যাঁকশিয়ালরা হল শিয়ালদের মধ্যে সবথেকে ছোট আকারের শিয়াল। লেজ বাদে এরা ৪৫ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়, আর লেজ ধরলে ৭০ থেকে ৮০ সেন্টিমিটার লম্বা। ওজন হয় ২.৩ কেজি থেকে ৪.১ কেজি। বেশিরভাগ খ্যাঁকশিয়ালের গায়ের রং হয় লালচে-ধূসর বা হালকা বাদামি। এদের এই রং শুকনো ঘাস, ঝোপ বা ধান জমিতে ধানের গোড়া অর্থাৎ নাড়ার রঙের সঙ্গে মিশে যেতে সাহায্য করে। তবে এলাকাভেদে এবং ঋতুভেদে খ্যাঁকশিয়ালদের গায়ের রঙে সামান্য তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। এদের মুখটা হয় বেশ সূচালো। নাকের উপরে ও দুপাশে লোমের রং হয় সামান্য কালচে। কান দুটো হয় খাড়া, সূচালো ও ত্রিকোণাকার। কানের বাইরের দিকের রং কালচে হলেও ভেতরের রং ফ্যাকাসে এবং উপরের প্রান্তের লোমগুলো অপেক্ষাকৃত বড়। গলা, পেট আর পায়ের ভেতরের দিকের রঙও হয় সামান্য ফ্যাকাসে। খ্যাঁকশিয়ালদের চেহারার মধ্যে সবথেকে বিশেষত্ব রয়েছে লেজে। লম্বা, লোমবহুল, মোটা লেজটা একেবারে মাটি ছুঁয়ে থাকে। আর লেজের প্রান্তভাগ হয় কালো।
কলকাতায় বৃষ্টি

খাবারের সন্ধানে খেঁকশিয়া। ছবি : সংগৃহীত।

যেহেতু খ্যাঁকশিয়াল মাংসাশী প্রাণী তাই এদের ছেদক দাঁত হয় খুব সূচালো এবং লম্বা। গৃহস্থের হাঁস-মুরগি ছাড়াও ছোট পাখি, পাখির ডিম, ইঁদুর, সাপ, কাঁকড়া, পোকামাকড় এমনকি ফলমূলও খেতে ওস্তাদ। যদিও আমি কখনও দেখিনি তবে শুনেছি চাষির বাগানে শসা, তরমুজ, ফুটি, কুমড়ো ইত্যাদি ফল নাকি খ্যাঁকশিয়াল খেয়ে নেয়। তবে খ্যাঁকশিয়াল যে পাকা খেজুর ও কুল খায় তা পরোক্ষভাবে দেখেছি। জমির আলে খ্যাঁকশিয়ালের মল পড়ে থাকতে দেখেছি। সেই মলে খেজুর ও কুলের দানা মিশে থাকতে দেখেছি। আবার শিরীষ গাছের ফলের দানাও দেখেছি। তার মানে এরা শিরীষ গাছের ফল খেতেও পছন্দ করে। গ্রামে থাকতে দেখেছি খেজুর গাছ বা শিরীষ গাছ এক জায়গাতে অনেকগুলো জন্মায় তার কারণ ওদের মলের সাথে অনেকগুলো দানা একসঙ্গে বেরিয়ে আসে। এমনিতে কুল, দেশি খেজুরের দানা বা শিরীষ গাছের দানা মাটিতে পড়ে অঙ্কুরিত হয় না। কিন্তু শেয়ালের পরিপাকনালীর মধ্যে দিয়ে বাহিত হয়ে মলের সঙ্গে যখন নির্গত হয় তখন বীজের আবরণ সামান্য পাচিত হয়ে যায় ফলে বীজের অঙ্কুরোদ্গম সম্ভব হয়। এইভাবে আমাদের গ্রামে জমির আলে খেজুর গাছ, শিরিষ গাছ ও কুল গাছ জন্মাতে দেখেছি। খ্যাঁকশিয়ালদের সংখ্যা হ্রাসের সাথে সাথে গ্রামে এইসব গাছের সংখ্যাও তাই হ্রাস পেয়েছে।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৬: পঞ্চবটীর যাত্রাপথে প্রাপ্তি, পিতৃবন্ধু জটায়ু ও বনবাসজীবনে লক্ষ্মণের ভূমিকা

