শনিবার ৭ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান

পর্ব-১৪৭: মধ্যরাতের অভিযান

ফোন রেখে দিয়ে সুদীপ্ত একবার ভাবল। ঘড়তে বলছে, এখন রাত একটা। সুদূর মফস্সলে রাত একটা মানে গভীর রাত। তার উপর পিশাচপাহাড়ের যে-দিকটায় একটু শহুরে হাওয়া, সেদিকে দু’-একটি বাড়িতে রাতজাগার মানুষ থাকলেও, যেদিকে আধা গ্রাম, সে-সব অঞ্চলে সন্ধ্যে হতে-না-হতেই রাত নেমে আসে। রিসর্টগুলি...
পর্ব-১৪৬: সেফ শেলটার

পর্ব-১৪৬: সেফ শেলটার

অ্যাম্বুল্যান্সের আগে-পিছে পুলিশের গাড়ি, তার পিছনে ডিএমের গাড়ি যাচ্ছিল। এসপিকে বলা হয়েছে। তিনি সদর হাসপাতালে থাকবেন। আজ রাতেই যা-যা ব্যবস্থা করার করে ফেলতে হবে। ডিএম চেয়েছিলেন, নীরবে সমস্ত কাজটা সারতে। কিন্তু শাক্য আপত্তি জানিয়েছিল। তার মতে, যা করতে হবে এইরকম ভাবেই...
পর্ব-১৪৫: জরুরি একটি ফোন

পর্ব-১৪৫: জরুরি একটি ফোন

“স্যার?” “কে? উল্লাস?” “হ্যাঁ স্যার!” “এত অস্থির কেন? কিছু হয়েছে?” “শাক্য স্যার কোথায় স্যার?” “কেন?” “স্যারকে দরকার ছিল!” “তোমার সার্ভিসের জন্য না-কি? তাহলে অপেক্ষা করতে হবে। স্যার এখন পিশাচপাহাড়ে নেই। ফিরুন আগে। তারপর না-হয় ডাকবেন তোমায়!” “স্যার! সার্ভিসের জন্য নয়।...
পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

কালাদেওর গুহার মুখটির সামনে একখানি প্রশস্ত চাতাল। ইট-সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো চাতালের মধ্যিখানে একখানা যূপকাষ্ঠ। বাৎসরিক পুজো কিংবা মানতের পুজোর দিন ওই যূপকাষ্ঠেই বলি দেওয়া হয়। সেদিন চাতালটি রক্তে লাল হয়ে যায়। ভক্ত থেকে যাঁর মানসিক থাকে তিনি সেই রক্ত দিয়ে কপালে তিলক...
পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

অন্ধকার ঘরের মধ্যে লোকটি অপেক্ষা করছিলেন। ঘরে আলো নেই এমন নয়, ইচ্ছে করেই জ্বালাননি তিনি। আসলে একঘেঁয়ে আলোর মধ্যে থাকতে থাকতে লোকটা অন্ধকারকে মন-প্রাণ দিয়ে চেয়েছিলেন, অন্ধকারকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন। সমস্তদিন আলোর মধ্যে থাকতে-থাকতে হাঁফ ধরে যায় তাঁর। তখন এই অন্ধকার ঘরের...

Skip to content