রবিবার ৭ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

মহাকাশ স্টেশনে ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্ল।।

নাসার অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন মহাকাশচারী শুভাংশু শুল্ক। ইতিমধ্যে তিনি পৃথিবীর বাইরে দু’সপ্তাহ কাটিয়ে ফেললেন। এখন তিনি আছেন পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৪০৩ কিলোমিটার উপরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। শুভাংশু মহাকাশ স্টেশনে বসে প্রতি দিন ১৬ বার করে সূর্যোদয় দেখছেন। এখন পর্যন্ত তিনি কত বার সূর্যোদয় চাক্ষুষ করছেন? দু’সপ্তাহে মোট ২৩০ বার সূর্য উঠতে দেখে ফেলেছেন ভারতীয় মহাকাশচারী শুক্লা। এ নিয়ে অ্যাক্সিয়ম স্পেস একটি বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানিয়েছে।
মহাকাশে গতকাল বৃহস্পতিবার শুভাংশুদের দু’সপ্তাহ পূর্ণ হয়েছে। তবে মহাকাশচারীরা কবে পৃথিবীতে ফিরবেন, সে বিষয়ে এখনও স্থির হয়নি। এ নিয়ে নাসা সেই নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করবে। ভারতীয় মহাকাশচারী মহাকাশে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) বসে সেই ঘোষণার জন্যেই অপেক্ষা করছেন। কারণ মহাকাশে মহাকাশচারীদের যা কাজ ছিল, সে সব সম্পূর্ণ হয়েছে। নাসার অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানে শুভাংশুর সঙ্গে আইএসএস-এ গিয়েছেন আরও তিন নভশ্চর— ক্রু-কমান্ডার পেগি হুইটসন, মিশন বিশেষজ্ঞ স্লাওস উজানস্কি-উইজ়নিউস্কি এবং টিবর কাপু। নাসার এই অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানের গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লাই।
আরও পড়ুন:

পর্দার আড়ালে, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-৫: সমাপ্তি: শেষ হয়ে হইল না শেষ

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬১: রাস্তায় গাড়ির তেল শেষ হয়ে গেলে দুর্গতির কোনও সীমা থাকবে না

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) দিনে ১৬ বার করে সূর্য ওঠে। কারণ, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রতি ৯০ মিনিটে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে ফেলে। দিনে আইএসএস মোট ১৬ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। মহাকাশচারীরা লন্ডনের গ্রিনিচের সময় অনুযায়ী মহাকাশ স্টেশনে সময়ের হিসাব রাখেন। অ্যাক্সিয়ম স্পেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘পৃথিবী থেকে ২৫০ মাইল উপরে বসে ক্রু সদস্যেরা পৃথিবীর ছবি এবং ভিডিয়ো তুলছেন। মহাকাশচারী প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁরা মোট ২৩০ বার পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে ফেলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ১০০ লক্ষ কিলোমিটার পথ।’’
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২৩: মেথরকে ডেকে এনে বসাতেন নিজের বিছানায়

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানে গিয়ে মহাকাশচারীদের মহাকাশে ৬০টিরও বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স, অ্যাডভান্সড মেটেরিয়াল্‌স, চাষবাস, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং নিউরোসায়েন্স-এর মতো বিষয়ও ছিল। অ্যাক্সিয়ম স্পেস জানিয়েছে প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছুরিই পরীক্ষানিরীক্ষা সফল হয়েছে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২১: পরিবেশ শুধু প্রাকৃতিক বাতাবরণ নয়, এর প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও সম্পৃক্ত

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১০৭: আমুর বাজ

অ্যাক্সিয়ম স্পেস তাদের একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সব গবেষণা আগামী দিনে মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বিবৃতিতে এও বলা হয়, ‘‘সব টেস্ট টিউব, ডেটা পয়েন্ট এবং পর্যবেক্ষণ পৃথিবীর নিচু কক্ষপথে (লোয়ার আর্থ অরবিট) বসবাসের ক্ষেত্রে আমাদের ক্রমশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’’
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১০৫: মা সারদার সাধুভক্তি

স্পেসএক্সের ‘ড্রাগন’ মহাকাশযানে চড়ে গত ২৫ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল। এই অভিযানে শুভাংশু-সহ চারজন নভশ্চর রয়েছে। বাকি তিনজন হলেন, ক্রু-কমান্ডার পেগি হুইটসন, মিশন বিশেষজ্ঞ স্লাওস উজানস্কি-উইজ়নিউস্কি এবং টিবর কাপু। নাসার এই অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানের গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লাই। শুভাংশুই প্রথম ভারতীয় যিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছেন। নাসা সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী ১৪ জুলাই সোমবারের আগে তাঁদের পৃথিবীতে ফেরার দিন ঘোষণার সম্ভাবনা নেই।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content