মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

রমণীমোহন।

রবীন্দ্রনাথের বড়দা দ্বিজেন্দ্রনাথের সত্যি তুলনা হয় না। কত দিকে তাঁর আগ্রহ ছিল, প্রতিভার বিচ্ছুরণ আমাদের অভিভূত করে। সাহিত্যে, দর্শনে, সংগীতে, গণিতশাস্ত্রে — নানাদিকে সাফল্য। গল্পের মতো তাঁর দৈনন্দিন জীবন, সারল্যে ভরপুর। দ্বিজেন্দ্রনাথের দুই কন্যা বধূ হয়ে গিয়েছিলেন রামমোহন রায়ের পরিবারে। প্রিন্স দ্বারকানাথের সঙ্গে রামমোহনের বন্ধুত্ব ছিল। দ্বিজেন্দ্রনাথ রামমোহন-পরিবারে তাঁর দুই কন্যার বিবাহ দিয়েছিলেন, ওই পরিবার থেকে বধূমাতাও এনেছিলেন। পুত্র দ্বিপেন্দ্রনাথ পত্নী সুশীলার মৃত্যুর পর যাঁকে বিবাহ করেন, সেই হেমলতা দেবী ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠ জামাতা রামমোহন-পরিবারের মোহিনীমোহনের ভগ্নী। মোহিনীমোহনের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল সরোজার। আর এক কন্যা ঊষাবতীর সঙ্গে বিবাহ হয় রমণীমোহনের।
রমনীমোহন ও মোহিনীমোহন রামমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্র রাধাপ্রসাদের দৌহিত্র ললিতমোহনের মধ্যম ও জ্যেষ্ঠ পুত্র। রামমোহনের সঙ্গে ঠাকুর পরিবারের যোগাযোগ, তাঁর প্রতি রবীন্দ্রনাথের সুগভীর শ্রদ্ধার কথা আমাদের অজানা নয়। সেই পরিবারের রমণীমোহন ও মোহিনীমোহনের হাতে নিজের দুই কন্যাকে সমর্পণ করে দ্বিজেন্দ্রনাথও স্বস্তি বোধ করেছিলেন। ললিতমোহনের কনিষ্ঠ পুত্র রজনীমোহনও ঠাকুরবাড়ির জামাই হয়েছিলেন গগনেন্দ্রনাথ, অবনীন্দ্রনাথের বোন সুনয়নীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়েছিল। রামমোহন-পরিবারের হেমলতা ঠাকুরবাড়িতে বধূ হয়ে এসে যে দায়িত্ব সচেতনতার পরিচয় দিয়েছিলেন, সত্যিই তা মুগ্ধ করার মতো। দ্বিপেন্দ্রনাথ পিতৃদেবের জীবদ্দশায় মারা গিয়েছিলেন। দ্বিজেন্দ্রনাথকে আগলে রেখেছিলেন তাঁর এই পুত্রবধূ। বিবাহের আগে থেকেই আত্মীয়তাসূত্রে হেমলতার ঠাকুরবাড়িতে যাতায়াত ছিল। রবীন্দ্রনাথকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তিনি লিখে রেখেছেন। রবীন্দ্রনাথ হেমলতার বইয়ের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। হেমলতার অনুজ রমণীমোহনকেও রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত স্নেহ করতেন। আস্থা ও নির্ভরতার সম্পর্ক ছিল।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

পৃথিবীর সর্বোচ্চ একক আর্চ ব্রিজের নির্মাণে বিনয়ী এক অধ্যাপিকা

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২৯: পথিমধ্যে অতর্কিতে

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৩: শকুন

দ্বিজেন্দ্র-কন্যার সঙ্গে রমণীমোহনের যখন বিবাহ হয়, তখন পাত্রী নিতান্তই কিশোরী। বারো বছর বয়স তাঁর। সে সময় ঠাকুরবাড়িতে যথেষ্টই অস্থিরতা, ছিল শোকের আবহ। কাদম্বরীদেবীর আত্মহত্যা, রবীন্দ্রনাথের সেজদা হেমেন্দ্রনাথের অকালবিয়োগ — এক বিষণ্ণ-আবহে হয়েছিল এই বিবাহ-আয়োজন। ঠাকুরবাড়িতে জামাই নির্বাচন করতে গিয়ে নানারকম বাছবিচার করা হত। রমণীমোহন সে সব দিক থেকে যথার্থ অর্থেই উপযুক্ত ছিলেন। মানুষ হিসেবেও ছিলেন অতীব সজ্জন।
কলকাতায় বৃষ্টি

