উত্তম কথাচিত্র

পর্ব-৮১ : খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন

পর্ব-৮১ : খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন

ছবির কাহিনি অত্যন্ত সাদামাটা। একজন মুন্সেফের অন্দরমহলে নানা উঠানামা, সামন্ততান্ত্রিক সমাজ গঠনের বিভিন্ন অলিন্দের খোঁজখবর এই ছবির পরতে পরতে। সঙ্গে সঙ্গে প্রভু ভৃত্যের সম্পর্ক কতটা উচ্চমানের হতে পারে তার যেন নিখাদ উদাহরণ এই ছবির তথা এই গল্পের চাবিকাঠি।

read more
পর্ব-৮০ : হাত বাড়ালেই বন্ধু

পর্ব-৮০ : হাত বাড়ালেই বন্ধু

উত্তম-সুচিত্রার ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতেন এবং উত্তম কুমার নিজে যখন চলচ্চিত্র শিল্পের অভিভাবক হতে চলেছেন—এই দুটি পর্বের রাখিবন্ধন সুকুমারবাবু খুব ভালো করে করতে পেরেছিলেন তাই ছবিটি কালো উত্তীর্ণ হয়েছে বলে মনে হয়।

read more
পর্ব-৭৯ : উত্তরমেঘ

পর্ব-৭৯ : উত্তরমেঘ

উত্তরমেঘ ছবিতে সুপ্রিয়া চৌধুরীর অভিনয় যথেষ্ট মর্যাদাপূর্ণ ছিল। যে উত্তমকুমার সংলাপের বাঁধুনীতে দাবি করছিলেন তিনি নিছক ম্যাটিনি আইডল হিসাবে সীমাবদ্ধ থাকতে জন্মাননি। উদভ্রান্ত বাংলা ও বাঙালিয়ানার স্মৃতি-সত্তা-ভবিষ্যতের অবলম্বন হতে এসেছেন তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুপ্রিয়ার অভিনয় যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে।

read more
পর্ব-৭৮ : কুহক

পর্ব-৭৮ : কুহক

উত্তম-সাবিত্রী-র একটি মাইলস্টোন ছবি। ‘কুহক’ এই ছবিতে উত্তম কুমার একটি চোরের ভূমিকায় অভিনয় করেন। যেখানে দেখানো হয় কীভাবে এক লোভী চোর বা সাধারণ মানুষ, শুধু টাকার পিছনে ছুটতে গিয়ে নিজের জীবন ও সম্পর্ককে বিপন্ন করে তোলে। যেখানে পারিবারিক মূল্যবোধ ও নৈতিক দ্বন্দ্বের এক জটিল আখ্যান ফুটে ওঠে উত্তম কুমারের অভিনয়ে।

read more
পর্ব-৭৭ : রাজা সাজা

পর্ব-৭৭ : রাজা সাজা

যে বছর ‘রাজা সাজা’ মুক্তি পেয়েছিল তার সাত দিন আগেই ‘মায়া মৃগ’ ছবি বাজারে রমরমিয়ে চলতে শুরু করেছে। সেই সময় ‘রাজা সাজা’-র মতো ছবির আবেদন সত্যি তুলনাহীন হয়েছিল। শিক্ষা ব্যবস্থার অন্দরমহলে ঢুকে তারই ময়নাতদন্ত এবং সমাধান এ দুটোর মিশেল ছবিটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছিল।

