পর্ব-১৩৯: মধ্যরাতে শিশুর কান্না শুনে রবীন্দ্রনাথ ওষুধ হাতে হাজির হয়েছিলেন

পর্ব-১৩৯: মধ্যরাতে শিশুর কান্না শুনে রবীন্দ্রনাথ ওষুধ হাতে হাজির হয়েছিলেন

রবীন্দ্রনাথ। রানি চন্দকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন অবনীন্দ্রনাথ। মুখে মুখে কত গল্প শোনাতেন তাঁকে। শোনা গল্প নিখুঁত- নির্ভুলভাবে ঠিক অবনীন্দ্রনাথের ভাষাতে লিখে ফেলতেন তিনি। এভাবেই লেখা হয়েছিল দুটি বই, ‘ঘরোয়া’ ও ‘জোড়াসাঁকোর ধারে’। রবীন্দ্রনাথও রানি চন্দকে খুব স্নেহ করতেন।...
পর্ব-৪৩: আকাশ এখনও মেঘলা

পর্ব-৪৩: আকাশ এখনও মেঘলা

ছবি: সংগৃহীত। কয়েকটা মুহূর্ত স্নিগ্ধা মাথা নিচু করে বসেছিল। বাড়িতে দুলালদা যে দিন সরাসরি মায়ের প্রস্তাবে না বলে দিয়েছিল, সেদিন হঠাৎ করে এমনটা হয়েছিল। ঠিক সেরকম হঠাৎ মাথাটা ভয়ংকর ফাঁকা লাগছে। কান যেন গরম হয়ে উঠছে। আশপাশটা হঠাৎ খালি হয়ে গিয়েছে। কিচ্ছু নেই। যেন...
পর্ব-১২৫: সুন্দরবনের পাখি: বিলের বালুবাটান

পর্ব-১২৫: সুন্দরবনের পাখি: বিলের বালুবাটান

প্রজনন ঋতুতে বিলের বালুবাটান। সংগৃহীত। গোত্রা নামের স্যান্ডপাইপারদের কথা পড়তে গিয়ে আর একধরনের পাখির নাম জেনেছিলাম অজয় হোমের লেখা “চেনা-অচেনা পাখি” থেকে। পাখিটির নাম তিনি বলেছেন বিলের বালুবাটান। তবে আরও একটা নাম তিনি বলেছেন – ছোট গোত্রা। বলাবাহুল্য...
পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। উল্লাস ভাবতেই পারছিল না যে, পোঁটলার মধ্যে এ-সব থাকতে পারে। মঙ্গল মাহাতোকে সে যে ভালো চোখে দেখত, তা নয়; কিন্তু এতটাও ভাবেনি। এ যে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোলো! সে পোঁটলাটা সামান্য ফাঁক করে দেখতেই তার মধ্যে সাজিয়ে রাখা বেশ কয়েকটা পিস্তল দেখতে পেল।...
সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৪ : প্রতিদ্বন্দ্বী-গণশত্রু: অন্তর্লোকের অ্যানাটমি

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৪ : প্রতিদ্বন্দ্বী-গণশত্রু: অন্তর্লোকের অ্যানাটমি

গণশত্রু ছবির একটি বিশেষ দৃশ্য। দুটি স্বল্পপরিচিত তরুণ তরুণী। তরুণটি চাকরি খুঁজছে শহর জুড়ে। তরুণীটি বড়লোকের মেয়ে, দুজনে সন্ধ্যায় এসেছে কলকাতার একটি রেস্তোঁরাতে। হাল্কা কথাবার্তা, দুজনেই দুজনকে পছন্দ করতে শুরু করেছে মনে হয়। দু’জনেই একটা ঠিকঠাক আলোচনার বিষয় খোঁজে,...

Skip to content