কলকাতায় বৃষ্টি

শাঁখামুটি। ছবি : সংগ্রহীত।

শাঁখামুটি সাপের নাম ছোটবেলা থেকে শুনে এলেও প্রথম দেখেছি অনেকদিন পর। তাও আবার স্বাভাবিক পরিবেশে নয়। দেখেছিলাম এক বেদের কাছে যারা সাপ ধরে এবং পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে সাপ নিয়ে খেলা দেখিয়ে রোজগার করে। তবে আমাদের এই এলাকায় যে একসময় যথেষ্ট পরিমাণে শাঁখামুটি সাপ ছিল তা বাবা, জ্যাঠা, ঠাকুমার মুখে শুনেছি। জানতাম যে এই সাপটার ফণা হয় না কিন্তু তীব্র বিষধর সাপ। আর এর গায়ে কালো ও হলদে আড়াআড়ি পর্যায়ক্রমিক ডোরা দাগ বা ব্যান্ড রয়েছে। যেহেতু শাঁখার রং সাদা তাই আমার ধারণা ছিল এই সাপ সাদা-কালো ডোরা দাগযুক্ত হয়। কিন্তু দেখার পর বুঝলাম হলুদ-কালো ডোরা। ঠিক যেমন ব্রিজ বা কালভার্ট-এর গায়ে হলুদ কালো ডোরা থাকে।

ছোটবেলায় সেই প্রথম দেখার পর সত্যি বলতে কি আজ পর্যন্ত আমি নিজের চোখে একটা শাঁখামুটি সাপও দেখিনি। আর আমাদের এলাকায় শাঁখামুটি সাপ স্বচক্ষে দেখেছে এমন কারও মুখে শুনিনি। প্রকৃতপক্ষে আমার ধারণা সুন্দরবনের পশ্চিম প্রান্তিক অংশে সাপটি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত। ভারতীয় সুন্দরবনের পূর্ব অংশের জনবসতি এলাকায় এবং অরণ্য অংশে খুব সামান্য পরিমাণে শাঁখামুটি সাপ টিকে রয়েছে। সর্পগবেষকদের মতে সুন্দরবনের বিষধর সাপেদের মধ্যে বর্তমানে শাঁখামুটি রয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ। কেন শাঁখামুটি সাপের সংখ্যা সুন্দরবন অঞ্চলে বিপুলভাবে হ্রাস পেল তা নিয়ে আলোচনা করব শেষে।
যেহেতু এই সাপের গায়ে ব্যান্ড বা ডোরা দাগ থাকে তাই ইংরেজিতে এই সাপের নাম ‘Banded krait’। বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Bungarus fusciatus’। অনেকে এই সাপকে শঙ্খিনী বা শাঁখামুটি কেউটে বলে। আগেই বলেছি এই সাপ ফণাহীন। এদের গড় দৈর্ঘ্য হয় প্রায় এক মিটার বা তিন ফুটের সামান্য বেশি। তবে কোনও কোনও শাঁখামুটি সাপ ৪-৫ ফুট লম্বাও হয়। এদের মাথার দিকটা দেখতে অনেকটা ত্রিভুজাকার কিন্তু সামনের দিকটা ভোঁতা। এদের শিরদাঁড়া অনেকটা ত্রিকোণাকার। মানে প্রস্থচ্ছেদ করলে টুকরোগুলো ত্রিকোণাকার দেখাবে। বাইরে থেকে এদের শিরদাঁড়া স্পষ্ট বোঝা যায় কারণ ওদিকটাই উঁচু। তবে লেজের দিকটা কিন্তু গোল আর লেজের প্রান্ত ভোঁতা। এদের সারা শরীর ঘিরে থাকা আঁশগুলো এত ঘনভাবে থাকে যে গোনা মুশকিল। শিরদাঁড়ার আঁশগুলো দুপাশের আঁশের তুলনায় অনেকটাই ছোট হয়। লেজের দিকের আঁশগুলো দুটো সারিতে বিন্যস্ত থাকে।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬৫: শিয়রচাঁদা

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু! পর্ব-১৫২: হার্ড ড্রাইভ হত্যারহস্য / ৩২

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৭৫: কৃষ্ণবিরোধিতার প্রসঙ্গে ভীষ্মের বিরূপ সমালোচনা সত্ত্বেও কে স্মরণীয়? শিশুপাল? না ভীষ্ম?