read more
পর্ব-৭৬ : মায়ামৃগ

পর্ব-৭৬ : মায়ামৃগ

চিত্রনাট্য লিখেছিলেন বিখ্যাত মনি বর্মা। উত্তমবাবু চিত্রনাট্যের বুনন শুনে প্রথমে দুর্বল হলেও নিছকই দাদার কর্তব্য করে ফেলার একটি ক্ষেত্র থেকে বা আগামী দিনের এক সম্ভাবনাময় নায়ককে তুলে আনার তাগিদে। বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে রেকমেন্ড করেন এবং সহঅভিনেতা হবার প্রস্তাব দেন। এ যেন অনেক বড় ছবিতে চরিত্রাভিনেতার আত্মত্যাগ। এর পরবর্তী অনেক ছবিতেই উত্তম কুমার প্রযোজক পরিচালকদের বোঝাতে চেয়েছেন চরিত্র অনুযায়ী প্লেয়ার কাস্টিং করতে। যার কারণে দেবদাসের চরিত্রে উনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে রেকমেন্ড করেছিলেন।

read more
পর্ব-৭৫ : অবাক পৃথিবী

পর্ব-৭৫ : অবাক পৃথিবী

অনেকদিন পর উত্তম কুমার একটা চরিত্র পেয়েছিলেন যেখানে সমাজের নীচু তলার তথা সুশীল সমাজের বাইরের লোকের ভূমিকায় তাকে অভিনয় করতে হয়েছিল। এযাবত যত চরিত্র করেছেন সেখানে সত্যের বিজয় বার্তা তার চোখে মুখে ফুটে উঠতো। কিন্তু ‘অবাক পৃথিবী’ ছবিটার তৈরি থেকেই উত্তমবাবু নিজেকে ভেঙেচুরে একটি অন্য মানের চরিত্রে দাঁড় করাতে চাইছিলেন।

read more
পর্ব-৭৪ : সোনার হরিণ

পর্ব-৭৪ : সোনার হরিণ

উত্তমবাবুর মতো ক্ষণজন্মা শিল্পীরা এ ধরনের অনুসরণীয় শিল্পীদের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন বলেই বোধ হয় ছবির নির্মাণপর্বটা এত গোছানো হতো। উত্তমবাবুর দুর্ভাগ্য শেষের দিকের কয়েকটা ছবি ছাড়া ওনাকে কখনও পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করতে হয়নি। বা যে ছবি তো উনি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করবেন বলে মনোনীত হয়েছেন সেখানে কোন এক জাদু বলে উনি প্রধান আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। মূল চরিত্রের অভিনয়কারীরা অনেকটা গৌণ হয়ে পড়েছেন।

read more
পর্ব-৭৩ : ‘খেলাঘর’

পর্ব-৭৩ : ‘খেলাঘর’

‘খেলাঘর’ ছবির প্রধান শর্ত ছিল মানুষের জৈবিক তাড়নাকে গৌণ করে মননের সমুদ্রমন্থনে অমৃত খুঁজে পাওয়া। আসলে সেসময়ে উত্তম কুমার ছাড়াও অন্যান্য ছবিতে যে প্রেম দেখানো হতো সেখানে শরীরের কলকব্জা খুব বেশি থাকতো না। মা-বাবা পরষ্পরকে কতটা ভালোবাসেন সেটা একটা গবেষণার বিষয় ছিল। ওঁদের প্রেমটা মাইক্রোস্কোপিক নকশার মতো। শরীর নেই। কেবল কিছু নম্র ছুঁয়ে যাওয়া। ওটুকুই সবটুকু।

read more
পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

উত্তম কুমার যে সময়ের ফসল হিসাবে পরবর্তী কালে নিজেকে উপস্থাপন করবেন এ ধরণের ছবিগুলো ছিল তারই প্রস্তুতি পর্ব। কেন জানি না, জেনে হোক বুঝে হোক ছবিটির নামকরণ ছিল অত্যন্ত ইঙ্গিতবাহী। উত্তম কুমারের সমস্ত ফিল্মোগ্রাফ সেই সময় থেকেই ‘গলি থেকে রাজপথে’-ই যাত্রা শুরু করেছিল।