দ্বিজেন্দ্রনাথ।

দ্বিজেন্দ্রনাথ শুধু নন, মহর্ষিদেবও এই বিবাহ দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যাপারে তৎপর হয়েছিলেন। রমণীমোহনকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন দেবেন্দ্রনাথ। তাঁর ওপর নির্ভরও করতেন তিনি। শান্তিনিকেতনে আশ্রম স্থাপনের জন্য মহর্ষি যে ট্রাস্টডিড তৈরি করেছিলেন, সেই ডিডে অন্যতম ট্রাস্টি হিসেবে ছিলেন রমণীমোহন। সহজেই অনুমেয়, মহর্ষির আস্থা ও ভালোবাসা দুই-ই অর্জন করেছিলেন ঠাকুরবাড়ির এই জামাতা। রমণীমোহনের পত্নী চার পুত্র-কন্যার জননী ঊষাবতী অকালে, আঠাশ বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন। রমণীমোহন পুনর্বিবাহ করেননি। ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে তাঁর যে বন্ধন, সে বন্ধন ছিন্ন হয়নি। দিনে দিনে আরও নিবিড়, আরও দৃঢ় হয়েছে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২৭: আশ্রমকন্যা শকুন্তলার পুত্রের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চিরন্তন মাতৃত্বের প্রকাশ এবং দুষ্মন্তের লাম্পট্য ও প্রতারণা, সব যুগেই বিদ্যমান

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৩: রাজা গোবিন্দমাণিক্য চেয়েছিলেন ঘরে ঘরে পুরাণ পুঁথির প্রচার হোক

রমণীমোহন ছিলেন খুবই দায়িত্ববান। নিজের পরিবারে, ঠাকুরবাড়িতে নানান ছোট-বড় দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। সুশিক্ষিত, মার্জিত রমণীমোহন দুই পরিবারেই ছিলেন অপরিহার্য। পেশায় তিনি ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। ফলে তাঁর পড়াশোনার বিস্তৃতি, বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তা সবাইকে মুগ্ধ করত। যথেষ্ট সাহিত্যপ্রিয় ছিলেন। খুব সক্রিয়ভাবে না হলেও সাহিত্যচর্চা করতেন। রবীন্দ্রনাথের উৎসাহে ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত ‘বালক’-এ লিখেছেন।
কলকাতায় বৃষ্টি

সুনয়নী দেবী।

কবির প্রিয় বন্ধু আশুতোষ চৌধুরীর সঙ্গে রমণীমোহনের হৃদ্যতা ছিল। রবীন্দ্রনাথের তৎপরতাতেই আশুতোষের সঙ্গে হেমেন্দ্র-কন্যা প্রতিভার বিবাহ হয়েছিল। বিবাহ-প্রস্তাব নিয়ে আশুতোষদের কৃষ্ণনগরের বাড়িতে রবীন্দ্রনাথই গিয়েছিলেন। সে সময় কবি রমণীমোহনকেও সঙ্গে নিয়েছিলেন। তাঁর ওপর এতখানিই ভরসা করতেন। প্রবল ভরসা আর গভীর নির্ভরতা ছিল বলেই রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ঠাকুরকোম্পানির ব্যবসারও অংশীদার করে নিয়েছিলেন। অংশীদার হিসেবে সঙ্গে রেখেছিলেন দুই প্রিয় ভ্রাতুষ্পুত্র বলেন্দ্রনাথ ও সুরেন্দ্রনাথকে। রবীন্দ্রনাথ তখন তিলে তিলে শান্তিনিকেতন-আশ্রম গড়ে তুলছেন, রমণীমোহন ছিলেন কবির বড়ো সহায়ক। আশ্রম গড়ে তোলার এই কাজ অর্থসংকটে প্রায়ই বিলম্বিত হত। অর্থ-সংগ্রহের ব্যাপারে রমণীমোহনের পরামর্শ রবীন্দ্রনাথ যে মেনে চলতেন, তার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। রমণীমোহন সহসা এই আস্থা অর্জন করেননি, ঘটনা পরম্পরায় রবীন্দ্রনাথ বুঝেছিলেন তাঁর ওপর নির্দ্বিধায় নির্ভর করা যায়। অসুস্থ কন্যা রেণুকাকে সুস্থ করার তাগিদে রবীন্দ্রনাথ যখন দূর-পাহাড়ে, আলমোড়ায়, তখন শান্তিনিকেতনের আশ্রম- বিদ্যালয়ের ভার রমনীমোহনকে দিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে এই দায়িত্ব সামলে ছিলেন মোহিতচন্দ্র সেন ও জগদীশচন্দ্র বসু।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৮: নীতি কেবল মুখোশ, রাজনীতির মূল হল কৌশল আর ছলনা

