
খেলাঘর। ছবি: সংগৃহীত।
একঝলকে
এ ছবির বড় সম্পদ প্রত্যেকটা ইউনিটে বাঘা বাঘা মানুষের অংশগ্রহণ। চিত্রনাট্য এবং কাহিনিতে সলিল সেনগুপ্ত, সম্পাদনায় অর্ধেন্দু চট্টোপাধ্যায়, শিল্পনির্দেশনায় সত্যজিৎ রায় খ্যাত বংশী চন্দ্রগুপ্ত, শব্দ গ্রহণে দেবেশ ঘোষ, রূপসজ্জায় মদন পাঠক। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে অবধারিতভাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। আর পরিচালনার সঙ্গে সঙ্গে যিনি ক্যামেরার পিছনে দাঁড়াতে ভুলতেন না সেই সর্বজনশ্রদ্ধেয় অজয় কর।
প্রেম হলে মাথার ভিতরেও চার দেওয়াল আর ছাদ তৈরি হয়। তাই উত্তম কুমারের প্রেমে ঠোঁটের চাইতেও চোখকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কারণ ওঁরা তখন ছিলেন জাত রোমান্টিক। তাকানো তো একটা মস্ত বড় শিল্প। আজকের প্রজন্ম অবধি যারা, তাঁদের বিনিময়কে ছোট থেকে দেখেছে আলোর মতো একেকটা জেশ্চারে। সেক্স নয়, বরং সেক্সের বহু বহু আগে যে ছেলেটা রোজ সকালে রাধাচূড়ার নীচে ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করত প্রেমিকার জন্য, কেবল ওই অপেক্ষাটুকু নিয়েই পাতার পর পাতা ভরিয়েছেন তাঁরা। কবির ভাষায়, “ক্ষণকালের আভাস হতে চিরকালের তরে এসো…”।

উত্তম কথাচিত্র,পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৭: কেমন আছেন সুনীতি, নদীর নরম ছেড়ে সমুদ্রের নুনে!

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৫: সুন্দরবনের পাখি: বিলের বালুবাটান
আসলে সিনেমার কাহিনিতে যে অংশের বার্তা মানুষের মনোগ্রাহী হয়, খুব কম নায়ক -নায়িকাই সেটাকে হৃদয়ঙ্গম করে দর্শক-মননে রোপন করতে পারেন। ‘খেলাঘর’ সিনেমা ছিল সে সময়ের দুটো প্রজন্মের সেতুবন্ধন।

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮২: ত্রিপুরা : উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রত্নভূমি ঊনকোটি
কেউ কখনও একটুও শেখাতে চাইলেন না প্রণয় মৃত্যুর চেয়েও গোপন একটি রহস্য। আমরা জানতেই পারলাম না ভালোবাসলে সবদিকেই সুর্যোদয় হয়, ওসব পূর্ব-পশ্চিম সব বাজে কথা! ছবির কারিগররা কুশীলবের মাধ্যমে এই দুটি প্রজন্মের সত্তাকেই যেন অলিখিতভাবে মেলানোর চেষ্টা করেছিলেন।

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৪ : প্রতিদ্বন্দ্বী-গণশত্রু: অন্তর্লোকের অ্যানাটমি

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!
ছবির গান নিয়ে হেমন্ত মুখার্জীর অবিস্মরণীয় চেষ্টা বিশেষত বোম্বে ঘরানাকে প্রাধান্য দিয়ে হেমন্ত বাবুর যে এগিয়ে থাকা প্রতি ছবিতে বাধ্যতামূলকভাবে থাকতো এ ছবিও তার ব্যতিক্রম ছিল না।
সবদিক জরিপ করে বলা যায়, একটি সময়ের পূর্ণাঙ্গ দলিল এ ছবির পরতে পরতে জড়িয়ে আছে এবং উত্তম কুমারের মতো ক্ষণজন্মা অভিনেতা, নায়িকা মালা সিনহাকে কখনোই বুঝতে দেননি যে, ক্যামেরার সামনে ছবি তোলানো তাঁর পক্ষে বোধগম্য হওয়া কতটা কঠিন।—চলবে।
* উত্তম কথাচিত্র (Uttam Kumar–Mahanayak–Actor) : ড. সুশান্তকুমার বাগ (Sushanta Kumar Bag), অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, মহারানি কাশীশ্বরী কলেজ, কলকাতা।


















