
বিপদের আশঙ্কা নিয়ে ভয়ে ভয়ে বেঁচে থাকা তৃপ্তি। এই আচমকা কলঙ্কের ধাক্কায় অনেকটা কঠিন হয়ে গিয়েছে। মা-বাবার মৃত্যুর খবর এসেছিল থানা থেকে, ভাইয়ের মৃতদেহ হাতে পেয়েছিল থানাতেই। আর আজ আবার সেই থানা থেকেই কুৎসার মুকুট পরে বাড়ি ফিরছে তৃপ্তি। বাড়িটা কি আর বাড়ি থাকল?

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৩৭: আকাশ এখনও মেঘলা

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩৫ ন হন্যতে

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২: মালা বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৯: হাট্টিমা
—আমাকে মাফ করো তৃপ্তি। আমার কিছু করার ছিল না!
তৃপ্তির উত্তর না দিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে চায়। কিন্তু স্নিগ্ধা দোতলা থেকে হাঁপাতে হাঁপাতে এমনি নেমে আসেনি। সে এই কলঙ্কের জ্বালাটা তৃপ্তির শরীরে বিঁধিয়ে দিতে চায়। তৃপ্তির চোখ মুখ দেখে যাতে একটা পাশবিক আনন্দ অনুভব করা যায় তাই সে নেমে এসেছে।
—ছেলে কি বাড়িতে একা নাকি?
এবারও তৃপ্তি কোন উত্তর দেয় না চোয়াল শক্ত করে দাঁড়িয়ে থাকে! স্নিগ্ধা এবার অপমানের মাত্রাটা আরও বাড়াতে শুরু করল!
—দুলালদা যে এইরকম একটা নোংরামি করবে এটা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি ভাই!

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৩: মহর্ষিকে অনুসরণ করে তাঁর পত্নীও বাড়ির পুজোতে যোগ দিতেন না

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১১ : অরিন্দম কহিলা বিষাদে
—স্নিগ্ধা? কি করছিস ওখানে? কে কথা বলছে?
—তৃপ্তি বউদি গো! দুলালদার বৌ ! থানা থেকে ফিরছে।
—তার সঙ্গে তোর কী? এখনও তাঁর মুখ দেখতে ইচ্ছে যাচ্ছে?
—আরে ওর কি দোষ বলো! ওতো আর আমার ওপর ঝাঁপায়নি সে তো ওর বর!

আমার দুর্গা: বিজ্ঞানী রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩২: লৌকিকও অলৌকিকের টানাপোড়েনের বিনির্মাণ—ঋষিকবির মহাকাব্য রামায়ণ
—পাখার কাঠচেরা একঘেয়ে ছন্দ আর ঝিঁঝিঁর তান ছাড়া শব্দহীন থানাটা। মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে সাব ইন্সপেক্টর হাসান আলি একবার সেলে গিয়ে দেখল দুলাল সেন একই ভাবে বসে আছে। এলাকার বড়বড় পুজোপ্যাণ্ডেলে যুবক বয়েসে এই লোকটার আবৃত্তি শুনেছে হাসান। জুটমিলের গেটে দাপুটে ভাষণ শুনেছে। সে ভাষণ পেশাদার ট্রেড ইউনিয়ন নেতার স্বরলিপিতে বাঁধা নয় – সরাসরি বুকের ভেতর থেকে টাটকা ঝলমলে সত্যিকথা!

রজনীর রবি

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১১০: মা সারদার মানবীলীলার অবসান
* জিৎ সত্রাগ্নি (Jeet Satragni) বাংলা শিল্প-সংস্কৃতি জগতে এক পরিচিত নাম। দূরদর্শন সংবাদপাঠক, ভাষ্যকার, কাহিনিকার, টেলিভিশন ধারাবাহিক, টেলিছবি ও ফিচার ফিল্মের চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার। জিৎ রেডিয়ো নাটক এবং মঞ্চনাটক লিখেছেন। ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ নাটকের রচয়িতা, ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার। প্রকাশিত হয়েছে ‘জিৎ সত্রাগ্নি’র নাট্য সংকলন’, উপন্যাস ‘পূর্বা আসছে’ ও ‘বসুন্ধরা এবং…(১/২/৩ খণ্ড)’ ও নাটক ‘মেঘে ঢাকা ঘটক’ । এখন লিখছেন ‘হ্যালো বাবু’এবং ‘আকাশ এখনও মেঘলা’।


