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু! পর্ব-৯৬: গ্রিন টি /৪

রমণীমোহনের ওপর রবীন্দ্রনাথের আস্থা তো ছিলই, ছিল সুগভীর স্নেহ। তাই ত্রিপুরার রাজা রবীন্দ্রনাথের পরামর্শেই রমণীমোহনকে দিয়েছিলেন মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব। তাঁর নাম ত্রিপুরার মন্ত্রিপদে সুপারিশ করে ত্রিপুরারাজ রাধাকিশোরদেবমাণিক্যকে কবি লেখেন, ‘রমণীকে রাজকার্যে নিযুক্ত করিলে তাঁহার বিশ্বস্ততা, দক্ষতা, দূরদর্শিতা ও সহৃদয়তা গুণে মহারাজ নিশ্চয়ই সন্তুষ্ট এবং সর্বতোভাবে নিশ্চিন্ত হইতে পারিবেন।’ ত্রিপুরার রাজা রবীন্দ্রনাথের কথা রেখেছিলেন। তাঁকে মন্ত্রিপদে নিয়োগ করেছিলেন।
কলকাতায় বৃষ্টি

রবীন্দ্রনাথ।

কিশোর বয়সে রবীন্দ্রনাথকে ‘ভগ্নহৃদয়’ কাব্যের জন্য প্রথম সংবর্ধিত করেছিলেন ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র। ‘ভগ্নহৃদয়’ শোকদগ্ধ মহারাজকে এমনই স্পর্শ করেছিল যে, মন্ত্রীকে পাঠিয়েছিলেন জোড়াসাঁকোয়, কবিকে রাজার তরফে সংবর্ধিত করার জন্য। বীরচন্দ্রের পুত্র রাধাকিশোরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বন্ধুত্ব ও প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ একবার-দু’বার নয়, সাতবার গিয়েছিলেন ত্রিপুরায়। রাজা বীরচন্দ্রের কাল থেকে ত্রিপুরার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সৌহার্দ্যময় সম্পর্ক। ত্রিপুরারাজের আর্থিক আনুকূল্য না পেলে জগদীশচন্দ্র হয়তো যথাসময়ে গবেষণাকর্ম শেষ করতে পারতেন না। রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে ত্রিপুরারাজ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত, মিলেছিল ঔদার্যের পরিচয়। যুবরাজ বীরেন্দ্রকিশোরের তখন বিবাহের আয়োজন চলেছে। রাজকোষে অর্থের বাড়-বাড়ন্ত। এমন দিনেও রবীন্দ্রনাথের আহ্বানে ত্রিপুরারাজ পুত্রের বিবাহ-খরচ কাটছাঁট করে মহত্তর কর্মযজ্ঞে শামিল হয়েছেন। জগদীশচন্দ্রের গবেষণা ত্বরান্বিত করার জন্য দিয়েছেন আর্থিক সাহায্য। যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন মহারাজ, সত্যি কি তার তুলনা হয়! ত্রিপুরারাজ রাধাকিশোরের মনে হয়েছিল, ‘বর্তমানে আমার ভাবী বধূমাতার দু’একপদ অলঙ্কর নাই-বা হইল, তৎপরিবর্তে জগদীশবাবু সাগরপার হইতে যে অলঙ্কারে ভারতমাতাকে ভূষিত করিবেন, তাহার তুলনা কোথায়?’
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-৯ : মণিহারা: করিডর, সেজবাতি আর…

