শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

“টু” ছবিতে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে এক খুদে অভিনেতা।

শিশু দিবসে আজ একটি নির্বাক চলচ্চিত্রের কথা। ‘টু’, সত্যজিৎ রায়ের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি। সত্যজিৎ ঘরানার সিগনেচার সুরে, নানা শব্দকল্পে ও মুহূর্তে রঞ্জিত একক যাপনের গল্প। হ্যাঁ, গল্প কিন্তু গল্প নয়। এমনটা হয়, হয়ে থাকে। একক কিন্তু দ্বৈত, বহুর মাঝেও একা একটি শৈশব। খাঁচার পাখি থাকলে, বনের পাখিও আসবে বৈকী! ‘টু’ যখন, তখন আরেকটি সত্তার কথা তো আসবেই। তবে তার আগে অন্য কথা একটু হোক।

মুশকিল হল এই যে, শিশুদের জগৎটা বড়দের দুনিয়ার মতো যদি নাও হয়, শিশুরা বড়দের ক্ষুদ্র সংস্করণ তো বটেই। পৃথিবীর সকল প্রাণিদের একটা শৈশবকাল থাকে। পাড়ার কালু ভুলু থেকে সকল মনীষী, দেবতা, ঋষি কিংবা রাজা-গজা সকলেই ছোট ছিলেন এককালে। ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়, শিবের ছোটবেলার কথা শোনা যায় না অবশ্য। আবার, ইতিহাস-পুরাণ ও বর্তমান-প্রসিদ্ধ সকলকিছুই এই পণ্যের দুনিয়ায় বাচ্চাদের কাছে বাচ্চা হয়ে আসছেন। ছোটা ভীম, ছোটা গণেশ ছাড়াও হিম্যান, সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান এদের সার্থকতা ছোটদের বড় স্বপ্নগুলোকে ধন্য করেই। জয় বাবা ফেলুনাথের রুকুর ঘরে আমরা একদিন ঢুকেছিলাম। দরিদ্র অপুর কাশফুলের মাঠ থেকে মুকুলের মধ্যবিত্ত স্বপ্ন, কল্পনা আর জন্মান্তরের স্মৃতির আশেপাশে অসহায়তা দানা বাঁধে, তবে তা সাময়িক। অনন্ত আনন্দময় জীবনের উত্সার-ই সেখানে মুখ্য।
সত্যজিতের ছবিতে সমাজের নানা শ্রেণির প্রতিনিধি শিশুরা আসে। তাদের কেউ সংখ্যাতত্ত্বের আজকের দিন-দুনিয়ার মাঠে নামতে প্রস্তুত। তারা মনে করে চিরাচরিত একনম্বর থাকা, খাঁটি নিষ্কলুষ থাকার ধারণার পরেও যদি দুনম্বর, তিন নম্বর বলে কিছু আসে তাহলে তারা জানে দুনম্বরি কী, তাদের মতো করে। আবার একদল জগতের ওই জটিল মাঠটায় ছোটে একটা স্বপ্নের ভাঙা-গড়া বুঝে নিতে, হীরকের মর্মর মূর্তির দিকে। সুকুমার রায় খেয়াল রসে ভিজিয়ে যে সুর বাজিয়েছিলেন, যে স্বপনদোলায় দুলে দুলে খোকাখুকুরা রবিঠাকুরের গল্পে গানে ছড়ায় কবিতায় আলোড়ন তোলে, দাদার থেকেও অনেক বড়, বাবার মতো বড় হয়ে মেঘেদের দলে ভেসে ভেসে মধুমাঝির নৌকা কিংবা চাঁদের তরণী ছেড়ে দেয়। তারা দুষ্টুমি করে চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটতে চায়, রাতের বেলা দুপুর হলে দুপুর বেলা রাত কেন নামবে না এমন আপাত যৌক্তিক প্রশ্ন শিশুরাই করতে পারে। যেমন রাজার কাপড় নিয়ে প্রশ্ন তারাই করে, তেমনই শোলোক বলা কাজলাদিদির শূন্যতা নেপথ্যের কার্যকারণ তাদের মনের সন্ধান পায় না।