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস হল খ্যাঁকশিয়ালদের প্রজননের ঋতু। তবে বর্ষাকালে অর্থাৎ জুন জুলাই মাসেও এদের কখনো কখনো প্রজনন হতে দেখা যায়। খ্যাঁকশিয়ালদের স্ত্রী পুরুষের জোড় সাধারণত স্থায়ী হয়। যে গর্তে এরা বাচ্চাদের জন্ম দেয় সাধারণত সেই গর্ত বছরের পর বছর এরা ব্যবহার করে যদি না কোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে বদল করার প্রয়োজন হয়। আর এরা নিজেদের এলাকার ছাড়া সাধারণত দূরে যায় না। স্ত্রী খ্যাঁকশিয়ালের গর্ভাবস্থা ৫০ থেকে ৫৫ দিন স্থায়ী হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুটি বাচ্চার জন্ম দিলেও সর্বোচ্চ ছয়টি পর্যন্ত বাচ্চার জন্ম দিতে দেখা গেছে। স্ত্রী ও পুরুষ খ্যাঁকশিয়াল উভয়ে মিলেই বাচ্চার লালনপালনের দায়িত্ব পালন করে। এই সময় এরা বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য ছোট বড় নানান ইঁদুর ধরে আনে। এক থেকে দুই বছর বয়সে এরা যৌন ক্ষমতা লাভ করে।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮০ : হাত বাড়ালেই বন্ধু

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি

ছোটবেলা থেকে বয়স্ক মানুষদের মুখে এই খ্যাঁকশিয়ালদের সম্বন্ধে একটা মিথ্ শুনে এসেছি। এদের মুখের ভেতর থেকে নাকি আলো বেরোয়। রাত্রিবেলায় যখন এরা ঘুরে বেড়ায় তখন নাকি এরা হাঁ করে চলে আর মুখের ভেতর থেকে বেরোনো আলো ওদের পথ চিনতে সাহায্য করে। এমনও শুনেছি যে রাতে ফাঁকা মাঠের মধ্যে যে ভুতুড়ে আলোগুলো ঘুরে বেড়ায় তা নাকি খ্যাঁকশিয়ালের মুখের আলো। কিন্তু প্রকৃত তথ্য হল, খ্যাঁকশিয়ালদের মুখের মধ্যে কখনোই কোনও আলো উৎপন্ন হয় না, বরং আরও অনেক নিশাচর প্রাণীর মতো এদের চোখে রেটিনার পেছনে ট্যাপেটাম লুসিডাম নামে যে প্রতিফলক স্তর রয়েছে তা থেকে আলো প্রতিফলিত হয় বলে রাতে ওদের চোখ জ্বলে। সম্ভবত চিনা উপকথার এক কুকুর সদৃশ জন্তু হাউদাউ কিংবা স্লাভিক উপকথার নেকড়ে ভারকোলাকের মুখ থেকে আগুন নিঃসৃত হওয়ার কাহিনি থেকেই খ্যাঁকশিয়ালের মুখ থেকে আলো বেরোনোর ভ্রান্ত ধারণা এসেছে।
কলকাতায় বৃষ্টি

খেঁকশিয়াল। ছবি : সংগৃহীত।

সুন্দরবনের বসতি অঞ্চলে খ্যাঁকশিয়ালের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। আজন্ম বেড়ে ওঠা আমার গ্রামে আজ আর ওদের ডাক শুনতে পাওয়া যায় না। তবে কোনও কোনও গ্রামে এখনও ওদের ডাক মাঝে মাঝে শুনতে পাওয়া যায়। এখন ওরা আগের মতো আর হাঁস-মুরগি পায় না। খালগুলো প্রায় সব মজে গিয়েছে, ফলে কাঁকড়াও আর সহজলভ্য নয়। ঘন জনবসতির চাপে ওরা বাসস্থানও হারিয়েছে। যদিও আইইউসিএন (IUCN) এদের ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে চিহ্নিত করেছে কিন্তু সুন্দরবনের বসতি এলাকায় খ্যাঁকশিয়ালরা যে বিপদগ্রস্ত তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।—চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content