রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬


দুর্গাপুজোর ঠিক পরেই বাংলার ঘরে ঘরে পুজো পান ধনদেবী। এমনকী যে যে মণ্ডপে দুর্গাপুজো হয় সেখানেও পূজিত হন লক্ষ্মী। দুর্গাপুজোর ঠিক পরের পূর্ণিমাকে বলা হয় কোজাগরী। কিন্তু কেন এমন নাম? কেনই বা এই দিন রাত জাগতে হয়?

‘কোজাগরী’ কথাটি এসেছে ‘কে জাগতী’ থেকে। অর্থাৎ কে জেগে আছ? জনশ্রুতি অনুযায়ী, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনই দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন। বাড়ির দরজা খোলা থাকলে, প্রদীপের আলোয় ভরা থাকলে ধনদেবী সেখানে প্রবেশ করেন।
‘কোজাগরী’ কথাটি এসেছে ‘কে জাগতী’ থেকে। অর্থাৎ কে জেগে আছ? জনশ্রুতি অনুযায়ী, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনই দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন। বাড়ির দরজা খোলা থাকলে, প্রদীপের আলোয় ভরা থাকলে ধনদেবী সেখানে প্রবেশ করেন।

অন্য দিকে এদিন যার বাড়ির দরজা বন্ধ থাকে, ঘর অন্ধকার থাকে সেখানে দেবী প্রবেশ করতে পারেন না। ফিরে যান আশীর্বাদ না দিয়েই। অন্য দিকে এদিন যার বাড়ির দরজা বন্ধ থাকে, ঘর অন্ধকার থাকে সেখানে দেবী প্রবেশ করতে পারেন না। ফিরে যান আশীর্বাদ না দিয়েই।

তাই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন রাত জাগার রীতি আছে, যাতে দেবী এসে ডাকলে দরজা খোলা পান। সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন যাঁরা রাত জেগে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করেন দেবী তাঁদের দুই হাত ভরে আশীর্বাদ করেন। তাই এই দিনটির এমন নাম এবং এ দিন রাত জাগার প্রচলন আছে।

তাই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন রাত জাগার রীতি আছে, যাতে দেবী এসে ডাকলে দরজা খোলা পান। সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন যাঁরা রাত জেগে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করেন দেবী তাঁদের দুই হাত ভরে আশীর্বাদ করেন। তাই এই দিনটির এমন নাম এবং এ দিন রাত জাগার প্রচলন আছে।

Skip to content