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান

রাজা রাধাকিশোর নানাভাবে রবীন্দ্রনাথকে সাহায্য করেছেন, কবির যে কোনও কথা রাখার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। রাধাকিশোর কোনও সংকটে পড়লেই রবীন্দ্রনাথের পরামর্শ নিতেন। বন্ধু রবীন্দ্রনাথের সুপরামর্শে সংকট কাটিয়েও উঠতেন। সরে যেত দুশ্চিন্তার কালো মেঘ, আশার আলো ঝলমলিয়ে উঠত। ত্রিপুরায় তখন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কিছু কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। রাজা রাধাকিশোর এমন কাউকে মন্ত্রী করতে চাইছিলেন, যাঁর সুপরামর্শ অনুসরণ করে রাজ্যে স্বাভাবিকতা আনা যায়। তাঁর কাছে বিপদের সহায় রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রনাথের কাছে মন্ত্রিপদের জন্য যোগ্য কারও নাম জানতে চেয়েছিলেন রাজামশায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কবি রমনীমোহনের নাম প্রস্তাব আকারে পাঠিয়েছিলেন। পাঠানোর আগে ত্রিপুরার সংকট ও সংকটমোচনের উপায় নিয়ে রমণীমোহনের সঙ্গে বিশদ আলোচনা করেছিলেন। রমণীমোহনের ভাবনা রবীন্দ্রনাথের মনে ধরেছিল। তারপরই ওই প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন। এই কাজে রমণীমোহন যাতে পুরোপুরি সাফল্য পান, সেজন্য আগেভাগে তিনি রাজামশায়কে এমন দায়িত্ব দিতে চেয়েছিলেন, যাতে ‘সম্পূর্ণভাবে দক্ষতা প্রয়োগ করিবার ক্ষেত্র পান।’
কলকাতায় বৃষ্টি

অবনীন্দ্রনাথ।

রমণীমোহনকে ত্রিপুরার মন্ত্রীপদে আসীন করতে পেরে রবীন্দ্রনাথ পরিতৃপ্ত হয়েছিলেন। পরিতৃপ্ত হয়েছিলেন দুটি কারণে, বন্ধু রাজার কথা তিনি রাখতে পেরেছেন, তাঁর কাছে উপযুক্ত লোক পাঠাতে পেরেছেন। আবার রমণীমোহনের এই বিরাট দায়িত্বভার, মন্ত্রিত্বলাভ, তাঁর পরম হিতাকাঙ্ক্ষী রবীন্দ্রনাথের আনন্দের কারণ হয়ে উঠেছিল। রমণীমোহনকে মন্ত্রিপদে আসীন করার জন্য বিশেষ দরবারের ডাক দিয়েছিলেন রাজা রাধাকিশোর। সেই আনন্দ-অনুষ্ঠান চাক্ষুষ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ কলকাতা থেকে ত্রিপুরার আগরতলায় ছুটে গিয়েছিলেন।

রমণীমোহন অবশ্য খুব বেশিদিন মন্ত্রিত্বের দায়িত্বে থাকেননি। বছর দেড়েকের মধ্যেই ফিরে এসেছিলেন কলকাতায়। মন্ত্রিপদে খুব সুখে কাটাতে পারেননি। জটিল রাজনীতির বিবিধ চক্রান্তে বিভ্রান্ত হয়েই রমণীমোহন ফিরে এসেছিলেন।
* গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি (Tagore Stories – Rabindranath Tagore) : পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Parthajit Gangopadhyay) অবনীন্দ্রনাথের শিশুসাহিত্যে ডক্টরেট। বাংলা ছড়ার বিবর্তন নিয়ে গবেষণা, ডি-লিট অর্জন। শিশুসাহিত্য নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে গবেষণা করে চলেছেন। বাংলা সাহিত্যের বহু হারানো সম্পদ পুনরুদ্ধার করেছেন। ছোটদের জন্য পঞ্চাশটিরও বেশি বই লিখেছেন। সম্পাদিত বই একশোরও বেশি।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content