সে যাই হোক, আজকের শিশু এমন কল্পলোকে ভাসে, এমনভাবেই কি হিরোইজম গড়ে ওঠে তাদের মর্মে মর্মে নাকি তারা ছোট থেকেই বড়, আজন্ম পরিণত, শৈশব তাদের আদৌ আছে কীনা নাকি তা কেবল স্মরণযোগ্য নস্টালজিয়ামাত্র, তাও একটা স্বতন্ত্র আলোচনার ক্ষেত্র। আজকের পণ্যায়িত বিশ্বে খবর থেকে খাবার, মানুষ থেকে মনুষ্যত্ব সকলের কিছু না কিছু দাম হিসেবের কড়িতে মাপা। আজকের শিশু তার ব্যতিক্রম নয়। তার শৈশব, খেলা, আনন্দ, বিনোদন, বেড়ে ওঠার পথে অজস্র উপকরণ, শৈশবকে মধুর করার জন্য। অপু যে ট্রেন দেখতে, রেলগাড়িকে সঙ্গে করে একটা জীবনপথ পাড়ি দিল, সেই রেলগাড়ি থেকে সমরাঙ্গণের নানা অস্ত্র সম্ভার, অদ্ভুত কাল্পনিক চরিত্র কিংবা আলপিন থেকে এলিয়েন কিংবা এলিফ্যান্ট আজ শিশুর খেলনা হয়ে দেখা দেয়।
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৪ : প্রতিদ্বন্দ্বী-গণশত্রু: অন্তর্লোকের অ্যানাটমি

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৭: কেমন আছেন সুনীতি, নদীর নরম ছেড়ে সমুদ্রের নুনে!

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

মনোবিজ্ঞান আলোচনা করে এর ভালমন্দের দিক নিয়ে, যথার্থ কল্পনার উত্সার, অলীক বস্তুবাদ কিংবা বাঁশি, পাখি, পুতুল বনাম বন্দুক, কামান, যৌন-আবেদনে ভরা কল্পচরিত্র কিংবা দুরন্ত স্বার্থপরতার পাঠ… এই বিতর্ক চলতে থাকে, প্রজন্মবাহিত হয়ে। তোদের ছোটবেলা বনাম আমাদের ছোটবেলা, তুমি ভার্সেস আমি-র দ্বৈরথ চলে, ছোট-বড়, ছোট আমি বড় আমি, অহংবোধের চারাগাছ জল সার পেয়ে মহীরূহ হয় দিনে দিনে। আজকের শিশু তার শৈশবকে কীভাবে উদযাপন করে, তার কান্না ভয় বিস্ময় লাঞ্ছনার পাঠ বড়রা কতটা বড় গুরুত্বে দেখেন? তার কোলের পুতুল যদি ঘাতক হয়ে ওঠে, তার হাতে ধরিয়ে দেওয়া নিরীহ যন্ত্র যখন কেবল নিষ্ঠুর প্রাণঘাতী কিছুর রেপ্লিকা, তার মধ্যে জেগে ওঠা লিঙ্গবোধ দেখে, তার শৈশবের সারল্যের সুযোগে ভেঙে খান খান হয়ে যাওয়া স্বপ্নলোক দেখে… লজ্জা পায় কি এখনও আজকের বিশ্ব?

সমস্যাটা এখানেই যে, শিশুকে শিশু ভেবে উঠতে গেলে যে ঔদার্য লাগে ততটা বড়দের থলিতে থাকে না। বরং তাদের “নেহাত্ বাচ্চা”ভাবাতেই তাদের বড় ফানুস বেশ হাওয়া পায়। ছোট থাকা, ছোট করে রাখা, বাড়তে না দেওয়া, ছোট করে দেখা, দমিয়ে রাখা, নানা সামাজিক বৈষম্য তৈরি করে যে বড়রা তারা ভুলেও যায় শিশুরাও শরীরে মনে বড় হয়ে ওঠে। বড়দের এই অদ্ভুত নিয়ম-বেনিয়ম-নিয়মহীন-হিসাবহীন অবস্থার মাঝে দোদুল্যমান ত্রিশঙ্কু সমাজ-দুনিয়ায় প্রশ্রয়, শাসন থাকলেও আশ্রয় নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়, সকল শাসন, পালন, তর্জন-প্রশ্রয়ের শেষে যে আশ্রয় বীজকে মহীরূহ করে।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

