
মহাপুরুষ ছবির একটি দৃশ্য। সংগৃহীত।
“কাল অতি বিচিত্র বস্তু। কথায় বলে আজ আছি, কাল নেই। আমি বলি, কাল আছি আজ নেই। কাল অর্থাৎ সময়, টাইম। কাল আছে, কিন্তু বর্তমান? বর্তমান বলে কিছু নেই। কী করে থাকবে? অ্যাঁ! কী করে থাকবে! যা ভবিষ্যৎ, যা ভবিতব্য, তা যখন ঘটল সে তো আর ঘটে এক জায়গায় থেমে রইল না, যে তাকে বর্তমানের লেবেল দিয়ে পায়ে শেকল এঁটে ধরে রেখে দেবে, আর ধরে দিয়ে বলবে এই দেখো, এই হল বর্তমান। কথা যেই ফুরিয়ে গেল অমনি তা হয়ে গেল ঘটেছে, বা ঘটে গেছে, বা ঘটেছিল। অর্থাৎ অতীত, ভূত… ভূত… ভূত…”
এরপর বিরিঞ্চিবাবা বুদ্ধ, আইনস্টাইন, প্লেটো প্রমুখের সঙ্গে গভীর আলোচনার সুখস্মৃতি শোনাবেন। আমরাও আজ একটু অন্যদিকে পা ফেলি। দ্য সার্কাস। চ্যাপলিনের ছবির একটি বিখ্যাত দৃশ্যে।
এরপর বিরিঞ্চিবাবা বুদ্ধ, আইনস্টাইন, প্লেটো প্রমুখের সঙ্গে গভীর আলোচনার সুখস্মৃতি শোনাবেন। আমরাও আজ একটু অন্যদিকে পা ফেলি। দ্য সার্কাস। চ্যাপলিনের ছবির একটি বিখ্যাত দৃশ্যে।
দেখা যায়, একটি ক্ষ্যাপা ঘোড়ার তাড়ায় উদ্ভ্রান্ত জনৈক ব্যক্তি নিদ্রিত সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েছে। স্থান সার্কাসের তাঁবু-সংলগ্ন। এ যেন টকের জ্বালায় পালিয়ে এসে তেঁতুলতলায় বাস। পা টিপে টিপে পিছু হেঁটে সেই খাঁচা-গাড়ির দরজা খুলতে গিয়ে দেখা গেল তা আর খুলছে না। যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই তো সন্ধ্যা হয়। এ আবার সিংহ। পাশের জানলা দিয়ে কায়দা করে দরজা খুলতে গিয়ে খিল পড়ে গেল। অকুতোভয় লোকটি রুমাল নেড়ে সঙ্কেত দেয়। কেউ আসে না। এবার সে পাশের কম্পার্টমেণ্টে যাওয়ার শাটার তুলে উঁকি দেয়। ওপারে তখন বাঘ অপেক্ষা করছে, বোধহয় খাবারের। নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে আর একটু হলেই গলিয়ে ফেলা মাথাটা বাঁচিয়ে শাটার ফেলে লোকটা উঠে দাঁড়াতে যায়, দাঁড়াতে গিয়ে একটা বড়সড় ট্রে ওপরের তাক থেকে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। কিন্তু কী অদ্ভুত ব্যালেন্স আর কায়দায় লোকটা ট্রে ধরে ফেলে, খানিক জল চলকে পড়ে কেবল। মাটিতে পড়লে কী হতো তা ভাবলেও ভয় হয়। সিংহটা এখনও ঘুমিয়ে, ট্রে-খানা নিরাপদ দূরত্বে রেখে লোকটা দেখে সিংহ বুঝি এবার তার ঘুমের শেষ স্টেশনে এসে গেল, এই বুঝি জেগে ওঠে। নড়ছে, মাথা নাড়ছে, খাবারের স্বপ্ন দেখছে নাকি? এবার গোদের ওপর বিষফোঁড়া জাগে, একটা ছোট কুকুর কোথা থেকে ছুটে এসে খাঁচার ভিতরে মানুষের মতো দেখতে এই নবীন অতিথিকে দেখে খানিক বিস্ময় আর অবিশ্বাসেই বুঝি কিছু বলতে চায়। ঘেউ ঘেউউউ… লোকটার এখন-তখন অবস্থা এবার। সিংহ যদি জেগে ওঠে এই তাড়নায়? কুকুর এবার খাঁচার শিক ছুঁয়ে ছুঁয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ডাকতে থাকে। খাঁচা থেকে পা বের করে লোকটা বেয়াদব কুকুরটাকে সামলাতে যায়, সে পা, মনে হয় জুতো চেপে ধরে। এই হট্টগোলে এক মহিলা এসে উপস্থিত, কী হয়েছে? এ কী বিচিত্র ব্যাপার! ওপেন দ্য ডোর! কুইক। ব্যাপার জেনে এবং বুঝে সেই মহিলা এবার বুঝি দরজা খুলে দেবেন? না, তিনি স্রেফ মূর্ছা গেলেন। ভিরমি খেলেন। এদিকে কুকুর পা টানছে। এই অভিঘাতেই বুঝি কুকুর পালিয়ে গেল। মনে হয়, জুতো নিয়েই পালিয়ে গেল।
আরও পড়ুন:

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৭ : সোনার কেল্লা: ডিটেকশনের ড্রয়িংরুম

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৭৬: আকাশ এখনও মেঘলা

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৫: পদ বা ক্ষমতা পেলেই কি ভিতরের স্বভাব বদলে যায়? পঞ্চতন্ত্রের অমোঘ শিক্ষা

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯৪ : শেষ অঙ্ক
কী বলেছিলেন যেন বিরিঞ্চিবাবা? বর্তমান নেই, আছে শুধু ভবিতব্য, ভবিষ্যৎ আর অতীত। জীবন-মৃত্যুকে যে পায়ের ভৃত্য করেছে তার কাছে ঘটমান বর্তমান হয়তো বুভুক্ষুর সামনে পোড়া রুটির মতোই সত্য। তবে সেই বর্তমানের ছুটে চলা এতোই দ্রুত যে, তা প্রতিমুহূর্তেই অতীত হয়ে যাচ্ছে, আর প্রতি মুহূর্তেই নানা সম্ভাবনার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে, খুলে যাবে। মানে ব্যাপারটা এইরকম যে, গাছ থেকে ফলটা পেড়ে ফেললেই “তা ঘটে গেছে”, এবার খোসা “ছাড়ানো হবে”, খোসা ছাড়ালেই “তা ঘটে গেছে”, এবার খাওয়া হবে, আর খাওয়া হয়ে গেলে সবটাই বিশুদ্ধ অতীত।
এই খাঁচার লোকটার সামনে তেমন একটি মুক্তির সম্ভাবনা, আর অনেকগুলো বিপন্নতা, উত্তরণের নানা ফন্দি এসেছে, চলে গেছে। অতি দ্রুত ঘটেছে, ঘটছে এসব। প্রতি সমস্যা, সমাধানের তত্ত্ব, প্রয়োগ ও ব্যর্থতা এত দ্রুত আসছে যাচ্ছে যে খাঁচার লোকটি বর্তমানে আছে, সেই ঘোরতর বর্তমানে বাঁচছে, তাকে উপভোগ করছে এ যেমন একরকম সত্য, তেমন-ই সত্য সকল বর্তমানের নিমেষে অতীত হয়ে শুধু জেগে থাকা উদগ্র, উদ্যত ভবিষ্যৎ।
এই খাঁচার লোকটার সামনে তেমন একটি মুক্তির সম্ভাবনা, আর অনেকগুলো বিপন্নতা, উত্তরণের নানা ফন্দি এসেছে, চলে গেছে। অতি দ্রুত ঘটেছে, ঘটছে এসব। প্রতি সমস্যা, সমাধানের তত্ত্ব, প্রয়োগ ও ব্যর্থতা এত দ্রুত আসছে যাচ্ছে যে খাঁচার লোকটি বর্তমানে আছে, সেই ঘোরতর বর্তমানে বাঁচছে, তাকে উপভোগ করছে এ যেমন একরকম সত্য, তেমন-ই সত্য সকল বর্তমানের নিমেষে অতীত হয়ে শুধু জেগে থাকা উদগ্র, উদ্যত ভবিষ্যৎ।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫৭: ধেড়ে ইঁদুর