এআই যুগেও উপনিষদের আবেদন অমলিন, কেন?

এদের মুখে আঁশের সংখ্যা ১৫টি। নিচের ঠোঁটে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় আঁশের তুলনায় চতুর্থ আঁশটি আকারে বড় হয়। দুটো চোখ ছোট ও কুচকুচে কালো। এদের সারা শরীর জুড়ে হলুদ ও কালো ব্যান্ডের কথা বলেছি। প্রতিটি ব্যান্ড প্রায় চার সেন্টিমিটার চওড়া হয়। সমস্ত বিষধর সাপের মধ্যে শাঁখামুটি সাপ এই ব্যান্ড বা ডোরা দাগের কারণেই সবচেয়ে রূপবান কিংবা রূপবতী। দেখলে মনে হবে কোনো শিল্পীর রঙ-তুলি দিয়ে আঁকা। শোনা যায় কখনও কখনও কালো ব্যান্ডের পরিবর্তে কালচে বেগুনি ব্যান্ড রয়েছে। তবে এদের পেটের দিকের রং কিন্তু সাদা। অবশ্য কখনও কখনও হলুদাভও হয়।
কলকাতায় বৃষ্টি

মন্থর গতিতে এগোচ্ছে শাঁখামুটি। ছবি : সংগ্রহীত।

শাঁখামুটি সাপ খুবই শান্ত প্রকৃতির সাপ। এদের গতিও খুব মন্থর। মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। তাই জনবসতি থেকে কিছু দূরে খাল, বিল, পুকুর, ঝিল ইত্যাদির কাছাকাছি ঘাসের জঙ্গলে থাকতে পছন্দ করে। উলু ঘাস ও কাশের বন ওদের থাকার আদর্শ জায়গা। শুকনো হলদেটে ঘাসের জঙ্গলের মধ্যে ওদের গায়ের রং অনেকটা মিশে যায় বলে এখানে এরা নিরাপদ বোধ করে। ওদের চলার পথে বা কাছাকাছি কোনও মানুষের উপস্থিতি টের পেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আর যদি তা সম্ভব নয় বোঝে তখন কুণ্ডলী পাকিয়ে মাথাটাকে কুন্ডলীর ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। এ থেকে বোঝা যায় শাঁখামুটি কতটা ভীতু প্রকৃতির সাপ। তাই যতই বিষাক্ত হোক না কেন এই সাপ থেকে মানুষের বিপদের সম্ভাবনা খুবই কম।
আরও পড়ুন:

বিচিত্রের বৈচিত্র, গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৬৯ : ঘটজাতক/৪ : বীরভোগ্যা বসুন্ধরা

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৮: স্তাবক-পরিবেষ্টিত রাজা কেবল অন্ধই হন না, নিজের দুর্গেই জ্যান্ত সেদ্ধ হন!

শোনা যায়, এই সাপের উপর একাধিকবার পা দেওয়া সত্ত্বেও সে কামড়ায়নি। আমার মনে হয় শাঁখামুটি সম্পর্কে এটা একটু বাড়াবাড়ি রকমের গল্প। শাঁখামুটি সাপেদের মধ্যে সমাজবদ্ধভাবে বসবাসের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইঁদুরের গর্তে এরা বসবাস করে। প্রয়াত সর্পবিদ নকুল চট্টোপাধ্যায় বলেছেন যে ৭-৮ টি শাঁখামুটি একসঙ্গে বসবাস করে। আর যেখানে তারা বাসা বাঁধে তার আশেপাশে ৪-৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অন্য শাঁখামুটিদের কোনো আস্তানা দেখা যায় না। অন্তঃপ্রজাতি সংগ্রাম এড়াতে হয়তো এরা এইরকম ব্যবস্থা নেয়। তবে নিজেদের বসতিতে একটি গর্তের মধ্যে সাধারণত একটি শাঁখামুটি সাপ বাস করে। তবে নকুলবাবু কখনো কখনো একটি গর্তে দু-তিনটি সাপ থাকতেও দেখেছেন।
আরও পড়ুন:

জন্মশতবর্ষে উত্তমকুমার : শতফুল বিকশিত হোক

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১১১ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ৪

শাঁখামুটি সাপ নিশাচর। সন্ধের পর এদের শিকারের সন্ধানে বেরোতে দেখা যায়। এদের প্রিয় খাদ্য হল সাপ। প্রায় সমস্ত রকমের নির্বিষ ও বিষধর সাপ এদের খাদ্য। এছাড়া এদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে ইঁদুর, ব্যাঙ, টিকটিকি, গিরগিটি ইত্যাদি। তবে এরা কিন্তু খাবারের ব্যাপারে বেশ খুঁতখুঁতে। সব জাতের ব্যাঙ বা সব জাতের ইঁদুর খায় না। শাঁখামুটি ছোট বড় সব রকমের সাপ খেতে পছন্দ করে। সাড়ে চার ফুট লম্বা একটা শাঁখামুটি সাপ সাড়ে তিন ফুট লম্বা কোনও সাপকে অনায়াসে গিলে নিতে পারে। শীতকালে এরা শীতঘুমে থাকে বলে সেই সময় দেখা যায় না। বর্ষার ঠিক পরেই এদের বেশি দেখা যায়। তবে এসব এখন আমাদের বসতির অংশে অতীত।
কলকাতায় বৃষ্টি

জলের কাছে মাছের খোঁজে শাঁখামুটি। ছবি : সংগ্রহীত।

শরৎকাল চলে গেলে যখন হালকা শীতের আমেজ আসে তখনই পুরুষ ও স্ত্রী শাঁখামুটি প্রজননের জন্য মিলিত হয়। অর্থাৎ আশ্বিন-কার্তিক মাস হল এদের মিলনকাল। আড়াই থেকে তিন বছর বয়স হলে শাঁখামুটি সাপ প্রজননে সক্ষম হয়। এই সময় স্ত্রী শাঁখামুটি সাপ তার শরীর থেকে একপ্রকার রাসায়নিক নিঃসরণ করে যা অনুসরণ করে পুরুষ শাঁখামুটি তার কাছে পৌঁছায়। যেহেতু এরা সমাজবদ্ধভাবে থাকে তাই কোনও পুরুষ শাঁখামুটি সাপকে অনেক দূর থেকে স্ত্রী শাঁখামুটির কাছে আসতে হয় না। যৌনমিলনের ৯০ থেকে ১০৫ দিন পর স্ত্রী শাঁখামুটি ডিম পাড়ে।

সাধারণত যে বাসায় এরা শীতঘুমে কাটায় সেখানে এরা ডিম পাড়ে না। একবারে সাধারণতঃ ১৩-২০টি ডিম পাড়ে। তবে ৩৪টি ডিম পাড়তেও দেখা গেছে। প্রতিটি ডিমের রঙ সাদা আর লম্বায় সাড়ে চার সেন্টিমিটার। ডিমগুলোর খোসা নরম। অন্যান্য সাপের ডিমের মতো এদের ডিমও জলীয় বাষ্প শোষণ করে ক্রমশঃ ফুলে ওঠে যাতে বাচ্চা সহজে ডিম ফাটিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে। বাচ্চা বেরোনোর কয়েকদিন আগে মা শাঁখামুটি গর্ত ছেড়ে পালায়। ৬০-৭০ দিন পর ডিম ফুটে বাচ্চারা বেরিয়ে আসে। সদ্যোজাত সাপের দৈর্ঘ্য হয় গড়ে ১১.৫ ইঞ্চি।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৮৪: বুনো তেঁতুল, বাঘা ওল

