
ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্ল।
সব কাজ শেষ। অবশেষে এবার ফেরার পালা। শুভাংশু শুক্লদের পৃথিবীতে ফিরে আসার দিন আসন্ন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু-সহ আরও তিন জন দু’সপ্তাহ কাটিয়ে ফেলেছেন। এ বার মহাকাশ থেকে তাঁদের ‘আনডকিং’ প্রক্রিয়া শুরু হবে। শেষমেশ সেই দিনটি জানিয়ে দিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আগামী সোমবার, ১৪ জুলাই শুভাংশুদের অ্যাক্সিয়ম-৪ ‘আনডক’ করবে।
বৃহস্পতিবার শুভাংশুদের অভিযান নিয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। সাংবাদিক বৈঠকটি ক্রেছিলেন নাসার কমার্শিয়াল ক্রু প্রোগ্রামের ম্যানেজার স্টিভ স্টিচ। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘মহাকাশ স্টেশনের প্রোগ্রামগুলি নিয়ে আমরা কাজ করছি। অ্যাক্সিয়ম-৪-এর অগ্রগতির দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। আমরা মনে করছি, এ বার অভিযান আনডকের সময় এসে গিয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য ১৪ জুলাই সোমবার আনডক করা।’’
আরও পড়ুন:

পর্দার আড়ালে, সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-৫: সমাপ্তি: শেষ হয়ে হইল না শেষ

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

২৩০ বার সূর্যোদয়! দু’সপ্তাহে মহাকাশে ১০০ লক্ষ কিমি পেরোলেন শুভাংশুরা, আর কী কী দেখলেন? পৃথিবীত কবে ফিরছেন?
‘আনডক’ ব্যাপারটি ঠিক কী?
মহাকাশে যে ভাসমান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের গবেষণাগারে গবেষণা করছেন শুভাংশুরা। সেখান থেকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে মহাকাশযানে ওঠার প্রক্রিয়াকেি বলা হয় ‘আনডকিং’ প্রক্রিয়া। শুভাংশু-সহ চারজন মহাকাশচারী যে মহাকাশযানে চড়ে মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরবেন, সেই যানে উঠবেন ১৪ জুলাই সোমবার তারিখ। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে পৌঁছোতে প্রায় ১৭ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই মুহূর্তে শুভাংশুরা পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫০ মাইল উপরে রয়েছেন।
মহাকাশে যে ভাসমান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের গবেষণাগারে গবেষণা করছেন শুভাংশুরা। সেখান থেকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে মহাকাশযানে ওঠার প্রক্রিয়াকেি বলা হয় ‘আনডকিং’ প্রক্রিয়া। শুভাংশু-সহ চারজন মহাকাশচারী যে মহাকাশযানে চড়ে মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরবেন, সেই যানে উঠবেন ১৪ জুলাই সোমবার তারিখ। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে পৌঁছোতে প্রায় ১৭ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই মুহূর্তে শুভাংশুরা পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫০ মাইল উপরে রয়েছেন।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২৩: মেথরকে ডেকে এনে বসাতেন নিজের বিছানায়

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি
নাসার অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন মহাকাশচারী শুভাংশু শুল্ক। ইতিমধ্যে তিনি পৃথিবীর বাইরে দু’সপ্তাহ কাটিয়ে ফেললেন। এখন তিনি আছেন পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৪০৩ কিলোমিটার উপরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। শুভাংশু মহাকাশ স্টেশনে বসে প্রতি দিন ১৬ বার করে সূর্যোদয় দেখছেন। এখন পর্যন্ত তিনি কত বার সূর্যোদয় চাক্ষুষ করছেন? দু’সপ্তাহে মোট ২৩০ বার সূর্য উঠতে দেখে ফেলেছেন ভারতীয় মহাকাশচারী শুক্লা। এ নিয়ে অ্যাক্সিয়ম স্পেস একটি বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) দিনে ১৬ বার করে সূর্য ওঠে। কারণ, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রতি ৯০ মিনিটে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে ফেলে। দিনে আইএসএস মোট ১৬ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। মহাকাশচারীরা লন্ডনের গ্রিনিচের সময় অনুযায়ী মহাকাশ স্টেশনে সময়ের হিসাব রাখেন। অ্যাক্সিয়ম স্পেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘পৃথিবী থেকে ২৫০ মাইল উপরে বসে ক্রু সদস্যেরা পৃথিবীর ছবি এবং ভিডিয়ো তুলছেন। মহাকাশচারী প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁরা মোট ২৩০ বার পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে ফেলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ১০০ লক্ষ কিলোমিটার পথ।’’
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) দিনে ১৬ বার করে সূর্য ওঠে। কারণ, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রতি ৯০ মিনিটে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে ফেলে। দিনে আইএসএস মোট ১৬ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। মহাকাশচারীরা লন্ডনের গ্রিনিচের সময় অনুযায়ী মহাকাশ স্টেশনে সময়ের হিসাব রাখেন। অ্যাক্সিয়ম স্পেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘পৃথিবী থেকে ২৫০ মাইল উপরে বসে ক্রু সদস্যেরা পৃথিবীর ছবি এবং ভিডিয়ো তুলছেন। মহাকাশচারী প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁরা মোট ২৩০ বার পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে ফেলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন প্রায় ১০০ লক্ষ কিলোমিটার পথ।’’
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২১: পরিবেশ শুধু প্রাকৃতিক বাতাবরণ নয়, এর প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও সম্পৃক্ত

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১০৭: আমুর বাজ
অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানে গিয়ে মহাকাশচারীদের মহাকাশে ৬০টিরও বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স, অ্যাডভান্সড মেটেরিয়াল্স, চাষবাস, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং নিউরোসায়েন্স-এর মতো বিষয়ও ছিল। অ্যাক্সিয়ম স্পেস জানিয়েছে প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছুরিই পরীক্ষানিরীক্ষা সফল হয়েছে।
অ্যাক্সিয়ম স্পেস তাদের একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সব গবেষণা আগামী দিনে মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বিবৃতিতে এও বলা হয়, ‘‘সব টেস্ট টিউব, ডেটা পয়েন্ট এবং পর্যবেক্ষণ পৃথিবীর নিচু কক্ষপথে (লোয়ার আর্থ অরবিট) বসবাসের ক্ষেত্রে আমাদের ক্রমশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’’
অ্যাক্সিয়ম স্পেস তাদের একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সব গবেষণা আগামী দিনে মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বিবৃতিতে এও বলা হয়, ‘‘সব টেস্ট টিউব, ডেটা পয়েন্ট এবং পর্যবেক্ষণ পৃথিবীর নিচু কক্ষপথে (লোয়ার আর্থ অরবিট) বসবাসের ক্ষেত্রে আমাদের ক্রমশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’’
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৪: যুদ্ধ করতে সব সময় পেশীশক্তি নয়, দরকার বিশ্বাসের গল্পও

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১০৫: মা সারদার সাধুভক্তি
স্পেসএক্সের ‘ড্রাগন’ মহাকাশযানে চড়ে গত ২৫ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল। এই অভিযানে শুভাংশু-সহ চারজন নভশ্চর রয়েছে। বাকি তিনজন হলেন, ক্রু-কমান্ডার পেগি হুইটসন, মিশন বিশেষজ্ঞ স্লাওস উজানস্কি-উইজ়নিউস্কি এবং টিবর কাপু। নাসার এই অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানের গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লাই। শুভাংশুই প্রথম ভারতীয় যিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছেন। নাসা সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী ১৪ জুলাই সোমবারের আগে তাঁদের পৃথিবীতে ফেরার দিন ঘোষণার সম্ভাবনা নেই।


