উত্তম কথাচিত্র,পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

এই পাকেচক্রে ছোটদের ছোট থাকা, বড় হওয়া, ছোট হয়েও বড় হওয়া, বড় হয়েও ছোট থাকার চেষ্টাটুকুও কোথাও গতি পাচ্ছে কীনা, সুস্থ বাহুল্যবর্জিত স্মরণযোগ্য শৈশব শিশু পাচ্ছে কীনা তা নিয়ে বড়-রা ভাবছে। এই দিনেই ছোটদের নিয়ে ভাবতে হয়, বড়দিনের কেক, সংক্রান্তির পিঠে আর পড়াশোনা করে পরীক্ষা দেওয়ার মতোই এই ভাবনার দিন অভ্রান্ত। এই ফাঁকে একটু “টু”কি দিলে মন্দ কী!

টু ছবিটির নানা দৃশ্য ও দৃশ্যান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অন্য কোনও পর্বে করা যাবে। আজ সেই শিশুটিকে দেখি যে অপুর কাশবন, মুকুলের মধ্যবিত্ত জীবনের বাইরে বৈভবে বাঁচে। তো সেই ভোগবৈভব ও একাকী নিঃসঙ্গ জীবন তাকে কী শেখায়? তার বিত্তবান মা বাবা পেশার তাগিদে চলে যান, ছেলেটির জন্য সাজানো থাকে নানা বিনোদনের সম্ভার, কিংবা ভার। তার ছুটি বা মুক্তি নীল আকাশে, মাঠে, দিঘির ঘাটে, ধুলোয় ঘাসে নয়, বরং ঔপনিষদীয় প্রেয়ঃ আর শ্রেয়ের তত্ত্বে উপন্যস্ত সহজপাঠের মতোই আপাত রমণীয় প্রেয়ঃ তাকে আবিষ্ট করে এই আধুনিক জগতে। যে আধুনিক জগতে পুঁজি ঈশ্বর, যে আধুনিক বিশ্ব যুদ্ধোত্তর, এবং বারুদের সঙ্গে বাঁচে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮২: ত্রিপুরা : উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রত্নভূমি ঊনকোটি

টু, একটি “ফিল্ম ফেবল”, ১৯৬৪ সালের বিশ্বজগতের মায়ালোকের রূপকথা, চুপকথা, নীতিকথা, অনীতির কথাও। তারপরে পৃথিবী বদলাতে বদলাতে আজকের বিশ্বগ্রাম। সেখানে আদর্শের পতন, উত্থান, উদারনীতি, অন্ধ উন্মাদনা, যুদ্ধ, ব্যবসা, ভোগ ও সম্ভোগের সব পথ শিশুদের উঠোন ছুঁয়ে ছুটে চলেছে। তার আঁচ লাগছে কেমন করে? হাতে ঘড়ি, কোমরে তরবারি, মাথায় খরগোশটুপি, হাতে নরম পানীয়ের বোতল নিয়ে, ফুটবলে কিক করে নরম সোফায় গা এলিয়ে অলস যাপনে তার সুখ আসে না তেমন। সদ্য উদযাপিত হয়েছে জন্মদিন, তাতে ঘটে যাওয়া নানা পরিণত সেলিব্রেশনের চিহ্নের পাশেই বেলুন-রঙিন কাগজে মোড়া সুঠাম শৈশব। কী করে কাটবে এই নিঃসঙ্গ বেলা একটি জনহীন বাড়িতে? নানা অদ্ভুত প্ল্যান। দেশলাই জ্বালিয়ে বেলুন ফাটিয়ে, চিউয়িংগাম চিবিয়ে, যেখানে ব্যালেন্স আসে না সেখানেই তার নিরর্থক চেষ্টা করে, চলমান পুতুলের সার্কাস, মুখোশ, ক্যামেরার মহার্ঘ্য সম্ভার চেখে চেখে ছুঁয়ে ছুঁয়ে মন ভরে না। অতঃকিম্, জানলার গরাদের ওপারের আকাশ, মাঠ, হতদরিদ্র একটি শিশুর আনন্দযাপনে চোখ যায়। দ্বৈরথ জাগে, রাজার ধন আর টুনটুনির ধনের।