এইবার আসি সুন্দরবন অঞ্চলে শাঁখামুটি সাপের বিরলতার প্রসঙ্গে। আগেই বলেছি শাঁখামুটি সাপ অত্যন্ত বিষধর সাপ কিন্তু এর কামড় অত্যন্ত বিরল ঘটনা। আর তাই শাঁখামুটির দংশনে মৃত্যুর হার ০.০০০০০০৭ শতাংশের কম। তবে এদের বিষ অত্যন্ত তীব্র মারণক্ষমতাসম্পন্ন। মাত্র ৬ মিলিগ্রাম বিষ একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম। একটি পূর্ণবয়স্ক শাঁখামুটি সাপ স্বাভাবিকভাবে দংশন করলে যে পরিমাণ বিষ ঢালতে পারে তার শুষ্ক ওজন ২২ মিলিগ্রাম। ফলে বোঝাই যাচ্ছে একটি পূর্ণবয়স্ক শাঁখামুটি সাপের বিষ চারজন মানুষকে মৃত্যুর কোলে ঢলিয়ে দিতে পারে। কিন্তু যেহেতু শাঁখামুটি সাপের দংশন অতি বিরল তাই এই সাপের বিষের কোনও প্রতিষেধক তৈরি হয়নি। কালাচ বা শিয়রচাঁদা সাপের বিষের প্রতিষেধক দিয়েই চিকিৎসা করা হয়। আর যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হয় তাহলে শাঁখামুটির দংশনের দু’ঘণ্টার মধ্যেই একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারে।
কলকাতায় বৃষ্টি

(উপরে) ডিম নিয়ে মা শাঁখামুটি। (নীচে) কুণ্ডলী পাকিয়ে শাঁখামুটি। ছবি : সংগ্রহীত।

তবে এতদসত্ত্বেও শাঁখামুটির মতো বন্ধু সাপ পাওয়া দুষ্কর। একটি পূর্ণবয়স্ক শাঁখামুটি সাপ বছরে গড়ে প্রায় ৫০টি বিষধর সাপ খায়। সুন্দরবন অঞ্চলে এই বিষধর সাপের তালিকায় প্রধান তিনটি নাম হল কালাচ, কেউটে ও গোখরো। শুধু ৫০টি সাপ দেখলেই হবে না, এদের খেয়ে নেওয়া মানেই এদের থেকে আরও যেসব সাপের জন্ম হত সেটাও বন্ধ করা। তাই সুন্দরবন অঞ্চলে যতদিন শাঁখামুটি সাপের সংখ্যা যথেষ্ট পরিমাণে ছিল ততদিন কালাচ, কেউটে ও গোখরোর বাড়বাড়ন্ত হয়নি।

শাঁখামুটি সাপ যেহেতু খুব মন্থর গতিসম্পন্ন এবং ভীতু, তাই এদের হত্যা করাও খুব সহজ। অপরিণামদর্শী সুন্দরবনের মানুষ তা-ই করেছে। তাছাড়া উজ্জ্বল হলুদ ব্যান্ডের জন্য রাতের অন্ধকারেও এদের খুব স্পষ্ট দেখা যায়। শাঁখামুটির এই বৈশিষ্ট্যগুলি হয়ে গেছে তার মৃত্যুর কারণ। প্রাকৃতিকভাবেই যেখানে কালাচ, কেউটে ও গোখরোর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত হত তা আর সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে সুন্দরবন অঞ্চলে এই তিনটি বিষধর সাপের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং তাদের দংশনে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। প্রকৃতি কখনওই এই ভারসাম্যহীনতা সহ্য করে না। সুন্দরবন অঞ্চলে সর্প দংশন ও তজ্জনিত মৃত্যুহার কমাতে গেলে যে কটি শাঁখামুটি এখনও অবশিষ্ট আছে তাদের নিরাপদে থাকতে দিতে হবে এবং দ্রুত বংশবিস্তারে সাহায্য করতে হবে। —চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content