read more
পর্ব-৭১: পুষ্পধনু

পর্ব-৭১: পুষ্পধনু

উত্তমকুমার মানেই তো বাঙালির ব্র্যান্ড। তাঁর কথাবলা, আড়চোখে তাকানো, কিংবা কুণ্ডলীকৃত ধোঁয়ায় সিগারেট চুম্বন—সবেতেই তিনি ক্লাসিক। সবেতেই তাঁর অনায়াস যাতায়াত। বাঙালির অতৃপ্ত বাসনা, কিংবা যৌবনের রসাভাষ সেখানেও উত্তমকুমার। নারী মনোহরণের ব্রান্ড অ্যাম্বাস্যাডার তিনি।

read more
পর্ব-৭০: বিচারক

পর্ব-৭০: বিচারক

যাঁরা উত্তম কুমার-কে কমার্শিয়াল ছবির কেতাদুরস্ত অভিনেতা ভাবতে অভ্যস্ত, যাঁর মধ্যে সমান্তরাল কোনও উচ্চমেধা সম্পন্ন ছবির নায়ক হবার ছিটেফোঁটা গুণাবলীও নেই ভেবে মানসিক তৃপ্তি পান তাঁদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল ‘বিচারক’ ছবিতে পরিচালকের উত্তমায়ন দেখে।

read more
পর্ব-৬৯: সে এক স্বপ্নের ‘চাওয়া পাওয়া’

পর্ব-৬৯: সে এক স্বপ্নের ‘চাওয়া পাওয়া’

১৯৫৯ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেল ‘চাওয়া পাওয়া’ এবং যখন সাফল্য পেল ভাবতে অবাক লাগে, টানা আটটি ছবির সাফল্য হাতের মধ্যে। মনে হওয়া স্বাভাবিক এই জুটির কাছে সাফল্য হল হাতের মুঠোয় থাকা আমলকি মাত্র। ঠিক তখনই ১৯৫৯ এ ১লা মে আরেক ছুটির দিনে মুক্তি পেল অসিত সেনের ‘দীপ জ্বেলে যাই’। নায়িকা সুচিত্রা। নায়ক উত্তম নন, ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য’-র নায়ক বসন্ত চৌধুরী। এবং এ ছবি ব্যবসা করল ৪০০ শতাংশ।

read more
পর্ব-৬৮: দুর্গম গিরি কান্তার ‘মরুতীর্থ হিংলাজ’

পর্ব-৬৮: দুর্গম গিরি কান্তার ‘মরুতীর্থ হিংলাজ’

বিকাশ রায় এমন একজন পরিচালক যিনি গতানুগতিক কাহিনির বাইরে গিয়ে ছবি করতে পছন্দ করেছেন। ওনার পরিচালিত ছবিগুলির প্রাসঙ্গিকতা সেখানেই যে অংশগুলো যে চিন্তার ধারা সচরাচর পরিচালকরা করতে সাহস পেতেন না। বিকাশ রায় সেরকমই একটি কাহিনি নির্বাচন করে বসলেন। অবধূত-র লেখা ‘মরুতীর্থ হিংলাজ’। সবাই অবাক হয়ে গিয়েছিল।

read more
পর্ব-৬৭: উত্তরণ-অবতরণ শেষে স্বপ্নের ‘সূর্যতোরণ’

পর্ব-৬৭: উত্তরণ-অবতরণ শেষে স্বপ্নের ‘সূর্যতোরণ’

প্রথমে বলে রাখা ভালো ১৯৫৪ সালে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ পরবর্তী প্রতিবছর উত্তম-সুচিত্রা ক্রেজ এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছিল যে, অগ্রদূতের পরিচালনায় প্রতিবছর তাঁদের দু’জনের একটা ছবি থাকতোই। যখন উত্তম-সুচিত্রা জুটি, কোনও এক অজানা কারণে প্রশ্নচিহ্নের মুখে তখনও পরীক্ষামূলকভাবে তৎকালীন হিট দেওয়া নায়িকাদের সঙ্গে নিয়ে অগ্রদূত গোষ্ঠী উত্তম বাবুর সঙ্গে ছবি করে গিয়েছেন।

read more

Skip to content