বড়লোকের ছেলে বাতায়নপথে একে একে তার বৈভব দেখায়। গরিবের ছেলে দমে গিয়েও দমে না। বাঁশি, ঢোল, তীর ধনুক, মুখোশ একে একে আনে। জিততে জিততেও হেরে যায় প্রদর্শনের দুনিয়ায়। আরক্ত মুখে, আনতশিরে ফিরে যায়। ধনীর দুলাল জিতে যায় বৈভবে, প্রদর্শনে, রুচিতে, শৌর্য আর বাঁদিকের বুকপকেটে। যেমনটা বরাবর হয়েছে আর কী! কিন্তু এরপর একটা ঝটকা, বিত্তহীন ছেলেটি ঘুড়ি ওড়ায়, যে মুক্তিকে বৈভবে মাপা যায় না। উদ্ধত বৈভব এয়ারগানের নিঁখুত লক্ষ্যভেদে ঘুড়ির বাধাহীন ওড়ার দর্পচূর্ণ করে অনতিবিলম্বে, যেমনটা হয়ে এসেছে আর কী! বসুন্ধরা তো বীরভোগ্যা বলেই প্রসিদ্ধা, জোর যার মুলুক তারই হয় জলে স্থলে আকাশে, এটাই তো হবে, এতে বিচিত্র কী! আনন্দের, উদযাপনের অধিকারটুকুও সেভাবেই ছিনিয়ে নিতে হয়, একটু বুদ্ধি করলেই হয়।
আরও পড়ুন:

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৫: সুন্দরবনের পাখি: বিলের বালুবাটান

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!

উদযাপনটাও হয় জমজমাট। স্বয়ংক্রিয় পুতুলের দল নেচে গেয়ে আমোদ দেয়, সচল হয়ে মাপা পদক্ষেপে এগিয়ে আসে রোবট, আধুনিক প্রফেশনাল, আবেগশূন্য, পারফেক্ট বিশ্বযন্ত্র। কিন্তু ও কী শোনা যায়, ঘুড়ির ফেঁসে যাওয়া শরীরটার সাথে নেমে আসা নিরানন্দ কী করে আবার মোড় ঘুরে ফিনিস্ক হয়ে বাঁশির সুরে ঊর্ধ্বে উড়ে যায়? প্রেয়ের দুনিয়া আটকে দিতে পারল না তবে শ্রেয়ঃকে? ওদিকে রোবটটা আরও এগিয়ে ভেঙে ফেলল একটা ছোটদের তৈরি, ছোটদের জন্য, ছোটদের দুনিয়ার স্তম্ভকে। যে স্তম্ভের প্রতি ইঞ্চিতে ব্যালেন্স, বেঁধে বেঁধে থাকার শিক্ষা ছিল, ছিল অটুট কল্পনার সৌষ্ঠব, শ্রী, সমারোহ। রোবট থামে না। তার সামনে এখন ক্ষুণ্ণ, ধ্বস্ত, আহত বৈভব, হেরে যাওয়ার গ্লানিতে ম্লানমুখ আনতশির উচ্চবিত্ত শৈশব। পিছনে ভাঙনের পথ, হেলে পড়া পুতুলের ব্যঞ্জনা।

এই হারজিতের ছক কেউ কষে দেয়নি। কিন্তু আজকের বিশ্বের হাটে বিকিকিনির মাণদণ্ডের মায়া জীবনকে এই হারা জেতার লাভ ক্ষতির অনিবার্য শিক্ষায় দীক্ষিত করতে চায় আশৈশব। আজকের শৈশব বেলুন, বাঁশি, ঘুড়ি আর মুক্ত জীবনানন্দের সুর-ছন্দ আত্মস্থ করবে নাকি নকল গোঁফের মিথ্যা শৌর্য আর উদ্ভ্রান্ত ভয় ধরানো শব্দ, তামাসা, মেকি উদ্দাম মজায় মজবে, তা নিয়ে ছোট ছোট ভাবনার সময় বড়দের হাতে বড় একটা আছে কি? —চলবে।

* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content