
ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত।
মঙ্গলবার সরকারিভাবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ধুকেছে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবারও বৃষ্টি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবারও সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে অল্প বিস্তর বৃষ্টি হচ্ছে। বেলা বাড়লেও রোদের দেখা মেলেনি।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দেশে জুড়ে মৌসুমি অক্ষরেখার অনুকূল পরিবেশ দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ বর্ষা দ্রুত এগোচ্ছে। মৌসুমি বায়ু বাংলা ও ওড়িশা হয়ে ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের একাধিক এলাকায় ঢুকে পড়েছে । দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের উপরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় নিম্নচাপ আরও খানিকটা ঘনীভূত হয়েছে। এখন সে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরে সুনির্দিষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চল হিসাবে অবস্থান করছে। সঙ্গে ঘূর্ণাবর্তও রয়েছে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১১৮: সত্যনিষ্ঠতার মাপকাঠি কী নাস্তিকতার নিরিখে বিচার্য?

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১০২: শ্রীমার অন্তিম সময়কালীন ভবিষ্যবাণী

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৬২: এক নির্বাসিত রাজপুত্রের কথা
আগামী ২৪ ঘণ্টায় নিম্নচাপ ক্রমশ উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিক হয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগিয়ে যাবে। এর প্রভাবে একন সপ্তাহভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলবে। বৃহস্পতিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও কোনও এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও জারি করেছে হাওয়া দফতর।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১০৪: ভুবন চিল ও শঙ্খচিল

পর্দার আড়ালে, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-৩: পরেশের পরশপাথর
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানে। এই জেলাগুলিতে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূমেও। এই চার জেলাতে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সমুদ্রও উত্তাল থাকবে। এরকম আবহাওয়ার জন্য মৎস্যজীবীদেরও সতর্ক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২০: রবীন্দ্রনাথ আশ্রমের একমাত্র তাঁকেই প্রণাম করতেন

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬০: পাহাড়ের চূড়ায় বসে দেখলাম হিমবাহের সেই অপরূপ শোভা
উত্তরবঙ্গে অনেক আগেই বর্ষা ঢুকেছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। বাকি জেলাগুলিতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। একটানা বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা অনেকটা কমায় স্বস্তি মিলেছে। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ২৩.০ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। বুধবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি, অর্থাৎ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।
