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৭৩ : পিঞ্জরে অচিন পাখি
এদিকে সিংহ হাই তুলছে। ঘুমের শেষ স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ট্রেন ঢুকছে। লোকটা মরণপণ করে আপ্রাণ চেষ্টায় সেই ট্রের জল ছিটিয়ে দিচ্ছে বাইরের ঘাসজমিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা মহিলার মুখে, এ-ই তার জীবনের ধ্রুবতারা এখন। যদি জ্ঞান ফেরে। কিন্তু সিংহ হাই তুলে জেগে ওঠে। ট্রে ফেলে লোকটা দরজার কাছে ছুটে গিয়ে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকে। সিংহ উঠে বসে, তারপর হেঁটে এসে লোকটার গা শুঁকে চলে যায়। এই অবিশ্বাসের দুনিয়ায় সেও মনে হয় বিশ্বাস করতে পারেনি ব্যাপারটা। তার কী যে হয় কে জানে, ফিরে গিয়ে গম্ভীর মুখে বসে, তারপর পিছন ফিরে মাথা বিচিত্র কায়দায় রেখে ঘুমিয়ে পড়ে বুঝি। কী আঘাত সে মনে মনে পায় কে জানে!
আরও পড়ুন:

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১০২ : ত্রিপুরার রাজপরিবারে সতীদাহ প্রথা

