বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১৩৩: মহর্ষিকে অনুসরণ করে তাঁর পত্নীও বাড়ির পুজোতে যোগ দিতেন না

পর্ব-১৩৩: মহর্ষিকে অনুসরণ করে তাঁর পত্নীও বাড়ির পুজোতে যোগ দিতেন না

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘আমাদের বাড়ী দুর্গা ও জগদ্ধাত্রী—এই দুই পূজা হ’ত। দুর্গোৎসব মহাসমারোহে সম্পন্ন হ’ত। আমাদের উঠানের উপর সামিয়ানা খাটানো আর তিন দিন ধরে নৃত্যগীত আমোদপ্রমোদ, আমাদের আনন্দের আর সীমা থাকতো না। সেই তিন দিন আমরা যেন কল্পনাপ্রসূত এক নূতন...
পর্ব-১৩২: কবিকন্যা মীরার স্বামী রবীন্দ্রনাথকে ভর্ৎসনা করেছিলেন

পর্ব-১৩২: কবিকন্যা মীরার স্বামী রবীন্দ্রনাথকে ভর্ৎসনা করেছিলেন

মীরা দেবী। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের রবীন্দ্রজীবনীতে আছে, ‘কবি এই প্রিয়দর্শন তেজস্বী যুবককে দেখিয়া অত্যন্ত প্রীত হন এবং তাহাকে কনিষ্ঠ কন্যা দানের সংকল্প করেন।’এই ‘তেজস্বী যুবক’টি বরিশালের সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের সদস্য বামনদাস গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় পুত্র...
পর্ব-১৩১: মহর্ষি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে মৃত্যু

পর্ব-১৩১: মহর্ষি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে মৃত্যু

জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। আপাতভাবে মনে হতেই পারে, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ছকে বাঁধা জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন না। সংসার-উদাসীন, নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করতেন তিনি। বাস্তবে কিন্তু তেমনটি নয়। মহর্ষিদেব কখনো ব্যস্ত থেকেছেন ধর্মপ্রচারে, কখনো পরিব্রাজক হয়ে ঘুরেছেন দেশে-দেশান্তরে।...
পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মায়েরা প্রায়শই থাকত আঁতুড়ঘরে, সেটাই ছিল তখন স্বাভাবিক। আঁতুড়ঘরের বাইরে থাকলে সর্বকনিষ্ঠটিকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। অন্যদের প্রতিপালনের তেমন ফুরসত পেতেন কোথায়! বাড়ির কাজের লোক, চাকরবাকররাই দেখাশোনা করত। রবীন্দ্রনাথও গৃহভৃত্যদের দ্বারা প্রতিপালিত।...
পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ তখন অসুস্থ। কবির অসুস্থতাকে ঘিরে প্রিয় মানুষজনের উদ্বিগ্নতার শেষ ছিল না। কবিকে কীভাবে ভালো রাখা যায়, তা নিয়ে সকলেই কম-বেশি ব্যস্ত। সেবায়, পরিচর্যায় যদি কবি একটু ভালো থাকেন, ভালো হয়ে ওঠেন, সে চেষ্টাই দিনভর চলে। নিজেদের দৈনন্দিন...

Skip to content