রবীন্দ্র জয়ন্তী: তথ্যচিত্র— রবীন্দ্রনাথ, সভ্যতার সঙ্কট
ওদিকে স্থানু হয়ে যাওয়া লোকটা সচল হয় আবার। বুকে হাত দিয়ে হৃদস্পন্দন খোঁজে। শেষে মনে হয় পকেটেই খুঁজে পায় তাকে। সত্যি তো! প্রাণের তাগিদে, পেটের জন্য এই সার্কাসপার্টিতে থাকা। পুরো জগৎটাই এমন। এখান থেকে বেরোতে পারলেও জগৎ থেকে?
তবে, এবার লোকটার তলানিতে ঠেকা সাহস হঠাৎ করেই উপচে পড়া চৌবাচ্চার মতো হয়। বর্তমানেই হয়। ওদিকে বর্তমানে যিনি সংজ্ঞাহীন ছিলেন ভিরমি খেয়ে, তাঁর জ্ঞান ফেরে। যা ছিল সুদূর সম্ভাবনা, তা-ই এখন ঘটমান বর্তমান। কিন্তু দরজা খুলে দিলেও লোকটা এখন আর বেরোতে চাইছে না, সিংহবিজয়ী হয়ে তার কাছে সব ভয় এখন অতীত। কিন্তু এই বর্তমান তো যেন ক্ষণিকের অতিথি। সে মেয়েটাকে এইবেলা ইম্প্রেস করতে চায় বুঝি এভাবেই! সিংহের কাছে বেশ কায়দা করে এগিয়ে গিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সিংহ এখন তার অতীত ভাববিহ্বলতা সামলে উঠেছে, তবে সামনের এই বিচিত্র সার্কাস সে খানিক বিস্ময় নিয়ে চেয়ে দেখে, রোজ রোজ সার্কাস দেখার সুযোগ তার নেই, তাকেই সকলে দেখতে চায় সার্কাসে। কিন্তু নিতান্ত এক মানুষের এমন ধৃষ্টতা তার সহ্য হয় না, বিহ্বলতাকে অতীত করে দিয়ে সে ঘ্যাঁক করে ওঠে। লোকটা এই প্রবল বর্তমানের অভিঘাতে তার যাবতীয় জারিজুরি কে অতীত করে খাঁচা থেকে ছিটকে বেরিয়ে দৌড় দেয় ভবিষ্যতে। মুক্তির দৌড়, যে মুক্তিকে একটু আগেই সে উপেক্ষাই করছিল। হাল্লার রাজা মুক্তি পেয়ে এমন করেই ছুটেছিলেন। সেই লোকটা এখন একটা আখাম্বা পোস্টের মাথায় উঠেছে ভয়ে। নিচে সেই মহিলা। “এখনও অনেক পথ হাঁটা বাকি, পারলেও দিতে পারবে না ফাঁকি, নিশ্চয়…”
তবে, এবার লোকটার তলানিতে ঠেকা সাহস হঠাৎ করেই উপচে পড়া চৌবাচ্চার মতো হয়। বর্তমানেই হয়। ওদিকে বর্তমানে যিনি সংজ্ঞাহীন ছিলেন ভিরমি খেয়ে, তাঁর জ্ঞান ফেরে। যা ছিল সুদূর সম্ভাবনা, তা-ই এখন ঘটমান বর্তমান। কিন্তু দরজা খুলে দিলেও লোকটা এখন আর বেরোতে চাইছে না, সিংহবিজয়ী হয়ে তার কাছে সব ভয় এখন অতীত। কিন্তু এই বর্তমান তো যেন ক্ষণিকের অতিথি। সে মেয়েটাকে এইবেলা ইম্প্রেস করতে চায় বুঝি এভাবেই! সিংহের কাছে বেশ কায়দা করে এগিয়ে গিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সিংহ এখন তার অতীত ভাববিহ্বলতা সামলে উঠেছে, তবে সামনের এই বিচিত্র সার্কাস সে খানিক বিস্ময় নিয়ে চেয়ে দেখে, রোজ রোজ সার্কাস দেখার সুযোগ তার নেই, তাকেই সকলে দেখতে চায় সার্কাসে। কিন্তু নিতান্ত এক মানুষের এমন ধৃষ্টতা তার সহ্য হয় না, বিহ্বলতাকে অতীত করে দিয়ে সে ঘ্যাঁক করে ওঠে। লোকটা এই প্রবল বর্তমানের অভিঘাতে তার যাবতীয় জারিজুরি কে অতীত করে খাঁচা থেকে ছিটকে বেরিয়ে দৌড় দেয় ভবিষ্যতে। মুক্তির দৌড়, যে মুক্তিকে একটু আগেই সে উপেক্ষাই করছিল। হাল্লার রাজা মুক্তি পেয়ে এমন করেই ছুটেছিলেন। সেই লোকটা এখন একটা আখাম্বা পোস্টের মাথায় উঠেছে ভয়ে। নিচে সেই মহিলা। “এখনও অনেক পথ হাঁটা বাকি, পারলেও দিতে পারবে না ফাঁকি, নিশ্চয়…”
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৬৪: ভাবি প্রশাসক রামের প্রশিক্ষণের সূচনা—রাক্ষস খরের সঙ্গে সংঘাত
সেই কোন কালে রাজা দুষ্যন্ত বুঝেছিলেন, “ভবিতব্যানাং দ্বারাণি ভবন্তি সর্বত্র”… ভবিষ্যতের দরজা সর্বত্র উন্মুক্ত। ঐ হল “লব্ধব্যমর্থং লভতে মনুষ্যঃ”… যা ঘটবার ঠিক ঘটবেই। ওই লোকটার বর্তমানটা অতীতে ঢুকে গেছে, খানিক আগেই তা ছিল অকল্পনীয় ভবিষ্যৎ। “ত্রিকালজ্ঞ” বিরিঞ্চিবাবা অতীত আর ভবিষ্যতের মাঝে বাফারে থাকা বর্তমানের মাখনটুকু বাদ দিয়ে দুপাশের রুটিটাকেই সার সত্য বলে জানিয়েছেন “কাল আছে আজ নেই।” কবিও যে তাই বলছেন, “যে জন আছে মাঝখানে, সন্ধ্যাবেলা কে ডেকে নেয় তারে?” অতীত না ভবিষ্যৎ?—চলবে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।


















